ব্রেকিং নিউজ...
.
অনেক খবরের মাঝেও আরো একটি নির্মম হত্যাকান্ড।
.
গতকাল নাটোরের একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ননী গোপাল ও তাঁর প্রিয়তম স্ত্রী কে ঘাতকেরা নির্মমভাবে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এখনো ঘাতকের সন্ধান করতে পারে নি।
.
মানবতা তুমি ঘুমিয়ে পড়,
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তুমিও ঘুমিয়ে,
কি দরকার বল, এদিকে তো হাতে অনেক গুলো ইস্যু...
.
ইস্যুর পর ইস্যু আসবে,
দেশেএখন রমরমা ইস্যুর ব্যবসা, সুতরাং এই ইস্যুটি অতিব তাৎপর্য বটে কি মিস্টার মানবতাবাদী, মুক্তিযুদ্ধের সৈনিক ???
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Monday, 13 July 2015
সত্য প্রকাশ-
কোরান শব্দের অর্থ "আবৃতি" করা।কারণ জিব্রাইলের বার্তা নাকি মহাম্মদ আবৃতি করেছিলেন।কিন্তুতিনি তা লিখে রাখতে পারেন নি।মহাম্মদ ছিলেন অশিক্ষিত।তাঁর মৃত্যুর ২০ বছর পর মুখে মুখে ছড়িয়ে থাকা আয়াতগুলি সংগৃহীত করার জন্যে খলিফা ওসমান নির্দেশ জারী করেন।ফলে বিভিন্ন ভাবে প্রায় ৭০ হাজার আয়াত সংগৃহীত হয়।যা লেখা ছিল চামড়া,গাছের বাকল,হাঁড় এবং পাথরের উপর।(বুখারী ৪:৭০৯)
এই বিশাল সংগ্রহ নিয়ে সেই সময় তুমুল তর্ক বিতর্ক হয়েছিলো।কীভাবে এর সম্পাদনা করা হবে?
কোনো সমাধান না পেয়ে এক একজন কোরানের সম্পাদনা শুরু করলো।ফলে এক জায়গার আয়াত অন্য জায়গায় চলে গেল।এভাবে জোড়াতালি দেওয়া অসংখ্য কোরান ছড়িয়ে পড়ল চারিদিকে।(বুখারী ৪:৬২,৯:৩০১)
সুতরাং খলিফা ওসমান সবগুলি থেকে যে কোরান উত্তম সম্পাদনার সেটি রেখে বাকী সব পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দেন।(বুখারী ৬:৫১০)
এই ইতিহাস থেকে কি প্রমাণ হয় যে কোরান নির্ভুল এবং আল্লার বাণী?
কোরানে ছোট-বড় ১১৪টি সুরা আছে।অধিকাংশ সুরা অসমাপ্ত এবং যার আগামাথা নাই।কোরানের ৬৬% পুনুরাবৃত্তি বা প্রতিলিপি।যেমন মুসা এবং ফেরাউনের বিষয়ে একই অভিব্যক্তি ৩৯ বার লেখা আছে।আরবের গল্প,ইহুদীদের গল্প পূর্ববর্তী গ্রন্থ তোরাহ্ এবং ইঞ্জিল থেকে সংগ্রহীত।কোরানের মূল মর্ম মানবতা বিরোধী,বিদ্ধেষ,হিংসা,হিংস্রতা,চরমপন্থা এবং স্বৈরাচারিতা।কোরানের কথা অসংলগ্ন এবং পরস্পর বিরোধী।তাই মুসলমানদের স্ববিরোধী নির্দেশ সঠিক বলে মেনে নিতে হবে।এতে জন্ম হবে এক বিকৃত মানসিকতার।বর্তমান বিশ্বের উত্তাল পরিবেশ-ই এর প্রমাণ।
কোরানের অধিকাংশ আয়াত দোজখের বিভত্স বর্ণনা দেয় এবং মহম্মদকে নবী হিসেবে না মানলে হত্যার হুমকী দেয়।কোরানের দোজখ মহম্মদের রাজনৈতিক দোজখ।
মহম্মদের হিংস্রতা সার্বজনীন এবং শ্বাশত।জিহাদ কর নয় মর।জিহাদ কর যে পর্যন্ত দুনিয়ার শেষ কাফের নিশ্চিন্ন না হয়!
আল্লা ছিলেন আরাবিয়ান।কারণ কোরান আল্লার ভাষায় লেখা।তিনি ইংরেজি বা চীনা ভাষা জানেন না।এ করণেই কোরান শুধু আরবী ভাষায় পড়লেই বুঝা যাবে।আর অন্য ভাষায় পড়ে আপনি যদি কোরান না বুঝেন তা হলে ধরে নিতে হবে আল্লা আপনার হৃদয়ে মোহর মেরে দিয়েছে।(সুরা ১৭:৪৫)
কোরান থেকে আমরা ২টি ধারণা পাই;
এক.মহম্মদ আল্লার রসুল;
দুই.কাফেরের বিরুদ্ধে জিহাদ কর।
আপনি যদি নবীর জীবনী এবং কোরান পড়েন,তাহলে কোরানের হিংস্রতা এবং বিদ্বেষ সম্পর্কে ভালো ধারণা পাবেন।কোরানের মূল বাণী মানবতাকে দুই ভাগে বিভক্ত করা;মমিন এবং কাফের।তাই এদের মূল উদ্দেশ্য কাফেরের বিরুদ্ধে অবিরাম যুদ্ধে জয়লাভ করা।কোরানে এমন কিছু লেখা আছে যা আল্লা ছাড়া কেউ জানেনা।তবে যারা জ্ঞানী তারা না জেনেও তা বিশ্বাস করে।(সুরা ৩:৭)
তাই মনে হয় কোরান মূর্খদের জন্য,যার আদর্শ কেউ বুঝতে পারবে না। এই পুস্তকের বিস্ময় কোনদিন শেষ হবার নয়।১৪০০ বছরে ৩০ কোটি মানুষের রক্তপাত পবিত্র কোরানের অবদান।
(কাউকে আঘাত করার জন্য নয়।আমরা জাস্ট সত্য প্রকাশ করলাম।এখন এটি আপনি কোন দৃষ্টিতে নিবেন সেটা আপনার ব্যাপার।)
# জয়শ্রীরাম
হিন্দুত্বই মানবতার শ্রেষ্ঠ সমাধান।
# RSS
Bahubali বাহুবলি’তে কাঁপছে ভারত!
কোথায় মক্কার দালাল হাজী আমির খান।মহাদেবকে অপমানের বদলা নিল 'বাহুবলি'।হর হর মহাদেব ধ্বনিতেই ভেঙে দিল পিকের সব নষ্টামির রেকর্ড।
ভারতে বহুল আলোচিত ছবি ‘ # বাহুবলী’ মুক্তি পেয়েছে শুক্রবার।একই দিন এটি মুক্তি পেয়েছে বিশ্বের চার হাজারেরও
বেশি সিনেমা হলে।আড়াইশো কোটি রুপি বাজেটের ছবি ‘বাহুবলি’তেই এখন কাপছে ভারত!কারণ প্রথম শো দেখতে হলগুলোতে ছিলো উপচেপড়া ভিড়।এমন খবর প্রকাশ করেছে আনন্দবাজার।
২৫০ কোটি টাকা বাজেটের এই ছবিটির ট্রেলার গত মে মাসে বাজারে আসে।এরপর সেটি ইউটিউব এবং বিভিন্ন সামাজিক
যোগাযোগের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেখেছে বিশ্বের কয়েক কোটি মানুষ।আর তারপরই সবজায়গায় আলোচনার জন্ম দেয়
‘বাহুবলী’।
ইতিমধ্যেই এই ছবির গায়ে লেগেছে ‘ভারতের ট্রয়’ বা ‘ভারতের হারকিউলিস’-জাতীয় ট্যাগ।এ কথাও শোনা যাচ্ছে,এখনও
পর্যন্ত এটিই এ দেশের সব থেকে ব্যয় বহুল ছবি।ছবিটি পরিচালনা করেছেন এস এস রাজামৌলি।তামিল-তেলুগু ডবল ভার্সনে নির্মিত হয়েছে ছবিটি।যারা এখনো ছবিটি দেখেনি স্বভাবতই সেসকল দর্শকের কৌতূহল এখন তুঙ্গে।জানা গিয়েছে, তিন বছর ধরে ‘বাহুবলী’র শুটিং হয়েছে।এতে অভিনয় করেছেন প্রভাস,রানা দুগ্গুবাতি,অনুষ্কা এবং তমন্না।হিন্দি এবং মলয়ালম ভাষায় ছবিটিকে ডাব করাও হয়েছে।
‘বাহুবলি’র কাহিনীতে ভারতীয় হিন্দু পুরাণের প্রভাব রয়েছে স্বাভাবিকভাবেই।কস্টিউম থেকে ক্যারেক্টার—সবকিছুতেই রয়েছে মহাভারতের ছায়া।একজন ন্যায়নিষ্ঠ রাজাকে নিয়ে এগিয়েছে ছবির কাহিনী,যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রভাস।জন্মের পরপরই তার ওপরে নেমে আসে মৃত্যুর হুমকি,তখন তাকে বাঁচানোর জন্য জীবন দেয় এক নারী,এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন রামাইয়া কৃষ্ণন।তবে মৃত্যুর আগে তরুণ
রাজাকে ঠিকই একটি পরিবারের হাতে তুলে দিয়ে যায় সে।সেখানেই বেড়ে উঠতে থাকে তরুণ রাজা।বড় হয়ে উঠলে একসময় সে অনুভব করে,পাহাড়ের অন্য প্রান্তে তার জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে বহু কিছু।সে বুঝতে পারে,তার বেঁচে থাকার কারণ অনেক বড়,তার অস্তিত্ব এমনকি তার জীবনের
চেয়েও।এখান থেকেই ‘বাহুবলি’র গল্প শুরু।
তবে মজার বিষয় হলো,তিন ঘণ্টার এই দীর্ঘ ছবির মাধ্যমে কিন্তু ‘বাহুবলি’র সমাপ্তি ঘটেনি।এটা হলো শুরু!ছবির ট্যাগলাইন লক্ষ করলে আপনিও বুঝবেন,‘বাহুবলি:দ্য বিগিনিং’!আগামী বছর আসবে ‘বাহুবলি:দ্য কনক্লুশন’।তার আগ পর্যন্ত এই অর্ধসমাপ্ত ধুন্ধুমারী ছবি দেখেই ফিরতে হবে দর্শকের।
ছবির কাহিনীতে মৌলিকত্বের অভাব খানিকটা দেখা যায়,তবে সবকিছুই ঢেকে গেছে পরিচালকের মুন্সিয়ানায়।রাজামৌলির দূরদৃষ্টি এবং প্রয়োগ,দুটোই দারুণ মানছেন সমালোচকরা।ছবির নায়ক-নায়িকা সবাই দক্ষিণী সুপারস্টার,তবে এই ছবির আসল তারকা অবশ্যই পরিচালক রাজামৌলি।অ্যাকশন কোরিওগ্রাফি,সেটডিজাইনিং,লোকেশন,চরিত্র,অ্যাকশন
দৃশ্য—সবকিছুতে দুর্দান্ত স্পেশাল ইফেক্টের ব্যবহারের মাধ্যমে চিত্রায়ণ;রাজামৌলি নিজ হাতে গড়েছেন ছবিটিকে।ছবিতে নায়ক এবং খলনায়ক চরিত্রে রয়েছেন যথাক্রমে প্রভাস এবং রানা দগ্গুবাতি।তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন তামান্না,আনুশকাশেঠি ও রামাইয়া কৃষ্ণন।প্রবীণ অভিনেতা সত্যরাজ এবং নাসেরও তাঁদের চরিত্রে উতরে গেছেন ভালোভাবেই।তবে সবকিছু ছাপিয়ে রাজামৌলির নির্দেশনাই আসল ভূমিকা রেখেছে—এ কথা মনে করিয়ে দিতেই হয়।
‘বাহুবলি’ নিঃসন্দেহে একটি মাস্টওয়াচ মুভি।তবে এই অভিজ্ঞতা পরিপূর্ণ করতে দর্শককে আরো এক বছর অপেক্ষা হবে,বাহুবলির তো কেবল শুরু হলো!
ধন্যবাদ রাজমৌলিজী।ভারত মাতার এই শ্রেষ্ঠ সন্তান হিন্দু বীর বাহুবলির স্মরণে ছবিটি নির্মাণের জন্য।
(পরবর্তী পোস্টে বাহুবলির ইতিহাস বর্ণনা করব।)
এখন তো সারা বিশ্ব কাঁপবে-হর হর মহাদেব ধ্বনিতে।
হর হর মহাদেব।
জয় হিন্দুবীর বাহুবলি।
হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।।
# RSS
RSS নাকি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন?
আচ্ছা সেকুলাররা বরাবর বলে আসছে RSS নাকি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন।
Rss এর জন্য ভারতে সন্ত্রাস ছরাচ্ছে।
আচ্ছা তারা কটা উধাহরন দিক Rss কোথায় কোথায় সন্ত্রাস ছরিয়েছে?
আর সব থেকে বড় ব্যাপার হল,
পাকিস্তান,বাংলাদেশ,সিরিয়া,আফগানিস্থান,লিবিয়া,
এসব যায়গাত তো Rss নেই, এখানে শুধু সেকুলাররা আছেন,
তাহলে এসব যায়গায় এত সন্ত্রাস কে ছরাচ্ছে?
আছে কোনো উত্তর?
হিন্দুধর্ম কি গ্রহণ করা যায়?
হিন্দুধর্ম কি গ্রহণ করা যায় ?
গ্রহণ করা গেলে গ্রহণের
পদ্ধতি কি ? বিস্তারিত
জানুন
উত্তর:
পৃথিবীর সব থেকে প্রাচীন ধর্ম সনাতন
ধর্ম। সকল ধর্ম, মত, পথ ও উপাসনা পদ্ধতি
এসব কিছুরই উৎসমুখ হচ্ছে এই হিন্দুধর্ম।
যেহেতু একসময় পুরো পৃথিবীতে হিন্দুধর্ম
ছাড়া অন্য ধর্মই ছিল না তাই সেসময়ে
ভিন্ন ধর্মাবলম্বীকে হিন্দুধর্মে দীক্ষিত
করার প্রথাও ছিল না, কেননা সেসময়
ভিন্ন ধর্ম বলতে কিছু ছিল না। কিন্তু
সময়ের পরিবর্তনে শুধু ভিন্ন ধর্মের
উদ্ভবই ঘটেনি এমনকি হিন্দুধর্মকে
সংহার করতে বহু ধর্মেরই উদ্ভব ঘটেছে
আর এদের দ্বারা হিন্দুরা বিপথে
চালিতও কম হয়নি।
মহামানবরা যেমন সমাজ সংস্কারের
জন্য কাজ করেন তেমনি সময়ের
প্রয়োজনে কিছু পদ্ধতিও সম্প্রদায় ও
সমাজের জন্য নির্দেশ করেন। খ্রিষ্টীয়
চতুর্থ/পঞ্চম শতাব্দীর দিকে তেমনি
একজন ঋষির আবির্ভাব ঘটে। যদিও ১২০০
খ্রিস্টাব্দে ভারতে আনুষ্ঠানিক ইসলাম
ধর্মের রাজনৈতিক বিস্তার শুরু হয় কিন্তু
মূল কাজটি শুরু হয়েছিল বেশ পূর্বে। আর
ভিন্ন ধর্মে চলে যাওয়া হিন্দুদের নিজ
ধর্মে ফিরিয়ে আনতে এবং ভিন্ন ধর্মের
মানুষকে হিন্দুধর্ম গ্রহণের পদ্ধতি
লিপিবদ্ধ করেন এই মহান ঋষি দেবল।
তাঁর রচিত ‘দেবল স্মৃতি’ হিন্দুধর্ম গ্রহণের
পূর্ণাঙ্গ বিধান দেয়া আছে।
ভারতীয় আর্য সমাজ, ভারত সেবাশ্রম
সঙ্ঘ কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে কনভার্ট হওয়া
হিন্দুদের নিজ ধর্মে ফিরিয়ে আনা ও
ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা হিন্দুধর্ম গ্রহণের
‘শুদ্ধি যজ্ঞ’ নামক আনুষ্ঠানিকতাটি মূলত
এই দেবল স্মৃতির অনুসরণ।
চতুর্থ/পঞ্চম শতাব্দীর দিকে ঋষি
দেবলের ডাকে সমসাময়িক ভারতে
ঋষিদের নিয়ে সিন্ধু তীরবর্তী (বর্তমান
পাকিস্তান অংশে) এক সম্মেলন হয়। এই
সম্মেলনে ঋষি দেবল ও অন্যান্য ঋষিগণ
হিন্দুদের রক্ষা ও হিন্দুধর্ম প্রসারের
লক্ষ্যে কিছু সিদ্ধন্তে উপনীত হন। এই
সিদ্ধন্তের ফলাফল হচ্ছে ‘দেবল স্মৃতি’
নামক গ্রন্থ।
ভারতের দেরাদুন আর্য সমাজের
গ্রন্থাগারে আজও ‘দেবল স্মৃতি’
সংরক্ষিত আছে। এই গ্রন্থের বাংলা
অনুবাদ যত শীঘ্র হবে ততই আমাদের জন্য
মঙ্গল।
এছাড়াও বেদের সেই বিখ্যাত মন্ত্রও
আমাদের নির্দেশ করে যে হিন্দুধর্ম গ্রহণ
করা যায়-
‘হে মনুষ্যগণ তোমরা ঈশ্বরের মহিমাকে
বৃদ্ধি কর, সমগ্র বিশ্বকে আর্যধর্মে
দীক্ষিত কর’ । ঋগ্বেদ, ৯/৬৩/৫
বাংলাদেশের সকল উকিলই এই তত্ত্ব
দিয়ে থাকেন যে হিন্দুধর্ম গ্রহণ করা
যায় না। আর সেকারণে অনেকে প্রেম বা
ধর্মবোধ যেকারণেই হোক হিন্দুধর্ম গ্রহণ
কতে চাইলে গ্রহণ করার পথ খুঁজে পায়
না। এই মিথ্যা আইনের চর্চা এক অর্থে
প্রচ্ছন্ন সাম্প্রদায়িকতারচর্চা।
সূত্র: Hindu-Muslim Relations in British
India: A Study of Controversy, Conflict …
Leiden Netherlands; BY: Gene R. Thursby
আক্রান্ত আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ও ধর্মের দুর্বৃত্তায়ন।
আক্রান্ত আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ও ধর্মের দুর্বৃত্তায়ন।
.মুনতাসীর মামুন
মদিনায় এক সন্ধ্যায় হাঁটতে বেরিয়েছি। সদর রাস্তার এক পাশেদেখি মেলার মতো কিছু একটা হচ্ছে। গেলাম। শামিয়ানার নিচে ফলের পশরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। এক কোণে সাদা একটি স্ক্রিন। সামনে কিছু চেয়ার। ডকুমেন্টারি দেখানো হচ্ছে। লোকজন নেই। আমি একা দর্শক হয়ে বসলাম। হজের ওপর চলচ্চিত্র। হযরত মোহাম্মদ (দ.)-এর আগেও মানুষ কিভাবে হজ পালন করত তা দেখানো হচ্ছে। এক সময় দেখা গেল উটে চড়েও কাবা শরীফ প্রদক্ষিণ করছেন কয়েকজন।এতটুকু পড়ার পর যদি কেউ বলেন, না এটি ঠিক নয়। মোহাম্মদ (দ.) ইসলাম প্রবর্তন করেছেন, হজ তিনিই চালু করেছেন। অতএব যারা এসব বলে তারা মুরতাদ। খারিজ হয়ে গেল ধর্ম থেকে। আপনি তখন কীবলবেন? কী উত্তর হবে এই অজ্ঞতার, মূর্খতার? তাদের এই হুঙ্কার আমাকে মেনে নিতে হবে? হযরত ইব্রাহীম বায়তুল্লাহ নির্মাণ করেন, যাকে বলা হয়ে থাকে আল্লাহর ইবাদতের জন্য নির্মিত প্রথম ঘর বা কাবা। তিনি হযরত ইব্রাহীমকে নির্দেশ দেনÑ ‘আমার গৃহকে পবিত্র রাখিও তাদের জন্য যারা তাওয়াব করে এবং যারা সালাতে দাঁড়ায়, রুকু করে ও সিজদা করে এবং মানুষের কাছে হজের ঘোষণা করে দাও, ওরা তোমার কাছে পদব্রজে ও সর্বপ্রকার দ্রুতগামী উস্ট্রের পৃষ্ঠে, ওরা আসবে দূর-দূরান্তের পথ অতিক্রম করে।’কাবাকে কেন্দ্র করে তিনিই হজেরপ্রবর্তন করেন। হযরত মোহাম্মদ (দ.) নয়। এই সত্য বললে কি আমি খারিজ হয়ে যাব?ধর্ম বিষয়ক এ আলোচনা তুলতাম না,কারণ আমি ধর্মজ্ঞ নই। ধর্মের অপব্যাখ্যা আর ধর্মীয় সূত্রের সাহায্যে নাকচ করে বিতর্ক করাওআমি চাই না; কারণ তাহলে ধর্ম নিয়ে যারা ব্যবসা করছে তাদের সঙ্গে আমার পার্থক্য থাকবে না।কিন্তু কখনও কখনও বাধ্য হয়ে বলতে হয়। সম্প্রতি আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীকে নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে এবং তা জিইয়ে রাখতে চাচ্ছে হেজাবিরা। তার প্রতিবাদের জন্যই আমাকে লিখতে হচ্ছে। কারণ আরেকটি আছে। বর্তমানে ধর্ম অপব্যবহারকারী এবং স্বার্থগত গোষ্ঠী দাঁড়িয়ে গেছে, যাদের সাংগঠনিক নাম হেফাজত ইসলাম, জামায়াত ইসলাম ও বিএনপি বা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। সংক্ষেপে হেজাবি। এদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ধর্ম সম্পর্কে যাদের জ্ঞান নেই কিন্তু নিজেদের বেজায় ধার্মিক হিসেবে তুলে ধরতে চান এবং অজ্ঞ ও মূর্খ কিছুলোক। তারা বলতে চান তাদের কথা বার্তায় ও আচরণে যে, বাংলাদেশে তারাই একমাত্র ইসলামের হেফাজতকারী এবং বাংলাদেশ বা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের যারা আছে তারা হচ্ছে ইসলাম ধ্বংসকারী। সে জন্য প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য তারা যত্রতত্র ফতোয়া দিচ্ছেন। খাসজমি দখল করে মসজিদ বানাচ্ছেন, পরে যা মার্কেট হয়। ধর্মের নামে পয়সা নিয়ে নিজেদেরপার্থিব সম্পদ বৃদ্ধি করেছেন। তাদের কোন আচরণের আমরা প্রতিবাদ করি না। এ কারণেই আজ তারা সমাজে-রাষ্ট্রে শক্তিশালী হয়ে উঠছে। আমি এবং আমরা অনেকে মনে করি, ইসলাম তাদের কাছে লিজ দেয়া হয়নি এবং আল্লাহ তাদের ইসলামের হেফাজতকারীও বানাননি। ইসলাম তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। একইভাবে বাংলাদেশও তাদের লিজ দেয়া হয়নি। আমরা ছিলাম তাই বাংলাদেশ হয়েছে। তারা বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছে। তাদের এ দেশে মাথা তুলে কথা বলার কোন অধিকার নেই। হেফাজতে ইসলামের নেতা ছিলেন ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী সৈন্যদের সহযোগী মুজাহিদ। ১৯৭১ সালে মন্দির ভেঙ্গে মসজিদ করেছিলেন। ১৯৭২ সালে মসজিদকে আবার মন্দিরে রূপান্তরিত করেছেন। জামায়াতে ইসলামের নেতারা ১৯৭১ সালে বাঙালীদের নির্বিচারে হত্যা করেছেন। বিএনপির জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া এই খুনীদের রক্তাক্ত হাতের সঙ্গে করমর্দন করে খুনীদের নির্দোষ ঘোষণা করেছেন। এদের এ ধরনের কোন কার্যকলাপ ইসলাম সমর্থন করে না। আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী কয়েকদিন আগে নিউইয়র্কে একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিয়েছিলেন।তারই সূত্র ধরে হৈ হট্টগোল শুরু করেছে একটি পক্ষ। নিউইয়র্কেই উত্তাপটি বেশি। নিউইয়র্কে যারা হেজাবি মতবাদে দীক্ষিত, তারাই হৈ হট্টগোল করছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি তা প্রতিরোধে যথেষ্ট সচেষ্ট ছিলেন এমন কোন খবর পাওয়া যায়নি। হেজাবিরা এটি করছে তার কারণ যতটা না ইসলাম তার চেয়ে বেশি শেখ হাসিনার কারণে। আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সমর্থক, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের একজন আইকন বা সেনানী। সুতরাং ‘ওই ব্যাটাকেই ধর’। কারণ হেজাবিদের রাজনীতি এখন হালে পানি পাচ্ছে না। তাদের নায়ক তারেক রহমান দুর্বৃত্ত হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন। আমাদের ধারণা ছিল পাকিস্তান ও সৌদি আরব এদের পৃষ্ঠপোষক। কিন্তু উইকিলিকসের কল্যাণে জানা গেল, সৌদি আরব তাদের এখন সমর্থন করছে না, এমনকি খালেদা জিয়াকেও!হয়ত সে কারণে সৌদি বাদশার রুটিন আমন্ত্রণে সৌদি সফরও খালেদা স্থগিত করেছেন, তারেকও।নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয়ার জন্য হৈ হট্টগোল করতে হয়। আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী এই সময়ে পড়ে গেছেন।নিউইয়র্কেমুুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বা আওয়ামী লীগের সমর্থকরা তেমন প্রতিরোধ করেননি তার কারণ শেখ হাসিনা বা তার পরিবারের কেউ সেখানে নেই। সুতরাং ডেমনেস্ট্রেশনটাদেখাবেন কাদের? আবদুল গাফফার চৌধুরীর প্রতি শেখ হাসিনার বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গি কী, তাও তাদের জানা নেই। সুতরাং ভুল হয়ে গেলে কাফফারা দেবে কে? লতিফসিদ্দিকীকে নিয়ে তারা একবার হাত পুড়িয়েছে। বারবার কেন হাত পোড়াবে তারা? সবশেষে হলোÑ এই সব ঝুট-ঝামেলায় যাওয়ার কী দরকার? অন্তিমে এত অজুহাতের মৌল বিষয় হলোÑ ধর্ম ব্যবসায়ীদের প্রশ্রয় দেয়া।বাংলাদেশেওমূলত হেজাবীরা কয়েকদিন বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতির মূল বক্তব্যÑ আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ধর্মদ্রোহী অর্থাৎ মুরতাদ। তিনি খারিজ হয়েগেছেন ইসলাম থেকে এবং তাকে দেশে ঢুকতে দেয়া হবে না। খুনীরা দেশে থাকতে পারবে; মুক্তবুদ্ধির মানুষ নন।এখানেও একই জিনিস লক্ষ্য করি। মুক্তিযোদ্ধাদেরযে কী একটা সংস্থা আছে, নামও ভুলে যাই তার বা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লড়াকু সংগঠনের নেতা বা ব্যক্তিবর্গ বা লেখককুল, রাজনৈতিক দল, এমনকি আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ঢাকায় এলে তার জন্য যে নেমন্তন্নের আয়োজন করাহয়, সেখানে যারা হুমড়ি খেয়ে পড়েন তাদেরও সক্রিয় হতে দেখিনি। কারণ ওইগুলোই। প্রধানমন্ত্রীর মনোভাব সম্পর্কে তারা নিশ্চিত নন।
হাওড়ার ব্রীজে গাড়ি থামিয়ে যদি নমাজ পড়া যায় তাহলে মসজিদের কি কোন প্রয়োজন আছে?
হাওড়ার ব্রীজে গাড়ি থামিয়ে যদি নমাজ পড়া যায় তাহলে মসজিদের কি কোন প্রয়োজন আছে? মাইক বেঁধে যদি নমাজ পড়ার রীতি থাকে তাহলে রাস্তাতে যারা নমাজ পড়ে তারা মাইক ব্যবহার করে না কেন? নাকি মানুষকে অস্থির করতেই আপনারা মাইক বাঁধেন? আজ পর্যন্ত কোন হিন্দুকে দেখেছেন নির্দিষ্ট জায়গা ছাড়া কোথাও উপসনা করতে? হিন্দুরা মন্দির কিংবা ধর্মীয় স্থানেই পূজা পাঠ করে থাকে । মুসলিমরা যদি যত্রতত্র নমাজ পড়তে পারে মাইক ছাড়া তাহলে মসজিদ গুলো রেখে কি হবে বরং ওই জায়গাগুলোতে হাসপাতাল তৈরী করা হোক কিংবা বিদ্যালয় ।
Subscribe to:
Posts (Atom)