কোরান শব্দের অর্থ "আবৃতি" করা।কারণ জিব্রাইলের বার্তা নাকি মহাম্মদ আবৃতি করেছিলেন।কিন্তুতিনি তা লিখে রাখতে পারেন নি।মহাম্মদ ছিলেন অশিক্ষিত।তাঁর মৃত্যুর ২০ বছর পর মুখে মুখে ছড়িয়ে থাকা আয়াতগুলি সংগৃহীত করার জন্যে খলিফা ওসমান নির্দেশ জারী করেন।ফলে বিভিন্ন ভাবে প্রায় ৭০ হাজার আয়াত সংগৃহীত হয়।যা লেখা ছিল চামড়া,গাছের বাকল,হাঁড় এবং পাথরের উপর।(বুখারী ৪:৭০৯)
এই বিশাল সংগ্রহ নিয়ে সেই সময় তুমুল তর্ক বিতর্ক হয়েছিলো।কীভাবে এর সম্পাদনা করা হবে?
কোনো সমাধান না পেয়ে এক একজন কোরানের সম্পাদনা শুরু করলো।ফলে এক জায়গার আয়াত অন্য জায়গায় চলে গেল।এভাবে জোড়াতালি দেওয়া অসংখ্য কোরান ছড়িয়ে পড়ল চারিদিকে।(বুখারী ৪:৬২,৯:৩০১)
সুতরাং খলিফা ওসমান সবগুলি থেকে যে কোরান উত্তম সম্পাদনার সেটি রেখে বাকী সব পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দেন।(বুখারী ৬:৫১০)
এই ইতিহাস থেকে কি প্রমাণ হয় যে কোরান নির্ভুল এবং আল্লার বাণী?
কোরানে ছোট-বড় ১১৪টি সুরা আছে।অধিকাংশ সুরা অসমাপ্ত এবং যার আগামাথা নাই।কোরানের ৬৬% পুনুরাবৃত্তি বা প্রতিলিপি।যেমন মুসা এবং ফেরাউনের বিষয়ে একই অভিব্যক্তি ৩৯ বার লেখা আছে।আরবের গল্প,ইহুদীদের গল্প পূর্ববর্তী গ্রন্থ তোরাহ্ এবং ইঞ্জিল থেকে সংগ্রহীত।কোরানের মূল মর্ম মানবতা বিরোধী,বিদ্ধেষ,হিংসা,হিংস্রতা,চরমপন্থা এবং স্বৈরাচারিতা।কোরানের কথা অসংলগ্ন এবং পরস্পর বিরোধী।তাই মুসলমানদের স্ববিরোধী নির্দেশ সঠিক বলে মেনে নিতে হবে।এতে জন্ম হবে এক বিকৃত মানসিকতার।বর্তমান বিশ্বের উত্তাল পরিবেশ-ই এর প্রমাণ।
কোরানের অধিকাংশ আয়াত দোজখের বিভত্স বর্ণনা দেয় এবং মহম্মদকে নবী হিসেবে না মানলে হত্যার হুমকী দেয়।কোরানের দোজখ মহম্মদের রাজনৈতিক দোজখ।
মহম্মদের হিংস্রতা সার্বজনীন এবং শ্বাশত।জিহাদ কর নয় মর।জিহাদ কর যে পর্যন্ত দুনিয়ার শেষ কাফের নিশ্চিন্ন না হয়!
আল্লা ছিলেন আরাবিয়ান।কারণ কোরান আল্লার ভাষায় লেখা।তিনি ইংরেজি বা চীনা ভাষা জানেন না।এ করণেই কোরান শুধু আরবী ভাষায় পড়লেই বুঝা যাবে।আর অন্য ভাষায় পড়ে আপনি যদি কোরান না বুঝেন তা হলে ধরে নিতে হবে আল্লা আপনার হৃদয়ে মোহর মেরে দিয়েছে।(সুরা ১৭:৪৫)
কোরান থেকে আমরা ২টি ধারণা পাই;
এক.মহম্মদ আল্লার রসুল;
দুই.কাফেরের বিরুদ্ধে জিহাদ কর।
আপনি যদি নবীর জীবনী এবং কোরান পড়েন,তাহলে কোরানের হিংস্রতা এবং বিদ্বেষ সম্পর্কে ভালো ধারণা পাবেন।কোরানের মূল বাণী মানবতাকে দুই ভাগে বিভক্ত করা;মমিন এবং কাফের।তাই এদের মূল উদ্দেশ্য কাফেরের বিরুদ্ধে অবিরাম যুদ্ধে জয়লাভ করা।কোরানে এমন কিছু লেখা আছে যা আল্লা ছাড়া কেউ জানেনা।তবে যারা জ্ঞানী তারা না জেনেও তা বিশ্বাস করে।(সুরা ৩:৭)
তাই মনে হয় কোরান মূর্খদের জন্য,যার আদর্শ কেউ বুঝতে পারবে না। এই পুস্তকের বিস্ময় কোনদিন শেষ হবার নয়।১৪০০ বছরে ৩০ কোটি মানুষের রক্তপাত পবিত্র কোরানের অবদান।
(কাউকে আঘাত করার জন্য নয়।আমরা জাস্ট সত্য প্রকাশ করলাম।এখন এটি আপনি কোন দৃষ্টিতে নিবেন সেটা আপনার ব্যাপার।)
# জয়শ্রীরাম
হিন্দুত্বই মানবতার শ্রেষ্ঠ সমাধান।
# RSS
No comments:
Post a Comment