Monday, 13 July 2015

Bahubali ‬‪ বাহুবলি‬’তে কাঁপছে ভারত!

‪কোথায় মক্কার দালাল হাজী আমির খান।মহাদেবকে অপমানের বদলা নিল 'বাহুবলি'।হর হর মহাদেব ধ্বনিতেই ভেঙে দিল পিকের সব নষ্টামির রেকর্ড। ভারতে বহুল আলোচিত ছবি ‘ ‪#‎ বাহুবলী‬’ মুক্তি পেয়েছে শুক্রবার।একই দিন এটি মুক্তি পেয়েছে বিশ্বের চার হাজারেরও বেশি সিনেমা হলে।আড়াইশো কোটি রুপি বাজেটের ছবি ‘বাহুবলি’তেই এখন কাপছে ভারত!কারণ প্রথম শো দেখতে হলগুলোতে ছিলো উপচেপড়া ভিড়।এমন খবর প্রকাশ করেছে আনন্দবাজার। ২৫০ কোটি টাকা বাজেটের এই ছবিটির ট্রেলার গত মে মাসে বাজারে আসে।এরপর সেটি ইউটিউব এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেখেছে বিশ্বের কয়েক কোটি মানুষ।আর তারপরই সবজায়গায় আলোচনার জন্ম দেয় ‘বাহুবলী’। ইতিমধ্যেই এই ছবির গায়ে লেগেছে ‘ভারতের ট্রয়’ বা ‘ভারতের হারকিউলিস’-জাতীয় ট্যাগ।এ কথাও শোনা যাচ্ছে,এখনও পর্যন্ত এটিই এ দেশের সব থেকে ব্যয় বহুল ছবি।ছবিটি পরিচালনা করেছেন এস এস রাজামৌলি।তামিল-তেলুগু ডবল ভার্সনে নির্মিত হয়েছে ছবিটি।যারা এখনো ছবিটি দেখেনি স্বভাবতই সেসকল দর্শকের কৌতূহল এখন তুঙ্গে।জানা গিয়েছে, তিন বছর ধরে ‘বাহুবলী’র শুটিং হয়েছে।এতে অভিনয় করেছেন প্রভাস,রানা দুগ্গুবাতি,অনুষ্কা এবং তমন্না।হিন্দি এবং মলয়ালম ভাষায় ছবিটিকে ডাব করাও হয়েছে। ‘বাহুবলি’র কাহিনীতে ভারতীয় হিন্দু পুরাণের প্রভাব রয়েছে স্বাভাবিকভাবেই।কস্টিউম থেকে ক্যারেক্টার—সবকিছুতেই রয়েছে মহাভারতের ছায়া।একজন ন্যায়নিষ্ঠ রাজাকে নিয়ে এগিয়েছে ছবির কাহিনী,যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রভাস।জন্মের পরপরই তার ওপরে নেমে আসে মৃত্যুর হুমকি,তখন তাকে বাঁচানোর জন্য জীবন দেয় এক নারী,এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন রামাইয়া কৃষ্ণন।তবে মৃত্যুর আগে তরুণ রাজাকে ঠিকই একটি পরিবারের হাতে তুলে দিয়ে যায় সে।সেখানেই বেড়ে উঠতে থাকে তরুণ রাজা।বড় হয়ে উঠলে একসময় সে অনুভব করে,পাহাড়ের অন্য প্রান্তে তার জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে বহু কিছু।সে বুঝতে পারে,তার বেঁচে থাকার কারণ অনেক বড়,তার অস্তিত্ব এমনকি তার জীবনের চেয়েও।এখান থেকেই ‘বাহুবলি’র গল্প শুরু। তবে মজার বিষয় হলো,তিন ঘণ্টার এই দীর্ঘ ছবির মাধ্যমে কিন্তু ‘বাহুবলি’র সমাপ্তি ঘটেনি।এটা হলো শুরু!ছবির ট্যাগলাইন লক্ষ করলে আপনিও বুঝবেন,‘বাহুবলি:দ্য বিগিনিং’!আগামী বছর আসবে ‘বাহুবলি:দ্য কনক্লুশন’।তার আগ পর্যন্ত এই অর্ধসমাপ্ত ধুন্ধুমারী ছবি দেখেই ফিরতে হবে দর্শকের। ছবির কাহিনীতে মৌলিকত্বের অভাব খানিকটা দেখা যায়,তবে সবকিছুই ঢেকে গেছে পরিচালকের মুন্সিয়ানায়।রাজামৌলির দূরদৃষ্টি এবং প্রয়োগ,দুটোই দারুণ মানছেন সমালোচকরা।ছবির নায়ক-নায়িকা সবাই দক্ষিণী সুপারস্টার,তবে এই ছবির আসল তারকা অবশ্যই পরিচালক রাজামৌলি।অ্যাকশন কোরিওগ্রাফি,সেটডিজাইনিং,লোকেশন,চরিত্র,অ্যাকশন দৃশ্য—সবকিছুতে দুর্দান্ত স্পেশাল ইফেক্টের ব্যবহারের মাধ্যমে চিত্রায়ণ;রাজামৌলি নিজ হাতে গড়েছেন ছবিটিকে।ছবিতে নায়ক এবং খলনায়ক চরিত্রে রয়েছেন যথাক্রমে প্রভাস এবং রানা দগ্গুবাতি।তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন তামান্না,আনুশকাশেঠি ও রামাইয়া কৃষ্ণন।প্রবীণ অভিনেতা সত্যরাজ এবং নাসেরও তাঁদের চরিত্রে উতরে গেছেন ভালোভাবেই।তবে সবকিছু ছাপিয়ে রাজামৌলির নির্দেশনাই আসল ভূমিকা রেখেছে—এ কথা মনে করিয়ে দিতেই হয়। ‘বাহুবলি’ নিঃসন্দেহে একটি মাস্টওয়াচ মুভি।তবে এই অভিজ্ঞতা পরিপূর্ণ করতে দর্শককে আরো এক বছর অপেক্ষা হবে,বাহুবলির তো কেবল শুরু হলো! ধন্যবাদ রাজমৌলিজী।ভারত মাতার এই শ্রেষ্ঠ সন্তান হিন্দু বীর বাহুবলির স্মরণে ছবিটি নির্মাণের জন্য। (পরবর্তী পোস্টে বাহুবলির ইতিহাস বর্ণনা করব।) এখন তো সারা বিশ্ব কাঁপবে-হর হর মহাদেব ধ্বনিতে। হর হর মহাদেব। জয় হিন্দুবীর বাহুবলি। হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।। ‪#‎ RSS‬

No comments:

Post a Comment