Monday, 13 July 2015

কবিতার নাম- 'মাদ্রাসা'

রাস্তার ধারে উঠছে গজিয়ে জেহাদী মাদ্রাসা । ইসলাম রাষ্ট্র গড়তে হবে এই তো ওদের ভাষা ।। সন্ত্রাসবাদের আঁতুড় ঘরে শিক্ষার কিছু নাই । হিন্দু তোমার শত্রুপক্ষ,নয়কো তোমার ভাই ।। হিন্দু হত্যার প্রশিক্ষন চলে,মাদ্রাসা উঠছে গড়ে । আমরা তবে কি সন্ত্রাসের ভয়ে বাংলা যাবো ছেড়ে ।। লাভ জিহাদের শিক্ষা চলে,শেখায় ধর্ষন । ইংরেজী পড়লে শিক্ষিত হবে ওরা তাইতো ইংরেজী বর্জন ।। চুরি ডাকাতি শেখায় ওরা,শেখায় আত্মঘাতী বিস্ফোরন । মাদ্রাসাতে কি মানুষ তৈরী হয়, প্রশ্ন করছে জনগন ।। মাদ্রাসাতে সন্ত্রাসবাদের জন্ম,জঙ্গিদের কারখানা । মাদ্রাসাতে কি হয় সারাদিন আজও অজানা ।। মাদ্রাসাতে নেই শিক্ষা,তৈরী হয়না মানুষ । লাদেন তৈরী হয় সেখানে,কিংবা অমানুষ ।। শিক্ষা থাকলে তুলবে কলম,বন্দুকের কথা যাবে ভুলে । জিহাদী মাদ্রাসায় শিক্ষা না নিয়ে,যাও এবার বিদ্যালয়ে ।। written by-sabyasachi কবিতার জন্য- www.facebook.co m/namosabyasachi পেজটি লাইক করুন ।

পশ্চিমবঙ্গে ইফতার পার্টির ব্যানারে নরেন্দ্র মোদীর ছবি

পশ্চিমবঙ্গে ইফতার পার্টির ব্যানারে নরেন্দ্র মোদীর ছবি ব্যবহার করা হল কেন? সবাই ইফতার পার্টি দিতে ব্যাস্ত এখন । কই দূর্গাপূজোতে কাউকে কোন পার্টি দিতে দেখি না কেন? হিন্দুদের প্রতি এত অবমাননা কিসের জন্য । নরেন্দ্র মোদী হিন্দুত্বের প্রতীক এটা কি সবাই ভুলে গেলেন ।

পাক সার জমিন সাদ বাদ হুমায়ন আজাদ (পর্ব ২)

পাক সার জমিন সাদ বাদ হুমায়ন আজাদ (পর্ব ২) ------------------------------------------------------------- আয়াতুল্লা খোমেনির লেখা পড়ে আমার দিল সৎ পথে ফিরে আসে; আমি জোশ বোধ করি, গোলগোল দুনিয়ার দিকে তাকিয়ে আমার ঘেন্না লাগে-- আল্লাতালার দুনিয়ায় এতো কাফের, এতো নাছারা, এতো মালাউন ! অথচ আল্লাতালা চৌদ্দশ বছর আগে নির্দেশ দিয়েছেন জিহাদের। আয়াতুল্লা রুহুল্লা খোমেনি বলেছেন, জিহাদ সমস্ত মুছলমানদের জন্য ফরজ, শুধু ল্যাংড়া আতুর কানা খোড়া ছাড়া; জিহাদ করে সারা দুনিয়ায় ইছলাম প্রতিষ্ঠিত করতে হবে, যাতে সব দেশের সব মানুষ ইছলাম মেনে চলে। কেনো ইছলাম সারা দুনিয়া জয় করতে চায়? তা বোঝার জন্য ইছলামের কিতাবগুলো পড়তে হবে, দিলে সেগুলোকে স্থির রাখতে হবে। জিহাদই ইছলামের মর্মবানী; যারা ইছলামের কিছুই জানে না, তারা বলে যে ইছলাম যুদ্ধের বিরুদ্ধে; তারা মুর্খ,তারা ভন্ড,তারা হারামখোর। আয়াতুল্লা খোমেনি বলেছেন, ইছলাম বলে সব কাফেরকে কতল করো, যেমন তারা তোমাদের কতল করতে চায়। মুছলমানেরা কি বসে থাকবে? আর কাফেররা তাদের গিলে খাবে? ইহুদিরা তাদের গোস্ত খাবে? মালাউনরা তাদের মগজ খাবে? নাছারারা তাদের রক্ত খাবে? তা হতে পারে না। আয়াতুল্লা খোমেনি বলেছেন, ইছলাম বলে তাদের কতল করো, তাদের বুকে তলোয়ার ঢুকিয়ে দাও, তাদের ছিন্নভিন্ন করো। মানুষকে তলোয়ার ছাড়া বশে আনা যায় না, তাই তলোয়ার দরকার; তলোয়ার হল বেহেশতের চাবি। ক্রমশ..... -------------------------------------------------------------

Cpim

Cpim জাতীয়তা বাদের বিরুদ্ধে Cpim দেশের বিরুদ্ধে Cpim হিন্দুর বিরুদ্ধে Cpim উন্নতির বিরুদ্ধে Cpim জন্মনিয়ন্ত্রণ এর বিরুদ্ধে এর পরও এর গর্ব করে বলে এরা CPIM....

Bahubali‬

‪সাব্বাস প্রভাষ সাব্বাস। তোমরা দেখিয়ে দিলে যে,একদিনে ২২ কোটি টাকা কামানোর জন্য শিবঠাকুরকে অপমান করা প্রয়োজনীয় নয়।শিবলিঙ্গ কাঁদে উঠিয়ে রেখে ও ৫০ কোটি টাকা কামানো যায়। হর হর মহাদেব। (বি.দ্র.-হারামজাদা অর্থ যে রামের অনুগামী নয় অর্থ্যাৎ এক কথায় হিন্দুবিদ্বেষী।) ‪#‎ RSS‬

নরক....................…

সম্পর্কে আমার একটা কৌতুহল আগাগোড়াই রয়েছে কারণ আমি মনেকরি নরকের ভয়াবহতাকে না জানলে স্বর্গের সুখকে জানা যায় না। পরকালে নরকের ভয়ই ইহকালে মানুষকে সঠিক # জীবন যাপন করতে শেখায়। তাই নরক সম্পর্কে সকলেরই জানা উচিত্ - এটা আমি মনে করি। # পাতাল হিন্দু সৃষ্টিতত্ত্ব মতে, মহাবিশ্ব তিনটি লোকে(of three worlds) বিভক্ত: • স্বর্গ (ঐশ্বরিক ছয়টি উপরের অঞ্চল), • মর্ত্য (পৃথ্বী/পৃথিবী) এবং • পাতাল (জগতের সাত নিম্ন অঞ্চল এবং অধোভুবন) — হিন্দু সৃষ্টিতত্ত্বে 'পাতাল'(সংস্কৃত: पाताल, paTala) মহাবিশ্বের সাত নিম্ন অঞ্চলের উল্লেখ করে - যেগুলি পৃথিবীর গভীরে অবস্থিত। সাত অঞ্চলে/ পুরীতে গঠিত পাতালকে প্রায়ই জগতের অধোভুবন হিসাবে অনুবাদ করা হয়। এই সাত অঞ্চলের সপ্তম এবং সর্বনিম্নটিকে পাতাল ছাড়া নাগলোক - নাগেদের অঞ্চলও বলা হয়। দানব (দানু'র দৈত্য পুত্ররা), দৈত্য (দিতি'র পুত্ররা), যক্ষ এবং নাগ(সর্প- মানবেরা)গণ রাজত্ব করে এখানে। * বিষ্ণু পুরাণ স্বর্গীয় বিচরণরত ঋষি নারদ-এর পাতাল দর্শনের বর্ণনা দেয়। নারদের বর্ণনায়, পাতাল স্বর্গের চাইতেও মনোরম। চমত্কার মণি- মাণিক্য, সুশোভন উপবন ও হ্রদ, সুশ্রী # দৈত্য রমণীতে সমৃদ্ধ এই পাতাল। মিষ্টি সুবাস এবং # মিষ্টি সঙ্গীতের সঙ্গে মিশে বায়িত হয় এখানকার বাতাস। মাটি এখানে সাদা, কালো, রক্তবর্ণ, বেলে, হলুদ, পাথুরে এবং সোনালি বর্ণে বর্ণিল। ** ভাগবত পুরাণে সাতটি নিম্ন অঞ্চল "ভূগর্ভস্থ আকাশ" বলে অভিহিত হয় এবং তাদের পৃথিবীর নিচের গ্রহাদি বা গ্রহ জগত্ হিসাবে গণ্য করা হয়। এই অঞ্চলগুলিকে মহাবিশ্বের উপরের অঞ্চলের তুলনায় আরোও সমৃদ্ধিশালী রূপে বর্ণনা করা হয় যার মধ্যে পুণ্যধাম বিরাজমান। এখানকার জীবনে রয়েছে সকলপ্রকার আনন্দ, # সম্পদ এবং বিলাসিতা; কোন মর্মপীড়া এখানে অনুভুত হয়না। দৈত্য স্থপতি মায়া এখানে বহিরাগতদের জন্য প্রাসাদ, মন্দির, ঘর, বাগিচা এবং পান্থনিবাস রত্ন দিয়ে নির্মাণ করে রেখেছেন। এমনটা শোনা যায় যে পাতালের প্রাকৃতিক # সৌন্দর্য্য উপরের স্তরগুলিকে পর্যন্ত অতিক্রম করে যায়। নিম্ন রাজ্যগুলিতে সূর্যালোক নেই কিন্তু, যে ঝলমলে অলঙ্কার পাতালের অধিবাসীরা পরিধান করে তার ঔজ্জ্বল্য সেখানকার অন্ধকারকে দূর করে দেয়। পাতালে কোন বার্ধক্য, কোন ক্ষয়িষ্ণুতা, কোন রোগ-ব্যাধি নেই। • • • "সপ্ত রাজ্য" • • • — বিষ্ণু পুরাণ অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে সত্তর হাজার যোজনা নীচে অবস্থান করে পাতালের সপ্ত রাজ্য। এগুলি স্তরে স্তরে, একটি আরেকটির ওপর স্থিত এবং প্রত্যেকটি দশ হাজার যোজনায় প্রসারিত। বিষ্ণু পুরাণে তাদের নামকরণ সর্বোচ্চ থেকে সর্বনিম্ন অনুযায়ী করা হয় যথা: অতল, বিতল, নিতল, গর্বিশমত, মহাতল, সুতল এবং পাতাল। — ভাগবত্ পুরাণ এবং পদ্ম পুরাণে তাদের বলা হয়েছে অতল, বিতল, সুতল, তলাতল, মহাতল, রসাতল এবং পাতাল — শিব পুরাণ মহাতলকে তল দিয়ে প্রতিস্থাপন করে। বায়ু পুরাণ তাদের বলে রসাতল, সুতল, বিতল, গভসতল, মহাতল, শ্রীতল এবং পাতাল। — এই সাত তল সেইসাথে তাদের ওপরে পৃথিবী, # দেবতা বিষ্ণুর তামসিক রূপ শেষা নাগের সহস্রমস্তক দ্বারা ভারবাহিত হয়। কখনও কখনও শেষার অবস্থান এই সপ্ত পুরীর তলার পরিবর্তে তার বাস এদেরই সর্বনিম্ন অঞ্চলটিতে বলে # বর্ণনা করা হয়। পাতালের এই সপ্ত রাজ্যের একেবারে তলায় অবস্থিত নরক, সনাতন বিচারাগার - মৃত্যু(যম)র রাজত্ব যেখানে পাপিরা দণ্ডিত হয়। * পাতালের প্রত্যেকটি রাজ্যে যে একাধিক নগরী(শহর) রয়েছে এটা বায়ু পুরাণে নথিভুক্ত হয়। প্রথম রাজ্যের নগর, দৈত্য নামুচি এবং কালিয়া নাগের অধীন, দ্বিতীয় হায়াগ্রীবা ও তক্ষক নাগের, তৃতীয়, যারা প্রহ্লাদের এবং হেমকের; চতুর্থ যারা কালনেমি এবং বৈনতেয়'র পঞ্চমে যা হিরণ্যক্ষ এবং কিরমিরা'র ও ষষ্ঠ যা পুলোমন এবং বাসুকী'র। সপ্তমে মহারাজ বলির অখন্ড রাজত্ব কায়েম সমগ্র পাতাল জুড়ে। ** ভাগবত্ পুরাণ সপ্ত অধো রাজ্যের একটি বিস্তারিত বিবরণ পেশ করে। পাতালের অনুরূপ বর্ণনা দেবী ভাগবত পুরাণেও পরিলক্ষ্যিত হয়। — উপরোক্ত পুরাণসমূহ প্রদত্ত ঐ সকল রাজ্যের বর্ণনা সংক্ষিপ্ত আকারে নিচে দেওয়া হল: i. 'অতল' শাসন করে বালা - মায়ার এক পুত্র - যে রহস্যময় ক্ষমতার অধিকারী। বালার একটা হাই থেকে সৃষ্টি হয় তিন চরিত্রের রমণির — স্বৈরিণি(স্বেচ্ছা-চারি), যে তাদের নিজস্ব গোষ্ঠি['গোষ্ঠি' শব্দটি দলবদ্ধ অর্থে ব্যবহৃত, বংশ বা পরিবার বোঝাতে নয়] থেকে পুরুষদের বিয়ে করতে চায়; কামিনি(যৌনসঙ্গকামী), যে যেকোন গোষ্ঠি থেকে পুরুষদের বিয়ে করতে চায়; এবং পুম্সকলি("যে নিজেকে সর্বোত ভাবে উন্মুক্ত করে দেয়"), যে সঙ্গী বদলাতে থাকে। কোন # পুরুষ যখন অতলে প্রবেশ করে, এই রমণিরা তাকে পুলকিত এবং তাকে একটি পানীয় মাদক(ভাঙ/মদ) পরিবেশন করে যা ঐ পুরুষের মধ্যে যৌন শক্তিকে প্রণোদিত করে। এই রমণিরা তখন যৌন লীলা উপভোগ করে ভ্রমণকারীর সাথে যে আসন্ন মৃত্যুকে ভুলে নিজেকে দশ হাজার হাতির শক্তিতে বলিয়ান ভাবতে থাকে।

পুলিশ-প্রশাসনেরমুখে বিরাশিসিক্কার থাপ্পড় আদালতের

পুলিশ-প্রশাসনেরমুখে বিরাশিসিক্কার থাপ্পড় আদালতের; মামলা খারিজ, - নিঃশর্ত মুক্তি ‘জন অধিকার মঞ্চে’র বিক্ষোভকারীদের...।। নাবালিকা টুকটুকিকে বাবুসোনা গাজীর হাত থেকে উদ্ধারে ব্যার্থ পুলিশ উল্টে এই ঘটনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে আসা ‘জন অধিকার মঞ্চে’র সমর্থকদের গত ১০ই জুলাই সন্ধ্যে ঠিক ৬টার সময় কলকাতার হাজরা থেকে গ্রেফতার করে, তাদের বিরুদ্ধে Crpc’র 151C ধারায় অভিযোগ দায়ের করে। আজ ১৩ই জুলাই আলিপুর কোর্টে যার শুনানী হবার কথা ছিল। বন্ধুরা, ...... অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, এই মাত্র প্রাপ্ত খবর অনুসারে, অভিযোগের কোন ভিত্তি না থাকার দরুন মহামান্য আলিপুর আদালতে মুসলিম তোষণকারী পুলিশ-প্রশাসনেরদায়ের করা ‘জন অধিকার মঞ্চে’র সমর্থকদের বিরুদ্ধে মামলা, সম্পুর্ন খারিজ হয়ে গেছে। নিঃশর্তে মুক্তি পেয়েছেন ... আমাদের ‘জন অধিকার মঞ্চে’র (JAM) সমর্থকরা ...। অভিনন্দন ..... বন্ধুরা...।। .. আমাদের লড়াই ...... থামবে না....।।