বিমান হাইজ্যাকের কথা শুনেছি, গাড়ি হাইজ্যাকের কথা শুনেছি, আজকাল একটা নতুন হাইজ্যাক শুনছি,সেটা হল-"শহীদ হাইজ্যাক" । ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই শহীদ হল ১৩জন যুব কংগ্রেস কর্মী আর ১৯৯৮সালে তৃনমূলের জন্ম তাহলে শহীদ দিবসটা কাদের পালন করা উচিত? যদি এই তথ্য খারিজ করা হয় তাহলে ভবিষ্যতে মুকুল রায়ও ২১শে জুলাই শহীদ দিবস পালন করতে পারে ।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Thursday, 23 July 2015
ভারতবর্ষে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুরুকুল কিভাবে শেষ হয়?
১৮৫৮ সালে 'ইন্ডিয়ান এডুকেশন অ্যক্ট' চালু করা হয় । এই বিলের খসড়া তৈরী করেন লর্ড মেকেলে । এর আগেই ভারতবর্ষের শিক্ষার উপর সমীক্ষা চালিয়ে ইংরেজ অধিকারী জি.ডব্লু লিটনার ও টমাস মুনরো ১৮২৩ সালে ৯৭% ও ১০০% শিক্ষার হার দেখেন দুটি ভিন্ন এলাকাতে । লর্ড মেকেলে এই তথ্যের সন্ধার পাওয়ার পর স্পষ্ট ভাবে ইংরেজদের আদেশ দেন- ভারতবর্ষ থেকে গুরুকুল কে নিশ্চিহ্ন করে ইংরেজী শিক্ষা চালু করতে । কারন গুরুকুল বন্ধ করতে পারলেই ভারতবর্ষকে সারজীবন গোলাম হিসাবে রাখা যাবে । ভারতবর্ষের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির কথা যেন কোন ভারতীয় জানতে না পারে । এরপরই তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার গুরুকূলকে অবৈধ ঘোষনা করে গুরুদের জেল বন্দি করে গুরুকূলকে নিশ্চিহ্ন করতে মাঠে নামেন । ১৮৫০সাল পর্যন্ত ভারতবর্ষে মোট ৭লক্ষ ৩২হাজার গুরুকূল ছিল এবং ১৮টি বিষয়ে পড়াশুনা করানো হত, যা আজকের ভাষাতে "Higher Learning Institute" তকমা পেত । এরপরই ইংরেজী শিক্ষাকে বৈধ ঘোষনা করে "কলকাতা ইউনির্ভাসিটি" "বোম্বে ইউনির্ভাসিটি" তৈরী করে গুরুকুলকে দেশের মাটি থেকে উৎখাত করা হল । আজকের দিনে যদি আমাদের দেশে গুরুকূল থাকতে তাহলে নিশ্চয় আজ আমাদের কে এই কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হত না ।
কলকাতার বুকে ৬.৫ তীব্রতার ভুমিকম্প
কলকাতার বুকে ৬.৫ তীব্রতার ভুমিকম্প ১০সেকেন্ডের উপরে হলেই কলকাতার অর্ধেক অংশ জলের তলায় চলে যাবে... গবেষনা চালিয়ে এমনই দাবী করেছে "খড়্গপুর আইআইটি" । ২০১১সাল থেকে এই গবেষনা চালিয়ে এমনই তথ্য পেশ করেছে খড়্গপুর আইআইটি যা আগামী দিনে রাজ্য সরকার ও কেন্দ্র সরকারকে পাঠানো হবে । ৬.৫তীব্রতার ভুমিকম্প হলেই সল্টলেক,রাজারহাট-নিউটাওন,কষবা,পার্কষ্ট্রীট,বিবাদীবাগের মতো জনবহুল এলাকা জলের তলাতে চলে যাবে । এর আগেও একটি ইংরেজী ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রিপোর্ট বলছে কলকাতার মাটির ৭ফুটের তলায় নরম বালি মাটি,কাদা ও বনষ্পতি রয়েছে যা পুরো আলগা হয়ে গেছে । source-তাজা টিভি
আমি মদন বলছি
কবিতার নাম- "আমি মদন বলছি"
কেউ কি আছো বাঁচাবে মোরে,আমি মুক্ত হতে চাই । তোমরা কি জানো না আমি দেশী সুরা খাই ।। খাঁচাবন্দি আজকে আমি,কি আমার অপরাধ । নিঁখুত সোনায় মিশিয়ে দিয়েছে শুধু খাদ ।। আমি অসহায়,পাশে নেই কেউ,বাঁচাতে নিজের গদি । আমি মদন বলছি,শুনতে পাচ্ছো কি দিদি ।। আমার জন্য তুমি নবান্নে বসে,গঙ্গার হাওয়া খাও । মশার কামড় খাচ্ছি আমি,দিদি একবার দেখে যাও ।। ভাইপো নিয়ে ব্যাস্তু তুমি,মদনকেই গেলে ভুলে । মুখ্যমন্ত্রী করলাম তোমায় আজকে আমি জেলে ।। এবার আমি মুখ খুলব,করব না আর দেরী । আমি কি একা সারদার টাকায় করেছি বাড়ী গাড়ী ।। বাঁকা আঙ্গুল করব এবার, সোজা আঙ্গুলে উঠবে না ঘি । শুনছো দিদি আলিপুর থেকে- আমি মদন বলছি ।। written by-sabyasachi
ইসকনের রথে যাত্রাপথ বদল
ঈদের কারনে কলকাতার ইসকনের রথে যাত্রাপথ বদল করল প্রশাসন । আমরা জানতে চাই এটা পশ্চিমবঙ্গ নাকি বাংলাদেশ । এর আগেও শোনা গেছে দূর্গা প্রতিমা মসজিদের সামনে দিয়ে নিয়ে যেতে বাধা । মহরমে তো দিব্যি ওরা মন্দিরের সামনে রক্ত ঝরায় তখন কি কেউ ওদের বাধা দেয় । অনেকে বলবেন ছোট ঘটনার জন্য বিরোধীতা কেন? তাদের বলব নিজের দেশে যদি রথের যাত্রাপথ বদল করতে হয় তাহলে পরে আমাদের যাত্রাপথ একদিন বাতিল হতে চলেছে । হিন্দুদের উচিত ছিল জোর করে রথকে ওই রাস্তাতেই নিয়ে যাওয়া তাতে দাঙ্গা লাগলে লাগত । কারন যুদ্ধ বিনা শান্তি আসেনা । আর কতদিন দাঙ্গার ভয়ে সম্প্রীতির কথা বলবেন ।
এক নজির বিহীন ঘটনা
রাস্তাঘাট থেকে সোশ্যাল মিডিয়া সর্বক্ষেত্রেই চোখ খুললেই দেখা পাওয়া যাবে এক নজির বিহীন ঘটনা। হিন্দুরা যে বর্তমানে সংখ্যালঘু হতে চলেছে তা স্পষ্ট হয়ে গেল । সোশ্যাল মিডিয়াতে রথযাত্রার শুভেচ্ছার থেকে ঈদ মুবারকের পোষ্ট বেশী । প্রায় ৮৫ শতাংশ হিন্দু ঈদ মুবারক সমন্ধে পোষ্ট করেছে । আবার রাস্তাঘাটের ছবিটাও ঠিক একই রকম প্রায় সব ঈদ মুবারকের হোর্ডিং ব্যানার টাঙিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছে সেকুলার হিন্দুরা । কিন্তু প্রশ্ন একটাই কোন মুসলিমকে কি দেখা গেল রথযাত্রার শুভেচ্ছা জানাতে? ধর্মনিরপেক্ষরা আদৌ হিন্দু নাকি ধর্মান্তকরিত মুসলিম সে নিয়ে সন্দেহ আছে । সাম্প্রদায়িকদেরধর্ম একটা পিতা একটা কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষদেরধর্মের ও শেষ নেই আর পিতারও শেষ নেই ।
সব মুসলিমই সমান নয়।
সব মুসলিমই সমান নয়।
পৃথিবীতে অশান্তি সৃস্টি কারি মুসলিম সংগঠন গুলো চিন্তা ধারা একটাই তারা জোর জবর্দস্তি করে হলেও গোটা পৃথিবীতে মুসলিম রাজ্য স্থাপন করবে,
আবার তারাই প্রচার করবে "ইসলাম শান্তির ধর্ম"।
এদের প্ররোচনায় ভারতের বেশ কিছু সংখক মুসলিম যুবক এবং যুবতিরা এদের হাত ধরতে চায়।
কিন্তু তাই বলে ভারতের সব মুসলিমই তাই চায়না।
তাদের মধ্যে কিছু সংখক এমনও আছে যারা ভারতে "রামরাজ্য" চায়।
কিন্তু কপালের দোষ ওই জঙ্গি সংগঠন গুলোর জন্যই আজ ভারতের ভাল দেশপ্রেমী মুসলমান দেরও নাম খারাপ হচ্ছে।
কারন গোটা বিশ্ব এখন একটাই কথা মেনে নিয়েছে "ইসলাম" সন্ত্রাস এর আতুরঘড়।
কিন্তু আদৌ ব্যাপার টা অতটা সঙ্গিন ও না।
কিন্তু তাও ১০০ টার মধ্যে যদি ১০ টা দেশপ্রেমী হয় তাহলে কি পুরো যাত টাকেই ভাল বলা যায়?
আবার আরেক দিক থেকে চিন্তা করলে, ১০ টা ভাল মুসলিম দের দিকেও তো আমাদের তাকাতে হবে,
বাকি ৯০ টাকে আমরা তো আর ভাল করতে পারবনা।
কিন্তু ওই ভাল ১০ টা যেন বাকি ৯০ টার মত না হয়ে যায় সেদিকটাও আমাদের ভাবতে হবে।
আমাদের ভারতে বেশ কিছু মুসলিম আছে যারা সত্যি দেশের জন্য ভাবে,
আর আমি সব মুসলিম দদের সেই ভাল মুসলিম দের পথ অনূসরন করার জন্য আবেদন করছি,
আসুন আমরা সবাই মিলে এক সুন্দর ভারত গড়ে তুলি,
নাহলে পাকিস্তান এর মত আমাদের দেশের অবস্থা হতে বেশি দিন সময় লাগবেনা।
আমরা চাই "রামরাজ্য"
আর এই স্বপ্ন সফল করতে নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরুন।
আমাদের সন্ত্রাস তকে দূরে ফেলে সবকা সাথ সবকা বিকাশ মন্ত্রে এগিয়ে চলতে হবে।
জয় হিন্দ
বন্দেমাতরম।
Subscribe to:
Posts (Atom)