Thursday, 23 July 2015

পাক সার জমিন সাদ বাদ [ হুমায়ন আজাদ] পর্ব ৩

পাক সার জমিন সাদ বাদ [ হুমায়ন আজাদ] পর্ব ৩ মহান আয়াতুল্লা রুহুল্লা খোমেনি বলেছেন, যারা জিহাদ করতে চায় না, যারা বলে ইসলাম যুদ্ধ চায় না, শান্তি চায়, তিনি তাদের মুখে থুতু দেন। আমির তাহেরির হোলি টেরর বইটি পড়ে, তাতে মহান আয়াতুল্লা রুহুল্লা খোমেনির ব্যাখ্যা পড়ে আমি আমার ধর্মকে, পবিত্র ইছলামকে, বুঝতে পারি। জিহাদ, হলি টেরর ,পবিত্র সন্ত্রাস- এটা এখন আমার জীবন। ওই যে ডেভিল মার্ক্স-এঙ্গেলস-লেনিন-ট্রটস্কি-স্ট্যালিন –মাওসেতুং কিছু কাফেরি বই পড়েছিলাম, সেগুলো একদিকে আমাকে সাহায্যই করেছে; ওগুলোও টেররের বই, যদিও আনহোলি, নাপাক, অপবিত্র; তাই গনতন্ত্রের ধাপ্পায়, মানুষের অধিকার নামের খানকিবৃত্তিতে, বাকস্বাধীনতা নামের জেনায় আমি কখনও বিশ্বাস করিনি; তাই হোলি টেরর পরে আমি খুবই স্বস্তি বোধ করি, শান্তি পাই। আমার জীবনের একটি অংশ নস্ট হতোনা যদি আমার পশম গজানোর আগেই পেতাম আবু আলা মাওদুদি ও আয়াতুল্লা রুহুল্লা খোমেনির কিতাব। আমি তাওবা করি, আল্লার কাছে মাফ চাই, উদ্ধারের পথ খুঁজি। আমাকে পথ দেখায় জামাঈ জিহাদে ইছলাম পার্টি। এই পার্টি হচ্ছে অন্ধকারের আলোকবর্তিকা, আমানিশার পর সোবে সাদাকের শামস। আমাদের জামাঈ জিহাদে ইছলাম পার্টির এক গুরুত্তবপূর্ন, কৌশলগত ও অত্যন্ত গোপন বৈঠক বসেছে; মাঝে মাঝেই এমন বৈঠকেই আমরা বসি, দুনিয়াকে নাছারামুক্ত করি, পাক স্তান করি। এমন বৈঠকে খাসে সব জিহাদি থাকে না, থাকেন প্রধান কয়েকজন নেতাএবং আমরা কয়েকজন- আমরা কজন থাকবো সেটা ঠিক করার কাজ আমার, আমি এই স্তানের জিহাদিদের মধ্যে এক নম্বর। দেশটিকে আমরা তন্ন তন্ন করে কয়েকটি স্তানে ভাগ করে নিয়েছি, আমার ভাগের স্তানের নাম, ‘মদিনাতুন্নবি’,এইটিই প্রধান অঞ্চল ; ইছলামে মক্কার থেকে যেমন বেশী গুরুত্বপূর্ন উতরিব, যার নাম বদলে রাখা হয়েছিল মদিনাতুন্নবি। আমাদের পাক সার জমিনও শুরু হবে এই স্তান থেকেই।

AAP

আম আদমি পার্টির ইফতার পার্টিতে যোগ দিচ্ছে পাকিস্তানের হাই-কমিশনার তথা জঙ্গি মদত দাতা আব্দুল বসিত।। বার বার আম আদমি পার্টিকে সমর্থন করছে পাকিস্তান ;- এ থেকেই পরিস্কার যে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি চলছে--পাকিস্তানের পয়সায় ও মদতে।। ভারত বিরোধী তথা শত্রু রাস্ট্রের টাকায় ও মদতে পুষ্ট এই দল কে প্রত্যাহার করুন এবং এই দলের সমর্থনকারী অন্য রাজনৈতিক দলকেও প্রত্যাহার করুন।। ভারতমায়ের অখন্ডতা রক্ষার স্বার্থে, এই দেশবিরোধীদের বর্জন করুন। ‪#‎ জয়_হিন্দ‬ ‪#‎ বন্দেমাতরম‬

ভারত সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদেরই দেশ

সমস্ত রাজনৈতিক নেতাদের মনে রাখতে হবে, ভারত সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদেরই দেশ। হিন্দু ধর্মের ঔদার্যই ভারতের ধর্ম এবং সমাজ ভাবনার মূল ভিত্তি। একথাও স্বীকার করতে হবে-- ইসলাম ও খ্রিস্টধর্ম দুটিই ভারতের বাইরে থেকে এসেছে। ভারতের মাটিতে এই দুটি ধর্মভাবনার জন্ম হয়নি। এই উদার হিন্দুদর্শন ভারতের মূল ভিত্তি বলেই কোনো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ভারতত্যাগ করতে হয়নি। হিন্দুদর্শন তার ঔদার্যের কারনেই, কখনও অন্য ধর্মের প্রতি আগ্রাসন দেখায় না। এই দর্শনটি বুঝলে নিজেকে হিন্দু বলে লজ্জিত হওয়ার কোনো কারন দেখি না। কিন্তু আজ, গোটা দেশ জুড়ে যে সব, দেশ বিরোধী, হিন্দু বিরোধী কাজ কর্ম শুরু হয়েছে তা মোকাবিলা সব হিন্দুদের এক হয়ে করতে হবে। হিন্দুই ভারতের জাতিয়তাবাদ, ভারতের অখন্ডতা রক্ষার প্রতীক।।

টুকটুকির পর আরও একটি ফুটফুটে নাবালিকা অপহৃতা হয়ে জেহাদির কবলেঃ

টুকটুকির পর আরও একটি ফুটফুটে নাবালিকা অপহৃতা হয়ে জেহাদির কবলেঃ কালনার ‘হিন্দু বালিকা বিদ্যালয়ে’র নবম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী ১৪ বছরের রুমেলি কর এক নারী পাচারকারীর খপ্পরে পড়ে নিখোঁজ হয়ে গেল। তার বাবার নাম শ্রী কার্ত্তিক কর। তিনি স্থানীয় লক্ষ্মণ পাড়া, পোঃ- কালনা; বর্ধমান জেলার বাসিন্দা। খবরে প্রকাশ গত রবিবার ১২ই জুলাই সকাল সাতটা’র সময় ইমাম শেখের ছেলে ২৪ বছরের ইমতাজ শেখ [টোটো (E-rickshaw) ভ্যানের চালক] তাকে অপহরন করে। এই মর্মে কালনা থানায় একটি অপহরণের অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। (FIR no. 439/15 of Kalna P.S.) স্থানীয় সুত্রে আরও জানা যায় যে, ইমতাজ এর আগেও এমন আরেকটি হিন্দু মেয়ে ফুঁসলিয়ে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে দেয়। তা স্বত্বেও এখনও পর্যন্ত রুমেলিকে উদ্ধারের ব্যাপারে পুলিশ কোন রকম ব্যাবস্থা গ্রহণ না করায় মেয়েটির পরিবার অথৈ জলে পড়েছে। ইতিমধ্যেই অপহৃতা মেয়েটির উদ্বিগ্ন বাবা, শ্রী কার্ত্তিক কর মেয়ের উদ্ধারের ব্যাপারে ‘হিন্দু সংহতি’র কর্ণধার শ্রী তপন ঘোষের শরণাপন্ন হয়েছেন। শ্রী ঘোষ তাকে এই ব্যাপারে যথাসাধ্য সাহায্যের আশ্বাস দিলেও নিজেই সম্পূর্ণ নিশ্চিত হতে পারেন নি। এই ভাবে আর কটা হিন্দু মেয়েকে আমাদের বলি দিতে হবে? পবিত্র ধর্মনিরপেক্ষতারআদর্শ রক্ষা ও ভোট ব্যাঙ্কের স্বার্থ রক্ষা করতে আমাদের আর কত মুল্য চোকাতে হবে?

ধর্মনিরপেক্ষতার কারন

প্রশ্নঃ সেকুলার কিভাবে তৈরী হয়? আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। সেকুলার তৈরী হয় দুই পদ্ধতিতে। ১)এই পদ্ধতিতেই বেশীরভাগ সেকুলার আম হিন্দু জনতা তৈরী হয়-- ছোটো বেলা থেকে আমাদের শেখানো হয় "সব ধর্ম সমান", " সব ধর্মের মূল কথা একই", "যত মত তত পথ", " যেই রাম সেই আল্লা"।। এই ভুল ভ্রান্ত কথাগুলো একটা শিশু ৫-৭ বছর বয়স থেকেই শিখে আসছে, তার ধারনা তাই তৈরী হচ্ছে; কিন্তু সব ধর্ম যে সমান নয়, সব ধর্ম যে এক কথা বলেনা, সব ধর্মের মূল ভিত্তিই যে আলাদা তা আমাদের শেখানো হয় না বা বলা যেতে অজ্ঞতা। আমরা এটা শিখি অনেক বড় বয়সে যখন অন্য ধর্মগ্রন্থ গুলি পড়ি। আমি দাবী করে বলতে পারি ৯০% হিন্দুদের মধ্যে নিজের ধর্মের মূল কথা কি, সেটাই জানার আগ্রহ দেখা যায় না। অন্য ধর্মগ্রন্থ তো দূরের ব্যাপার। তাই সে ছোটোবেলা থেকে উদার হিন্দু সমাজের মধ্যে দিয়ে সে বেড়ে ওঠে "সব ধর্ম সমান" এই বানী টি শুনে।। এইটি হল সেকুলার হিন্দু তৈরীর বড় অস্ত্র।। এছাড়াও আমাদের পাঠ্য ইতিহাস বইয়ে মুঘল যুগের বর্বর ইতিহাস চেপে যাওয়া হয়, তাকে জানতে দেওয়া হয় না যে-- বিদেশী মুসলমানরা এই দেশে এসে দীর্ঘ ৭০০ বছরে কত হিন্দু হত্যা করেছে, কত মন্দির ভেঙ্গে মসজিদ তৈরী করা হয়েছে, কত হিন্দু নারীকে ধর্ষন করেছে, কত নারীকে লুটের মাল হিসাবে মধ্যপ্রাচ্যে চালান করে দিয়েছে। সেই ইতিহাস আমাদের বইয়ের পাতা থেকে মুছে দিয়ে 'আকবর মহান', 'বারব মহান' 'আওরঙ্গজেব মহান' পড়ানো হচ্ছে, যারা লক্ষ লক্ষ মানুষ হত্যা করে রক্ত গঙ্গা বইয়ে দিল, তারা ইতিহাসের পাতায় মহান হয়ে উঠল।। সেকুলার তৈরীর দ্বিতীয় অস্ত্র ইতিহাস বিকৃতি ঘটানো।। ২) এই পদ্ধতির অনুসারীরা হল বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা নেত্রী এবং বুদ্ধিজীবী (দুরবুদ্ধিজীবি)। এরা নিজেদের ব্যাক্তিগত ক্ষমতা লোভের স্বার্থে মুসলমান তোষন করে চলেছে সব কিছু জেনে বুঝেও। এরা জানে মুসলমানরা ইমামের নির্দেশ মেনে দলবদ্ধ ভাবে ভোট দেয়, তাই এদের গু খেতেই হবে। গু না খেলে এদের দলবদ্ধ ভোট পাওয়া যাবে না, গদিতে বসে থাকা যাবে না, টাকা কামানো যাবে না। তাই প্রচার করে চলে 'সন্ত্রাসবাদীর কোনো ধর্ম হয় না' এরা হল ক্ষমতালোভী.... এবং ভিতু,, ভিতু কেন বললাম, কারন এরা ভয় পায় মুসলমানদের, এরা ভয় পায় যে মুসলমানদের বর্বর দাবী মেনে না নিলে যদি তারা দাঙ্গা করে,, এই নেতারা দাঙ্গাকে কঠোর হাতে দমনের, অত্যাচারী কে শাস্তি প্রদানে ব্যার্থ হয়......আর সেই ভয় পাওয়ার কারনই হল এদের ভন্ড ধর্মনিরপেক্ষতারআরেকটির কারন।।

ঈদের নিমন্ত্রণ

Biltu Mondal আমি গিয়েছিলাম সেলুনে দাড়ি কাটতে, আমাদের পাড়ার এক তৃনমূলের হাফ প্যান্টের নেতা দেখি চুলে কলপ করছে সেলুনে, আমি বললাম, "রথে বেরোবে বলে কলপ করিয়ে ফেললে?" সে বলল, "না ভাই, ঈদের নিমন্ত্রণ পাইছি আজ সন্ধ্যেবেলায় যাব, তাই পাকাচুল গুলো একটু কলপ করাচ্ছি।" আমি বললাম, "বেশ!! তা রাজীবকে নিয়ে রথে বেরোবে তো নাকি বিকালে?" সে বলল, "দেখি, ঠিক নেই, রাজীবের মা কে বলেছি, ছেলেকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসতে।।" আমি তারপর আর বেশী কথা না বলে তার কলপ হয়ে যাওয়ার পর দাড়ি কেটে চলে এলাম বাড়ি।। এইসব ভন্ড ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের নিজের ছেলেকে রথে নিয়ে বেরোবার সময় নেই কিন্তু সময় আছে সন্ধ্যেবেলায় ঈদের নিমন্ত্রনে গিয়ে গান্ডে-পিন্ডে গেলার। এটাই এদের কাছে ধর্মনিরপেক্ষতারনিদর্শন, এ কোথায় আছি আমরা কোন অন্ধকারে ডুবে আছি?!!

উওর ২৪ পরগনার দেগঙ্গায় বসিরহাটের সাংসদ হাজী নুরুলের প্ররোচনায় পুড়েছিল ও লুঠ হয়েছিল ২০০ হিন্দু বাড়ি

২০১০ সালে উওর ২৪ পরগনার দেগঙ্গায় বসিরহাটের সাংসদ হাজী নুরুলের প্ররোচনায় পুড়েছিল ও লুঠ হয়েছিল ২০০ হিন্দু বাড়ি। কালী মূর্তি ভেঙ্গে তার উপর প্রস্রাব করেছিল মুসলমানরা।। ---হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই ২০১৩ সালে ক্যানিং থানার অন্তর্গত চারটি হিন্দু গ্রাম জালিয়ে ছাই করে দেওয়া হয়েছিল, চারটি গ্রাম লুঠ করা হয় পুরো, সাথে গবাদি পশুও। ---হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই ২৯শে জানুয়ারী দক্ষিন ২৪ পরগনার উস্তি বাজারে ৭০টি হিন্দু দোকান লুঠ হল।। ---হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই ২২শে এপ্রিল দক্ষিন ২৪ পরগনা জেলার ফলতা থানার মল্লিকপুরে ৫০টি বাড়ি ও ১০ টি দোকান লুঠ।। ---হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই ৪ঠা মে নদীয়া জেলায় মুসলমান জেহাদীদের হাতে ৩জন দরিদ্র হিন্দু নিহত হল; বাড়ি ঘর পুড়ল, লুঠ হল।। ---হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই মগড়াহাটে বাবুসোনা গাজী কর্তৃক টুকটুকি মন্ডল অপহরন। ---হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই। কাশ্মীরে অমরনাথ তীর্থযাত্রীদের উপর মুসলমান কর্তৃক পাথর বর্ষন। ---হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই কাশ্মীরে পাকিস্তানের ও আইসিসের পতাকা উত্তোলন। ---হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই ও মুসলমানরা বিরাট দেশপ্রেমী।