প্রশ্নঃ সেকুলার কিভাবে তৈরী হয়?
আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।
সেকুলার তৈরী হয় দুই পদ্ধতিতে।
১)এই পদ্ধতিতেই বেশীরভাগ সেকুলার আম হিন্দু জনতা তৈরী হয়--
ছোটো বেলা থেকে আমাদের শেখানো হয় "সব ধর্ম সমান", " সব ধর্মের মূল কথা একই", "যত মত তত পথ", " যেই রাম সেই আল্লা"।।
এই ভুল ভ্রান্ত কথাগুলো একটা শিশু ৫-৭ বছর বয়স থেকেই শিখে আসছে, তার ধারনা তাই তৈরী হচ্ছে; কিন্তু সব ধর্ম যে সমান নয়, সব ধর্ম যে এক কথা বলেনা, সব ধর্মের মূল ভিত্তিই যে আলাদা তা আমাদের শেখানো হয় না বা বলা যেতে অজ্ঞতা। আমরা এটা শিখি অনেক বড় বয়সে যখন অন্য ধর্মগ্রন্থ গুলি পড়ি। আমি দাবী করে বলতে পারি ৯০% হিন্দুদের মধ্যে নিজের ধর্মের মূল কথা কি, সেটাই জানার আগ্রহ দেখা যায় না। অন্য ধর্মগ্রন্থ তো দূরের ব্যাপার।
তাই সে ছোটোবেলা থেকে উদার হিন্দু সমাজের মধ্যে দিয়ে সে বেড়ে ওঠে "সব ধর্ম সমান" এই বানী টি শুনে।।
এইটি হল সেকুলার হিন্দু তৈরীর বড় অস্ত্র।।
এছাড়াও আমাদের পাঠ্য ইতিহাস বইয়ে মুঘল যুগের বর্বর ইতিহাস চেপে যাওয়া হয়, তাকে জানতে দেওয়া হয় না যে-- বিদেশী মুসলমানরা এই দেশে এসে দীর্ঘ ৭০০ বছরে কত হিন্দু হত্যা করেছে, কত মন্দির ভেঙ্গে মসজিদ তৈরী করা হয়েছে, কত হিন্দু নারীকে ধর্ষন করেছে, কত নারীকে লুটের মাল হিসাবে মধ্যপ্রাচ্যে চালান করে দিয়েছে। সেই ইতিহাস আমাদের বইয়ের পাতা থেকে মুছে দিয়ে 'আকবর মহান', 'বারব মহান' 'আওরঙ্গজেব মহান' পড়ানো হচ্ছে, যারা লক্ষ লক্ষ মানুষ হত্যা করে রক্ত গঙ্গা বইয়ে দিল, তারা ইতিহাসের পাতায় মহান হয়ে উঠল।।
সেকুলার তৈরীর দ্বিতীয় অস্ত্র ইতিহাস বিকৃতি ঘটানো।।
২) এই পদ্ধতির অনুসারীরা হল বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা নেত্রী এবং বুদ্ধিজীবী (দুরবুদ্ধিজীবি)।
এরা নিজেদের ব্যাক্তিগত ক্ষমতা লোভের স্বার্থে মুসলমান তোষন করে চলেছে সব কিছু জেনে বুঝেও। এরা জানে মুসলমানরা ইমামের নির্দেশ মেনে দলবদ্ধ ভাবে ভোট দেয়, তাই এদের গু খেতেই হবে। গু না খেলে এদের দলবদ্ধ ভোট পাওয়া যাবে না, গদিতে বসে থাকা যাবে না, টাকা কামানো যাবে না। তাই প্রচার করে চলে 'সন্ত্রাসবাদীর কোনো ধর্ম হয় না'
এরা হল ক্ষমতালোভী.... এবং ভিতু,,
ভিতু কেন বললাম, কারন এরা ভয় পায় মুসলমানদের, এরা ভয় পায় যে মুসলমানদের বর্বর দাবী মেনে না নিলে যদি তারা দাঙ্গা করে,, এই নেতারা দাঙ্গাকে কঠোর হাতে দমনের, অত্যাচারী কে শাস্তি প্রদানে ব্যার্থ হয়......আর সেই ভয় পাওয়ার কারনই হল এদের ভন্ড ধর্মনিরপেক্ষতারআরেকটির কারন।।
No comments:
Post a Comment