পাক সার জমিন সাদ বাদ
[ হুমায়ন আজাদ]
পর্ব ৩
মহান আয়াতুল্লা রুহুল্লা খোমেনি বলেছেন, যারা জিহাদ করতে চায় না, যারা বলে ইসলাম যুদ্ধ চায় না, শান্তি চায়, তিনি তাদের মুখে থুতু দেন। আমির তাহেরির হোলি টেরর বইটি পড়ে, তাতে মহান আয়াতুল্লা রুহুল্লা খোমেনির ব্যাখ্যা পড়ে আমি আমার ধর্মকে, পবিত্র ইছলামকে, বুঝতে পারি। জিহাদ, হলি টেরর ,পবিত্র সন্ত্রাস- এটা এখন আমার জীবন। ওই যে ডেভিল মার্ক্স-এঙ্গেলস-লেনিন-ট্রটস্কি-স্ট্যালিন –মাওসেতুং কিছু কাফেরি বই পড়েছিলাম, সেগুলো একদিকে আমাকে সাহায্যই করেছে; ওগুলোও টেররের বই, যদিও আনহোলি, নাপাক, অপবিত্র; তাই গনতন্ত্রের ধাপ্পায়, মানুষের অধিকার নামের খানকিবৃত্তিতে, বাকস্বাধীনতা নামের জেনায় আমি কখনও বিশ্বাস করিনি; তাই হোলি টেরর পরে আমি খুবই স্বস্তি বোধ করি, শান্তি পাই। আমার জীবনের একটি অংশ নস্ট হতোনা যদি আমার পশম গজানোর আগেই পেতাম আবু আলা মাওদুদি ও আয়াতুল্লা রুহুল্লা খোমেনির কিতাব।
আমি তাওবা করি, আল্লার কাছে মাফ চাই, উদ্ধারের পথ খুঁজি। আমাকে পথ দেখায় জামাঈ জিহাদে ইছলাম পার্টি। এই পার্টি হচ্ছে অন্ধকারের আলোকবর্তিকা, আমানিশার পর সোবে সাদাকের শামস।
আমাদের জামাঈ জিহাদে ইছলাম পার্টির এক গুরুত্তবপূর্ন, কৌশলগত ও অত্যন্ত গোপন বৈঠক বসেছে; মাঝে মাঝেই এমন বৈঠকেই আমরা বসি, দুনিয়াকে নাছারামুক্ত করি, পাক স্তান করি। এমন বৈঠকে খাসে সব জিহাদি থাকে না, থাকেন প্রধান কয়েকজন নেতাএবং আমরা কয়েকজন- আমরা কজন থাকবো সেটা ঠিক করার কাজ আমার, আমি এই স্তানের জিহাদিদের মধ্যে এক নম্বর। দেশটিকে আমরা তন্ন তন্ন করে কয়েকটি স্তানে ভাগ করে নিয়েছি, আমার ভাগের স্তানের নাম, ‘মদিনাতুন্নবি’,এইটিই প্রধান অঞ্চল ; ইছলামে মক্কার থেকে যেমন বেশী গুরুত্বপূর্ন উতরিব, যার নাম বদলে রাখা হয়েছিল মদিনাতুন্নবি। আমাদের পাক সার জমিনও শুরু হবে এই স্তান থেকেই।
No comments:
Post a Comment