Saturday, 25 July 2015

ইন্ডিয়া'র নাম একদিন পাল্টে যাবে

ইন্ডিয়া'র নাম একদিন পাল্টে যাবে, ... সে হিন্দুরাই ক্ষমতায় আসুক বা মুসলমান...।। ইন্ডিয়া'র সংবিধানও একদিন বদলে যাবে, ... সে হিন্দুরাই ক্ষমতায় আসুক বা মুসলমান...।। ইন্ডিয়া'র পার্লামেন্টের সামনে রাখা গান্ধির মূর্তিটা একদিন ভেঙ্গে মাটিতে মিশে যাবে, ... সে হিন্দুরাই ক্ষমতায় আসুক বা মুসলমান...।। এটাই চরম বাস্তব ... সূর্য চন্দ্রের মত সত্যি .... আমি হিন্দু ..., আমি বাঁচতে চাই, মাথা উঁচু করে .... স্ত্রী-কন্যার মান মর্যাদা নিয়ে। ... সে হোকনা কেন আমি যে দলেরই সমর্থক হই...।। আমার একটাই ঠিকানা .... "হিন্দুর ভারতবর্ষ"। - এ ছাড়া যে আমার যাবার আর কোন জায়গা নেই।

হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ

ইসলামিক জেহাদি শক্তির বিরুদ্ধে লড়তে এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গেও বাংলা দেশের 'হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য' পরিষদের মত, একটি সুসংহত অমুসলিম সংহতির বিশেষ প্রয়োজন। - যার নেতৃত্ব দেবেন শিখেরা।

বাংলাদেশের হিন্দুদের ভারতে নাগরিকত্ব প্রদান

যারা বার বার বাংলাদেশের হিন্দুদের ভারতে নাগরিকত্ব প্রদান এবং পুনর্বাসন প্রদানের কথা বলছেন - তারা একবারও দাবী করছেন না যে ভারতের মুসলমানদেরকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিতে হবে এবং ওই খালি জায়গায় পুনর্বাসন দিতে হবে। অর্থাৎ তাঁরা মুসলমানের কাছে ভাল ও সেকুলার সেজে থাকতে চান। ..... শ্রী তপন ঘোষ.....

বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন

বাংলাদেশে এত এত হিন্দু নির্যাতন হলো শত শত মন্দির ভাঙা হলো, হিন্দুদের বাড়ি-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পোড়ানো হলো- একজন হিন্দু একটা মামলা ঠুকেছে বলে আমি আজও শুনিনি। নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় যে হিন্দু নির্যাতন হলো- এখন পর্যন্ত ক'জনকে ধরেছে বাংলাদেশের সরকার? 2001 থেকে 2014 ধরলে তো নির্যাতনের বড় একটা ইতিহাস বই হয়ে যাবে।.............বাংলাদেশের একটা হিন্দু পরিবারেরও সুস্থ ভাবে বেচে থাকার এতটুকু নিরাপত্তা নেই.... যেটুকু একটা রাস্তার কুকুরেরও আছে | যখন ইচ্ছে লুট, ধর্ষণ খুন বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া এইগুলো ওদের কাছে পুন্নের কাজ .......| বাংলাদেশের হিন্দুরা সেই 1947 এর পর থেকে মুসলিমদের হাতে মার খেয়ে যাচ্ছে | এই সব বিষয় নিয়ে ভারতীয়দের কোন উদ্বেগ নেই... মিডিয়াগুলোও চুপ... | অথচ ভারতের এক গুজরাট দাঙ্গার অজুহাত দেখিয়ে বাংলাদেশ,পাকিস্তানে হিন্দুদের হাজার হাজার মন্দির , বাড়িঘর মুসলিমরা ধ্বংস করেছে........সেসব নিয়েও কেউ কোন টুশব্দ করেনি এবং আজো করছে না এই ভন্ডামি সেকুলারিজমের দোহাই দিয়ে | আজ ভারতেরও হিন্দুদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে আর মুসলিম বেড়ে যাচ্ছে | আর মুসলিম বেড়েগেল কি হয় সেটা গোটা বিশ্বের ইতিহাস ঘাটলেই জানা যায় | সত্যি বলতে যে জাতি ইতিহাস থেকে শিক্ষ্যা না নেয়, সেই জাতির ধ্বংস অনিবার্য |

Muslim k support korun, আর পশ্চিমবঙ্গকে প্রথম স্থান এ নিয়ে যান

***Muslim k support korun, আর পশ্চিমবঙ্গকে প্রথম স্থান এ নিয়ে যান*** দেশের মধ্যে মুসলিম প্রধান রাজ্য হিসাবে কাশ্মীর প্রথম, আসাম দ্বিতীয় , পশ্চিমবঙ্গ তৃতীয় । জাতীয় জনসংখ্যার গড় বৃদ্ধি ১৮%, মুসলিম বৃদ্ধি ২৪%, আর পশ্চিমবঙ্গে বৃদ্ধি ৩৪%। পশ্চিম বঙ্গ যে ক্রমশই প্রথম স্থানের দিকে এগিয়ে চলেছে,… বাঙালি হিন্দুরা দ্বিতীয় বার উদ্বাস্তু হওার জন্য তৈরি থাকুন। এত দিনে বাঙ্গাল-ঘটির ঝগড়া মিটবে, কারন এবার উভয়ে উদবাস্তু হতে চলেছে । এ কোনো প্রশ্ন করছে কিভাবে?? শুনুন :::-- ২০১১ থেকে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী, জঙ্গি, জামাতের স্বর্ন যুগ শুরু হতে হয়েছে ও চলছে এই বাংলায়। ২০১৬ এর ভোটে তৃনমূলই জিতবে বাংলাদেশী জঙ্গি , জামাতের মদতদানকারী দল ও ৩০% মুসলিম ভোটের সাহায্যে । অর্থাৎ এই ২০১১ থেকে ২০২১ এই দশ বছরে বাংলাদেশের জঙ্গি, জামাতের এবং বাংলাদেশীদের স্বর্ন যুগ হতে চলেছে। ১৯৪৭ এ এই বাংলায় সংখ্যালঘু ছিল ৫ % এখন ২০১৫ এ আছে ৩০%( বেসরকারী মতে ৩৮ %) । ২০২১ এ হতে চলেছে ৪২ % । এই ৪২ % শক্তি নিয়ে তাঁরা ২০২১ এ নিজেদের দল গড়ে ভোটে লড়বে ও জিতবে, বাংলার মসনদে শুধু বসবে। তাঁর পর ধীরে ধীরে তাঁর ২৫ বছরের মধ্যে বাংলা থেকে হিন্দুদের মেরে কেটে বিতারিত করবে। সুধু হিন্দু শুন্য করাই নয়, রাইটার্সে বসে এই বাংলা যাতে বাংলাদেশের সাথে মিশে যায় তাঁর পরিকল্পনা করবে এবং ২০৪৭ সালে তা সফল ভাবে কাযকারি করবে । - যে পরিকল্পনা তারা ইতিমধ্যেই করে ফেলেছে । সুতরাং আর দেরি কি? ২০১৬ ভোট টা নিশ্চিন্তে দিয়ে, বাগপত্তর গুছিয়ে ফেলুন... আপনারা তো আর রুখে দারাবেন না, পালাতে ওস্তাদ । বাঙাল দের অভিজ্ঞতা আগেই কিছুটা আছে... এদেশিও দের নিয়ে একটু সমস্যা, তারা বাঙাল দের থেকে জেনে নিন, র যাদের বাঙাল এ অ্যালার্জি তারা কাশ্মীরি দের থেকে জেনে নিন। ধন্যবাদ। পারলে অন্যদের শেয়ার করে জানান। না পারলে আর ও ভাল। কারণ হিন্দু তো ঘুমিয়ে থাকে....আপনিও ঘুমান — Babai Chakraborty - এর স্টাটাস থেকে ... Join our page https://m.facebook.com/SUDIPABVP

Thursday, 23 July 2015

পাক সার জমিন সাদ বাদ [হুমায়ুন আজাদ] পর্ব ৯

এক অকুতোভয় অনন্যসাধারন বামপন্থী কথাশিল্পী 'হুমায়ূন আজাদ' ও তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ পাক সার জমিন সাদ বাদ [হুমায়ুন আজাদ] পর্ব ৯ আমরা দুটি অসামান্য কর্মকান্ড গ্রহন করেছি, যা দেশকে বদলে দেবে। আজকে আমাদের আন্দোলন ‘ভৈরব’ উপজেলার নাম বদলের; আগামিকাল আন্দোলন ‘শ্যামাসিদ্ধি’ গ্রামের নাম বদলের; আমরা দুনিয়াকে খোলনেলচেসহ বদলে দেব। ভৈরব আর শ্যামাসিদ্ধি দুটি নামই আমার ছোটোবেলা থেকে প্রিয়, কিন্তু তাতে কি; ভৈরব আর শ্যামসিদ্ধি দুটিই পৌত্তলিক নাম, মালাউন নাম, এই নাম আমি আর মানতে পারি না, এটা শিরক; আর শ্যামসিদ্ধির ওই মঠটা, যেটিকে দূর থেকে একবার না দেখলে আমার ঘুম হত না, ওটিকে আমার মনে হয় ইছলামের ওপর পাক স্তানের উপর আমার দিলের উপর একটা শরিকের আঘাত মতো- মঠটি ভেঙ্গে একটা মসজিদ তৈরি করতে হবে; ওখানে আমি একটি আল আকসা বা বায়তুল মোকাররাম দেখতে চাই। ওই মঠটির দিকে তাকালেই আমার এক সময়ের প্রিয় পরম শ্রদ্ধেয় মহান অদ্বিতীয় সানগ্লাস জেনারেল নেতাকে মনে পড়ে। তিনি আমার হৃদয়ে সব সময় আছেন, সব সময় থাকবেন। আমি তাঁর দলে যোগ দিই নি, দিতে পারি নি, দেয়ার চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু আমার সাম্যবাদী নেতাদের পায়ের চাপে বার বার পিষ্ট হয়ে গেছিয়ালাম; তিনি পল্টন ময়দানে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন, জ্বালাময়ী বক্তৃতায় আমরা কাঁপছিলাম, তিনি হঠাত করে বক্তৃতা থামিয়ে ডান হাতের তর্জনি আমাদের বায়তুল মোকরামের দিকে স্থির করে রাখেন। তিনি স্তব্ধ হয়ে থাকেন কয়েক মিনিট, আমরাও স্তব্ধ হয়ে যাই, তাঁর আঙুলের দিকে তাকিয়ে থাকি, নিশ্চয় ওই আঙুল কোনো গভীর বানী প্রকাশ করছে। তিনি স্তব্ধ হয়ে থাকেন কয়েকমিনিট, আমাদের মনে হয় তিনি হাজার হাগার বছর ধরে স্তব্ধ হয়ে আছেন, তাঁর বদলে কথা বলছে তাঁর জ্যোতির্ময় তর্জনি। আমি তাঁর তর্জনির ভাষায় কাঁপতে থাকি। একসময় তিনি বলে ঊঠেন, ‘চ্ছি-ল-না’। আমরা বিস্মিত শিহরিত হয়ে ভাবতে থাকি কি ছিল না? আমরা কি করে জানবো? জানাবেন তিনি, যিনি জানেন, জানার সুস্ত ক্ষমতা যার। তিনি বলেন। ‘চ্ছি-ল-না, আল্লাহু আকবর ছিল না; বায়তুল মোকাররামের উপরে আপনারা যে ‘আল্লহ আকবর’ দেখতেছেন, তা চ্ছি-ল-না; আল্লালু আকবর ওয়াজ নত দেয়ার।’ আমাদের বুক থেকে একটা পাহাড় নেমে যায়, আমরা নিশ্বাস নিই। আমরা বোধ করি তিনি কত মহান, কত অসাধারন, তিনি কত বড় দ্রষ্টা; মহান নেতার তা চোখে পড়েছে, তিই সেখানে আল্লা আকবর বসিয়েছেন, যা রাতে জ্বলজ্বল করে রাহমানির রাহিমের গৌরব ঘোষনা করছে; মহান নেতা ইছলাম প্রতিষ্ঠিত করেছেন; তাঁর থেকে বেশি প্রতিষ্ঠিত করেছেন আমাদের। মহান আল্লাতালা নিশ্চয় তাকে এখন জান্নাতুল ফেরদাউসে রেখেছেন। তিনি হয়তো সেখানেও সানগ্লাস পররে তাকিয়ে আছেন তাঁর প্রতিষ্ঠিত আল্লহু আকবরের দিকে, আর আমাদের দিকে , আমরা যারা পাক স্তান প্রতিষ্ঠা করব, পাক সার জমিন গাইব। ওই ঘটনা আমার মনে দাগ কেটে আছে; আমি শ্যামসিদ্ধির মঠটি ভেঙ্গে ফেলব বা সেটিকে মসজিদ বানিয়ে বড়ো বড়ো অক্ষরে লিখব ‘আল্লহু আকবর’, যা রাহমানির রাহিমও দেখতে পাবেন। তিনি অবশ্য সবই দেখেন, একটি পোকাও তাঁর চোখের বাইরে নয়। তবে মালাউনদের দু-একদিন সময় দিতে পারি, একটু দয়া করতে পারি। যদিও আন্দোলন আমাদের আজই করতে হবে, দয়া করে ওদের একটু সুযোগ দিতে পারি। কি সুযোগ দেবো? গতকাল রাতে আমার জিহাদিদের সাথে আমি আলাপ করেছি, তখন ভিডিয়োতে এক্স এক্স এক্স চলছিলো, ডেঞ্জারাস জিনিশ, লাস্ট ফর ডগজ; তারপর ইন্ডিয়ান জিনিশ-এখন আর আমরা আর সাদা বেহায়া মেয়েগুলোর চোষাচুষি, পাছা মারামারি, ডাবল ট্রিপল স্ক্রু মারা দীখে এক্সাইটেড হই না, অনেক দেখেছি, সবই একইরকম, পানসে, রাবিশ; আমাদের পছন্দ মালাউন এক্স এক্স এক্স, সাউথ ইন্ডিয়ান আর মুম্বাইয়ের এক্স এক্স এক্স দেখে আমরা সঙ্গে সঙ্গে খাড়া হই, সাদা মাইয়াগুলো সেখলে হই না, ওইগুলোর দেহে কোনো স্বাদ নেই, ওগুলো ব্লাডার আর পাম্পারের অটমেটিক মেশিন; ওগুলো দেখতে দেখতে আমাদের মনে পড়ছিল দুর্গা, বকুলমালা, কনকলতা, রমা, সীতা, মাধুরী, আর কি কি যেন নাম ওদের, সেই ডবকা মেয়েগুলোকে, যদি ওদের এবং আরো কয়েকটিকে পাই, একা আমি পেলেত হবে না, তালেবাম মোঃ হাফিজুদ্দিন, জিহাদি মোঃ কেরামত আলি, জিহাদি মোঃ মোস্তাফা, জিহাদি মোঃ আকবর আলিকেও ভাগ দিতে হবে, তাহলে মালাউনদের কয়েকটি দিন দিতে পারি, কয়েকটি দেন।

পাক সার জমিন সাদ বাদ [হুমায়ন আজাদ] পর্ব ৮

এক অকুতোভয় অনন্যসাধারন বামপন্থী কথাশিল্পী 'হুমায়ূন আজাদ' ও তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ পাক সার জমিন সাদ বাদ [হুমায়ন আজাদ] পর্ব ৮ ‘ সোভানাল্লা , এক কালের কমিউনিস্টরাও আমাগো লগে জয়েন করছে, হেরা অহন পাক স্তান আর ইছলাম ছাড়া আর কিছুই বোঝে না, আলহামিদুদিল্লা,গত কয় মাসে আমি দশগন্ডা কমিউনিস্টরে তোবা পড়াইছি। কমিউনিস্টরাও জেহাদে বিশ্বাস করতো, শ্রেনীসংগ্রামেরজেহাদ, ক্যালাশস্ট্রাগলের জিহাদ, এইখনে তারা নিজগো ভুল বুজতে পারছে, খাডি জিহাদে ফিইর্যা আইছে। দ্যাখ নাই, ১৯৭১এ একদল কমিউনিস্ট আমাগো লগে কাম করেছে, সোভানাল্লা। ’ আমি একসময় মার্ক্সবাদ করেছি, সাম্যবাদী ইশতেহার পড়েছি, বস্তুবাদ ছাড়া আর কিছুই বুঝিনি, সব কিছুর ব্যাখ্যা করেছি মার্ক্স-এঙ্গেলসের বস্তুবাদী ভাষায়, হেগেলকেও টেনে এনেছি; বলেছি, কমিউনিস্ট ইশতেহার হচ্ছে শ্রেষ্ঠ বই, শ্রেষ্ঠ ঘোষনা, নেতাদের সাথে স্লোগান দিয়েছি পথে পথে, কিছু পাই নি; আমাদের নেতারা রাশিয়ার ভোদকা আর চীনের বিড়ি পেত, আমি তাও পাইনি; আলহজ এরশাদের সময় মার নেতারা যখন তার পা চাঁটতে শুরু করে, মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী হতে শুরু করে, আমার ঘেন্না লাগে; তখন আমি সর্বহারা দলে যোগ দিই, এখানে সেখানে দু একটি খুন করি, ডাকাতি করি- করতে ভালোই লাগে, দু-একটি মেয়েকে ধর্ষন করি, আমি ঠিক ধর্ষনের মত করিনি, তাদের আমি রাজি করাই,প্রথমে ছেড়ে দেই, তারপর তাদের সাথে আমার কয়েকবার দৈহিক সম্পর্ক হয়, আমি ঠিক মত পেরে উঠিনি , তারা সবাই বলে , ‘তুমি পার না’ , আমি তখন পারতাম না, এখন পারি, ধীরেসুস্থে পারতে শিখেছি; তারপর আমি যোগ দিই ‘জামাঈ জিহাদে ইছলাম পার্টিতে’। আমি মুক্তির পথ খুজে পাই, জীবন পাই। জামাঈ জিহাদে ইছলাম পার্টি আমাকে উদ্দীপ্ত করে, আমি প্রচন্ড উত্তেজনা বোধ করি, এই উত্তেজনা দেহের বিশেষাঙ্গের উত্তেজিনার থেকে অনেক বেশি তীব্র; আমি দেখতে পাই আমি বেঁচে উঠছি, আমি বেহেশতের স্বপ্নে বিভোর হয়ে ঊঠি। মাওলানা মওদুদু, ইমাম গজ্জালি, আয়াতুল্লা খোমেনির বই আর কোরান-হাদিছ পড়ে আমি বুঝতে পারি এতকাল আমি ভুল পথে ছিলাম, দোজগের রাস্তায় ছিলাম, এখন আমি ঠিক পথে এসেছি; এখানে সব সময়ই সোয়াব, সবসময়ই উত্তেজনা; পৃথিবীতে মুছলমান আর ইছলাম ছাড়া আর কিছু থাকবে না, এ-বিশ্বাস আমাকে মাতাল করে তোলে—নাউজুবিল্লা, ‘মাতাল’ শব্দটি ঠিক হয়নি, আল্লা আমাকে ,আফ করবেন; এ-সময়ই আমি চমৎকার জীবন পাই। যখন মার্ক্সবাদী ছিলাম, যখন সর্বহারা ছিলাম, তখন আমার কোনো জীবন ছিল না; জামাঈ জিহাদে পার্টিতে যোগ দেওয়ার পর আমি প্রায় সব পাই, বেহেশত তো পাবই। যোগ দেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই আমি জামাঈ জিহাদে ইছলামের ‘মদিনাতুন্নবি’ অঞ্চলের নেতা হয়ে উঠি, আমায় খুব চেষ্টা করতে হয় না; আমার প্রধান নেতারা বুঝতে পারেন যে-তিরিশটি মাদ্রাছার তালেব এলেম নিয়ে এই অঞ্চলের সংঘটি সংগঠিত, ওই সব হাফেজিয়া ফোরকানিয়া কওমি কামিল দাখিল সাধারন মাদ্রাছার তালেবানদের মাথায় ঘিলু এই, যেমন তাদের মাথাও নাই, তাদের মগজ অন্য জায়গায়; তাই যোগ দেওয়ার কয়েক মাসে মধ্যেই আমি নেতা হয়ে উঠি। নেতা হওয়ার মত সুখ ও স্বাদ ও কাম আর নেই। শুধু ক্ষমতা নয়, ক্ষমতার মধ্যে যা শ্রেষ্ঠ-টাকা, তা আমার হাতে আসতে শুরু করে অঢেল, টাকা যে পানির স্রোতের মত নানা খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়, তা আমি আগে জানতাম না, এখানে এসে দেখি নানা খাল দিয়ে ঢৈউ তুলে টাকা আসছে আমার দিকে। ক্ষমতা ও টাকা মানুষকে মহাপুরুষে পরিনত করে, অমরতা দেয়। মার্ক্সবাদে আমার পকেটে একটা আধুলিও আসত না, সর্বহারা ডাকাতির সময় আসত দু-তিন হাজার টাকা, কিন্তু তখন সবসময় বিপদের ভয় থাকত, এখন কোনো ভয় নেই; এখানে নেতা হওয়ার পর আমার হাতে আসতে থাকে লাখ লাখ টাকা। টাকা যে কত সুন্দর, রূপসী, শাশ্বতী টা আমি বুঝতে পারি নেতা হওয়ার পর থেকে; অস্ত্র কেনার পর,ইছলামের সিপাহীদের টাকা দেওয়ার পর, আমার বাক্সে পরে থাকতে শুরু করে লাখ টাকা। আল্লা আর পাক স্তান ছাড়া এত টাকা আর আমাকে কে দিতে পারত? —