উন্নয়নের ছক্কা আবার
শিঘ্রই লণ্ডন্বাসীরা কে এফ সি ম্যাকডোনাল্ড ইত্যাদির সাথে পাবেন গরম ভাজা আলুর চপ,বেগুনি,ফুলুরি,ডালবড়ার মত ভারতীয় স্ন্যাক্স লণ্ডনবাসীরা যারা দশ তলা বাড়ি বানাতে চান
তারা অবিলম্বে ট্রেনিং নিয়ে শহরের ফুটপাত দখল করে তেলেভাজার দোকান দিন।অর্থনিতীর এই তেলেভাজা তত্ত্বের আবিষ্কারক মমতা ব্যানার্জী আসছেন আপনাদের ট্রেনিং দিতে।
বি দ্র-ইতিপূর্বে উনি সিঙ্গাপুরে গিয়ে পাগলুকে নাচিয়ে পশ্চিম বঙ্গে সিঙ্গাপুরি কলা ও আনতে পারেন নি।তাই জনতা যানে উনি লণ্ডন থেকে ও অশ্বডিম্ব ব্যাতীত কিছুই আনতে পারবেন না তাই লণ্ডনকে কলকাতা করার জন্য এই বিশেষ ট্রেনিং ব্যাবস্থা
জয় মা মাটি মানুষ
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Monday, 27 July 2015
নারীর খৎনা বা নারী লিঙ্গচ্ছেদ
নারীর খৎনা বা নারী লিঙ্গচ্ছেদ
চর্চা সারা পৃথিবীতেই আছে, তবে প্রধানত
আফ্রিকা ও ইন্দোনেশিয়াতেইএটা বেশি।
অনেক দেশে এটি একটি ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক
ঐতিহ্য। এর মাধ্যমে নারীর যৌন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ
ছেঁটে ফেলা হয় অথবা ক্ষত সৃষ্টি করা হয়।
গত কয়েক দশক ধরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ছাড়াও
বহু স্বাস্থ্য সংস্থা এর চর্চা বন্ধ করতে চাপ প্রয়োগ
অব্যাহত রেখেছে। যদিও ঐতিহ্য ও ধর্মীয় জীবনের
প্রয়োজনে এটির চর্চা এখনো অনেক
সমাজে রয়ে গেছে।জাতিসংঘ বিশ্ব
জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA) ৬
ফেব্রুয়ারিকে আর্ন্তজাতিক নারী যৌনাঙ্গ
বিকৃতকরণ বিরোধী দিবস
হিসেবে ঘোষণা করেছে।
সম্প্রতি কেনিয়ার প্রত্যন্ত এলাকার পকোত
আদিবাসী কিশোরীদের এমন লিঙ্গচ্ছেদ
অনুষ্ঠানের ধারাবাহিক ছবি ধারণ করেছেন
আলোকচিত্রী সিগফ্রেড মডোলা। এসব
ছবিতে চার কিশোরীর লিঙ্গচ্ছেদের
আনুষ্ঠানিকতা নিখুঁতভাবে উঠে এসেছে।অবশ্য
কেনিয়াতে তিন বছর আগেই এ ধরনের
খৎনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু অনেক
আদিবাসী গোষ্ঠী এখনো এটি বিয়ের প্রধান
শর্ত হিসেবে মেনে চলে আসছে।
Kaplar-852
কেপলার-৪৫২বি আর আমাদের পৃথিবী......
অনেকদিন পর একজন বন্ধু পেল পৃথিবী। যদিও এখনও এটা সম্পূর্ণ নির্ণয় করা সম্ভব হয় নি তাঁরা কতটা ভালো বন্ধু হবে।
পৃথিবী যেমন ঘুরছে সূর্যকে কেন্দ্র করে তেমনি কেপলারও ঘুরছে জি-২ নামক একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে। শুধু তফাৎ হচ্ছে পৃথিবীর প্রয়োজন হয় ৩৬৫ দিন আর কেপলারের প্রয়োজন পড়ে ৩৮৫ দিন। কেপলারের নিজের ওজন এত বেশি, ঘোরাফেরা করতে একটু বেশি সময় তো লাগবেই। বলা বাহুল্য পৃথিবীর চেয়ে কেপলার ১.৬ গুন বড়।
কেপলারও অনেকটা সুবিধাবাদী আমাদের পৃথিবীর মত। সূর্যের মত জি-২ নামক একটি নক্ষত্র থেকে এমন একটা দূরত্বে তার অবস্থান যা কেপলারকে বেশি উত্তাপে গলে যাওয়া থেকে যেমন বাঁচাবে তেমনি বাঁচাবে বেশি ঠান্ডায় জমে যাওয়া থেকেও। অনেকটা কাশ্মীরে ধারণকৃত কোন সিনেমার শুটিংয়ে নায়কের বুকে নায়িকার উষ্ণ পরশের মত। যাকে বিজ্ঞানীরা বলেছেন "হেবিটেবল জোন"।
ধারণা করা হচ্ছে কেপলার ৬ বিলিয়ন বৎসর অতিবাহিত করে ফেলেছে এই হেবিটেবল জোনে যেখানে আমাদের পৃথিবীর করেছে ৪.৫ বিলিয়ন বৎসর। তো বয়স, সাইজ সব দিক মিলিয়ে আমরা এই কেপলারকে পৃথিবীর বড় ভাই বলে সম্বোধন করতেই পারি।
এর আগেও বিজ্ঞানীরা অনেক গ্রহ আবিষ্কার করেছিলেন যেগুলো নিয়ে তেমন হইচই হয় নি। তাহলে এই কেপলারের মাঝে এমন কি আছে যা বাকি গ্রহ গুলোর মাঝে ছিল না!
বাকি গ্রহ গুলোর মাঝে দেখা গিয়েছে হয় কোনটা খুব বরফ শীতল অথবা কোনটা প্রচণ্ড উত্তপ্ত আগ্নেয়গিরির মত। এক কথায় সেখানে জীবনের অস্তিত্ব থাকাটা মোটামুটি অসম্ভব।
গবেষণার ফল বলছে এই কেপলার এখন যে সময়টার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে হয়তো আমাদের পৃথিবীও আজ থেকে বিলিয়ন বছর পরে একই সময়ের মধ্যে দিয়ে যাবে। এমনও হতে পারে আমাদের পৃথিবীর মত প্রাণ চাঞ্চল্য ছিল কোন এক সময় এই কেপলারে। কোন কারণে হয়তো বা সব কিছু থেমে গিয়েছিল যা কোন একসময় আমাদের পৃথিবীর সাথেও হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটা থেকে আমরা একটা অনুমান করতেই পারি যে, কোন একদিন পৃথিবীতে যদি প্রলয় এসেও যায় এরপরেও কোন একদিন হয়তো আবার প্রাণের সঞ্চার হবে। সৃষ্টি-প্রলয়-সৃষ্টি এইভাবেই চলতে থাকবে হয়তো বা।
দুঃখজনক হলো আপাতদৃষ্টিতে পৃথিবী একজন বন্ধু পেলেও তার সাথে রয়েছে আমাদের অনেক বিশাল দূরত্ব। প্রায় ১৪০০ আলোক বর্ষ। সুতরাং যাঁরা যাওয়ার জন্য ব্যাগ গুছিয়ে নিচ্ছিলেন আপাতত টিকেট বুকিং করার দরকার নেই। আরও উন্নত মানের স্পেস ক্র্যাফট আসুক তারপর একসাথে যাওয়া যাবে ক্ষণ।
তবে আপাতত হাবল নামক যেই টেলিস্কোপটি দিয়ে গ্রহ নক্ষত্রকে দূর থেকে চুপি চুপি দেখা হয় ধারণা করা হচ্ছে 'জেমস ওয়েব স্পেস' নামক এমন একটি শক্তিশালী টেলিস্কোপ আসছে যা দিয়ে খুব শীঘ্রই জানা যাবে এই কেপলার সম্পর্কে আরও অনেক বেশি। এই টেলিস্কোপটি এতটাই ক্ষমতাবান যার মাধ্যমে জানা যাবে এই বিশ্ব সৃষ্টির প্রতিটি ধাপ সম্পর্কে। এমনকি বিগ ব্যাং-এর পরে কিভাবে এই মহাকাশের সৃষ্টি, কিভাবে প্রানের সৃষ্টি সে সম্পর্কেও।
তবে বিজ্ঞান যেহেতু প্রতিদিনই একটু একটু করে এগিয়ে যাচ্ছে তাই ধারণা করা হচ্ছে সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন গ্রামীন ফোনের বিজ্ঞাপনের মত আমাদের পৃথিবী কোন একদিন কেপলারকে বলতে পারবে,'দূরত্ব যতই হোক, ভাই কাছে আয়'।
Upanishad হিন্দু ধর্ম নিয়ে মোল্লাদের এতদিনের অপপ্রচারের দাতভাঙা জবাব
====>আল্লোপনিষদ<===
অতীব গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট।হিন্দু ধর্ম নিয়ে মোল্লাদের এতদিনের অপপ্রচারের দাতভাঙা জবাব।শেয়ার করে সবাইকে জানানো আপনার পবিত্র দায়িত্ব।
সাধারনত হিন্দুরা অহিন্দুদের সব প্রশ্নের উওর সঠিকভাবে দিতে পারলেও এই "আল্লোপনিষদ" এ এসে সবাই দমে য়ায় ।এর প্রধান কারনটি হলো বেশীভাগ হিন্দুদের এটির সম্পর্কে কোনো জ্ঞান নেই তাই অহিন্দুরা এটা নিয়ে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকরে ।
# ===>শুরুতেই বলে রাখি হিন্দুধর্মে আল্লোপনিষদ নামে কোন শব্দ BA গ্রন্হ নেই । অল্লোপনিষদ নামে স্বীকৃত কোনো ঊপনিষদ নেই!!
হিন্দুদের মূল উপনিষদ ১২টি।এছাড়া আরো ১০৮ টি উপনিষদও আছে। "মুক্তিকোপনিষদে" ১০৮ টি স্বীকৃত ঊপনিষদের নাম দেওয়া আছে, সেইখানে অল্লোপনিষদ নামে কোনো উপনিষদ নেই। তাছাড়া হিন্দু ধর্মে সর্বমোট ১০৮ ঊপনিষদ আছে তার নামগুলো নিচে দেওয়া হলো ::
1 Aitareya Upanishad 2 Aksha-Malika Upanishad - about rosary beads 3 Atma-Bodha Upanishad 4 Bahvricha Upanishad 5 Kaushitaki-Brahmana Upanishad 6 Mudgala Upanishad 7 Nada-Bindu Upanishad 8 Nirvana Upanishad 9 Saubhagya-Lakshmi Upanishad 10 Tripura Upanishad From the Shuklapaksha Yajurveda 11 Adhyatma Upanishad 12 Advaya-Taraka Upanishad 13 Bhikshuka Upanishad 14 Brihadaranyaka Upanishad 15 Hamsa Upanishad 16 Isavasya Upanishad 17 Jabala Upanishad 18 Mandala-Brahmana Upanishad 19 Mantrika Upanishad 20 Muktika Upanishad 21 Niralamba Upanishad 22 Paingala Upanishad 23 Paramahamsa Upanishad 24 Satyayaniya Upanishad 25 Subala Upanishad 26 Tara-Sara Upanishad 27 Trisikhi-Brahmana Upanishad 28 Turiyatita-Avadhuta Upanishad 29 Yajnavalkya Upanishad From the Krishnapaksha Yajurveda 30 Akshi Upanishad 31 Amrita-Bindhu Upanishad 32 Amrita-Nada Upanishad 33 Avadhuta Upanishad 34 Brahma-Vidya Upanishad 35 Brahma Upanishad 36 Dakshinamurti Upanishad 37 Dhyana-Bindu Upanishad 38 Ekakshara Upanishad 39 Garbha Upanishad 40 Kaivalya Upanishad 41 Kalagni-Rudra Upanishad 42 Kali-Santarana Upanishad 43 Katha Upanishad 44 Katharudra Upanishad 45 Kshurika Upanishad 46 Maha-Narayana (or) Yajniki Upanishad 47 Pancha-Brahma Upanishad 48 Pranagnihotra Upanishad 49 Rudra-Hridaya Upanishad 50 Sarasvati-Rahasya
51 Sariraka Upanishad 52 Sarva-Sara Upanishad 53 Skanda Upanishad 54 Suka-Rahasya Upanishad 55 Svetasvatara Upanishad 56 Taittiriya Upanishad 57 Tejo-Bindu Upanishad 58 Varaha Upanishad 59 Yoga-Kundalini Upanishad 60 Yoga-Sikha Upanishad 61 Yoga-Tattva Upanishad From the Samaveda 62 Aruni (Aruneyi) Upanishad 63 Avyakta Upanishad 64 Chandogya Upanishad 65 Darsana Upanishad 66 Jabali Upanishad 67 Kena Upanishad 68 Kundika Upanishad 69 Maha Upanishad 70Maitrayani Upanishad 71 Maitreya Upanishad 72 Rudraksha-Jabala Upanishad 73 Sannyasa Upanishad 74 Savitri Upanishad 75 Vajrasuchika Upanishad 76 Vasudeva Upanishad 77 Yoga-Chudamani Upanishad একয়টি হলো Rigveda এর):(
একয়টি হলো Atharvaveda:: 78 Annapurna Upanishad 79 Atharvasikha Upanishad 80 Atharvasiras Upanishad 81 Atma Upanishad 82 Bhasma-Jabala Upanishad 83 Bhavana Upanishad 84 Brihad-Jabala Upanishad 85 Dattatreya Upanishad 86 Devi Upanishad 87 Ganapati Upanishad 88 Garuda Upanishad 89 Gopala-TapaniyaUpanishad 90 Hayagriva Upanishad 91 Krishna Upanishad 92 Maha-Vakya Upanishad 93 Mandukya Upanishad 94 Mundaka Upanishad 95 Narada-Parivrajaka Upanishad 96 Nrisimha-Tapaniya Upanishad 97 Para-Brahma Upanishad 98 Paramahamsa- Parivrajaka Upanishad 99 Pasupata Brahmana Upanishad 100 Prasna Upanishad 101 Rama Rahasya Upanishad 102 Rama-Tapaniya Upanishad 103 Sandilya Upanishad 104Sarabha Upanishad 105 Sita Upanishad 106 Surya Upanishad 107 Tripadvibhuti- Mahanarayana Upanishad 108 Tripura-Tapini Upanishad
এই হোলো হিন্দুধর্মের উপনিষদ যেখানে আজ পযর্ন্ত কোনো আল্লোপনিষদ বলতে শব্দ ছিলোনা নেই ও থাবেনা ।
===>এখন আসি আল্লোপনিষদ কেন কোন উপনিসদ নয় । ।সাধারনত বেদ হলো হিন্দুদের পবিএ ধমগ্রন্হ যা ঈশ্বর কতৃক প্রেরিতো ।তাহলে নিশ্চয় বেদের ভাষা [সংস্কৃত] ঈশ্বরবাচক শব্দ কারন বেদ ও সকল উপনিষদ লেখা সংস্কৃত শব্দে ।যখন একটি উপনিষদ আরবি ভাষা ও সংস্কৃত ভাষা মিশ্রনে লেখা হবে তখন সেটি তার পবিএতা হারাবে যেমন ঠিক আল্লোপনিষদ ।একটু লক্ষ করেদেখুন [আল্লা+উপনিষদ =আল্লোপনিষদ ।এখানে আল্লা হলো আরবি ।তাই উপনিষদ যেহেতু পবিএ গ্রন্হ তাই এখানে আরবি থাকতে পারে না BUT আল্লোপনিষদে আরবি আছে ।.....
তাছাড়া রেফারেন্স সরুপ অল্লোপনিষদ থেকে একটা শ্লোক দিচ্ছি। পড়লে আপনাদেরও মাথা আউলা হবে।
.. "( # লাইলাহা হরতি পাপং ইল্ল ইলাহা পরম: পূদম জন্ম বৈকূণ্ঠ অপ: ইনতি তোহ জপি নামো মুহাম্মাদম) #লা ইলাহা পাঠ করিলে পাপ হরণ হবে একমাত্র ইলাহা-ই পরম পূজনীয় বৈকূণ্ঠে প্রাপ্তির ইচ্ছা যদি থাকে তাহলে মুহাম্মদের নাম জপো।
===>কি দেখে মাথা নষ্ট হলো নাকি?নষ্ট হোয়ার কারন নেই এগুলো হলো হিন্দুধর্মকে বিনাশ করার প্রচারনা...
।#==>যাইহোক দেখুন ,শ্লোকে লা ,ইলাহা ,ইল্লালহা ,মহাম্মদাম =শব্দগুলো আরবি ।#===> হরতি ,পাপং হলো সংস্কৃত ।এখানে সংস্কৃত+ARBI=জগাখিচুরী পাকানো হয়েছে যেটি দ্বারা আপনাদের পাগল করানো হয় ।।
এবার আসুন এটি কিভাবে লেখা হয়েছে বা কোন উদ্দেশ্য লেখাহয়েছে তা জেনে নেই=>জানা যায় যে, সম্রাট আকবরের সময়ে এই উপনিষদ রচিত হয়েছে। এই তথ্যকে গ্রহন করে নেওয়া যায় কারণ সম্রাট আকবর দীন-ই- ইলাহী ধর্ম প্রবর্তন করেন যা ছিল হিন্দু ধর্ম ও ইসলামের মিশেলে।
পরিবার পরিকল্পনা নাকিহিন্দুর জনসংখ্যা কমানোর পরিকল্পনা?
তথাকথিত ধর্মের লোকেদের জন্ম নিয়ন্ত্রণ একেবারেই ধর্ম বিরুদ্ধ কাজ।মুখ দিছেন যিনি আহার দিবেন তিনি নীতিতে চলছে সন্তান উৎপাদন।যেন এক একটি মেশিন ৬ -৭ মাস হতে না হতেই একটা নেমে যাচ্ছে।পৃথিবীতেতাদের ধর্মের জনসংখ্যা বাড়াতে চেষ্ঠার অন্ত নেই।সব কিছুর মুলেই জনসংখ্যা বৃদ্ধি।একটু চিন্তা করুন বাল্য বিবাহ,বহু বিবাহ,পরিবার পরিকল্পনা না মানা, লাভ জিহাদ,ধর্মান্তরসবই জনসংখ্যা বাড়ানোর পদ্ধতি।কারণটা একটু চিন্তা করি- যে দেশে যে ধর্মের লোক বেশি সে দেশেই তারা সংখ্যাগুরু। মুসলিমরা যে দেশে বেশি তা ইসলামিক দেশ ৫১% হলেও ( মালেশিয়া)।সেখানে চলবে শরীয়া আইন,ব্লাসফেমী আইন যা সারা পৃথিবীতে চালু করাই তাদের চুড়ান্ত লক্ষ্য।মুসলিম প্রধান দেশে অন্যদের উপর অত্যাচার করে,প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তর করে না হলে দেশত্যাগে বাধ্য করে।আর একটা দেশে রাষ্ট্র ধর্ম বানাতে গেলে চাই অধিক জনশক্তি,যা তারা প্রত্যেক দেশে চেষ্ঠা করে যাচ্ছে।অন্য দিকে হিন্দুরা এক সন্তান নিয়ে দেশের লোক সংখ্যা কমানোর ব্রত পালন করছে।এক সন্তান হওয়ায় আমাদের মা বাবা আমাদের কোন প্রতিবাদ সমাবেশ, হিন্দু সংগঠনে, কোন মিটিং মিছিলে যেতে দেয় না।মনে করে এক সন্তান কিছু হলে আমাদের দেখবে কে? পৃথিবীতে হিন্দুর সংখ্যা কমার এটা অন্যতম কারণ,আর সংখ্যালঘু হয়ে নির্যাতিত হওয়ারও কারণ।লোকবল না থাকলে কে প্রতিবাদ করবে? তাদের মহিলাদের পেটে একটা,কোলে একটা,হাটা শিখেছে একটা এরকম করে ১০-১২ টা। বছর কোনটা কামাই নেই।আর আমাদের ১ টা হলে ভালো আর সর্বোচ্চ ২।নাহলে যে দেশের জনসংখ্যা বেড়ে যাবে! আরে যে দেশের সরকার,মানুষ তোদের এদেশের মানুষই ভাবে না,সেখানে দেশের চিন্তা।আমি আগে হিন্দু তারপর বাংলাদেশি।আমাদের হিন্দুদের আশ্চর্য বুদ্ধি যে এক ছেলে হলে সব ধন সম্পত্তি একাই পাবে,আমার সন্তানের কোন সমস্যা হবে না।কিন্তু পাশের বাড়ির করিম চাচার দশ ছেলে যুক্তি করে মালায়ন কাফের বলে লাথি মেরে দেশ থেকে তাড়িয়ে জমি দখল করে নিচ্ছে আর বাবুর কিছু করার থাকে না কারণ বাবুর যে আদরের দুলাল একটি! তাও আবার মারামারি জীবন দিবে? দরকার নেই চল পশ্চিমবঙ্গে গিয়ে সেকুলার সাজি।আমার কথা আশ্চর্য মনে হচ্ছে নাকি? এটাই সঠিক কারন লোকসংখ্যা যার বেশি রাষ্ট্র ক্ষমতা থেকে সব ক্ষমতা তাদের।তাই চিন্তা করুন এই ধর্মকে টিকিয়ে হলে অধিক সন্তান গ্রহনে সবাইকে আগ্রহী করেন।মানুষের মত মানুষ করতে পারলে আপনার ৫ সন্তান নিলে কোন সমস্যা বরং ধর্মের লোকসংখ্যা বাড়বে,সদেশে আমাদের অবস্থান শক্তিশালী হবে।বিত্তবান ধনী ব্যক্তিরা যাদের ক্ষমতা আছে তাদের এক সন্তান নীতির কোন যুক্তি নেই বরং একটা গরীব পরিবারকে ৩-৪ নং সন্তান নিতে তাদের সাহায্য করেন।দেখবেন এদেশে লোকসংখ্যা বাড়লে আমরা আমাদের সকল অধিকারসহ সসম্মানে বাঁচতে পারবো রাতের আধারে ভারতে গিয়ে রিফুজি সাজতে হবে না।আমার কথাটা একটু চিন্তা করুন,সমাধান থাকতে আমার জন্মভূমি,আমার বাপ ঠাকুরদার ভিটে ফেলে কেন অন্য দেশের রিফুজি সাজবো?এই মাটিতে আছে আমার ঢাকেশ্বরী মা,এই মাটিতে আছে,আছে লোকনাথ বাবা, হরিচাঁদ ঠাকুর,এই মাটিতে আছে অনুকুল চন্দ্র,সর্বোপরিআমার পূজনীয় পূর্বপুরুষ। তাদের মৃত দেহের উপর উঠবে মসজিদ মাদ্রাসা, যেখানে হতো ১২ মাসে ১৩ পুজা সেখানে মাইকে বাজবে আজানের ধ্বনী।একবার ভাবুন....
Request to the Indian Government
ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ পঞ্জাবের গুরুদাসপুরে ইসলামিক জঙ্গি হামলার পর যাতে কোন সেনাকে লড়াই করতে না পাঠায় । যে সমস্ত ধর্মনিরপেক্ষ নেতারা ও মহাত্মারা ইয়াকুব মেননের ফাঁসীর প্রতিবাদে এসি ঘরে বসে চিঠি লিখছেন তাদের পাঠিয়ে দেওয়া হোক দেখা যাক তার জঙ্গিদের কে বোঝাতে পারেন কিনা । ভারতের বুকে আজ আবার ইসলাম জঙ্গি সংগঠন হামলা চালালো আপনারা কি দেখলেন কোন মুসলিম সেলিব্রেটিকে ট্যুইট করতে? দেখলেন কোন মুসলিমকে কাঁদতে? আজকে যদি এটা গাজাতে ঘটত তাহলে হয়তো মোমবাতি মিছিল বের হয়ে যেত । পাকিস্তানের দালালদের রাস্তাতে ফেলে কুচি কুচি কেটে ওয়াগন লোড করে পাকিস্তানে পাঠানোর ব্যাবস্থা করা হবে খুব শ্রীঘ্রই । ভারতের বুকে বাস করে ভারতের সর্বনাশ যারা করে সেই দেশদ্রোহীদের বধ করার সময় এসেছে এবার ।
রোগ
শরীরের বহির্ভাগের রোগ দেখলেই বোঝাযায়,কিন্তু অভ্যন্তরে যে সব রোগ বাসা বাঁধে সেই সব রোগ সহজে ধরা পরেনা।ধীরে ধীরে শরীর কে গ্রাস করে প্রতিদিন এবং মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।
আজ পঞ্জাবের গুরুদাসপুরে বড়সড় নাশকতা হামলা।জঙ্গি হামলায় দুই পুলিশকর্মী ও চার সাধারণ নাগরিকসহ ৬ জনের মৃত্যু।আহত বেশ কয়েকজন।পাকিস্তান থেকে ২৫জুলাই প্রায় ৮ জঙ্গি এদেশে এসেছে বলে খবর।এদের মধ্যে একটি দলই আজ হামলা চালিয়েছে বলে খবর।আতঙ্কবাদী'রসাথে পাঞ্জাব পুলিশের লড়াই চলছে এখন,কিছুক্ষনের মধ্যে আতঙ্কবাদী'রা ধরা পড়বে,নাইলে ইনকাউন্টারে মারা যাবে।কিন্তু ভারতের অভ্যন্তরে যে সব জঙ্গি সংগঠন বাসা বাঁধে আছে তাদের কে দেখে সহজে বোঝা মুশকিল।
রাজনৈতিক নেতা-সহ প্রায় তিনশো জন সমাজের তথাকথিত বিশিষ্ট ব্যক্তিও ইয়াকুব মেমনের ফাঁসির বিরুদ্ধে একজোট হলেন।তথাকথিত এই কারনে যে কংগ্রেস হটানোর পর থেকে এদের আবেদনও ভারতীয় সমাজে আর নেই।রাষ্ট্রপতিরকাছে স্বাক্ষর করে মেমনের ফাঁসি মকুবের আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা।
যেমন রয়েছেন কংগ্রেসের মণিশঙ্কর আইয়ার,সিপিএমের প্রকাশ ও বৃন্দা কারাট, সীতারাম ইয়েচুরি, ডিএমকের তিরুচি শিবা, আইনজীবী রাম জেঠমলানী, কে টি এস তুলসি,অভিনেতা নাসিরুদ্দিন জারজ শাহ,অসদ উদ্দিন ম্লেছ ওবেসি,পরিচালক মহেশ ভট্ট,অরুণা রায়,জেন ড্রেজ এবং একাধিক প্রাক্তন বিচারপতি।তাঁদেরআর্জি,ফাঁসির নির্দেশ পুনর্বিবেচনা করা হোক!
এসব লোক গুলো দেশের অভ্যন্তরে রোগ,ভেতর থেকে দেশকে খোকলা করতে এবং দেশদ্রোহী কার্যকলাপে ব্যস্ত।বম্বে বোম ব্লাস্টে যে সব নিরীহ সাধারণ মানুষ মারা গেল কত ঘর পুরে ছাঁই হয়ে গেল কত মানুষ আহত হলো তাদের জন্যে এদের চোখে জল আসে না,জল আসে শুধু মুসলমান জঙ্গিদের জন্যে।
আমার মনে হয় যারা ইয়াকুব মেমনের ফাঁসির বিরোধিতা করছে বিশেষ করে cpm সহ সব দেশদ্রোহীদের ধাপার মাঠে বেঁধে বোম দিয়ে উড়িয়ে দেয়া হোক।তারপরে দেখা যাবে ফাঁসির বিরোধিতা কে কে করে ??
''বন্দেমাতরম''
''ভারত মাতা কি জয়''
# RSS
Subscribe to:
Posts (Atom)