Sumantra Maiti: ডক্টর কালামের মৃত্যুতে যথারীতি তরজা শুরু । একপক্ষ কালামের স্তুতিতে মশগুল , কারণ তিনি দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে মজবুত করেছিলেন আর অন্যপক্ষ (পড়ুন বামপন্থীরা ) তাদের Political Vendetta উগরাতে ব্যস্ত । স্বয়ং কালাম এই Political Reductionism-এরশিকার হতে চেয়েছিলেন কিনা সন্দেহ । আসলে একদলকে কে বোঝাবে যে দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থার জন্য যেমন মিসাইলের'ও প্রয়োজন , তেমনি খাদ্যের সুষম বন্টন এবং সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করার'ও সমান প্রয়োজন ? আর অন্যদল'কে কে বোঝাবে যে মানবদরদীর মুখোশ পরে থাকলেও এই প্রশ্নটার'ও যথাযথ চাই ---- যাদের জন্য তাদের এত দরদ , সেই কিষেন'জি কিংবা ইয়াকুব মেমন'দের হাতে বুঝি খেলনা বন্দুক আর বোমা ছিল ? জানি না , জাতি হিসেবে কবে আমরা একটু সুসংহত হবো ।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Wednesday, 29 July 2015
জেএমবি
বাংলাদেশের গোয়েন্দা পুলিশ জানাচ্ছে তারা রাজধানী ঢাকা থেকে জেএমবি জঙ্গি সংগঠনটির আমিরসহ ছয়জন আল্লাহর খাশ বান্দাদের গ্রেপ্তার করেছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তথ্যমতে, তাদের কাছ থেকে জিহাদি বই ও প্রচারপত্র (বেহেস্তে যাবার টিকিত) উদ্ধার করা হয়েছে। News Source: # BBC
Turkey Isis Kurds
People go on holiday to Turkey, and think of it as being 'moderate'. Yet the persecution of the indigenous Kurds in Turkey is akin to the persecution of Christians by ISIS. Now Turkey is bombing Kurds in Iraq. Obama, of course, has refused requests to help arm the Kurds in their struggle against ISIS. But in spite of his refusal, Kurds did take a major area away from ISIS yesterday. http://www.gatestoneinstitute.org/6223/turkey-isis-kurds
বজরঙ্গী ভাইজান
বজরঙ্গী ভাইজান সেই সময় নরেন্দ্র মোদী-র সাথে ঘুড়ি উড়িয়েছিলেন , যখন তামাম মিডিয়াকুল এবং সেক্যুলার রাজনীতিবিদ সাম্প্রদায়িক মোদীর বিরুদ্ধাচারণ করছিলেন । বজরঙ্গী ভাইজানই সম্ভবত প্রথম মুসলিম পরিচয়ধারী সেলিব্রিটি যিনি প্রকাশ্যে মোদী-র সমর্থন করেছিলেন । ভাইজান তারপর হিট এন্ড রান কেসে দোষী সাব্যস্ত হয়েও উকিলদের ঐশ্বরিক তৎপরতায় মুক্ত , ভাইজানের সিনেমা দর্শকদের আকুল করে দিয়ে ফের সপ্তাহে দুশো কোটি টাকার মুখ দেখা ---- এতদূর সবই ঠিক ছিল । গোল বাধল শনিবারের মধ্যরাতে ভাইজানের "তুরীয়" টুইট । হঠাত ভদ্রলোক ইয়াকুব মেমনকে নির্দোষ প্রমান করতে তৎপর হয়ে ওঠে অনেকেই এতে একটি বিশেষ ধর্মীয় অ্যাঙ্গেল দেখলেও ব্যপারটাকে অন্যভাবে দেখা যাক । আসলে নিপীড়িত'র তাস খেলতে আমরা সবাই পটু । যেমন ধরুন , আমরা বাঙালী'রা ভাবতে ভালোবাসি কেন্দ্র সব সময় আমাদের চক্রান্ত করে পিছিয়ে দিচ্ছে , নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু-কে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে , সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে অন্যায় ভাবে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে । কিন্তু আমরা স্বচ্ছন্দে ভুলে যাই যে নেতাজি একজন সর্ব ভারতীয় নেতা ছিলেন এবং তার অধিকাংশ অনুগামী অবাঙালীই ছিলেন ( বঙ্গজ নেতারাই বরং নেতাজির বিরুদ্ধাচারণে অগ্রণী ভূমিকায় ছিলেন ) । আমরা স্বচ্ছন্দে ভুলে যাই যে প্রাদেশিকতার ঊর্ধে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় টিম ইন্ডিয়া বানিয়েছিলেন এবং তার অধিনায়কত্বে ডালমিয়া'র সাথে সেই অবিস্মরনীয় জুটি থাকা সত্ত্বেও লক্ষীরতন শুক্ল নামক এক প্রতিভাধর অল রাউন্ডার সেভাবে জাতীয় দলে স্থান পান নি । মুসলিম সমাজ'ও তেমনি স্বচ্ছন্দে ভুলে যান যে এই ইয়াকুব মেমন , টাইগার মেমন কিংবা দাউদ ইব্রাহিম আসলে মৃত্যুর পর ৭২ টি সুন্দরী নারী সঙ্গের লোভে জিহাদ করছেন না । জীবিতকালেই তারা ৭২০ জন নারী সঙ্গ লাভ করেছেন । মৃত্যুর পর ৭২ টি নারীর সঙ্গ , যাকে বলে কিনা উপরি পাওনা । এনারা আদতে ব্যবসায়ী , ধর্ম নামক আফিং-কে স্রেফ সুচতুর ভাবে প্যাকেজিং করে নিজেদের ব্যবসায়িক পরিধিটাকে বাড়িয়ে নিচ্ছেন । দাউদ , টাইগার কিংবা ইয়াকুব কেউই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজি নন , এদের জীবনযাপনের সৌখিনতায় কোথাও ইসলামিক কৃছ্রসাধনের নামগন্ধ নেই । কিন্তু এদেরই অপরাধে গোটা মুসলিম সমাজকে জড়িয়ে ফেলা এক ধরনের ধুরন্ধর ব্যবসায়িক স্ট্র্যাটেজি , অর্থনৈতিক এবং ভোটভিত্তিক । তাই এই সংখ্যালঘু সহজিয়া তাসটি সবাই খেলে ফেলেন । মহম্মদ আজহারউদ্দিন থেকে শাহরুখ খান , সবাই-ই কোন না কোন সময় খেদোক্তি করে ফেলেন যে মুসলিম বলেই তাদের এই দেশে এত দুর্দশা । ভাইজান'ও সেই তাসটি খেললেন , তবে খানিকটা সুচতুর ভাবে ।
Chakulia update
|| Chakulia update || ভাঙা হল মুসলিম জেহাদিদের দ্বারা হনুমান মন্দির । 24 শে জুলাই রাতের অন্ধকারকে হাতিয়ার করে কিছু মুসলিম (জেহাদি)-দের দল আক্রমন করল কানকি অঞ্চলের বসতপুর গ্রামের নতুনহাট (কেডিয়া মার্কেট)এর হনুমান মন্দির । ইতিপূর্বেই চাকুলিয়া থানা থেকে দুই কিমি র মধ্যে শিরশি গ্রামের 10 টি আদিবাসি (হিন্দু) পরিবারের সর্বস্ব লুঠ এবং বাড়িতে আগুন লাগিয়ে ঐ 10 টি পরিবারকে সর্বহারা করে কিছু উগ্র মুসলিম (ভাটিয়া) -র দল । পর পর এই ধরনের জেহাদি আক্রমন ঠিক কী ইঙ্গিত বহন করে ??????? হিন্দু সমাজের কি এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে না ??? ..... কৃতজ্ঞতাঃ ঝড়ু রায়.....
উড়তে ভয় পেলে পাখি একা থাকলেও উড়তে পারবে না
উড়তে ভয় পেলে পাখি একা থাকলেও উড়তে পারবে না, আবার জোট বাঁধলেও উড়তে পারবে না৷ সাঁতার কাটতে না জেনে নদীতে ঝাপ দিলে তুমি একাও যেমন জলে ডুবে মরবে, দশজন লোক থাকলেও সবাই জলে ডুবে মরবে৷ তাই জোট বাঁধাটা সমস্যার সমাধান নয়৷ যে কাজটা করতে হবে, যারা জোটবদ্ধ হচ্ছে তারা ব্যক্তিগত ভাবে সেই কাজটা করতে পারে কি না, সেটাই আসল৷ মোল্লার ভয়ে হিন্দুর জোটবাঁধা বা সংগঠিত হওয়ার ইচ্ছা জেগে ওঠাটা হল আসলে ফাঁকিবাজীর কল! এ হল দুধের পুকুর তৈরী করতে গিয়ে রাতের অন্ধকারে দুধের পরিবর্তে জল ঢেলে আসার সেই চিরন্তন মনোবৃত্তি! অন্যায়ের বিরুদ্ধে একা রুখে দাঁড়ানোর সাহস নেই, দশজনকে জোগার করে 'তাদেরই দলের পিছনে আমিও আছি' - গান গেয়ে নিজেকে বাঁচানোর ধান্দা৷ আমিও সংগঠনের গুরুত্বকে অস্বীকার করি না৷ কিন্তু সম্পূর্ণ হিন্দুু সমাজকে সংগঠিত করার পরিবর্তে হিন্দু সমাজের মধ্যে যারা সাহসী ও লড়াই করতে পারে, আমি তাদেরকে সংগঠিত করতেই আগ্রহী৷ আর সেই সংগঠন গড়ে তোলার জন্য কোন কৃত্রিম পদ্ধতি আবিষ্কার করার দরকার আছে বলে আমি মনে করি না৷ সেই সংগঠন প্রাকৃতিক কারণে স্বাভাবিক ভাবেই গড়ে উঠবে, যখন আমরা ব্যক্তিগত ভাবে মুসলিম আগ্রাসনের হাত থেকে আমার পায়ের তলার মাটি, মা-বোনের ইজ্জত রক্ষা করার জন্য রুখে দাঁড়াবো, আমার সাথে কে কে এই লড়াইয়ে যোগদান করল বা করল না, তাদের মাথা গুনে সময় কাটাবো না আর আক্ষেপ করবো না৷
হিন্দুর দলগড়ার পিছনে উদ্দেশ্য হচ্ছে ভিড়ের মাঝে নিজেকে লুকিয়ে রাখা
হিন্দুর দলগড়ার পিছনে উদ্দেশ্য হচ্ছে ভিড়ের মাঝে নিজেকে লুকিয়ে রাখা! কিছু পেতে হলে তার উপযুক্ত মূল্য দিতে হয়৷ ব্যক্তিগত ভাবে যারা মূল্য দিতে প্রস্তুত, তারা সংগঠিত হলে সেখানে শক্তি তৈরী হয়৷ কিন্তু বিপদের সময় আমার সামনে দশজন লোক দাড়িয়ে থাকুক, যাতে আঁচটা আমার গায়ে না লাগে-এই মানসিকতা নিয়ে জোটবদ্ধ হতে চাইলে কারো কোন লাভ হবে না৷ যারা সংগঠনের কথা বলে তাদের বেশীর ভাগেরই সঙ্ঘর্ষের প্রস্তুতি বা সাহস নেই৷ বাঘের হাত থেকে বাঁচার জন্য হরিণের জোট বাঁধা আর মোল্লার হাত থেকে বাঁচার জন্য হিন্দুর জোট বাঁধা প্রায় একই রকম৷ হরিণের দলের মধ্য থেকে একটা দুটোকে টার্গেট করে বাঘ যখন তাদের শিকার করে, তখন বাকীরা তাদেরকে বাঁচানোর জন্য ঝাপিয়ে পড়ে কি? বরং নিজেদের ভাগ্যবান মনে করে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়৷ হিন্দুদের ক্ষেত্রেও একই রকম৷ মোল্লার আক্রমণ প্রতিহত করতে জোট বাঁধার দৃশ্য খুব কম চোখে পড়ে কিন্তু মার খেয়ে পার্শবর্তী কোন নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিয়ে শ'য়ে শ'য়ে লোকের সমবেত ক্রন্দন শোনার অভিজ্ঞতা প্রচুর হয়েছে৷ বিপদে পড়ল এইভাবে জোটবাঁধার অঙ্কটা হল - টার্গেটের সংখ্যা যত বেড়ে যাবে, নিজে hit হওয়ার probability তত কমে যাবে! তাই সিংহ একটার জায়গায় দশটা হলে সাধু! কিন্তু ভেড়া একটাও যা, একশটাও তাই৷ বরং একটার জায়গায় একশটা ভেড়া থাকলে শিকারীর আনন্দ একশ গুন বৃদ্ধি পায়!
Subscribe to:
Posts (Atom)