মানবতাবাদীরা বলে, 'সন্ত্রাসবাদীদের কোনো ধর্ম হয় না'... এই কথাটা কতটা প্রাসঙ্গিক সে বিষয়ে সন্দেহ আছে । আজকে সারা বিশ্বে ইসলামিক সন্ত্রাস ভর্ত্তি তাতে কেউ কার্টুন আঁকলেও হামলা করা হচ্ছে,কিংবা সিনেমা তৈরী করলেও । আসলে ইসলাম ধর্মকে প্রচার করতে সন্ত্রাস তৈরী করেন মুসলিমরা এবং সন্ত্রাস করে তারা সফলতাও পেয়েছেন । এবার অনেক প্রশ্ন করতে পারেন, যে হিন্দুরা কি সন্ত্রাসবাদী হয় না? এর উওরটা অতি সহজেই দেওয়া যাবে, ভারতবর্ষের হিন্দুরা সংখ্যাগুরু তাই ভারতে এলটিটি,মাওবাদী,নকশালে কিছু পরিমান হিন্দু যুক্ত থাকলেও থাকতে পারে । রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এরা সন্ত্রাস ছড়ায় এরা মুন্ডু কেটে জয় শ্রী রাম বলে না অপর দিকে শুধুমাত্র ধর্মীয় কারনে সন্ত্রাস ছড়ায় মুসলিমরা এবং গলা কেটে আল্লাহ হু আকবর বলে । শুধু মাত্র ধর্মীয় কারনে যারা সন্ত্রাস সৃষ্টি করে নিরীহ মানুষকে হত্যা করে ক্ষমতা প্রদর্শন করে তাদের মুখে কি আদৌও মানায় ইসলামে সন্ত্রাসবাদের কোন স্থান নেই । আজকে একদিকে মিসাইল ম্যান স্বর্গীয় আব্দুল কালামের শেষকৃত্য অপর দিকে সন্ত্রসবাদী ইয়াকুবের,আজকের দিনে মুসলিমরা চিন্তা করুক তারা আব্দুল কালামের মতো মরেও বেঁচে থাকবে নাকি কুকুর ইয়াকুবের মতো ফাঁসীতে ঝুলে মরবে?
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Thursday, 30 July 2015
Wednesday, 29 July 2015
Bham a dar pe6on kut kut kor6a,yakub ar fasir jonno?
লঘু অপরাধে দর্শক থেকে বিচারক, সকলেই সঞ্জয়কে সুযোগ দিয়েছে খলনায়ক থেকে নায়ক হয়ে ওঠার। গুরুতর অপরাধে আর কয়েক ঘণ্টা পরই খলনায়ক থেকেই জীবনকে বিদায় জানাতে হবে ইয়াকুবকে।
http://zeenews.india.com/bengali/entertainment/sanjay-dutt-celebrates-birthday-at-jail_130049.html
Lord Krisna
আমি বাসুদেব কৃষ্ণ বলছি - "সমগ্র বিশ্বকে
আর্যত্ত্বে দিক্ষিত কর। সনাতন ব্যতীত সব-ই
বিপথগামী। তাইতো সমগ্র বিশ্বে এতো
অরাজকতা। বেদের পথে এসো। বেদ'কে
প্রধান ধর্ম গ্রন্থ হিসেবে শুধু মুখে স্বীকার না
করে কর্মে গ্রহন কর দৃঢ় প্রত্যয়ে। দেখবে
পৃথিবী আবার শান্তিতে পুর্ন হয়ে গেছে।
গীতায় আমি কি বলছি তা অমৃত হিসেবে শুধু পান না
করে কাজে দেখাও। প্রনব মন্ত্র "ওম"-ই একমাত্র
মহামন্ত্র। ঈশ্বরকে ধ্যান কর বৈদিক সান্ধ্য (দিন ও
রাত্রির ২ সংযোগস্থলে) উপাসনা পদ্ধতিতে।
যেমনভাবে আমিও করে গিয়েছি। আর নয় যুগের
ছুতা, আর নয় স্বল্পায়ুর ছুতা। ঈশ্বরের সংবিধান বেদ
যেমন অপরিবর্তনশীল, অক্ষত, তেমনি উপাসনা
বিধিও অপরিবর্তনশীল, সর্বজনীন ও সার্বজনীন।
কালাম নয়,ভারতের পরমাণু অস্ত্র রাশিয়া থেকে ধার করা : এ কিউ খান |
http://www.dailynayadiganta.com/detail/news/41893
Radical নারীবাদ
র্যাডিক্যাল নারীবাদ : দুইটি দৃষ্টিকোণ থেকে উত্তর দিতে চাইছি
প্রথমত, Radical শব্দটি যদি আপনি ঋণাত্মক ভাবে নেন তবেই প্রশ্ন উঠবে, উগ্র নারীবাদে আসলে কী ক্ষতি হয়? আদতেই প্রায়োগিক অর্থে ক্ষতি কার? কারণ আমি জ্ঞানত এই পর্যন্ত কাউকে উগ্র নারীবাদের বলি হতে দেখিনি।
এরপর প্রশ্ন উঠতে পারে, কি ধরণের কথা কিংবা মতবাদকে, আমরা Radical বলছি??? একজন তসলিমা নাসরিনের উদ্ধৃতি দিয়েছেন--[//নাম নিচ্ছিনা তবে যিনি পৃথিবীর কোন পুরুষের স্পার্মকে তার যোগ্য মনে করেন না তাঁকে র্যাডিক্যাল না বলেও পারা যায় না!//] আমি যদি এই কথাটিকে Radical ধরি, তাহলে আমার মতে ভুল হবে। কারণ তসলিমা তার জায়গা থেকে ভুল বলেননি। তিনি যাদের সংস্পর্শে এসেছেন তার মধ্যে, যে তাকে সমান ভাববে, এমন পুরুষ দেখেননি।
আমি নিজের কথা বলি, যখন তার "নির্বাচিত কলাম" বের হয় তখন সেটি ছিল আমার মনোজগতে নাড়া দেয়া প্রথম বই। আমি নিজের কাছে ছোট হয়ে গেছিলাম, এই ভেবে যে আমি নিজেও প্রতি নিয়ত আমার মা বোন বান্ধবীদের কোনো না কোনো ভাবে পুরুষতান্ত্রিক মনভাব জাহির করছি, চাপিয়ে দিচ্ছি। সুবিধা ভোগ করছি, নিজের পুরুষ হবার। শুধুমাত্র আমার একটি শিশ্ন আছে বলে। এই অন্যায় Advantage আমার সব অর্জনকে ছোট করে দিত, এখনো দেয়। আমার বান্ধবীদের সামান্য অর্জন কি কষ্ট করে অর্জন করা সেটা আমি দেখেছি। আমার পরিবারে আমার মাকে দেখছি। অন্যানদের দেখেছি।
আমি সেদিন থেকেই সেই বইয়ে করা একটি কথাকে মিথ্যা প্রমাণ করতে চাইতাম। যে আসলেই এমন পুরুষ আছে, যে নারীকে পদে পদে ছোট করে না। এটা এখনো আমার নিরন্তর চেষ্টা। আমার স্ত্রীর কাছে, আমি প্রতিনিয়ত নিজেকে প্রমাণ করতে চাই। কিন্তু বিশ্বাস করুন এখনো পর্যন্ত পারিনি। পুরুষতান্ত্রিকতার ব্যাপ্তি এত বিশাল আর এত সুক্ষ ও গাঁঢ়, যে, আমি চাইলেও এর থেকে পুরোপুরি বের হতে পারছি না। অথচ আমি কিন্তু সচেতন ভাবেই চাইছি। সেই জায়গায়, এই পার্থক্যগুলি যে একেবারে স্বচ্ছভাবে দেখেন তার জন্য, ঠগ বাছতে গাঁ উজার হবার মত অবস্থাই হবে। তাই তসলিমা খুব ভুল বলেননি। এটি উন্নাসিকতা নয়, একেবারে সত্য কথন। আর ব্যক্তিগত কথাকে, নারীবাদের সাথে মেলানোরও কিছু নেই।
এবার দ্বিতীয় আঙ্গিকে বলি। আজকের বিজ্ঞান এমন জায়গায় পৌঁছে গেছে, যেখানে নারী, চেষ্টা করলেই পুরুষদের বাদ দিয়েই এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে পারে। তারা নিজেদের, পুরুষদের থেকে, একেবারে আলাদা হয়েই থাকতে পারে। নিজেদের জন্য পুরুষশুন্য পৃথিবীর দাবী করতে পারে। তারা কিন্তু তা করছে না।
যেকোনো মতবাদ নিয়ন্ত্রিত বিপ্লবের পরিণতি কিন্তু প্রায় অবসম্ভাবীভাবে তার বিপরীত মতবাদের পতন কিংবা নিজের নিশ্চিহ্ন হবার মধ্যেই শেষ হয়। নারীবাদ কিন্তু শুধু পুরুষতন্ত্র বাদ দেয়ার কথা তুলেছে। পুরুষ বাদ দেয়ার কথা বলছে না।
এবার আমি একটি Radical কথা বলি। আজকে যদি মেয়েরা, আমাদের উপর ২০০ বছর ঠিক উল্টো কায়দায় নির্যাতন চালায় তবেও আমাদের সেই নৈতিক জায়গা নেই, তার প্রতিবাদ করার। কারণ এই সভ্যতা নারীদের উপর নিষ্পেষণ চালিয়েই আজকের জায়গায় এসেছে। সেই নির্যাতন এখনো চলমান। সেই বৈষম্য এখনো বর্তমান। তারা যদি তাই একটু উগ্র কথাও বলে, সেটা শুধু তাদের সামান্য এগিয়ে রাখবে তাদের ক্ষেত্র প্রস্তুত করার জন্য।
-- Pratim Firakh
সাকা চৌধুরী
১৯৪৯ সালের ১৩ মার্চ চট্টগ্রামে একজন মানুষের(!) জন্ম হয়েছিল।
আমি জানি না তার মনুষ্যত্বকাল কতদিনের ছিল। কিন্তু তার পশুত্ব কাল ১৯৭১-২০১৫। আমি মনেপ্রাণে চেয়েছিলাম এটা ২০১৫-তে এসেই থেমে যাক। একটা জানোয়ার যে কতটা নির্মম, কতটা বর্বর হতে পারে তার উজ্বল উদাহরণ সাকা চৌধুরী। তার কুকর্মের তালিকা হয়তো গুনেও শেষ করা যাবে না।
সময় একাত্তরের ১৩ ই এপ্রিল;-
চট্টগ্রামের রাউজানের উনসত্তর পাড়ায় শান্তি মিটিংয়ের কথা বলে এলাকার হিন্দু নর নারীদের একত্রিত করা হয় সাকা চৌধুরীর প্ররোচনায়। অতঃপর সাকা চৌধুরীর প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে পাকিস্তানী সেনারা নিরীহ, নিরস্ত্র হিন্দু নর-নারীদের ওপর ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে।
আপনি ভাবুন একজন মা যিনি হয়তো ছেলেকে ভাত বেড়ে দিয়ে বলে এসেছিলেন,'বাবা,খাওয়া শেষ করে পড়তে বসবে। আমি এখুনি আসছি। আমি না আসা পর্যন্ত ঘর থেকে বের হবে না।'
ছেলেটি হয়তো সারাদিন বসে ছিল। মা আসলেই বের হবে.....
একজন নতুন বিয়ে করা স্বামী হয়তো তার সহধর্মিণীকে শেষ বারের মত বলে এসেছিলেন খুব খারাপ সময় যাচ্ছে। আমি না আসা পর্যন্ত দরজায় কেউ কড়া নাড়লেও খুলবে না। সদ্য বিয়ে হওয়া নতুন বউটি অপেক্ষা করছিল সেই কড়া নাড়ার শব্দ শোনার।
তাঁরা কেউ ফিরে আসেন নি। ব্রাশ ফায়ারে একের পর এক লুটিয়ে পড়েছিলেন। বুলেটের আওয়াজ আর তাদের মৃত্যুর চিৎকারে মিলেমিশে ঐ গ্রামের কেমন অবস্থা হতে পারে আমাদের চিন্তা শক্তি আমাদের অতটুকু ভাবার মত ক্ষমতা দিয়েছে বলে মনে হয় না।
১৯৭১ সালের ২০ এপ্রিল;-
চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী থানাধীন শাকপুরা গ্রামে কিছু লুকিয়ে থাকা মানুষকে খুঁজে বের করে নির্বিচারে গুলি করে তারপর বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়।
মানুষগুলো বুঝতে পারছিল মৃত্যু আসন্ন। তারপরও বাঁচতে চেয়েছিল। লুকিয়ে ছিল পাশেরই কোন জঙ্গলে আর ধান ক্ষেতে। হঠাৎ হয়তো মারা পড়ল একের পর এক। হয়তো গুলি লাগার পরও বেঁচেছিলেন কেউ কেউ। এত তীব্র যন্ত্রণার মধ্যেও তাঁদেরকে বেয়নেট দিয়ে খোঁচানো হল। তাঁদের মৃত্যু নিশ্চিত করা হলো।
এরপরেও অসংখ্য মেয়েদের সম্ভ্রমহানি, ভোগ্যপণ্য হিসেবে পাকিস্তানিদের হাতে তুলে দিয়ে এই জানোয়ার যে নির্মম পাশবিকতার তৃপ্তি নিত তা প্রকাশের জন্য কোন ভাষাই যথেষ্ট নয়।
এত মানুষ হত্যার পরেও, এত কুকর্মের পরেও একটা জন্তু ঠিকই বেঁচে ছিল। খুব আরাম আয়েশেই বেঁচে ছিল। একটা বড় রাজনৈতিক দলের একজন ভালো পদে বহাল তবিয়তে ছিল। আমাদের দেশের মানুষ যে কেমন নির্লজ্জ সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমাদের দেশেরই মানুষের ভোট তাকে নির্বাচিত করেছে এম.পি হিসেবে। একটা পশুর কাছে আমাদের দেশের মানুষ বিক্রি হয়ে যায়। তাদের মনুষ্যত্ব বিক্রি হয়ে যায়।
মানুষের ঘরে অনেক সময় ভুল করে পশুর জন্ম হয় কিন্তু পশুর ঘরে পশুর ছাড়া আর কিছুরই জন্ম হয় না এটারই বড় প্রমান জানোয়ারটির জন্মদাতা রাজাকার ফজলুল কাদের। এই রাজাকারের নামে রয়েছে চট্টগ্রাম শহরের একটি সড়কের নাম। একজন মুক্তিযোদ্ধা হেরে যান প্রতিটি মুহূর্তে যখন ঐ সড়কটি উপর দিয়ে তাঁদের পথ চলতে হয়। একজন বীরের মৃত্যু হয় প্রতিটি মুহূর্তে যখন একটা খুনি রাজাকারের উপর একটা দেশের ভার দিয়ে দেওয়া হয়। একজন বীরশ্রেষ্ঠের মায়ের কান্না গলায় এসে ধরে যায় যখন দেখতে পান একটা দেশের জন্মকে গর্ভে থাকতেই যেই জন্তুটি গলা টিপে ধরেছিল সে এখন পতাকাবাহী গাড়িতে ঘুরে বেড়ায়।
আজকে সেই জন্তুটির রায় হল। যেসব মানবতাবাদী বলছেন ফাঁসির রায় দেওয়াটা অনুচিত হয়েছে তাঁদেরকে বলব দয়া করে পানির নিচে কিছুক্ষণ শ্বাস বন্ধ করে বসে থাকুন। একটা জন্তুর জন্য মানবতা আপনাদের নিঃশ্বাস বন্ধের সাথে সাথে উপচিয়ে পরুক।
কান্নার পরে যে দীর্ঘশ্বাসটা ফেলে কিছুটা শান্তি পাওয়া যায় আমি সেই দীর্ঘশ্বাসটির শব্দ শুনতে পাচ্ছি যারা অপেক্ষা করেছিলেন এই জানোয়ারের বিচার হবে, এই জন্তুটির কোন একদিন ফাঁসির রায় হবে।
আমাদের মাতা ও ভগিনীদের পশ্চিম পাকিস্তানে শিখ ও হিন্দু যুবতীদেরকে সম্পূর্ন উলঙ্গ করে প্রকাশ্য রাজপথে শোভাযাত্রা করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল
রবীন্দ্রনাথ দত্ত লিখছেন...
আমাদের মাতা ও ভগিনীদের পশ্চিম পাকিস্তানে শিখ ও হিন্দু যুবতীদেরকে সম্পূর্ন উলঙ্গ করে প্রকাশ্য রাজপথে শোভাযাত্রা করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তাদের ধর্ষন করে, তাদের স্তন কামড়ে রক্তাক্ত করে দিয়েছিল। গায়ে সিগারেটের ছাকা দেওয়া হয়েছিল। ওই শোভাযাত্রা পরিচালনা করছিল লম্বা লম্বা দাড়িওয়ালা পাচ ওয়াক্ত নামাজ পরা মুসলিম লীগের নেতারা, সঙ্গে ছিল লীগের চাদতারা মার্কা সবুজ পতাকা, তার সাথে চলছিল ঢোলকের বাদ্য, এই দৃশ্য রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার লোক উপভোগ করছিল। বহু মহিলা বাম হাত দিয়ে যৌনাঙ্গ ঢেকে ডান হাত দিয়ে এবং চুল দিয়ে স্তন ঢেকে লজ্জা নিবারনের চেষ্টা করছিলেন। কেউ কেউ লজ্জার হাত থেকে বাঁচতে মুখ ঢেকে মাটিতে বসে পড়ছিলেন।
আমার সংগ্রহশালায় ওই সময়কার তোলা একটি চিত্র আছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)