এই শতাব্দীর এক অকুতোভয় অনন্য সাধারন বামপন্থী কথা সাহিত্যিক 'হুমায়ূন আজাদ' ও বাংলাদেশের হিন্দু নিপীড়নের উপর তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ
"পাক সার জমিন সাদ বাদ" -- (পর্ব - ১৬)
------------------------------------------------------------
পর্ব যত বাড়ছে জিহাদের নৃশংসতা,নারীদেরউপর ইসলামী বর্বর অত্যাচারের কাহানী ততোই বাড়ছে। তাই পড়ুন।
-----------------------------------------------------------
প্রতিটা পাড়ায় গেলেই প্রথমে জরাজীর্ন বুড়িরা বেরিয়ে আসে।
আমরা জানতাম তারাই আসবে, আমরা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যুবতীরা বুকের কাপড় খুলে পাছা দুলিয়ে নাচতে নাচতে স্বাগতম জানানর জন্য আসবে না। তবে ওদের আসতে হবে, এটা অরাও জানে, তাদের পিতারাও জানে, ভাইয়েরাও জানে, আর ভাঙ্গাচোরা পতিদেবতারাও জানে। এটাও জানে দেবতার ওপরেও দেবতা আছে, একদল দেবতার পর আরেকদল দেবতা আসে; আকাশে আসে, মাটিতেও আসে। তারা কি জানেনা আমরা নতুন দেবতা হয়ে দেখা দিয়েছি? আমাদের পুজো করা তাদের কর্তব্য?
আমি কৌশল পছন্দ করি, কৌশল হচ্ছে আমার কাছে মালাউন যুবতীদের মত, তাদের গন্ধের মত, তাদের ঠোঁটের মত।
অবশ্য আমি কৌশল শিখি আমাদের পাক ধর্মের ইতিহাস পড়ে; ওইসব কৌশলে আমি মুগ্ধ হই, হোলি টেররে ওগুলো অতুলনীয়। কৌশল ছাড়া সফল হওয়া যায় না, সন্ধি করতে হয়, সময় বুঝে সন্ধি ভেঙ্গে ফেলতে হয়; সময় বুঝে করুনাময় হতে হয়, সময় বুঝে হতে হয় বাঘ, একপ্টু রক্ত খেতে হয়।
আমি বলি, ‘আপনারা কেমন আছেন?’
তারা বলে, ‘আল্লার দোয়ায় ভালো আছি হুজুর’।
আমি বলি, ‘আল্লার রহমতে আপনারা ভালো থাকেন, আমরা তাই চাই, আল্লাতালাও তাই চান। আপনাদের ভাল রাখার জন্যই আমরা এসেছি’।
তারা বলে, ‘হুজুর, আপনের দয়া’।
আমি বলি, ‘আপনারা কিরকম আগুন পছন্দ করেন? ঠান্ডা না গরম?’
খুব ভয় পায় ওরা, এতো ভয় পায় যে ওদের মুখ থেকে ভয়ের চিহ্ন দেখাতেও ভয় পায়; কার মুখে ভয় দেখলে আমি পুলক বোধ করি।
তারা বলে, ‘হুজুর আপনের কতা বুঝতে পারতেছি না, একটু বুজাই বলেন। ঠাণ্ডা আগুন আবার কেমন?’
আমি বলি, ‘ঠাণ্ডা আগুন শীতল, নিঃশব্দ, কেউ বুঝবে না যে পুড়ে গেছে, পুড়ে যাওয়ার পরও আগের মতই সুন্দর দেখাবে’।
তারা কথা বলে না, ঠান্ডা আগুনে পুড়তে থাকে।
আমি বলি, ‘আমার জিহাদিরা এসেছে একটু বিজয় উতসব করার জন্য, বিজয়ের পর বিজয় উতসব করার নিয়ম আছে, আপনারা জানেন, তাদের একটু উতসব করতে দিন।
তারা বলে, ‘হ.., জয়ের পর ত উতসব করতেই হয়। তাইলে আমরা বাইদ্যকরগো লইয়া আহি’।
আমি বলি, ‘বাদ্যকর লাগবে না, জিহাদিরা একটু উতসব করবে, একটু দোল যাত্রা আর একটু ঝুলন পূর্নিমা করবে, বাধাটাধা দিয়েন না, তাহলে পাঁচ দশটা লাশ পড়বে আর আপনাদের মেয়েদের জিহাদিরা ধর্ষন করেছে, এটা জানাজানি হলে আপনারা মুখ দেখাতে পারবেন না’।
তারা বলে, ‘হুজুর, আমাগো মাফ করেন, আমাগো টাকা পয়সা যা আছে লইয়া যান, খালি আমাগো মাইয়াগুলিরে মাফ করেন’।
আমি বলি, ‘জিহাদিরা ধর্ষন করবে না, জেনা করা হারাম, তারা বিছমিল্লা বলে একটু ছহবত করবে, তাতে গুনাহ হবে না’।
তারা কাঁদতেও ভুলে যায়, পায়ে পড়তেও ভুলে যায়।
তারা তাদের টাকাপয়সা সোনারুপা এনে জড়ো করে আমাদের সামনে, জিহাদিরাও খুঁজে বের করে নানা বিস্ময়কর স্থান থেকে। মালাউনগুলো জিনিশপত্র লুকোত্তে বেশ দক্ষ, তাই আমরা হই দক্ষতর; হয়তো ওরা মেয়েদের নরম ফাঁকে ফাঁকে আর নিজেদের পাছায়ও জিনিশপত্র লুকয়ে রেখেছে। তাই প্রতিটি গর্ত পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
ক্রমশ...
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Friday, 31 July 2015
Thursday, 30 July 2015
সংখ্যালঘুদের জমি দখলে নেমেছেন সাংসদ ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সরকারদলীয় সাংসদ দবিরুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে মাজহারুল ইসলাম
ওরফে সুজনের বিরুদ্ধে স্থানীয় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি দখল, তাদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতিত ব্যক্তিদের মধ্যে ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলনের এক নেতার পরিবারও আছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন; হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে সাংসদ দবিরুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে মাজহারুল জমি দখল, নির্যাতন বা হুমকি দেওয়ার কোনো ঘটনাই ঘটেনি বলে প্রথম আলোর কাছে দাবি করেছেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো প্রতিবেদন ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, সাংসদ দবিরুল ইসলাম তাঁর সংসদীয় আসনের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের রনবাগ নামক স্থানে রনবাগ ইসলামী টি এস্টেট কোম্পানি লিমিটেড নামে একটি চা-বাগান গড়ে তুলেছেন। ১০৬ একর আয়তনের ওই বাগানের মাঝখানে অকুল চন্দ্র সিংয়ের ২১ বিঘা জমি, ভাকারাম সিং ও জনক চন্দ্র সিংয়ের ২৭ বিঘা জমি, থোনরাম সিংয়ের ২৪ বিঘা, ক্ষুদনলালের ২৪ বিঘা চা-বাগানসহ ১০টি হিন্দু পরিবারের চা-বাগান ও আবাদি জমি রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এর মধ্যে অকুল চন্দ্র সিংয়ের এক বিঘা জমি অন্য সংখ্যালঘুদের জমিতে যাওয়ার পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। করিডোরের মতো এই এক বিঘা জমি দখল হয়ে গেলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন তাঁদের নিজ জমিতে যাওয়ার আর কোনো পথ পাবেন না। কারণ, তাঁদের জমি ও বাগানের চারপাশ ঘিরে আছে সাংসদের চা-বাগান। অকুল চন্দ্রের এই এক বিঘাসহ বাগানের জমি দখল করতে পারলে সংখ্যালঘু ১০ পরিবারের সব জমি কবজা করা সহজ হবে সাংসদের জন্য।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাংসদের মদদে তাঁর ছেলে সংখ্যালঘু পরিবারগুলোকে চা-বাগানের ১৫০ থেকে ২০০ বিঘা জমি সাংসদের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য করতে চাইছেন। এ জন্য দীর্ঘদিন ধরে তাদের হুমকি দেওয়া ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। সর্বশেষ তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১০ জুন অকুল চন্দ্র সিং তাঁর এক বিঘা জমির অর্ধেকে চাগাছের চারা রোপণ করেন। কিন্তু সাংসদের লোকজন ওই দিন বিকেলেই হাল চষে চারাগুলো নষ্ট করে দেন। ১৭ জুন সাংসদের ছেলে মাজহারুল ইসলাম গিয়ে অকুল চন্দ্রকে শাসিয়ে আসেন।
১৯ জুন সাংসদের ছেলের নেতৃত্বে রনবাগ ইসলামী টি এস্টেট কোম্পানি লিমিটেডের তত্ত্বাবধায়ক একরামুল হক এবং স্থানীয় মোহাম্মদ আলী, শওকত আলী, আশরাফুল ইসলাম, এরশাদ আলী, বাবু, মিনিসহ ২৫ থেকে ৩০ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র দিয়ে অকুল চন্দ্র সিং, ভাকারাম সিং ও জনক চন্দ্র সিংয়ের ওপর হামলা চালায়। এতে ভাকারাম সিংসহ আট-দশজন আহত হন। সন্ত্রাসীরা চা-বাগানের জমি সাংসদপুত্র মাজহারুল ইসলামের নামে লিখে দেওয়ার জন্য জোর করে স্ট্যাম্পে অকুল চন্দ্রের সই নেওয়ার চেষ্টা করে।
ঠাকুরগাঁও জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বলরাম গুহ প্রথম আলোকে বলেন, জমি দখলের জন্যই হামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করতে বলা হয়েছে, কিন্তু ভয়ে তারা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, সংখ্যালঘুরা আওয়ামী লীগকেই ভোট দেয়, আর ক্ষমতায় এলে ওই আওয়ামী লীগের নেতারাই তাদের সঙ্গে অন্যায় করে।
ভাকারাম সিং প্রথম আলোকে জানান, সাংসদের সমর্থকেরা তাঁকে মারধর করার পর তিনি গত ২০ জুন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
জানতে চাইলে ভুক্তভোগী অকুল চন্দ্র সিং প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাংসদ তাঁর ক্যাডার বাহিনী দিয়ে আমাদের পাঁচ বিঘা জমি ইতিমধ্যে দখল করেছেন। ক্যাডার বাহিনী আমাদের মারধরও করেছে। কয়েকজন নারী-পুরুষকে গুরুতর আহত করেছে। নির্যাতনের ভয়ে কয়েকটি পরিবার ঘর ছেড়ে চলেও গেছে।’
অকুল চন্দ্র সিং বলেন, তিনি তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে বেশ কয়েকবার সাংসদের কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি দেখা করেননি। অনেক ভয়ের মধ্যে দিন পার করছেন বলে জানান তিনি।
সাংসদ দবিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঘটনা সঠিক নয়। এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। মন্ত্রিসভা রদবদলের সময় আমার নাম এসেছিল যে আমি মন্ত্রী হব। আবার আমি জেলা আওয়ামী লীগেরও সভাপতি। এটা সহ্য করতে না পেরে সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন চক্রান্ত করে এসব গুজব রটিয়েছেন।’
কিন্তু সাংসদপুত্র মাজহারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সমর্থক উপজেলা চেয়ারম্যান আয়ূব আলী ফায়দা নেওয়ার জন্য এসব রটাচ্ছে।
সাংসদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘যে দিন হামলা হয়েছে বলে বলা হচ্ছে, সেদিন আমার ছেলেকে টেলিফোন করে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর আমার ছেলের ওপর হামলা চালানো হয়। ও কিছুই জানত না।’
আর সাংসদপুত্র প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি ওই দিন কোথাও যাইনি। ওই হামলার কথাও জানি না। বাসায় ঘুমিয়ে ছিলাম।’
অকুল চন্দ্র সিং কি তাহলে অন্য কারও হয়ে অভিযোগ করছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে মাজহারুল বলেন, অকুল চন্দ্র সিং শিষ্টাচার জানেন না। সবকিছুতে উত্তেজিত হয়ে যান।
আর সাংসদের সঙ্গে অকুল চন্দ্র সিংয়ের দেখা করার চেষ্টার বিষয়ে জানতে চাইলে দবিরুল ইসলাম বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কেউ এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যায়নি।
সাংসদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাংসদের লোকজনের হামলার পর সংখ্যালঘুরা আমার বাড়িতে অভিযোগ নিয়ে এসেছিল। আমি জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছিলাম।’
তেভাগা আন্দোলনের নেতা হেলকেতু সিংয়ের ছেলে বধু সিং প্রথম আলোকে বলেন, ‘ইতিমধ্যে সাংসদ আমার চা-বাগানের ২৭ শতাংশ জমি দখল করেছেন। জমি না দিলে আমার বাগান জ্বালিয়ে দেবেন বলেও হুমকি দিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও বিষয়টি জানে। কিন্তু কারও সাহায্য পাই না।’ হেলকেতু সিং কমিউনিস্ট পার্টির নেতা এবং এই অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠকও ছিলেন।
জনক সিংয়ের ছেলে ধরেন সিং বলেন, ‘সাংসদের ছেলে প্রতি বিঘা জমির জন্য আমাদেরকে ৭০ হাজার টাকা দিতে চায়। জমি বিক্রি করব না বললে ক্যাডার বাহিনী জোর করে আমার কাছ থেকে স্টাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করে।’
পেটে হেরোইনসহ হজযাত্রী আটক
পেটে হেরোইনসহ হজযাত্রী আটক!
----
সৌদি বিমানবন্দরের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ পেটে ৯৩ ক্যাপসুল হেরোইন বহনকারী একজন হজযাত্রীকে গ্রেফতার করেছে। স্ক্যানিং এর ছবিতে বিষয়টি ধরা পড়ে।
নাম প্রকাশ না করে এমিরেটস অনলাইন জানায় ---
somoyerkonthos o r.org/ international/ 746/
ইহজাগতিক মানব চরিত্রে গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা কেন প্রাসঙ্গিক?
ইহজাগতিক মানব চরিত্রে গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা কেন প্রাসঙ্গিক?
বুদ্ধের ধর্ম বা দর্শন প্রসঙ্গে
কিছু বিষয় জানতে এবং জানাতে ইচ্ছা করছে; আমার জানামতে অলৌকিকতা থেকে মুক্ত শুধু ইহজাগতিক মানুষকে কেন্দ্র করে প্রজ্ঞা ও প্রেমদীপ্ত উচ্চারণ যিনি করেছেন, তাঁর নাম সিদ্ধার্থ গৌতম, তাঁর ধর্ম বা দর্শনের সঙ্গে অন্যান্যদের প্রচারিত ধর্মমতগুলো যায় কি না? কার কি অভিমত, আগ্রহীগণ আসুন আলোচনা করি।
ধর্ম সম্পর্কে যেভাবে মার্কস বলেছিলেন, ''হৃদয়হীনের হৃদয়, নিপীড়িতের দীর্ঘশ্বাস” সেটা কি বুদ্ধকর্তৃক প্রচারিত শিক্ষার বেলায়ও যায় ? কিভাবে?
Dr. APJ Abdul Kalam
অনেক ভাই-বোন তাদের FB-তে পোষ্ট করেছেন, Dr. APJ Abdul Kalam, ভারতের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বিদায় নিলেন, সমগ্র ভারতে ৭ দিনের শোক। এক দিন গত। আমার পোষ্ট এর উদ্দেশ্য ভিন্নতর। এই শ্রদ্ধেয় ব্যাক্তি জন্ম হিসেবে মুসলিম, কিন্তু তিনি ছিলেন ভারতের প্রেসিডেন্ট। একজন মুসলিম হিসেবে নয়, একজন হিন্দু হিসেবে নয়। এক জন মহান চরিত্রের মানুষ হিসেবে। ভারতে হিন্দু রাজনীতির সীল লাগানো বিজেপী, হিন্দু চরমপন্থির সীল লাগানো RSS, এদের সবার চোখে জল। -----আমার বাংলাদেশী ভাই-বোনদের কাছে, বিষেশ কারে তাদের কাছে, যাহারা হিন্দুদের বিধর্মি হিসেবে আখ্যায়িত করেন, যাহারা তকমা দেন, একটি হিন্দু মেয়েকে নষ্ট করতে পারলে তার বেহেস্তের গ্যারিন্ট আছে, এই ভাইয়েরা কি আসলেই ধার্মিক, না ধার্মিক পোষাকের আরালে পশু? সনাতনের শিক্ষা মানুষের মুল্যায়ন, মানবতার শিক্ষা। সনাতনের সৃষ্টির কোন নির্ধারিত ইতিহাস নেই। সভ্যতার উসালগ্ন থেকে এর বিকাশ। কালের পরিবর্তনে, মানুষের অশিক্ষার সুযোগে, শোষন বাদ, মূল সাস্ত্রের বিকৃতি ঘটিয়ে যতটুকুন আনুষ্ঠানিক ক্রিয়ার বিক্রিতি ঘটিয়েছে, সে জন্য সনাতনের আলোর কোন বিকৃতি আনতে পারেন নাই। বাহ্যিক রুপকের যে বিকৃতি টুকু ঘটেছে, সে জন্য সনাতন সমাজ নিজেরাই ক্ষুব্ধ। কিন্তু সনাতনের শিক্ষায় মানবিক আবেদনের কোন ঘাটতি নেই। বর্তমান সনাতন হিন্দু সমাজে আপনাদের প্রতি কেন এত ক্ষোভ? আপনারা কি নিজেদের প্রশ্ন করেন? ইতিহাস ঘেটে খুব আনন্দ হয় বুঝি? নিজেদের শিকড়ে হাত দিতে কেন এত অনিহা? আবার সনাতন/হিন্দু কোন ধর্ম নয়, ইহারা বিধর্মি। আপনারা কি শিক্ষা গ্রহন করেন? ইহাই কি ধর্মিয় শিক্ষা? ভাবুনতো, অন্যায়ের ধর্মিয় বৈধতা, জবর দখল, লূট-পাট, ইহাকি পৃথিবীতে চিরস্থায়ী আসন পেতে পারে? বিবেচনা আপনাদের কাছে। সনাতনের শিক্ষা, মানবতার শিক্ষা।
পীর আর মাঝার ব্যবসা বাংলাদেশের অনেক পুরনো এবং প্রতিষ্ঠিত একটা ব্যবসা
Juliyas Caesar
পীর আর মাঝার ব্যবসা বাংলাদেশের অনেক পুরনো এবং প্রতিষ্ঠিত একটা ব্যবসা। বাঙালি মুরিদ হতে পছন্দ করে। খুব সহজেই তারা কারও না কারও মুরিদ হয়ে যায়। নিজের কোন মতামত জোর গলায় বলবে সেই ক্ষমতা তাদের কমই হয়।
মুরিদ বা অন্ধ ভক্ত হুওয়ার এই দোষটা বাঙালির রক্তেই মিশে আছে। জেনেটিক্যাল ব্যাপার মনে হয়। তাই নাস্তিক হওয়ার পরেও বাঙালি মুরিদ থাকে কারও না কারও। বাঙালির এই মুরিদ হওয়ার স্বভাবের কারণেই আহমদ ছফা, হুমায়ুন আজাদ, আহমদ শরীফ সবাই এখন এক একজন পীর। আর নাস্তিকরাও(সবাইনয়) কেউ আজাদ পীরের মাঝারের খাদেম। কেউ বা আবার ছফা পীরের মুরিদ।
ওহ হ্যাঁ, জ্যান্ত পীর তসলিমা নাসরিনও আছেন। তসলিমার মুরিদও আছে। তসলিমা নাসরিন যা বলবেন তাই ঐশী বাণী! যেমন;-
তিনি যদি বলেন রুবেল হ্যাপিকে ধর্ষণ করেছেন তাহলে সেটা ধর্ষণই হবে। তসলিমার মুরিদেরাও সেটাকে ধর্ষণ বলে চিল্লানো শুরু করবেন। আদতে ধর্ষণের মতো কিছু হয় নি। একসময় তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল সেই সুবাধে শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে। পরে সম্পর্ক ভেঙে গেছে তখন হ্যাপি ধর্ষণের অভিযোগ আনল। এটা হলে ডিভোর্সের পর প্রত্যেক মেয়েই এক্স-হাজব্যান্ডকে ধর্ষক বলতে পারেন।
তসলিমা কিছুদিন আগে একটা অত্যন্ত অমানবিক লেখাও লিখেছেন;-
'অভিজিতের কথা বলতে গিয়ে বড় মঞ্চে বন্যা হাসে কেন? কান্না কোথায়? বেদনা কোথায়?'
-- আশা করি এটাকে সমর্থনেরও মানুষের অভাব হবে না। কিন্তু পীর এবং পীরের মুরিদদের এটা জানা থাকা উচিত যে প্রত্যেক মানুষের আলাদা ব্যক্তিসত্তা থাকে। সবার আলাদা মানসিক দৃঢ়তা থাকে। আর সবার আবেগ এবং কষ্ট প্রকাশের ধরণ একই হয় না।
তসলিমার মতন একজন গুণী লেখিকার থেকে গঠনমূলক সমালোচনা আশা করা যায়। আর এইসব অপাঠ্য লেখা নিয়েও উনার মুরিদদের লাফালাফি দেখলে চরম সার্কাস মনে হয়।
এখন দল ভাগ করলে আপনি এভাবে বলতে পারেন ছফা দল, আজাদ লীগ, তসলিমা শিবির!
এই তিন দলের অনুসারীদের মধ্যে ভালোই লেগেছে। অতীতে আহমদ ছফা হুমায়ুন আজাদের সমালোচনা করেছেন। হুমায়ুন আজাদ আহমদ ছফার সমালোচনা করেছেন। তসলিমা হুমায়ুন আজাদের সমালোচনা করেছেন। হুমায়ুন আজাদ তসলিমার সমালোচনা করেছেন। এমন আরও অনেক আছে লেখক লেখিকাদের মধ্যে মতবিরোধের উদাহরণ।
একে অন্যজনকে সহ্য করতে না পারার উদাহরণও অনেক। নিজের 'গাভী বিত্তান্ত' উপন্যাসে আহমদ ছফা ডক্টর আহমদ শরীফকে ইঙ্গিত করেই একটি চরিত্র রেখেছিলেন ডক্টর আহমদ ত্বকি নাম দিয়ে। দেশের সীমানা পেরিয়ে অন্য দেশের যাওয়ারও উদাহরণ আছে। তসলিমা নাসরিন পশ্চিমবঙ্গের সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সমালোচনা করে লিখেছেন;-
"সুনীল বড় লেখক ছিলেন, মানুষ হিসেবে নয়।"
এসব তাঁদের মধ্যকার মতবিরোধ। কখনও কখনও বাঙালির একে অন্যকে সহ্য করতে না পারার যে মজ্জাগত স্বভাব সেই পরশ্রীকাতরতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু আমি জানি না এখনকার নাস্তিকেরা(!) কেন ধার্মিকদের মতো আহমদ ছফা কিংবা হুমায়ুন আজাদ অথবা তসলিমার অন্ধ ভক্ত হবেন? কেন কাঁদা ছোড়াছুড়ি করবেন?
একমাত্র হুমায়ুন আজাদ যেটা বলেছেন সেটাই সত্য! আহমদ ছফা যেটা বলেছেন সেটাই সত্য! এটা কেমন মানসিকতা? নিজেকে মুক্তমনা, প্রগতিশীল দাবী করা মানুষেরা কিভাবে এমন অন্ধভাবে অনুসরণ করেন একজন লেখককে? মুরিদ হয়ে যাওয়া বাঙালির রক্তে মিশে আছে বলেই হয়তো।
তাঁদের প্রত্যেকেরই সৃজনশীলতা আছে। অসাধারণ অনেক সৃষ্টি আছে। আর বড় ব্যাপার হচ্ছে সবাই যেহেতু রক্ত মাংসের মানুষ ছিলেন তাই দোষগুণও ছিল উনাদের। আপনাকে কেন অন্ধের মত অনুসরণ করতে হবে?
অন্ধ বিশ্বাস, গোঁড়ামি, অনুকরণের বিরুদ্ধে লিখে গেছেন তাঁরা। সৌভাগ্যের(!) ব্যাপার হচ্ছে আহমদ ছফা এবং হুমায়ুন আজাদ প্রয়াত হয়েছেন। তাঁদেরকে এই মুরিদবাহিনী দেখে যেতে হয়নি। তবে জ্যান্ত পীর তসলিমা নাসরিন এখনও বেঁচে আছেন। নিজের এত আন্ধা মুরিদবাহিনী দেখে তিনি নিশ্চয় খুশি হবেন না আশা করি। অন্তত তসলিমার লেখা এইসব অন্ধ অনুকরণকে প্রশ্রয় দেয় বলে কখনও মনে হয়নি।
ধর্ম নাই, আমি ধর্মে বিশ্বাসী না এই দর্শনকেও জ্ঞানীরা ধর্ম বানিয়ে নিয়েছেন। নিজেরাও ধর্মান্ধদের মতো অন্ধ অনুসারী হয়েছেন।
পুনশ্চঃ আমার মতো ক্ষুদ্র মানুষের এইসব সমালোচনায় যদিও কিছুই যায় আসে না তাও মাঝেমাঝে কিছু সার্কাস নিতান্তই হজম হয় না তাই লিখে ফেললাম।
Subscribe to:
Posts (Atom)