আইএসের বিস্তার ও পশ্চিমবঙ্গ - এক মহা সঙ্কটের সিঁদুরে মেঘঃ
সারা বিশ্বের ধর্মান্ধ উগ্র সুন্নি জঙ্গিদের কাছে সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস এখন একটা ভয়ংকর ক্রেজ। বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে জন্ম নেওয়া বাহারি আরবি নামের জঙ্গি সংগঠনগুলো সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের অনুসারী বা শাখা সংগঠন হিসেবে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরার জন্য উন্মাদের মতো লম্ফঝম্প করছে। নিজেদের সক্ষমতা জাহির করে সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের দৃষ্টি আকর্ষণ ও স্বীকৃতি আদায় করাই এখন সুন্নিজঙ্গি সংগঠনগুলোর মুখ্য লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে; যার সর্বশেষ উদাহরণ কুয়েতের শিয়া মসজিদে, তিউনিসিয়ার পর্যটনকেন্দ্রে এবং ফ্রান্সের একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে আক্রমণ। বিধমী হত্যা, সভ্যতার নিদর্শনে ধ্বংসযজ্ঞ, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং বর্বর কর্মকাণ্ডের এদের মূল কাজ । কৌশল ও কর্ম পদ্ধতি নিয়ে সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস ও আল-কায়েদা আপাতত এখন ভিন্ন অবস্থানে থাকলেও উভয়ের লক্ষ্য এক ও অভিন্ন। সিরিয়ায় আসাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত আল-কায়েদার শাখা আল নুসরা ফ্রন্ট থেকে আলাদা হয়ে সৃষ্টি হয় সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস। সারা বিশ্বের সুন্নি অঞ্চল নিয়ে একজন সুন্নি খলিফার অধীনে একটি সুন্নি খেলাফত সৃষ্টি করাই তাদের লক্ষ্য। মানবসৃষ্ট আইনের পরিবর্তে তাদের নিজস্ব ব্যাখ্যা মোতাবেক সুন্নি কোরআন, সুন্নাহ ও সুন্নি শরিয়া আইন দ্বারা পরিচালিত হবে সেই খেলাফত সুন্নি রাষ্ট্র। সব সুন্নি মুসলমানকে এটা মেনে নিতে হবে, প্রশ্ন করা যাবে না। যারা মানবে না তাদের বিধর্মী বা কাফের আখ্যা দিয়ে হত্যা করা হবে। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীর ভূ-রাজনীতি ও সামরিক এবং সাংস্কৃতিক-সামাজিক বাস্তবতায় এটা যে একটা অলীক স্বপ্ন ছাড়া অন্য কিছু নয়, সেটি উপলব্ধি করার মতো সক্ষমতা এদের নেই। শিয়া সম্প্রদায়ের শাসক সিরিয়ার আসাদ, ইরাকের শিয়া কর্তৃত্বাধীন বর্তমান সরকার ও আরব বিশ্বের সব শিয়া সম্প্রদায়ের মুসলমানদের প্রধান টার্গেট হিসেবে নির্ধারণ করেছে সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস। যুক্তরাষ্ট্র ২০০৩ সালে ইরাক দখলের পর চাকরিচ্যুত সাদ্দাম হোসেন সুন্নি সরকারের সুন্নি সম্প্রদায়গত বিরাটসংখ্যক প্রশিক্ষত, দক্ষ ও নিবেদিত সেনা সদস্যরা সংগত কারণেই সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। ইরাক শিয়া সরকারের বর্তমান সেনাবাহিনীর টপ টু বটম আকণ্ঠ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হওয়ায় যুদ্ধ করার মতো মনোবল ও মানসিকতা কোনোটাই তাদের নেই। এসব কারণে ২০১৪ সালের ২৯ জুন সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশের পর স্বল্প সময়ের মধ্যে ইরাক ও সিরিয়ার বিশাল অঞ্চল তারা দখল করে নিতে সক্ষম হয়েছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ তেলক্ষেত্র এবং ইরাকি সরকারি বাহিনীর ফেলে যাওয়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদের ভাণ্ডার সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের দখলে এসেছে। যুদ্ধ চালানোর মূলশক্তি টাকা ও অস্ত্র তারা প্রথম ধাক্কায়ই পেয়ে গেছে। বিশ্বের কোথাও তাদের কোনো জবাবদিহি না থাকার কারণে তারা যা ইচ্ছা সে রকম ভয়ংকর আচরণ করতে পারছে। যুক্তরাষ্ট্রের অফিশিয়াল ভাষ্য মতে, গত এক বছরে সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের বিরুদ্ধে তিন হাজার বিমান আক্রমণ চালানো হয়েছে। তাতে নিহত হয়েছে প্রায় ১০ হাজার সুন্নিপন্থী জঙ্গি। আইএসের বিস্তার ও পশ্চিমবঙ্গ সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস তাদের সক্রিয় অপারেশন ক্ষেত্র বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে পারছে এবং তাদের বর্বরতার মাত্রাও সব সীমা অতিক্রম করছে। গত বছর এবং এ বছরেও খোদ সৌদি আরবেও শিয়া মসজিদে আক্রমণ চালিয়ে তারা ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়েছে। ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন, মিসর, লিবিয়া, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, সৌদি আরবসহ অন্যান্য আরব রাষ্ট্রে আইএস, আল-কায়েদার শাখা সংগঠনগুলো এখন পূর্ণ মাত্রায় সক্রিয় আছে। এসব দেশে তাদের প্রধান টার্গেট শিয়া সম্প্রদায়। নাইজেরিয়ার বোকো হারাম ও সোমালিয়ার আল শাবাব দুই সুন্নি সংগঠনই এরই মধ্যে সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করেছে এবং আবু বকর বাগদাদিকে তাদের খলিফা হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। বোকো হারাম নাইজেরিয়ায় তো প্রতিনিয়তই শিয়া হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। উপরন্তু পাশের দেশ নাইজার, চাদ ও ক্যামেরুনে প্রায়ই সন্ত্রাসী অপারেশন করছে। অন্যদিকে সোমালিয়াভিত্তিকআল শাবাব পার্শ্ববর্তী কেনিয়া, তানজানিয়া ও ইথিওপিয়ায় সন্ত্রাসী অভিযানের বিস্তৃতি ঘটিয়ে সুদানকে ব্যবহার করছে আল শাবাব ও বোকো হারামের সংযোগ স্থল হিসেবে। মানচিত্রের দিকে তাকালে বোঝা যায়, আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় অর্ধেক ভূখণ্ডে এখন চলছে সুন্নি জিহাদি কর্মকাণ্ড। কিন্তু যতই ধ্বংসযজ্ঞ ও হত্যাকাণ্ড চালাক না কেন, বিশ্বের কোনো দেশেই তারা সরাসরি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করতে পারবে না। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অনবরত মানুষের রক্তক্ষরণ ও বর্বরতার এত বড় ওজন বহন করা মানবসভ্যতার জন্য এখন প্রচণ্ড ভারী হয়ে উঠছে। ইরাক ও সিরিয়ায় ভূখণ্ডগত অবস্থান, অস্ত্র-গোলাবারুদের শক্তি, সম্পদের ব্যাকআপ এবং ধর্মীয় উন্মাদনার শক্তি এখন যে পর্যায়ে আছে, তাতে ২০০১ সালে আফগানিস্তান বা ২০০৩ সালের ইরাক অভিযানের মতো বড় আকারের সর্বাত্মক সামরিক অভিযান ছাড়া সুন্নিপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসকে সম্পূর্ণভাবে পরাজিত করা এখন আর সম্ভব নয়। সে রকম ঘটলে তাতে হয়তো আইএস পরাজিত হবে ও বিশ্বব্যাপী অন্যান্য দেশের সুন্নি জিহাদিদের উন্মাদনা কমবে। কিন্তু তাতে মানবিক সংকট আরো বৃদ্ধি পাবে কি না বা ইরাক তো শেষই, তার সঙ্গে সিরিয়া, লিবিয়া, ইয়েমেনে আরো ধ্বংসযজ্ঞ বৃদ্ধি পাবে কি না, এসব নিয়ে ভূ-রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ভিন্নমত আছে। কারণ ইরাক ও আফগানিস্তানের উদাহরণ কারো জন্য স্বস্তিদায়ক হয়নি। অনেকের ধারণা, চলমান গৃহযুদ্ধের একপর্যায়ে সিরিয়ার আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হবেন এবং সিরিয়ার রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করবে আইএস। তখন আফগানিস্তানে তালেবান শাসন হটানোর কায়দায় যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব, জর্দান একত্র হয়ে বড় আকারের সামরিক অভিযান চালিয়ে সিরিয়া দখল করে নেবে।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Sunday, 2 August 2015
ভারতীয় সংস্কৃতিকে নিয়ে বাংলাদেশী কট্টরপন্থী ইসলামিকরা যে অপপ্রচার চালাচ্ছে তার জবাব
●●গরু হিন্দুদের মা,গরুর পেট থেকে তো গরুর বাচ্চা হয় মানুষের বাচ্চা তো হয়না তাহলে গরু কি করে মানুষের মা হয়?
☆-------গরু হিন্দুদের মা এটা কোন গ্রন্থে বলা আছে কী?
অতি সুপ্রাচীনকাল হতে ভারতবর্ষের অনেক রাজা-মহারাজার গোপালন করতেন। মহাভারতে বর্ণিত, বিরাট রাজার ষাট হাজার গাভী ছিল। কে কতো বেশী ধনশালী ও সমৃদ্ধশালী তা ওই রাজ্যের গোশালা ও গরুর সংখ্যার উপর নির্ভর করতো। "আইন-ই-আকবরী" থেকে জানা যায়, মুঘল সম্রাট আকবরেরও শতশত গাভী ও বলদ ছিল। তিনি মুসলমান হয়েও ভারতবর্ষে গোহত্যা নিষিদ্ধ করেছিলেন। ছোট বেলায় বাড়ীর মা, ঠাকুরমাগন খুব ভোরে ঘুম থেকে গরু ঘরের গোবর ঘটিতে নিয়ে পরিস্কার জলে গুলে তা বাড়ী আঙ্গিনায় ছিঁটাতেন, পূজো কিংবা সন্ধ্যা আহ্নিকের জায়গা গোবর মিশানো জল ছিঁটানো কিংবা ঘরের ভিঁটি লেপন করতেন,আসলে গোবর জল ছেটাবার জন্যই পোকামাকড় এর উপদ্রব কম হয়। প্রাচীন আর্য ঋষিদের ভাবনা নির্দেশনা হলেও আধুনিক বিজ্ঞানে প্রমাণিত সত্য হিসাবে প্রকাশ পাচ্ছে। গাভী কৃষ্ণের বাহন, ষাঁড় শিবের বাহন এবং গোজাতি হত্যা মহাপাপ।
পৃথিবীতে সম্ভবত গো-জাতিই একমাত্র প্রাণী যা খায় ঘাস, দেয় দুধ। মল ও মূত্র ত্যাগের মাধ্যমে প্রকৃতিতে তথা
আমাদেরকে দেয় জৈব সার ও জীবানু নাশক উপাদান। সম্ভবত একসঙ্গে এ ধরনের
একাধিক উপযোগীতা পৃথিবীর অন্য কোন পশুকূলের মধ্যে দেখা যায় না। আমরা জানি যে অন্য পশুর দুধের চাইতে গরুর দুধই একমাত্র পুষ্টিকর, সস্তা ও সহজলভ্য যা দুধ শিশু বৃদ্ধ নির্বিশেষে সবাই খেয়ে থাকে। যে সব মায়ের বুকে দুধ থাকে না তাঁরা তাঁদের শিশুকে গরুর দুধ খাওয়ান। এছাড়া গরুর দুধ থেকে ঘি,মাখন,মিষ্টি ইত্যাদি পুষ্টিকর ও সুস্বাদু খাদ্যবস্তু তৈরি হয় যা অন্য প্রানীর দুধ থেকে পাওয়া যায় না। বর্তমানে চিকিৎসকেরাও পথ্য হিসাবে গরুর দুধ খাওয়ার পরামর্শ দেন। অপর দিকে কৃষি সভ্যতার শুরু থেকে পুরুষ গরুই (ষাঁড় ও বলদ) একমাত্র প্রানী যা মানুষকে হাজার হাজার বছর ধরে অবাদি চাষের ভূমি কর্ষণ করে সহজে অধিক ফসল ফলাতে সাহায্য করেছে। এত উপকারী একটি প্রাণী কে মা বলে সম্মান জানানো কেন যায়না এটাই বোধগম্য নয়। ॐ卐
●●গরু তাদের মা, তাই তারা দুধ খায়, গোশত খায়না। অথচ ওই মায়ের চামড়া দিয়ে জুতা বানিয়ে তা পায়ে দেয়। কেন মায়ের এই অমর্যাদা?
☆--- গোহত্যা ও গোমাংস খাওয়া কখনই ভাবি না। কিন্তু স্বাভাবিক ভাবে মৃত গরুর চামড়া ব্যবহারে নিষেধ আছে এমন উল্লেখ নেই। উদাহরণঃ মানুষ হত্যা পাপ। কিন্তু মৃত ব্যক্তির চোখ দান পাপ না। মনে রেখো প্রতিটা প্রাণীর অস্তিত্ব বর্তমান না থাকলে সৃষ্টির নিয়ম লঙ্ঘিত হবে। মাংস ভোজী প্রাণীদের মেরে ফেললে তৃণ ভোজী প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং তৃণ সংকটে বনাঞ্চল ধ্বংস হয়ে যাবে। এই কারণেই বাঘ ও সিংহ বাহন ধারণ করেছেন দেবীরা। দেবীর বাহন বলে সিংহ ও বাঘকে হত্যা করা যাবে না। সিংহ ও বাঘকে শক্তির প্রতীক হিসাবেও দেখা হয়। আবার দেখুন ইঁদুর, গরু, প্যাঁচা, ঈগল, সাপ, ময়ূর, হাঁস, হাতি_সহ বিভিন্ন প্রাণীকে বাহন হিসাবে ধারণ করেছেন বিভিন্ন দেবতারা। আবার শ্রী রামের কথা মনে করলেই বানর ও হনুমানের কথা মনে পড়ে। প্রজাপতির বিশাল স্থান আছে সনাতন দর্শনে। শুধু ইঁদুরের কথাই যদি বলি তবে বলতে হয়, মানবের কোন উপকারে এই প্রাণীটি তেমন কোন ভূমিকা রাখে না। তাহলে কেন ইঁদুরকে আমরা রক্ষা করবো? রক্ষা করবো এই কারণেই যে, ইঁদুরকে খেয়ে বেঁচে থাকে এমন প্রাণী মানব ও প্রকৃতির উপকারে আসে। তাই সব প্রাণীর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে এবং রয়েছে বলেই এই প্রাণীগুলিকে দেবতাদের বাহন করে রক্ষা করার জন্য বলা হচ্ছে। ইকোসিস্টেমে এক প্রাণী অন্য প্রাণীর উপর নির্ভরশীল। খাদ্য চেইনের একটি বিচ্ছিন্ন হলে অনেকগুলি প্রাণী অস্তিত্ব হুমকিতে পড়ে। যেমন ধরুন গরুকে রক্ষা করতে যে টিকা দেওয়া হয় সেটা শকুনের জন্য বিষ। টিকা গ্রহণকারী গরু মারা গেলে ওই মৃত গরুকে শকুন খেলে শকুন মারা যায়। গরু মারা গেলে সেই গরুকে এখন নদীতে বা খালে ভাসিয়ে দেওয়া হয়, এতে জল দূষিত হয়। কিন্তু শকুন মৃত প্রাণীগুলিকে খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করে প্রকৃতি দূষণ থেকে রক্ষা করতো। সুতরাং বলার অপেক্ষাই রাখেনা যে, আমাদের পৌরাণিক নিয়ম কানুনগুলি কালজয়ী ও বৈজ্ঞানিক। যে
ইকোসিস্টেমের প্রয়োজনীয়তার
কথা আমরা আধুনিক যুগে জানি তা বৈদিক ঋষিরা খ্রীষ্টপূর্ব 7000 সালে উপলব্ধি করেছে। এতেও যদি মনে হয় তারা ভুল ছিল তাহলে তুমি মহা মূর্খ। ॐ
卐
●●গরুর চামড়ার ঢোল না পিটালে তাদের পূজা হয়না, গরুকে হত্যা করে তার চামড়া দিয়ে ঢোল বানাতে হয়। কেনো মায়ের এই পরিনতি?
☆--------- একটু আগে আমাদের কশ্চেন করা হয়েছিল। কেন আমরা গরুকে মা বলি? গোস্ত খাই না? অর্থাৎ পরোক্ষ্যভাবে স্বীকার করা হয়েছিল হিন্দুরা গরু মারে না। আবার এখন বলছেন ঢোল করতে হলে গোরুকে হত্যা করতে হয়। আচ্ছা মৃত গরুর চামড়া দিয়ে কী ঢোল হয় না? আসলে আপনাদের যুক্তির আধার একটা- হিন্দু সম্পর্কে মিথ্যা রটনা। গরুর চামড়া ছাড়া মহিষের চামড়ায়ও তো ঢোল হয়। আর দুর্গা পূজায় ঢাক বাজানো হয়। একটা মৃত গরুর চামড়া এর মধ্যেও তার অস্তিত্ব নিহিত থাকে। সোজা ভাবে বলতে গেলে ওই ঢাক বা ঢোল উভয়েই দেবীর শুভ আগমনী বার্তা বহন করে। মৃত্যুর পরেও সে সম্মান পায় পূজা-অর্চনার দ্বারা। একটা পশু পাখিকে সম্মান জানায় এমন ধর্ম পৃথিবীতে আর আছে কী? কারণ হিন্দু ধর্ম মানবতার ধর্ম। এই ধর্ম শেখায় আমরা সকলে সমান। একটা গাছের প্রাণ আছে এটা বৈজ্ঞানিকরা আধুনিক যুগে জেনেছে। আর বৈদিক যুগে এই গাছকেই দেবতা রূপে পূজো করা হতো। কারণ বৈদিক যুগ আমাদের শিখিয়েছে মানবতা-সত্য-অহিংসা।
আজ ২রা আগষ্ট বিখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ,বিজ্ঞানী, দার্শনিক প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্মদিন।।
আজ ২রা আগষ্ট বিখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ,বিজ্ঞানী, দার্শনিক প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্মদিন।।
Saturday, 1 August 2015
China Makes Major Moves To Ban Islam
http://www.jewsnews.co.il/2015/05/10/china-makes-major-moves-to-ban-islam/
যে কাজটা করার কথা ভারতীয় পার্লামেন্টে, সেটা করল আমেরিকান পার্লামেন্ট
যে কাজটা করার কথা ভারতীয়
পার্লামেন্টে, সেটা করল আমেরিকান
পার্লামেন্ট৷৷ আর নেতৃত্ত দিলেন এক
হিন্দু সাংসদ তুলসী গাবার্ড ৷৷৷৷৷
বাংলাদেশকে হিন্দু সহ সেদেশের
বিপন্ন সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার
রক্ষায় তৎপর হতে বলে দ্বিদলীয়
প্রস্তাব পেশ হল মার্কিন
জনপ্রতিনিধি সভায়।
প্রস্তাবটি পেশ করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য তুলসী গাবার্ড । বাংলাদেশকে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলির বাড়াবাড়ি ঠেকাতে ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে ওই প্রস্তাবে।
বাংলাদেশ একটা অস্থিরতার মধ্যে
রয়েছে বলে অভিমত জানিয়ে তুলসী
বলেছেন, গত বছর অনুষ্ঠিত ত্রুটিপূর্ণ
নির্বাচনের পর থেকে দেশের
স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
রাজনৈতিক হিংসাও মাথাচাড়া দিয়েছে। আমি বিশেষ করে বিচলিত
ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে। বাংলাদেশে
নির্যাতনের শিকার সংখ্যালঘু হিন্দু,
বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও অন্যরা। বেশিরভাগ
ক্ষেত্রেই নির্যাতনকারীরা পার পেয়ে
যাচ্ছে। সংখ্যালঘুদের ওপর হামলাকারীদের, হিংসায়
উসকানিদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
নেওয়া, সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষার
দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের।
এই প্রস্তাবে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ
সরকার যেন আইনের শাসন চালু করে, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও
জোরদার করে।
কংগ্রেস সদস্য ম্যাট স্যালমনও বলেন,
বাংলাদেশ যাতে অহিংস, গণতান্ত্রিক
পথে হাঁটতে, আইনের শাসন চালু করতে,
রাজনৈতিক হিংসা, ধর্মীয় উগ্রপন্থা পরিত্যাগ করতে উৎসাহিত হয়, সেটাই
এই প্রস্তাবের উদ্দেশ্য।
সূত্রঃ http://abpananda.abplive.in/international/2015/07/30article667848.ece/Congressional-resolution-asks-Bangladesh-to-protect-minorities
উল্লেখ্য বাংলাদেশে হিন্দুদের অবস্থা
এতটাই ভয়াবহ যে সাধারন মৌলবাদী
থেকে শুরু করে সাংসদ, মন্ত্রী পর্যন্ত
হিন্দু উচ্ছেদে মাঠে নেমেছেন !!
বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর চলছে
নির্যাতন। কতিপয় মৌলবাদী গোষ্ঠী
প্রতিনিয়ত হিন্দুদের মন্দির বাড়ি ঘরে
হামলা চালায়, প্রতিনিয়ত উচ্ছেদ করা
হয় হিন্দুদের, হিন্দুদের পিটিয়ে
নিঃস্ব হস্তে দেশত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়, মুসলিম হও নয়তো দেশ ছাড়ো বলে
চিঠি পাঠানো হয়।
(গাজীপুর,সূত্রঃ http://www.thedailystar.net/hindu-temple-attacked-in-gazipur-13218)
বেশীদিন না বিগত কয়েকদিনের
অত্যাচারের ঘটনা দেখুন,
১। ঠাকুরগাঁও এ হিন্দুদের বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ করলেন স্থানীয় সাংসদ। সূত্রঃ দৈনিক জনকন্ঠ। http://www.dailyjanakantha.com/?p=details&csl=127412
২। নীলফামারিতে বিরোধপূর্ণ জমিতে
গাছ কাটা নিয়ে হিন্দুদের মারধর ও
হিন্দু মন্দিরে হামলা!! সূত্রঃ দৈনিক জনকন্ঠ
http://www.dailyjanakantha.com/?p=details&csl=127484
৩। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হিন্দুদের
উপর আওয়ামী হামলা,১৮ দিনের
বাচ্চার মাকে মারপিট । সূত্রঃদৈনিক দিনকাল
http://www.dailydinkal.net/2015/06/06/-16883.php#sthash.CMYRnqYK.gbpl&st_refDomain=mbasic.facebook.com&st_refQuery=/l.php?u=https://shar.es/12uHo4&h=RAQE8YUAL&en-c=AZN4iOl6xNveMksj513ya2hYmZbzJvQkuSCidLHoqHo-f_Q4ZOCx36p3amP-wj2RBm1tco_9v0V3SK7Q0YabsMIqdyETcId3Jo2WsjNMPh-RwqNHlfD60Tzv8scffXerGxY&s=1
৪। প্রাণে বাঁচতে পুলিশ কমিশনারের
কার্যালয়ে আশ্রয় নিলো হিন্দুরা। সূত্রঃ দৈনিক সবুজ সিলেট http://sabujsylhet.com/?p=77748
৪। যশোরের ৮০ টি হিন্দু পরিবারের
কাছে জিজিয়া কর(চাঁদা) দাবি, না দিলে
ভারত পাঠিয়ে দেয়া হবে অথবা হত্যা
করা হবে।
সূত্রঃপ্রথম আলো http://m.prothom-alo.com/bangladesh/article/546547/ রাজবংশীপাড়ার-আশ িটি-পরিবার-নিরা পত্তাহীনতায়
৫। হিন্দুদের উচ্ছেদ করে বাড়িঘর দখলে নামলেন স্বয়ং প্রবাসী
কল্যানমন্ত্রী, হিন্দুরা পায়ে ধরে বিনয়
করলে তিনি বললেন, "আমাকে যতটা
ভালো মনে কর আমি ততটা ভালো না!" সূত্রঃ দৈনিক এইবেলা http://eibela.com/article/ ঐক্য-পরিষদের-বিব ৃতি:-মন্ত্রীর-হ িন্দু- বাড়ী-দখলে র-নিন্দা- প্রতিব াদ
৬। গ্রামে বসবাস করতে হলে পূজা ছাড়তে হবে, না হলে গ্রাম থেকে উচ্ছেদ
করব, হিন্দু বাড়িঘর ও মন্দিরে হামলা
করে লালমনিরহাটের ১০০হিন্দু পরিবারকে হুমকি দিলো মাদরাসার ছাত্ররা। সূত্রঃনিউজ নেক্সট বিডি http://bangla.newsnextbd.com/article166748.nnbd/
এগুলো হলো কয়েকদিন আগের ঘটনা।
এছাড়াও ২০১৩ ও ২০১৪ সালেও চলেছে বাংলাদেশী হিন্দুদের উপর চরম
নির্যাতন।
২০১৩ সালে হিন্দু নির্যাতন, https://en.m.wikipedia.org/wiki/2013_Bangladesh_anti-Hindu_violence
২০১৪ সালে হিন্দু নির্যাতন https://en.m.wikipedia.org/wiki/2014_Bangladesh_anti-Hindu_violence
এই হলো বাংলাদেশের অবস্থা!!!!!!
বাংলাদেশে বৌদ্ধদের উপর হামলা হলে
জাপান অনুদান দেয়, থাইল্যান্ড ভাঙ্গা
বৌদ্ধ মন্দিরের জন্য বৌদ্ধ মূর্তি
দেয়, শ্রীলঙ্কা নিন্দা জানায়।
কিন্তু হিন্দুদের উপর হামলা হলে সবাই চুপ থাকে !!!!!!!! নির্যাতিত হিন্দুকে দেশ ছাড়া করতে পারলে মৌলবাদীরা হিন্দু জায়গা জমি পুরষ্কার হিসেবে পায় !!!
আজ আমেরিকার সংসদে আওয়াজ উঠল বাংলাদেশী হিন্দুদের জন্য!!
কিন্তু দূঃখ ভারতের সংসদে আজো
বাংলাদেশ, পাকিস্তান বা
আফগানিস্তানের হিন্দু নির্যাতন নিয়ে কথা উঠে নি!!!! কেউ নিন্দা জানায় নি!!
হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে
নিন্দা প্রস্তাব উঠুক সকল রাষ্ট্রের
সংসদে সংসদে!!!!
অনেক হয়েছে চাপা কান্না, আর না এবার হোক সজোরে চিৎকার, বিশ্ববাসী জানুক বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানী হিন্দুদের কথা ।
[শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন, সকলকে জানার সুযোগ দিন ]
বিঃ দ্র : ফেসবুকের নিয়ম অনুসারে → Banglar Hindu Ek Hou-বাংলার হিন্দু এক হওপেইজের পোস্ট এ নিয়মিত লাইক, কমেন্ট না করলে ধীরে ধীরে পোস্ট আর দেখতে পাবেন না। তাই পোস্ট ভাল লাগলে লাইক, কমেন্ট করে পেজে এক্টিভ থাকুন ]
মুলসিম দের দ্বিচারিতা কি মেনে নেয়া উচিত?
মুলসিম দের দ্বিচারিতা কি মেনে নেয়া উচিত?
-------------------------------------------------------
ফেবু এ আমার একজন মুসলিম বন্ধু নাম "হ্যাপি সরকার " ছাড়া কাউকে কোনো দিন ইসলামিক স্টেট এর জঙ্গি দের অত্যাচার এর বিরুদ্ধে কোনো দিন প্রতিবাদ করতে দেখিনি! পৃথিবীর যে দেশেই মুসলিম দ্বারা মুসলিম বা নন মুসলিম নির্যাতিত হয়, খুন হয়, তার বিরুদ্ধে কোনো মুসলিম কে প্রতিবাদ করতে দেখিনা! ইন্ডিয়া কে যখন অন্য দেশের মুসলিম রা হুমকি দেয় বা ইন্ডিয়ান মুসলিম রা দেশ বিরোধী কাজ করে, বা মুসলিম রা যখন নন মুসলিম দের রেপ করে, কোনো দিন এদের কে প্রতিবাদ করতে দেখিনা। কোনো দিন দেখিনা পাকিস্তান এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে। সব সময় এরা চুপ থাকে। এদের দেশ প্রীতি আছে, তার প্রমান দেয়না! কোনো মুসলিম নেতা যখন ইন্ডিয়ান হিন্দু দের কয়েক ঘন্টার মধ্যে শেষ করে দেবার হুমকি দেয়, চুপ থাকে। বাংলাদেশ পাকিস্তান এ সংখ্যালঘু দের অত্যাচার যে এদের কে কষ্ট দেয়, এমন প্রমান দেখিনা!
এরা কি করে আশা করে, সংখ্যাগরিষ্ঠ রা এদের কে আর আপন ভাববে! কোনো রাজনৈতিক দল এ বা কি করে এই আশা করে? অনেক দেশ দেখেছি। পৃথিবীর কোনো দেশের সংখ্যা লঘুরা এত সম্মান ও অধিকার নিয়ে বাস করেনা, যেভাবে ইন্ডিয়ান সংখ্যালঘু রা করে! পাকিস্তান বাংলাদেশ, আফগানিস্তান বা অন্য মুসলিম দেশে ডেইলি সংখ্যা লঘু দের খুন করছে- জাস্ট সংখ্যা লঘু হবার কারণে!
মুসলিম রা কোনো দিন কোনো দেশে সংখ্যা লঘু দের বিপদে আশ্রয় দেয়নি, কিন্তু অন্য ধর্মের লোকেরা মুসলিম দের দেয়. কিন্তু এদের নীতি হলো, আশ্রয়দাতা দের দেশ গণতান্ত্রিক ভাবে আশ্রয় দাতা দের ইনকাম এর টাকায় ৪-৫ জন্য সন্তান বান্যিই লালন পালন করে, আর টার্গেট নিয়ে বসে আছে- কবে সেই দেশ টা তে সারিয়াতি আইন চালু করবে!
মুসলিম দেশে কোনো নন মুসলিম মহিলা গেলে, সেই দেশের পোশাক রীতি না মানলে শাস্তি হয়, অথচ এরা যখন পরের দেশে যায়, সেই দেশের মহিলা দের স্ট্যান্ডার্ড পোষাক পরবেনা! এর বিরুদ্ধে কোনো উদার মুলসিম প্রতবাদ করেনা!
মুসলিম দেশে ইসলামিক নিয়মে জবাই করা ছাড়া কোনো মাংস নন মুসলিম দের জন্য পাওয়া যাবেনা, কিন্তু নন মুসলিম দেশে গিয়ে এরা হালাল মাংস ছাড়া কিছু কিনবেনা !
মুসলিম দেশে নন মুসলিম দের ধর্মীয় স্থান থাকলেও ধ্বংস করে, নতুন করে গড়তে দেয়না, কিন্তু নন মুসলিম দেশে এরা সরকারী সাহায্যে নিয়ে বেঁচে থাকলেও এদের কে মসজিদ গড়ার অনুমতি দিতে হবে!
ইন্ডিয়ান মুসলিম রা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড মুসলিম দ্বারা উপরি উল্লিখিত ভাবে মুসলিম দের উপর অত্যাচার বিরুদ্ধে কোনো দিন প্রতিবাদ করেনি!
মুসলিম দের নীতি অনুযায়ী দুনিয়ার সব মুসলিম রাতাদের ভাই।মুসলিম দের দেশ জাত রং ভাষা কোনো রোল প্লে করেনা এদের কাছে। এরা ভাবে, সেই ভাই দের রক্ষা করার দায় তাদের। এখন থেকে জেনে নিক, সেই ভাই বোন্ দের নেগেটিভ কাজের দায় ও তাদের নিতে হবে!
মুসলিম রা নন মুসলিম দেশের নন মুসলিম দের ট্যাক্স এর টাকায় সহায্য নেবে, কিন্তু কোনো দিন শুনেছেন কেহ যে মুসলিম দেশ গুলো নন মুসলিম দেশের নন মুসলিম দের সাহায্য করেছে?
এরা দাউদ বা টাইগার কে ফিরিয়ে দেবার জন্য পাকিস্তান বা অন্য দেশের উপর চাপ সৃষ্টি করেনা! এদের দ্বিচারিতা আর মেনে নিতে পারছিনা!
মুসলিম রা কেন অন্য ধর্মের মানুষ দের থেকে সম্মান, নীতি আশা করে? এদের সেটাই পাওয়া উচিত, যা এরা রিটার্ন দেয়!
যদি মুসলিম রা তাদের নীতি না চেঞ্জ করে, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড তাদের বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হবে! ভারতেই রাজনৈতিক দল গুলো বাস্তবাদী হোক!
আমি সত্য কথা লিখলাম- যা ঘটছে! আমার ম্যাক্সিমাম বন্ধু মুসলিম। কাজেই এই লেখা কে দয়া করে সাম্প্রদায়িক দৃষ্টি তে নেবেন না!
সবার বাঁচার অধিকার আছে. কাজেই মুসলিম রা ইসলামিক নিয়মে কেবল তাদের দেশেই বাঁচুক! তারাও সুখী অন্য রাও সুখী! আপনি আমাকে আপন না ভাবলে, আমি কোন দুঃখে আপনাকে আপন ভাববো ???????????????????????? Apraksh Datta
অনেকে আমায় সাম্প্রদায়িক ভাবেন, আমি নাকি দাঙ্গা লাগাতে এই সব পোস্ট করি, হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা লাগাতে চাই
অনেকে আমায় সাম্প্রদায়িক ভাবেন, আমি নাকি দাঙ্গা লাগাতে এই সব পোস্ট করি, হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা লাগাতে চাই।
আমরা হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই।
হ্যা, অবশ্যই আমরা ভাই ভাই, আমরা ভাই ভাই বলেই ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগ হয়েছিল, মুসলমানররা তাদের জন্য আলাদা দেশ চেয়েছিল, কারন হল আমরা ভাই ভাই।
শুধু তাই নয় বন্ধু শুনুন, পাকিস্তান গঠনের পর সেখানকার হিন্দুদের উপর অকথ্য অত্যাচার চালায়, তাদের বাড়ি লুঠ করে, আগুন দেয়, নির্মমভাবে হত্যা করতে থাকে, যাতে তারা ভয় পেয়ে পাকিস্তান ছেড়ে দেয়, হিন্দু মেয়েদের উলঙ্গ করে রাস্তায় ঘোরানো হয়, তাদের গন ধর্ষন করা হয়, এসব কারা করেছে জানেন,?
আমার আপনার ভাই মুসলমানররা, মুসলিম লীগের নেতারা।
১৯৪৬ এর নোয়াখালি দাঙ্গা ও কলকাতায় দাঙ্গার কথা নিশ্চয় মনে করিয়ে দিতে হবে না। সেদিন কলকাতার রাস্তা ভর্তি হয়ে গিয়েছিল অগুনিত হিন্দুর লাশে, হিন্দু মেয়েদের ধর্ষন করে, তাদের গরু ঝোলানো শিকে ঝুলয়ে রেখেছিল।
মুসলিম লীগের গুন্ডারা হিন্দু মহিলাদের ধর্ষন করে, পায়ের বুড়ো আঙুল দিয়ে মাথার সিথির সিদূর মুছে দিয়ে, হাতের শাখা দিয়েছিল, তাদের ছোট পুত্র ও কন্যা সন্তান দের হত্যা করে, পুকুরে খালে ছূড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। যারা করেছিল তারা কারা বন্ধু?
তারা আমার আপনার ভাই মুসলমানররা।।
কথায় আছে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে। ঘটে কি ঘটছে তো, তার উদাহরন ২০১০ সালের তৃণমূল এম.পি হাজি নুরুলের তান্ডব চালায় উওর২৪পরগনার দেগঙ্গায়। ২৫০ এর বেশি হিন্দু বাড়ি, দোকান পোড়ানো হয়, লুঠ হয়, মন্দির ভাঙ্গা হয়, কালী মূর্তির উপর পস্রাব করা হয়। কারা করে জানেন, আমার আপনার ভাই মুসলমানররা।
এখানেই থেমে যায় নি, ক্যানিং, উস্তি, মল্লিকপুর, পাচলা, সমুদ্রগড়, মগরাহাট, চাকুলিয়া ইত্যাদি আরো অনেক জায়গায় এই ঘটনা ঘটে চলেছে, তাই মাফ করবেন আমায় আমি এই ভাই ভাই তত্ত্বে বিশ্বাস রাখি না।
যদি তারা সত্যই আমাদের ভাই ভাবতো তাহলে এই সব ঘটনা অতীতেও ঘটতো না আর তার পুনরাবৃত্তিও হত না। ভাই ভাই তত্ত্বের কারনে অতীতে অনেক খেসারত দিতে হয়েছে আজও দিতে হচ্ছে এবং সাবধান না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও দিতে হবে যা হবে আরও ভয়ানক, আরো নৃশংস।
আমি চাই না আমাদের মা,বোন, স্ত্রী, কন্যারা এই নৃশংসতার শিকার হোক। শুধু একজনকে পৃথিবীতে জন্ম দেওয়াই আমাদের কর্তব্য নয়, তার জন্য একটি সুন্দর পৃথিবী উপহার দেওয়া সব থেকে বড় কর্তব্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য। তাই সাবধান হোন।।
জয় হিন্দ, বন্দেমাতরম... Biltu Mondal
Subscribe to:
Posts (Atom)