শুনলাম চেন্নাই-এ মসজিদ থেকে শুদ্ধ পানীয় জল বিতরণ হচ্ছে৷ এই খবর বড় করে প্রচার করে যারা বোঝাতে চাইছেন ইসলাম উদার এবং মানবিক, আর তালিবান-আই এস সহিহ ইসলাম নয়, তাদের অনুরোধ করব কোরান আর হাদিস পড়ে সহিহ ইসলামকে জানুন৷ এদের সমস্ত মানবিকতা আর সহমর্মিতা নিজেদের বিরাদরির মধ্যেই প্রযোজ্য৷ ইসলাম বহির্ভূতদের প্রতি আছে শুধু ঘৃণা৷
হ্যাঁ, এখনই বলবেন সব মুসলমান কি আর কোরান-হাদিসের সমস্ত কথা মানতে বাধ্য! নিশ্চই বাধ্য৷ আজ না হোক কাল, ভক্তিতে না হোক ভয়ে সবাইকে মানতেই হবে৷ না হলেই হুমায়ুন আজাদ, না হয় ওয়াশিকুর বাবু! নিদেন পক্ষে তসলিমা তো বটেই৷
মুসলমানদের মধ্যে যারা স্বাধীন চিন্তার অধিকারী, তাদের কোন সম্মান নেই, সামাজিক স্বীকৃতিও নেই৷ তারা সমাজে কল্কে পায় না৷ তাদেরকে আমরা, হিন্দুরাই বরং তাদের প্রাপ্য সামাজিক স্বীকৃতি ও সম্মান দিয়ে থাকি৷ তাই আসফাকুল্লাকে ওরা যত না স্মরণ করে, আমরাই তার থেকে বেশী করি৷ করাই উচিত৷ আব্দুল কালামের ক্ষেত্রেও তাই৷
কিন্তু মুসলিম নেতা এবং ধর্মগুরুরা যখন মানবিকতা, সহমর্মিতা, দেশপ্রেম ইত্যাদি ভাষণ ঝাড়ে, তখন আমার সেই 'ট্রোজান হর্স'-এর কথা মনে পড়ে৷ আল তাকীয়া - অমুসলমানদেরকে নিজেদের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিভ্রান্ত করে রাখা - এটাও ইসলামেরই শিক্ষা৷
তাই যেদিন নোয়াখালির নৃশংসতা আর গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং সংঘটিত হয়েছিল, সেদিনও মুসলিম সমাজের অন্তর্ভূক্ত সহিহ লিবারালদের কথা হিন্দুর আর্তনাদে আর নারায়ে তকবীর হুঙ্কারের তলায় চাপা পড়ে গিয়েছিল৷ আর সম্প্রতি কালে সংঘটিত বাংলার দেগঙ্গা-নলিয়াখালির ঘটনার সময়ও তাদের আওয়াজকে (আদৌ উঠেছিল কি না জানিনা )কেউ পাত্তা দেয় নি৷
সুতরাং ট্রোজান হর্স দেখে প্রলুব্ধ হবেন না৷ আর নিশ্চিত থাকুন, মুসলমানদের মধ্যে সহিহ মানবতাবাদীরা আপনাদের বাঁচাতে পারবে না, কারণ তাঁদের নিজেদের অস্তিত্বই এখন বিপন্ন! তাই দয়া করে ব্যতিক্রমী কিছু ঘটনার উদাহরণ দিয়ে হিন্দুদের বিভ্রান্ত করে শীতঘুমে আচ্ছন্ন করে দেবেন না৷
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Saturday, 5 December 2015
Friday, 4 December 2015
আইসিস কুরআন পরিবর্তন করবে।
আইসিস প্রস্তাবিত নতুন কোরানের জন্য কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাবনা
লিখেছেন তাসনিম জুবেরিয়া
আইসিস কুরআন পরিবর্তন করবে। আসুন দেখি কী কী পরিবর্তন করা যেতে পারে।
বেহেশত পর্ব:
১. পুরুষদের জন্য হুরের সংখ্যা হইবে আনলিমিটেড;
২. হুরদের সেই কঙ্কাল চেহারা আর নাই, হুরদের চেহারা হলিউড-বলিউডের নায়িকা এমনকি অপু বিশ্বাসের মতও হইবে, শুধু পুরুষকে মনে মনে চাহিতে হইবে, চাহিলেই সেইরকম হইবে;
৩. শরাবান তহুরার পরিমাণ হইবে আনলিমিটেড;
৪. আনলিমিটেড গনিমতের মাল পাওয়া যাইবে [তয় কাফেররা বেহেশত যাইবে কী প্রকারে, এইটা একটা প্রশ্ন]
নামাজ-রোজা-জাকাত পর্ব:
১. নামাজ পড়িতে হইবে দিনে ২৪ বার;
২. নামাজের ভঙ্গি একেকবার একেকরকম হইতে হইবে, দিনে একইভাবে দুইবার নামাজ পড়া যাইবে না;
৩. রোজা রাখিতে হইবে না। জাকাত দিতে হইবে না, হজ্ব না করিলেও চলিবে, কারণ কাবা শরীফ তো আইসিস উড়াইয়া দিবে।
ইহকালিন পর্ব:
১. মুমিনগণ ১৪ খানা বিবাহ করিতে পারিবে, "সব বউয়ের প্রতি সমান ব্যবহার করিতে হইবে" - ওইসব ১৪০০ বছর আগের নিয়ম ভুলিয়া যাইতে হইবে;
২. মুসলমানদের জিহাদ ব্যতীত অন্য কাজ করা হারাম। এমনকি দিনে দুইবার টয়লেটে যাওয়া হারাম, কারণ জিহাদের সময় কমিয়া যাইতসে। তবে জিহাদ করিয়া একজন কাফের মারিতে পারিলে অথবা কাফের জেনানাকে ইসলামের ছায়াতলে আনিতে পারিলে, সেইদিনে ১০ বার টয়লেটে যাইতে পারিবে। পরেরদিনই কিন্তু আবার হারাম ...।
৩. বলিউডি লুঙ্গি ড্যান্স হারাম নহে। পুরাই হালাল হালাল হালাল !! ১০০ ভাগ হালাল।
দাসী-বাদী, স্ত্রী ও কন্যা পর্ব:
১. মুমিন মুসলমানের ১০০টি দাসী-বাদী থাকিবে, আর্থিক সামর্থ্যভেদে ১০০০-ও হইতে পারে। ইহাদের সকলের সহিত সহবত করা নতুন কোরআন সম্মত।
২. মুমিনের ১৪ বউয়ের ১৪ জনকেই ডাবল বোরখা, ডাবল হিজাব পরিতে হইবে। শফি হুজুরের সাজেসান মানিয়া ৪ ক্লাসের বেশি পড়াশুনা কিংবা বাসাবাড়ির বাহিরে যাওয়া হারাম!
৩. মেয়েদিগের বিবাহের বয়স সর্বোচ্চ ৫ বছর। এবং আপনার কোনো বন্ধু যাহার বয়স ৬০-৭০, তাহার সহিতও আপনার ৩ বছর বয়েসী মেয়ে বিবাহ দিতে আপনি বাধ্য ...
উৎসাহীরা আইসিসকে আরো সাজেশান দিতে পারেন। জানেন তো, মিয়া, দুনিয়ার সব মুসলিম ভাই ভাই...
প্রায় সব সময়ই শুনি যে, মুসলমানরা নাকি সারা পৃথিবীতে খুবই নির্যাতিত।
বাপ-মা তুলে খিস্তি মারলো একজন......
বাঙালী বাবু পাশে বউয়ের কানে কানে : দেখ, সহ্য করা শিখতে হয়৷
বউ : তোমার মা-বোন এক করে দিচ্ছে যে!
বাঙালী বাবু : গায়ে তো আর হাত দেয় নি....
কথা শেষ হওয়ার আগেই গালে চড়!
বউ : কি গো?
বাঙালী বাবু : আজকে সাথে তুমি আছো বলে ছেড়ে দিলাম৷ যদি তোমার গায়ে হাত তুলতো, তাহলে.......
বলতে বলতেই বউয়ের গালে চড়৷
বউ : তুমি কি পুরুষ?
বাঙালী বাবু : চড়ই তো মেরেছে৷ ইজ্জতে তো হাত দেয় নি!
কথা শেষ হতেই..................
.
.
.
এই ভাবেই কলকাতায় ধরা পড়ল ISI এর চর........
বাঙালী বাবু : সব মুসলমানই তো আর সন্ত্রাসবাদী নয়!
.
.
সহিষ্ণুতা না নপুংসকতা? বুঝতে বুঝতেই আই এস এসে গেল অফিসিয়ালি৷ ম্যানিফেস্টো প্রকাশিত!
http://www.siasat.com/news/isis-coming-india-islamic-state-manifesto-released-879092/
প্রায় সব সময়ই শুনি যে, মুসলমানরা নাকি সারা পৃথিবীতে খুবই নির্যাতিত।
প্রায় সব সময়ই শুনি যে, মুসলমানরা নাকি সারা পৃথিবীতে খুবই নির্যাতিত। শুনে খুব খারাপ লাগে, আহারে বেচারা মুসলমানরা। সবাই মিলে মিশে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কত শত্রুতাই না করছে। কত ষড়যন্ত্রই না করছে। ছোটবেলা ওয়াজ মাহফিলে হুজুরেরা ওয়াজ করতো, কেঁদে কেটে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানাত, হে আল্লাহ, মুসলমানদের তুমি এই সব জালিমের হাত থেকে রক্ষা করো। শুনে ভাবতাম, কারা এই সব জালিম, যারা মুসলমানদের শত শত বছর ধরে নির্যাতন করে যাচ্ছে? একবার সামনে পেলে একদম দেখিয়ে দিতাম! কিন্তু তাদের দেখতে পেতাম না। চারপাশে সব দিকেই মুসলমান দেখতাম। কারণ বাঙলাদেশ তো মুসলমানদেরই দেশ। এই দেশে কারা ঠিক মুসলমানদের অত্যাচার করছে ঠিক বুঝতাম না। হিন্দুরা? বৌদ্ধরা? নাকি খ্রিস্টান বা ইহুদীরা? নাকি ভুত?
ছোটবেলা শুনতাম ইউরোপে নাকি মুসলমানদের ওপর অনেক অত্যাচার নির্যাতন চালানো হয়। তারপরেও নাকি ইউরোপে দলে দলে মানুষ ইসলাম গ্রহণ করছে। প্রতিদিন হাজার হাজার অমুসলিম ইসলামের ছায়াতলে চলে আসার খবর পেতাম, আমাদের এলাকার হুজুর, মসজিদের বড় ভাইয়েরা সেগুলো বেশ গর্ব করেই বলতো। কিন্তু সেখানে মুসলমানদের ওপর সীমাহীন নির্যাতনের খবর পেতাম। আমেরিকা আর ইসরাইলে নাকি রাস্তায় মুসলমানদের ধরে ধরে হত্যা করা হতো। কথাগুলো এলাকার যেই বড় ভাই বলতো, ডিভি লটারি সে কিন্তু প্রতিবছরই পূরণ করতো। একবারও মিস হয় নি। শেষমেশ অন্য আরেকজনার ডিভি লটারি টাকা দিয়ে কিনে সে আমেরিকা চলে গেল। এখন শুনেছি বউ বাচ্চা নিয়ে বেশ সুখে শান্তিতেই আছে। কিন্তু মুসলমানদের ওপর যেখানে এত অত্যাচার হয়, সেই দেশে সে কেন গেল আজও বুঝলাম না। তার তো সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল। যেখানে মুসলমানরা সুখে শান্তিতে বসবাস করে। সে যাইহোক।
ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছি মুসলমানদের ওপর অত্যাচারের গল্প শুনে। বড় হওয়ার পরে তাই এই পর্যন্ত দেশে দেশে মুসলমানদের ওপর কী পরিমাণ নির্যাতন হয়েছে তা যাচাই করতে বসে গেলাম। অদ্ভুত তথ্য পেলাম। কয়েকটা উদাহরণ দেই।
যেমন ধরুন, ১৯৭১ সালে বাঙলাদেশে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানী সেনাবাহিনী গণহত্যা চালিয়ে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ হত্যা করে। যার অধিকাংশই ছিল মুসলমান। যারা হত্যার নির্দেশ দিয়েছিল তারাও মুসলমানই। আবার ধরুন, মাওলানা মওদুদীর নির্দেশে এবং উস্কানিতে পাকিস্তানে প্রায় ১০ লক্ষ আহমদিয়াকে হত্যা করা হয়। তারা মুসলমানই ছিল। এবারে আরও কিছু পরিসংখ্যান দেখা যাক। পরিসংখ্যানগুলো গণহত্যার অল্পবিস্তর পরিসংখ্যান।
সাদ্দাম হোসেন- ৬ লক্ষ (১৯৭০-২০০৩ )
সুহার্ত- ৫ লক্ষ ( ১৯৬৫-৬৬, ১৯৬৯-বর্তমান)
মোল্লা ওমর/ তালিবান- ৪ লক্ষ (১৯৮৬ - ২০০১)
হাসান তারাবি - ১ লক্ষ (১৯৮৯ - ১৯৯৯)
ইরাক ইরান যুদ্ধ - ১০ লক্ষ (১৯৮০-১৯৮৮)
কুয়েত যুদ্ধ - ১.৪০ লক্ষ (১৯৯০-১৯৯১)
আলজেরিয়া - ৭ লক্ষ ( ১৯৫৪-১৯৬২)
আলজেরিয়া - ২ লক্ষ (১৯৯১ - বর্তমান)
সোমালিয়া - ৪ লক্ষ (১৯৯১- বর্তমান)
নাইজেরিয়া - ১১ লক্ষ (১৯৯৩ - বর্তমান)
লেবানন - ১.৫ লক্ষ ( ১৯৭৫ - বর্তমান)
ইথোওপিয়া - ১৫ লক্ষ ( ১৯৭৫ -১৯৭৯)
সিয়েরালিয়ন - ২ লক্ষ (১৯৯১ - বর্তমান)
আই এস - বাশার - ২.২ লক্ষ ( ২০১১ - চলছে)
এগুলো ছাড়া পাকিস্তানে রোজ বাচ্চাদের স্কুলে বোমা হামলা, এবং মুসলমানদের হাতে খ্রিস্টান ইহুদী বৌদ্ধ হিন্দুদের মৃত্যুর আরেকটি বড় পরিসংখ্যান দেয়া যেতে পারে। সেগুলো না হয় বাদী দিচ্ছি। উপরের সবগুলো যুদ্ধেই কোন না কোন ভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া বা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো, চীন ইত্যাদি দেশগুলো জড়িত ছিল। ঠিক যেমনটা ছিল বাঙলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধেও। কিন্তু বাঙলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে ইসলামপন্থীরা ভারত রাশিয়ার চক্রান্ত বলে চালাবার যত চেষ্টাই করুক না কেন, পূর্ব পাকিস্তান আর পশ্চিম পাকিস্তান দুই ভাইয়ের মধ্যে গণ্ডগোল লাগিয়ে দেয়ার কথা যতই বলুক না কেন, সত্যি হচ্ছে, পশ্চিম পাকিস্তানের অপশাসনে অতিষ্ট হয়েই বাঙলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিল।
সব সময় বলতে শুনি, সবই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া ভারত ইসরাইল ইত্যাদির চক্রান্ত। কিন্তু অস্ত্র উৎপাদনকারী দেশগুলো তাদের অস্ত্র বিক্রি করবে সব জায়গায়, সেটাই স্বাভাবিক। তারা দুই পক্ষের কাছেই অস্ত্র বিক্রি করবে। কিন্তু যদি বলা হয়, দুই পাকিস্তান একসাথে সুখে শান্তিতে ছিল, ভারত মাঝখান দিয়ে ঢুকে চক্রান্ত করে দুই ভাইয়ের মধ্যে যুদ্ধ লাগিয়েছে, তা হবে ডাহা মিথ্যা কথা। যখন এই পশ্চিমা ষড়যন্ত্রতত্ত্ব হাজির করা হয়, তখন সব চাইতে বড় সত্য, পশ্চিম পাকিস্তানের গণহত্যা এবং তাদের অত্যাচারকে কৌশলে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টাই করা হয়। যারা ষড়যন্ত্রতত্ত্ব হাজির করে, তারা আসলে অসৎ উদ্দেশ্যেই করে।
এসব নিহতদের প্রায় সকলেই মুসলমান। এছাড়া কোটি কোটি মুসলমান আহত হয়েছে, গৃহহীন উদ্বাস্তু হয়েছে, নারী এবং শিশুরা হয়েছে ধর্ষিত, লাঞ্ছিত। তাদের আর কোন ভবিষ্যৎ নেই, কোন আশা নেই। অনেকেই ইউরোপে পাড়ি জমিয়েছেন, সুন্দর জীবনের আশায়। এই সকল হত্যাকান্ড,অপকর্ম কিন্তু মুসলমান মুসলমানদের সাথে করেছে। পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, ১৯৪৮ সালের পর থেকে প্রায় দেড়কোটি মুসলমানদের হত্যা করা হয়, যার প্রায় ৮৫ ভাগই করেছে কোন না কোন মুসলিম শাসক, বা অন্য মুসলমানরা। শিয়ারা সুন্নিদের মেরেছে, সুন্নিরা শিয়াদের মেরেছে। আবার দুই পক্ষ মিলে মিশে আহমদিয়াদের মেরেছে। এ ওকে মেরেছে সে তাকে মেরেছে। এভাবেই চলে যাচ্ছে। বাঙলাদেশের মত দেশে প্রতি মাসেই হিন্দু বৌদ্ধ আদিবাসীদের ওপর নির্যাতনের কথা না হয় বাদই দিলাম, পাকিস্তানে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টানদের হাওয়ায় মিলিয়ে যাওয়ার কথাও না হয় বাদ দিলাম, কিন্তু মুসলমানদেরই আসলে কারা হত্যা করছে? কারা নির্যাতন করছে? মামদো ভুত?
ইহুদীরা? হিন্দুরা? খ্রিস্টানরা? ইউরোপ আমেরিকা? ইসরাইল?
নাকি খোদ আল্লাহ? Written by: Asif Mohiuddin
ISIS threatens war against India, Calls Modi a ‘Weapon-lover’ - Bengali News
এবার জঙ্গিগোষ্ঠী আইসিস-এর সরাসরি নিশানায় নরেন্দ্র মোদী। ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ‘অস্ত্র-প্রেমী’ উল্লেখ করে আইসিস জানিয়েছে, মুসলিমদের বিরুদ্ধে মোদী যুদ্ধ করতে সর্বদা উদ্যত।
নিজেদের বক্তব্য পেশ করার জন্য বরাবরই ইন্টারনেটকে হাতিয়ার করে এসেছে আইসিস। এবারও অনলাইনে একটি বই প্রকাশ করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী। সেখানে তারা মোদীর প্রসঙ্গও টেনেছে। ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ব্ল্যাক ফ্ল্যাগস’ নামক জেহাদি সংগঠন প্রকাশিত একটি বইয়ে তারা ভারতের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ-ঘোষণার ডাক দিয়েছে। হুমকি-সহ সেখানে বলা হয়েছে, এবার আইসিস ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামবে।
বইতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এবার প্রত্যেক দেশে যুদ্ধ শুরু হবে। সারা বিশ্বে প্রায় ৫০ কোটি মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষ বাস করেন। এদিন সেই বিষয়টিকে উল্লেখ করে জেহাদি সংগঠনটি দাবি করেছে, এবার তারা ‘নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার’ বা নতুন বিশ্ব-নিয়মকে ধ্বংস করার জন্য প্রতি দেশে লড়াই চালাবে। এই লড়াইকে ‘আল-দজ্জাল’ বা বিধর্মীদের বিরুদ্ধে লড়াই বলে উল্লেখ করেছে আইএস।
এখানেই শেষ নয়। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জঙ্গিদের প্রকাশিত বইতে মোদীর প্রসঙ্গেও নিজেদের মতামত জানাতে গিয়ে নাম না করে দাদরি-কাণ্ডকে টেনে এনেছে আইএস। ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ‘অস্ত্র-প্রেমী’ উল্লেথ করে আইএস বলেছে, সেখানে (ভারতে) গো-মাংস ভক্ষণকারীদের হত্যা করা হচ্ছে। বইতে বলা হয়েছে, হিন্দুদের একটি আন্দোলন গড়ে উঠেছে, যেখানে গো-মাংস ভক্ষণকারী মুসলিমদের মারার পরিকল্পনা হচ্ছে।
বইতে বলা হয়েছে, যেসব ব্যক্তি এই সংগঠনগুলিকে মদত দিচ্ছে, তারা ইসলাম-বিরোধীদের মধ্যে নিজেদের জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে তুলতে চাইছে। যাতে ভবিষ্যতে যুদ্ধের সময় এদের (মুসলিমদের বিরুদ্ধে) ব্যবহার করা যায়। এখানেই প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করে আইসিস লিখেছে, মোদী একজন ডানপন্থী হিন্দু জাতীয়তাবাদী যে অস্ত্রের আরাধনা করে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যৎ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আইএস-এর দাবি, মোদীদের একটি রাজনৈতিক শাখা রয়েছে, যার মাধ্যমে তারা তাদের এক নম্বর শত্রুর বিরুদ্ধে আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে নিয়োগ করে সন্ত্রাস চালাতে চাইছে।
কিন্তু, কেন হঠাৎ মোদীকে আক্রমণ করতে শুরু করল আইসিস? ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সাম্প্রতিককালে, আইসিসের বিরুদ্ধে বেশ কঠোর মনোভাব নিয়েছেন মোদী। প্যারিস হামলার পরে ফ্রান্সে গিয়ে বিশ্ব-মঞ্চকে হাতিয়ার করে আইসিসের বিরুদ্ধে বিশ্বকে একজোট হওয়ার ডাক দেন তিনি। তথ্যাভিজ্ঞ মহলের মতে, এরপরই মোদী অচিরেই তাদের ‘এক নম্বর’ শত্রু হয়ে গিয়েছেন।
কয়েকদিন আগেই একটি টিভি চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজু আশঙ্কা প্রকাশ করেন, দেশের যে কোনও প্রান্তে ‘লোন উলফ’ (এক জঙ্গি)-কে দিয়েই হামলা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে আইএস-এর। যে কারণে, নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে।
এই বইয়ের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রের প্রতিক্রিয়া কী হয়, সেটাই দেখার। http://abpananda.abplive.in/india-news/isis-threatens-war-against-india-calls-modi-a-weapon-lover-157288
আপনাদের নিশ্চয়ই শাহরুখের #চেন্নাই_এক্সপ্রেস সিনেমাটার কথা মনে আছে।
আপনাদের নিশ্চয়ই শাহরুখের #চেন্নাই_এক্সপ্রেস সিনেমাটার কথা মনে আছে।সেই সিনেমাটা শাহরুখ এন্ড কোং এর কাছে একটি অন্যতম মাইলফলক। কেননা প্রায় 650-700 কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল।যার সিংহভাগই এসেছিল তামিলনাড়ু তথা চেন্নাই থেকে।
---সেই চেন্নাই আজ বিধ্বস্ত।বন্যা কবলিত।শাহরুখের উচিত ছিল চেন্নাইয়ের পাশে এসে দাঁড়ানো ও সহমর্মিতা জানানো।কিন্তু পাশে দাঁড়ানো তো দূর অস্ত- এক কানাকড়িও আপাতত সাহায্য করেননি।করবেন কিনা তা এই অধমের জানা নেই।
---অথচ পাকিস্হানের বন্যার সময় তিনি কিন্তু সাহায্য করতে এক পায়ে রাজি হয়েছিলেন। হয়তো করেও ছিলেন।এরপরও কি বলব তিনি দেশপ্রেমিক?নাকিবিদেশপ্রেমিক???
আকবর উদ্দিন ওয়েশী বলেছিল " ১৫ মিনিটে ১০০ কোটি হিন্দু কে সাফ করে দেব "
আকবর উদ্দিন ওয়েশী বলেছিল
" ১৫ মিনিটে ১০০ কোটি হিন্দু কে সাফ করে দেব "
তারপরে ইনি মাস দুয়েক আগে কলকাতার বুকে
তার দলের প্রচার করে গেল জন সমক্ষে,
তখন কোনো কমিউনিস্ট কে দেখলাম না ওয়েশীর
জন্য কালো পতাকা নিয়ে সভার সামনে হাজির হয়েছে।
সিদিক্কুল্লা সিদ্দিক বলেছিল
" কোনো পুলিশ বা কোনো Nia যদি মাদ্রাসাতে ঢোকে তাহলে তাকে উড়িয়ে দেওয়া হবে"
তার পরে সিদিক্কুল্লা দুই বার শহিদ মিনারের তলায়
জনসভা করে গেছে,
তখনও কোনো কমিউনিস্ট কালো পতাকা দেখানর
সাহস পায়নি,
কারন তারা জানে তাদের কালো পতাকা দেখাতে
গেলে, তারা পরের দিন আর সূর্যের আলো দেখতে
পারবেনা, তাদের মিছিমিছি প্রান যাবে,
কিন্তু মোহন ভাগবত কে কালো পতাকা দেখালে,
তাদের কিছুই হবেনা, ওপরে আবার মুসলিম
প্রেমী হিসেবে পরিচিত হবে, আর কিছু মুসলিম
ভোটও পাবে।
তাই তারা শুধুমাত্র মোহন জি কেই কালো
পতাকা দেখানর সাহসটা করেই ফেলল...
Subscribe to:
Comments (Atom)