জাতিসংঘ প্রথমবারের মতো মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে শিশুদের যৌন নির্যাতনের সাথে জড়িত শান্তিরক্ষীদের জাতীয়তা প্রকাশ করেছে।
এই সন্দেহভাজনেরা এসেছে বাংলাদেশ, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, নিজার এবং সেনেগাল থেকে।
নিউ ইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘ কর্মকর্তা (সহকারী মহাসচিব, এ্যান্থনি ব্যানবেরি) কান্নাজড়িত কণ্ঠে যৌন নির্যাতনের নতুন অভিযোগগুলো ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, এই সমস্যা মোকাবেলায় সম্ভাব্য সবকিছুই করা হচ্ছে।
মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে জাতিসংঘ এবং ইউরোপিয় শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে অনেকটা হিমশিম খাচ্ছে জাতিসংঘ।
গতমাসে এসব যৌন নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে জাতিসংঘের প্রতিক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে বর্ণনা করে একটি স্বাধীন প্যানেল।
এই প্রতিবেদন শেয়ার করুন।
http://www.bbc.com/bengali/news/2016/01/160130_child_sexual_abuse_peacekeepers_bangladesh?SThisFB
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Saturday, 30 January 2016
কামদুনি গণধর্ষণ ও খুনের মামলায় তিনজনকে ফাঁসি ও তিনজনকে আমৃত্যু কারাবাসের সাজা শোনাল আদালত।
কামদুনি গণধর্ষণ ও খুনের মামলায় তিনজনকে ফাঁসি ও তিনজনকে আমৃত্যু কারাবাসের সাজা শোনাল আদালত। দোষী সাব্যস্ত ছ’জনের মধ্যে আমিন আলি, সইফুল আলি মোল্লা এবং আনসার আলি মোল্লাকে আদালত ফাঁসির সাজা দিয়েছে। ভোলা নস্কর, শেখ এমানুল ইসলাম ও আমিনুর ইসলামকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে।
কামদুনির ছাত্রী গণধর্ষণ ও হত্যায় দোষী ঘোষিত ৬ অপরাধীর কী সাজা হবে, আমৃত্যু কারাবাস না মৃত্যুদণ্ড, জানতে অধীর অপেক্ষায় ছিল কামদুনি-সহ গোটা রাজ্য। সাজা নিয়ে এক ঘণ্টার সওয়াল-জবাব শেষে রায় দেয় আদালত। এর আগে শুনানি চলাকালীন সর্বোচ্চ শাস্তির পক্ষে সওয়াল করে সরকারি আইনজীবী। দুপুর সাড়ে তিনটেয় সাজা ঘোষণা করেন বিচারক সঞ্চিতা সরকার।গতকাল সাজা ঘোষণা হয়নি। নগর দায়রা আদালতে বিচারক সঞ্চিতা সরকারের এজলাসে সাজার মেয়াদ নিয়ে গতকালের পর আজ সকাল ১১টা থেকে ফের শুনানি শুরু হয়। নগর দায়রা আদালতে বিচারক সঞ্চিতা সরকারের এজলাসে সাজার মেয়াদ নিয়ে সওয়াল করেন অভিযুক্তপক্ষের আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি। তবে নির্যাতিতার ভাইয়ের দাবি, ফাঁসি চাই দোষীদের।
গতকাল তিনটি পর্যায়ে শুনানি হয়। আড়াই বছর পর গণধর্ষণকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে ৬ অভিযুক্তকে। তথ্যপ্রমাণের অভাবে খালাস পেয়েছে ২ জন। এ নিয়ে আজ শুনানিতে এক ঘণ্টা বলার সুযোগ পাবেন তাদের আইনজীবীরা। আজই সাজা ঘোষণার সম্ভাবনা।
কেন দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হল, সেজন্য ক্ষুব্ধ নির্যাতিতার পরিবার। তারা ওদের ছাড়া পাওয়া রুখতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে পারেন।
শ্রী পরেশ রাওয়াল মোদিজীকে রামচন্দ্রের সাথে তুলনা করেছেন।
শ্রী পরেশ রাওয়াল মোদিজীকে রামচন্দ্রের সাথে তুলনা করেছেন। আমি একমত, তবে আমি মনে করি শ্রী নরেন্দ্র মোদি ঈশ্বরের আর এক অবতার। বিস্তারিত বর্ণিত হলো।
*শ্রী রাম চন্দ্র অবতার রূপে আর্বিভুত হয়ে সত্য, ধর্ম ও ন্যায়ের পথে জীব কুলকে রক্ষা করে গেছেন, শ্রী নরেন্দ্র মোদিজীও সত্য, ধর্ম ও ন্যায়ের পথে ভারত বর্ষ পরিচালনা করছেন। আজ দেশ যে কত উন্নত হচ্ছে তা জিডিপি ও বিদেশী পত্রিকার রিপর্ট দেখলেই বোঝা যায়।
*শ্রী রাম চন্দ্র অত্যান্ত ধার্মিক রূপে মনুষ্য জীবণ অতিবাহিত করে গেছেন। পিতার ধর্ম রক্ষার্থে তিনি বনবাসে গিয়েছিলেন। শ্রী নরেন্দ্র মোদিও অত্যান্ত ধার্মিক। তিনি ভগবানের আরাধনার জন্য সন্যাসি হয়েছিলেন। তার ভিতর হিন্দু ধর্মের মূল বাণী সত্য, অহিংসা, ক্ষমা,ত্যাগ স্বীকার, বিবেকের বাণী সবই উপস্থিত। যার জন্য তিনি সকলের হৃদয় জয় করতে পেরেছেন।
* শ্রী রামচন্দ্র অধার্মিককে নাশ করেছিলেন, অসুর মেরে জগৎ কে রক্ষা করেছিলেন। মোদিজিও মানুষের ভিতর আসুরিক মানুষিকতা বর্জনের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
* শ্রী রাম চন্দ্র প্রজাদের কল্যানে নিরলস কাজ করে গেছেন। সংসার ধর্ম পালন না করে, প্রজাদের মন রক্ষার্থে সীতা মা কে বনবাসে পাঠিয়েছিল। রাজা হয়েও প্রজাদের কল্যানের জন্য সকল সুখ বর্জিত করেছিলেন। শ্রী নরেন্দ্র মোদিজীও দেশের মানুষের কল্যানে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। দিনে চার ঘণ্টা ঘুমায়ে দেশের কল্যানে পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ছুটে বেরাচ্ছেন। সংসার ত্যাগ করে প্রজাদের কল্যাণে সর্বদা ব্রতী হয়েছেন।
* শ্রীরামচন্দ্র প্রজাদের অত্যাচার তো দূরে থাক, তারা খারাপ কথা বললেও কিছু বলেনি। সীতা মাকে যখন লঙ্কা থেকে অযোধ্যায় নিয়ে আসা হয়েছিল, তারপর অনেক কষ্টের সম্মখিন হয়েছেন রাজা রাম। কিন্তু প্রজাদের হিতের জন্য নিজ ধর্ম কে বর্জন করেন নি। শ্রী নরেন্দ্র মোদিজীকেও নানা আসুরিক ভাবাপন্ন ব্যক্তিরা গালাগালি করেছে, পুতুল বানায়ে পোড়ায়ে ফেলেছে, মোদি বিরোধী শ্লোগান দেছে, নানা কাঠগড়ার সম্মুখীন হয়েছেন তবুও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্তা নেন নি। উপরন্তু তাদের মন জয় করার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
* শ্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের উন্নয়নের জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। কৃষকের কথা ভেবে কৃষক দের ব্যংক, জলের জন্য নদীতে বাধ, জ্যাম রোধের জন্য হাজার হাজার মাইল ছয় লেনের রাস্তা, প্রতিরক্ষা খাতে অঘোর উন্নতি, জিডিপি উন্নয়নে নিরলস কাজ, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বুলেট ট্রেণ সহ সকল ট্রেণের উন্নয়ন আরো কত কি! দীর্ঘ ষাট বছরে যে উন্নয়ন দেখেনি ভারত, সেই উন্নয়ন আজ দু বছরেই দেখছে সকল ভারত।
* মোদির সহজ সরল জীবণ ধারণই বলে দেয় মোদির দেশ ভক্তি। কংগ্রেসের আমলে যা ব্যবহার হয়ছিল, মোদিও তাই ব্যবহার করে। নতুন কিছু কেনেনি সে। যে সব লোক মনমোহনের আমলে যারা প্রধানমন্ত্রির কার্যালয়ে কর্মরত ছিল তারা সবাই মোদির কার্যালয়েও কর্মরত আছে। যা পৃথিবীতে এই প্রথম এমন হলো। এক জন ব্রহ্মচারী রাজা শ্রী নরেন্দ্র মোদি জগতের হিতের জন্য শত্রুকেও প্রেমের বন্ধনে আবদ্ধ করতে পারে, তার প্রমাণ এথেকেই বোঝা যায়।
* মোদির গুণ কখনো শেষ হবে না। সাদা জামায় একটু কালিতেই খারাপ দেখায়। কিন্তু কালো কাপড়ে হাজার কালি লাগলেও কিছু মনে হয় না। মোদির ক্ষেত্রেও এমনি।
** শ্রী রাম চন্দ্রের মানবিক জীবণ ধারণ শ্রী নরেন্দ্র মোদির জীবণে পুরোপুরি দেখা যায়। কোন কোন ক্ষেত্রে মোদি আরো উপরে। যুগে যুগে ঈশ্বর নানা অবতার রূপে এসেছেন। মনুষ্য ধর্ম রক্ষার্থে আর আসুরিক ধর্ম নাশ করতে সে বদ্ধ পরিকর। দেশে আসুরিক প্রতিপন্ন লোকের সংখ্যা প্রচুর। এই সব লোকের ধর্ম পথে ফিরিয়ে আনাই হবে মোদিজীর এক মাত্র কাজ। যা ঈশ্বরের অবতার হওয়ারই প্রধান লক্ষণ।তাই আমার বিশ্বাস শ্রী নরেন্দ্র মোদিও ঈশ্বরের অবতার।
আমি শ্রী পরেশ রাওয়ালের সাথে পুরোপুরি একমত। এমনকি মনে করি শ্রী নরেন্দ্র মোদিজী ঈশ্বরের আর এক অবতার।
শ্রী পরেশ রাওয়াল মোদিজীকে রামচন্দ্রের সাথে তুলনা করেছেন।
শ্রী পরেশ রাওয়াল মোদিজীকে রামচন্দ্রের সাথে তুলনা করেছেন। আমি একমত, তবে আমি মনে করি শ্রী নরেন্দ্র মোদি ঈশ্বরের আর এক অবতার। বিস্তারিত বর্ণিত হলো।
*শ্রী রাম চন্দ্র অবতার রূপে আর্বিভুত হয়ে সত্য, ধর্ম ও ন্যায়ের পথে জীব কুলকে রক্ষা করে গেছেন, শ্রী নরেন্দ্র মোদিজীও সত্য, ধর্ম ও ন্যায়ের পথে ভারত বর্ষ পরিচালনা করছেন। আজ দেশ যে কত উন্নত হচ্ছে তা জিডিপি ও বিদেশী পত্রিকার রিপর্ট দেখলেই বোঝা যায়।
*শ্রী রাম চন্দ্র অত্যান্ত ধার্মিক রূপে মনুষ্য জীবণ অতিবাহিত করে গেছেন। পিতার ধর্ম রক্ষার্থে তিনি বনবাসে গিয়েছিলেন। শ্রী নরেন্দ্র মোদিও অত্যান্ত ধার্মিক। তিনি ভগবানের আরাধনার জন্য সন্যাসি হয়েছিলেন। তার ভিতর হিন্দু ধর্মের মূল বাণী সত্য, অহিংসা, ক্ষমা,ত্যাগ স্বীকার, বিবেকের বাণী সবই উপস্থিত। যার জন্য তিনি সকলের হৃদয় জয় করতে পেরেছেন।
* শ্রী রামচন্দ্র অধার্মিককে নাশ করেছিলেন, অসুর মেরে জগৎ কে রক্ষা করেছিলেন। মোদিজিও মানুষের ভিতর আসুরিক মানুষিকতা বর্জনের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
* শ্রী রাম চন্দ্র প্রজাদের কল্যানে নিরলস কাজ করে গেছেন। সংসার ধর্ম পালন না করে, প্রজাদের মন রক্ষার্থে সীতা মা কে বনবাসে পাঠিয়েছিল। রাজা হয়েও প্রজাদের কল্যানের জন্য সকল সুখ বর্জিত করেছিলেন। শ্রী নরেন্দ্র মোদিজীও দেশের মানুষের কল্যানে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। দিনে চার ঘণ্টা ঘুমায়ে দেশের কল্যানে পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ছুটে বেরাচ্ছেন। সংসার ত্যাগ করে প্রজাদের কল্যাণে সর্বদা ব্রতী হয়েছেন।
* শ্রীরামচন্দ্র প্রজাদের অত্যাচার তো দূরে থাক, তারা খারাপ কথা বললেও কিছু বলেনি। সীতা মাকে যখন লঙ্কা থেকে অযোধ্যায় নিয়ে আসা হয়েছিল, তারপর অনেক কষ্টের সম্মখিন হয়েছেন রাজা রাম। কিন্তু প্রজাদের হিতের জন্য নিজ ধর্ম কে বর্জন করেন নি। শ্রী নরেন্দ্র মোদিজীকেও নানা আসুরিক ভাবাপন্ন ব্যক্তিরা গালাগালি করেছে, পুতুল বানায়ে পোড়ায়ে ফেলেছে, মোদি বিরোধী শ্লোগান দেছে, নানা কাঠগড়ার সম্মুখীন হয়েছেন তবুও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্তা নেন নি। উপরন্তু তাদের মন জয় করার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
* শ্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের উন্নয়নের জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। কৃষকের কথা ভেবে কৃষক দের ব্যংক, জলের জন্য নদীতে বাধ, জ্যাম রোধের জন্য হাজার হাজার মাইল ছয় লেনের রাস্তা, প্রতিরক্ষা খাতে অঘোর উন্নতি, জিডিপি উন্নয়নে নিরলস কাজ, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বুলেট ট্রেণ সহ সকল ট্রেণের উন্নয়ন আরো কত কি! দীর্ঘ ষাট বছরে যে উন্নয়ন দেখেনি ভারত, সেই উন্নয়ন আজ দু বছরেই দেখছে সকল ভারত।
* মোদির সহজ সরল জীবণ ধারণই বলে দেয় মোদির দেশ ভক্তি। কংগ্রেসের আমলে যা ব্যবহার হয়ছিল, মোদিও তাই ব্যবহার করে। নতুন কিছু কেনেনি সে। যে সব লোক মনমোহনের আমলে যারা প্রধানমন্ত্রির কার্যালয়ে কর্মরত ছিল তারা সবাই মোদির কার্যালয়েও কর্মরত আছে। যা পৃথিবীতে এই প্রথম এমন হলো। এক জন ব্রহ্মচারী রাজা শ্রী নরেন্দ্র মোদি জগতের হিতের জন্য শত্রুকেও প্রেমের বন্ধনে আবদ্ধ করতে পারে, তার প্রমাণ এথেকেই বোঝা যায়।
* মোদির গুণ কখনো শেষ হবে না। সাদা জামায় একটু কালিতেই খারাপ দেখায়। কিন্তু কালো কাপড়ে হাজার কালি লাগলেও কিছু মনে হয় না। মোদির ক্ষেত্রেও এমনি।
** শ্রী রাম চন্দ্রের মানবিক জীবণ ধারণ শ্রী নরেন্দ্র মোদির জীবণে পুরোপুরি দেখা যায়। কোন কোন ক্ষেত্রে মোদি আরো উপরে। যুগে যুগে ঈশ্বর নানা অবতার রূপে এসেছেন। মনুষ্য ধর্ম রক্ষার্থে আর আসুরিক ধর্ম নাশ করতে সে বদ্ধ পরিকর। দেশে আসুরিক প্রতিপন্ন লোকের সংখ্যা প্রচুর। এই সব লোকের ধর্ম পথে ফিরিয়ে আনাই হবে মোদিজীর এক মাত্র কাজ। যা ঈশ্বরের অবতার হওয়ারই প্রধান লক্ষণ।তাই আমার বিশ্বাস শ্রী নরেন্দ্র মোদিও ঈশ্বরের অবতার।
আমি শ্রী পরেশ রাওয়ালের সাথে পুরোপুরি একমত। এমনকি মনে করি শ্রী নরেন্দ্র মোদিজী ঈশ্বরের আর এক অবতার।
Without Hindu Marriage Law, Pak Hindus are forced to be converted into Islam. | Struggle for Hindu Existence
Without Hindu Marriage Law, Pak Hindus are forced to be converted into Islam. | Struggle for Hindu Existence
http://hinduexistence.org/2016/01/29/without-hindu-marriage-law-pak-hindus-are-forced-to-be-converted-into-islam/
আশাকরি আমরা সবাই Lenin নামটা শুনেছি
আশাকরি আমরা সবাই Lenin নামটা শুনেছি,
কিন্তু নামটার ভিতরে কোনোদিনও যাইনি
আজ যাব, Lenin নাম এর ব্যাক্ষা আজ দেবই।
Le (হিন্দি) = নাও
Nin (বাংলা) নাও
তারমানে লেনিন কি সবাই কে দিয়ে বেড়াতো...?
কিন্তু ভামেরা তো শুধুই চেয়ে বেড়ায়,
যেমন ভাত দে, নুন দে, হ্যান দে ত্যান দে,
তাহলে লেনিন এর সাথে ভামেদের মত এর পার্থক্য
হয়ে যাচ্ছে,
এবার মনে হচ্ছে এই দিয়ে বেড়ানো লোকটা
কোনদিনও ভামেদের কিছুই ছিলনা
থাকলে মতের মিল হত অমিল না....
ভেবে দেখুন by Raj Sing
বাঙ্গালী হিন্দুদের সহিষ্ণূতা
"বাঙ্গালী হিন্দুদের সহিষ্ণূতা"
ওয়াইসি নামে এক ভদ্রলোক যদি পাবলিক মটিং এ
বলতে পারে 'তাজমহল আমাদের, আমরা তাজমহল নিয়ে
চলে যাবো (কোথায়? সে প্রশ্ন তাকে করবেন) , তাহলে
সে কথা সাম্প্রদায়িকতা হয় না। জাকির নায়েক যা
কুৎসা বলে বেড়ায় হিন্দুদের সমপর্কে তা সাম্প্রদায়িক
হয় না। মসজিদ গুলোতে নামাজ অন্তে 'পুতুল পুজার'
বিরুদ্ধে যা বলা হয় তা সাম্প্রদায়িকতা হয় না।
হিন্দুদের পুজা মন্ডপ ভেংগে পুড়িয়ে দিলেও তা
সাম্প্রদায়িকতারমধ্যে পড়ে না। আদিবাসী হিন্দুদের
ভুলিয়ে ভালিয়ে, যীশুর মুর্তিকে শ্রী কৃষ্ণের মতো
সাজিয়ে আদিবাসীদের বিশ্বাস করানো হয় যে শ্রী
কৃষ্ণ এবং যীশূ একই-তাতে সাম্প্রদায়িকতারকোনো গন্ধ
বাম পন্থী রা খুজে পান না, কিছু ধর্মান্ধ হিন্দু গরুর
মাংস সন্দেহে একজন মুসলমানকে মারলে সারা
ভারতের সেকুলার রা, ফিল্মী দুনিয়ার তাবত নায়ক এবং
তাদের সহধর্মিনীরা তাদের জন্ম ভুমিকে বাসের
অনুপযুক্ত মনে করেন এবং বাম পন্থী "আতেল"গুলো (পড়ুন
ইন্টেলেকচুয়াল) তাদের তৃতীয় শ্রেনীর সাংষ্কৃতিক
সৃষ্টির জন্য পাওয়া পুরষ্কার ফিরিয়ে দেন--কারন একটা
হিড়িক তুলে হিন্দুরা কতো ছোটজাতের প্রানী সেটা
প্রমান করা। কিন্তু শুধু মাত্র হিন্দু এই দোষে একটা
কিশোর হিন্দুকে পোড়ালে কোনো প্রতিবাদ করেন না
ওই "আতেল গুলো"।
হায়দ্রবাদ বিশ্ববিদ্যালয়েরএক পড়ুয়া, যিনি কিনা
'ইয়াকুব মেননের' ফাসির সাজার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
ম্মিছিল করেন এবং আরো বহু পড়ুয়াকে হিন্দু বিদ্বেষী
করে তোলেন, তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত
করার পর তার বৃত্তি বন্ধ হলে এবং তার জন্য আত্মহত্যার
পথ বেছে নিলে ভারতের তাবত নেতা নেত্রীরা
সরকারি কাজ ফেলে হায়দ্রবাদ ছোটেন, আর হিন্দু
নেতাদের গালা গাল করেন। অযোধ্যাতে 'করসেবা'
করে বাড়ী ফেরার পথে গোধরাতে ট্রেনের কামরা
বাইরে থেকে বন্ধ করে ৫৭ জন হিন্দুকে পুড়িয়ে মারলে
কারো কোনো দোষ হয় না ।
সারা জীবন একজন তথাকথিত শিল্পী সমস্ত হিন্দুদের
দেব দেবীদের নগ্ন অশালীন ছবি একে তার অরুচিকর
বিকৃত মানসিকতার পরিচয় দিলেন আর রাশি রাশি অর্থ
উপার্জন করলেন, সেটা কিন্তু সাম্প্রদায়িকতা হলো
না। কিন্তু তার প্রতিবাদ করায় হিন্দুরা সাম্প্রদায়িক
এবং "অসিহিষ্ণু" বলে পরিচিত হলো । বাংলাদেশের
একজন মহিলা লেখক তার নিজের ধর্মের কুসংষ্কার এর
বিরুদ্ধে লেখনী ধরায় তাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়া
স্বত্ত্বেও একজন ধর্মান্ধ সমাজ বিরোধীকে দিয়ে
তাকে হেনস্তা করিয়ে ভারত ছাড়া করা হলো।
পরবর্তীতে সেই সমাজ বিরোধী টাকেই এম পি করে
লোক সভায় পাঠানো হলো ?
বর্তমান ভারতে 'সহিষ্ণুতা আর অসহিষ্ণুতার কেচ্ছা আর
কতো লিখবো ? সময় তো অতি অবশ্যই নষ্ট হয় আর আঙ্গুলে
অবশ্যই ব্যাথা হয়। ভারতের হিন্দুদের এই অবস্থা হয়ে
গেছে "সাত কাহন শীবের গীত গাওয়ার মতো"। লিখতে
বা বলতে ইচ্ছা করেনা আবার সেই গীত ্না গেয়ে মনকে
প্রবোধ দেওয়াও যায় না । জানি কোণো লাভ নেই। ;সেই
রাজা লক্ষ্মন সেনের সময় থেকেই চলে আসছে প্রথা।
কোনো প্রতিবাদ ছাড়াই নিজের মাতৃ ভুমিকে দাও অপর
বিধর্মীর কাছে। নিজের মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দিল্লীর
বাদশার সংগে খাতির বানাও। সংখ্যা লঘুদের ভোট
টানার জন্য তাদের বাড়ীতে, ঘর্মীয় স্থানে হাজির হয়ে
তাদের স্তব স্তুতি করতে দড় হিন্দু দের কিছু বলা মানেই
"ওলু বনে মুক্তা ছড়ানো" আর বাম পন্থী "আতেল গুলোর'
খিস্ত খেউড় শোনা আর 'সাম্প্রদায়িক' তকমা গায়ে
মেখে ঘুরে বেড়ানো। এর বেশী লাভ কিছু নেই।
বাঙ্গালীর বোধ কোনো দিনই হবে না। বৌদ্ধ আমলে দল
বেধে বৌদ্ধ হয়েছিলো, ইসলামী শাসনে আবার ধর্ম
পাল্টালো, কিছু দিন হিন্দু থাকার পর এবারে আবার
ইসলাম গ্রহন করা, এই তো ভবিতব্য। তা এতে আর অসুবিধা
কোথায়???? এই শীতে পিকনিক বন্ধ করে ওইসব ধর্মাধর্ম,
দেশ টেশ বা সংষ্কৃতি নামক বস্ত পচা কিছু
সাম্প্রদায়িক কথা শোনার কি দরকার। দরকার হলে ধর্ম
নামক সমাজের আফিং টাকে বাদ দিলেই তো দিব্যি
চলে যাবে, আপনারা কি বলেন ???
( লিখেছেন: ডাঃ মৃণাল কান্তি দেবনাথ)
Subscribe to:
Posts (Atom)


