ভারত ভাগের সময় হিন্দু-মুসলমানের দাঙ্গা যখন চরম পর্যায় পৌঁছায়,তখন হিন্দুদের প্রতি মহাত্মা গান্ধীর উপদেশ নিম্নরূপ:-
“আবেগের বশে ভেসে যাবার আগে নিশ্চয় আমরা ঠাণ্ডা মাথায় বিষয়টা নিয়ে চিন্তা করব।মুসলমানরা যদি হিন্দুদের অস্তিত্ব বিলুপ্ত করেও দিতে চায়–যদি তারা এ বিষয়ে সঙ্কল্পও করে,তবু হিন্দুরা মুসলমানেদের উপর কখনও ক্রুদ্ধ হবে না।যদি তারা আমাদের সকলকেই হত্যা করে তবে আমরা বীরের মতই সে মৃত্যু মাথা পেতে নেবো।তারা গোটা পৃথিবীও জয় করে নিতে পারে–তবু আমরা এই পৃথিবীতে বাস করব।অন্ততপক্ষে আমরা মরতে ভয় করব না।আমরা যখন জন্মেছি,মৃত্যুতো অবধারিত।তবে মৃত্যু নিয়ে এত বিমর্ষ কেন?
আমরা যদি মুখে হাসি নিয়ে মরতে পারি তবে আমরা এক নতুন জীবনে প্রবেশ করব।এক নতুন হিন্দুস্তান গড়ব।(৬ই এপ্রিল,১৯৪৭)
... কেউ যদি আমাদের মারে,তবে আমাদের মরতেই দাও না।তবে আমরা বীরের মত মরব,আমাদের মুখে থাকবে ঈশ্বরের নাম।আমাদের প্রিয়জনদেরও যদি মেরে ফেলা হয়
– তবু আমরা কেন কারো উপর ক্রুদ্ধ হবো?এ কথাটা বুঝতে হবে যে কাউকে যদি মেরে ফেলা হয়,তবে তাদের একটা যোগ্য এবং মঙ্গলময় পরিসমাপ্তি হলো।”(২৩শে সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সাল,সঙ্কলন:‘শুনুন ধর্মাবতার’,গোপাল গডসে,নাথুরাম গডসে)
“... গান্ধীজী তাঁর প্রার্থনা সভায় প্রায় বলতেন,পাকিস্তানে হিন্দুদের যদি মারতে মারতে নিঃশেষই করে দেওয়া হয় তবু
ভারতের হিন্দু ও শিখরা এখানকার মুসলমানদের শ্রদ্ধা ও উদারতার সঙ্গে গ্রহণ করবে।আর সুরাবর্দ্দিসাহেব যদি গুণ্ডাদের
সর্দ্দারও হয়ে থাকেন,তবু দিল্লীর পথে তাকে স্বচ্ছন্দে ও নির্ভয়ে ঘুরতে দিতে হবে।”
---( সুভাষ দর্পণে বিশ্বরূপ, দেবেশ চন্দ্র রায়,বন্দে ভারতম্ প্রকাশনী,পৃষ্ঠা–১৩১-১৩২)
আর বেশি মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন!হিন্দু জাতিকে নপুংসক করার জন্য এই পাপত্মাই কি যথেষ্ট ছিল না?অথচ সেই পাপত্মা আজ জাতির পিতা!এর থেকে দুর্ভাগ্য জাতির জন্য আর কি হতে পারে?নাথুরামজী একে বধ করে ভুল কিছু করেনি।
# জয়শ্রীরাম
No comments:
Post a Comment