Monday, 22 June 2015

অথঃ শ্রী সেকুলারিজম কথাঃ

প্রকৃত সেকুলাজিম বা ধর্মনিরপেক্ষতারচর্চা কখনোই খারাপ হতে পারে না। বরং তা মানুষকে দেবত্বে উপনিত করতে সহায়ক। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, এই যে আমাদের ভারতবর্ষে তার সঠিক চর্চা বা প্রয়োগ কোনটাই হয় না। উপরন্তু তার দূরপ্রয়োগের ফলে ভারতীয় সভ্যতার অস্তিত্বই আজ সঙ্কটের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। সবচেয়ে সর্বনাশের মুখোমুখি এসে পড়েছে বাঙ্গালী হিন্দুর ভবিষ্যৎ। আমাদের দেশে নিজেদের সেকুলার বা ধর্মনিরপেক্ষ রূপে দাবী করা মুখ্যত চার ধরণের মানুষ দেখতে পাওয়া যায়ঃ একধরনের সেকুলার আছেন, যাদের কাছে ধর্ম হল মানবধর্ম। তারা মানবাত্মার পূজারী। বলিষ্ঠ তাদের কণ্ঠ। যে কোন ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধেই তারা রুখে দাঁড়ান.... সোচ্চার হন, জনমত গঠনে সচেষ্ট হন। পৃথিবীর যে কোন ধর্ম, সে নিজেরই হোক বা অপরের .... খারাপ দিকটি তুলে ধরতে এরা সদা তৎপর...।। সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন বিষয়টি হল এদের প্রতিটি ধর্মের বিষয়েই খুঁটিনাটি ধারনা এবং মুক্তচিন্তার আলোকে সেগুলিকে বিশ্লেষণ করার যোগ্যতা, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এরা যেমন একদিকে মহাম্মদের বর্বরতার ইতিহাস তুলে ধরে সমালোচনা করেন, ঠিক তেমনি খ্রিস্টান, বৌদ্ধ বা হিন্দু ধর্মের নানা অপ্রয়োজনীয়, অপ্রাসঙ্গিক বা অবাস্তব কুসংস্কার গুলিও তুলে ধরে, তাদের মুন্ডপাত করতে ছাড়েন না। এমনকি প্রতিবাদ করায় নিজেদের প্রানসংশয় হলেও এঁরা পিছুপা হন না। এরাই হলেন প্রকৃত সেকুলার..., ধর্মনিরপেক্ষতারআদর্শের কথা একমাত্র এদের মুখেই মানায়।– এরাই রাষ্ট্রের সম্পদ। এরাই হলেন সেই প্রথম শ্রেণীর সেকুলার, যাদের এই সেকুলার ভারতবর্ষে তেমন কোন রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা নেই। এবার আসুন দেখা যাক এমন কয়জনকে খুঁজে পাওয়া যায়...? হ্যাঁ আমাদের দেশে, বিশেষ করে এই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে দাঁড়িয়ে এমন কয়েকটা মানুষ দেখান দেখি, যারা এই অসাধ্য সাধন করতে সক্ষম? – কি পারলেন? আমি কিন্তু এই বাংলার এমন কয়েকজন মানুষকে চিনি বা জানি যাদের প্রকৃতঅর্থেই সেকুলার বলতে আমার অন্তত কোন দ্বিধা বা দন্ধ বোধ হয় না। যেমন – গিয়াসুদ্দিন, সরিতা আহমেদ বা কাজী মাসুম আখতারের মত মানুষ। এদের সবার মধ্যেই মিল, এই যে এরা প্রায় প্রত্যেকেই পেশায় শিক্ষক এবং এক কথায় অসম সাহসী। সত্যপ্রকাশে কোন জড়তাই তাদের মধ্যে খুঁজে পাওয়া ভার। তেমনই বাংলা দেশে আসিফ মহিউদ্দিন, তসলিমা নাসরিন বা হুমায়ূন আজাদ, মুনতাসির মামুনরাও রয়েছেন। পাকিস্থানের দিকে তাকালেও সলমান তাসির সাবিন মেহমুদের মতন গুটিকয় ব্যক্তিত্বের হদিসও খুঁজে পেতেও কষ্ট হয় না। এখন একটা প্রশ্ন ওঠা অবশ্যই সঙ্গত, যে সেকুলার হিসেবে যাদের নাম আমি করলাম, তারা প্রত্যেকেই কিন্তু ইসলামিক বংশোদ্ভূত।.... তাহলে কি হিন্দুরা সেকুলার হতে পারেন না? আমার পরিষ্কার উত্তরটি হল,- হয়তো হন বা আছেন। নিশ্চয়ই থেকে থাকবেন। কিন্তু আমার জানা নেই। কারন প্রায় বেশিরভাগ হিন্দুই নিজের ধর্ম সম্পর্কেও কিছু জানেন না আবার মুসলিম বা অন্যধর্ম সম্পর্কেও এদের জ্ঞান অত্যন্ত সীমিত। তদসত্ত্বেও কেবল মাত্র নিজের ধর্মকে গালাগাল দিয়ে তারা নিজেদের সেকুলার প্রমান করতে ব্যাস্ত থাকেন। এঁরা এমনই যে, নিজের মাকে ভালবাসতে পারেন না..., কিন্তু ওপরের মায়ের দুঃখে রাতে ঘুম আসে না। - এঁরা হলেন দ্বিতীয় শ্রেণীর সেকুলার। অর্থাৎ না জেনে.... শুধু শুনে শুনেই সেকুলার! এই সমাজে বর্তমানে এদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। মূলত অজ্ঞানতা থেকেই এদের এমন বিকৃতি হয়। যেহেতু মানবধর্ম প্রত্যেকের হৃদয়কেই আকৃষ্ট করে, তাই এরা সেই পথেই অগ্রসর হন। কিন্তু এরাই সবচেয়ে বড় অন্ধ এবং বদ্ধ। মুক্ত চিন্তার কথা বললেও এদের মধ্যে তার কোন প্রভাব সচরাচর পড়ে না। সেই কারনে এঁরা একবার যে মতাদর্শে বিশ্বাস করেন, তা থেকে সচরাচর আর কোন দিনই বেরিয়ে আসতে পারেন না। আর এদের জানার কোন তেমন চেষ্টাও নেই। সে কারনে, একবারও ভেবে দেখেন না, একটু কোরান, গীতা বা বাইবেলটা পড়ে দেখে তুলনামূলক বিচার করা যায় কিনা? একবারও ভাববার প্রয়োজন মনে করেন না, ছোট বেলায় ইতিহাসের বইয়ে যা পড়েছি, তার কতটা সত্য। কেন আমরা বিদেশী ঐতিহাসিকদের বই পড়ে একবার সত্যটা যাচাই করব না? কেন পড়ব না আল বেরুনির তহকিক-ই-হিন্দ, হাসান নিজামীর তাজ-উল-মসির, বাবরের তুজুখ-ই-বাবরী বা মিনহাজ-উস-সিরাজের তবকৎ-ই-নাসিরি? একবারও এদের মনে হয় না, যে গাজার জন্য যদি মিছিল করতেই হয়,... বাবরী মসজিদ কিংবা ইরাকের মুসলমানের জন্য যদি মিছিল করতেই হয়, তবে এই জুরানপুর, উস্থি, সমুদ্রগড় বা বাংলাদেশ, পাকিস্থানের নির্যাতিত হিন্দু সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রেও একই বিধান প্রযোজ্য হওয়া উচিৎ। এছাড়াও আফগানিস্থানের বামিয়ান বা বর্তমানে ইরাক বা সিরিয়ায় মানুষের উপর নেমে আসা এই অমানবিক নৃশংসতা দেখেও তাদের মুখে কোন রা টি দেখতে পাওয়া যাবে না। এরা সন্ত্রাসবাদীদেরকোন ধর্ম দেখতে পান না। কিন্তু একবারও কি এটা মনে করার প্রয়োজন বোধ করেন না, যে কেন মূলত মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষেরাই এই বিশ্বের প্রায় সর্বত্র জঙ্গি হামলায় জড়িয়ে পড়ছেন? এর কারন হিসেবে তারা মুসলমান সমাজের অশিক্ষা ও দারিদ্রতাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান। কিন্তু একবারের জন্যেও তারা মাদ্রাসা বা মক্তবের শিক্ষাব্যবস্থা বাতিল করে আধুনিক উন্নত শিক্ষার পক্ষে টুঁ শব্দটিও করেন না। - এমনটি আর কত বলব? এই দ্বিতীয় শ্রেণীর তথাকথিত সেকুলারদের ক্ষেত্রে আরেকটা সমস্যা হল, তারা সত্যকে ভালোবাসেন,

2 comments:

  1. কিন্তু তাকে স্বীকার করার সৎসাহস নেই। তবে এটাও ঠিক যে, রামকৃষ্ণ মিশনে পড়াশুনা করা বা হিন্দুপরিবারে বেড়ে ওঠা এই মানুষগুলির অধিকাংশেরই অন্তরে হিন্দুত্বের একটি ফল্গুধারা নিরন্তর প্রবাহিত হতে থাকে। তাই এমনধারা মানুষগুলিকে যদি কোনক্রমে কষ্ট করে একবার তাদের চোখের সামনের ভন্ড সেকুলারিজমের পর্দাটি ফাঁস করা যায়, তারা কিন্তু সত্যের পথে ফিরে আসতে পারেন। এমনও দেখা গেছে, যে সারা জীবন নাস্তিক থেকে কম্যুনিজমের চর্চা করা পক্ককেশ কম্যুনিস্টদের আজ অনেকেই বেলুড় মঠের দীক্ষিত। কিন্তু এদের যদি কেউ গালাগাল দিয়ে বা কর্কশ স্বরে সত্যিটা ধরিয়ে দেবার চেস্টা করেন, তাতে হিতে বিপরীত হয়। তখন জেদেই হোক বা অন্যকোন কারনেই হোক কিছুতেই নিজেদের চেনা অবস্থান থেকে পিছিয়ে আসেন না। বরং অহেতুক উলটোপাল্টা তর্কে নিজেদের জড়িয়ে ফেলে.. আলোচনার বিষয়বস্তু থেকে অনেক দূরে সরে যান।
    আরেক ধরণের মানুষ আছেন, যারা নিজেরা একবার যেটা বিশ্বাস করেছেন, তার বাইরে আর কিছুই বিশ্বাস করবেন না। এঁরা মতান্ধ। অর্থাৎ যুক্তিতর্কের ধার ধারি না, আমি যা বলছি, যা পড়েছি, যা জেনেছি... তাই ঠিক আর জগৎ মিথ্যা। এমন কি কখনো কখনো নিজের চোখে দেখা বাস্তবকেও এঁরা মাঝে মাঝে মেনে নিতে অস্বীকারই শুধু করেন না, উপরন্তু নিজেদের বক্তব্য প্রতিষ্ঠার জন্য, এমন হেন যুক্তির জটা জাল বিস্তার করেন, যে তখন তাদের উন্মাদ ছাড়া আর অন্য কিছু বলে বিশ্বাস করতেই কষ্ট হয়। - এঁরা এক ধরণের মনোরোগী, যারা তৃতীয় শ্রেণীর সেকুলার রূপে পরিগণিত হন। এদের চিন্তা ভাবনা অপরিবর্তনীয়।
    আর শেষ এক ধরণের তথাকথিত সেকুলার, যাদের চতুর্থ শ্রেণীর সেকুলার রূপে চিহ্নিত করা যায়, তারা হলেন আমাদের দেশের তথা এই মানব সভ্যতার পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। এঁরা জ্ঞানপাপী। মুখে সাম্যের কথা বললেও এরাই সব চেয়ে বেশি অসাম্য সৃষ্টি করেন। নারী-পুরুষ, জাত-পাত, ধর্মে-বর্ণে বিবাদ বাঁধাতে এদের জুড়ি মেলা ভার। সকলের মাঝে একটি চিরস্থায়ী বিবাদ বাঁধিয়ে দেশে সর্বদা একটা অস্থির অবস্থা বজায় রেখে এরা এদের সমীহ আদায় করতে ভালোবাসেন। নিজেদের ক্ষমতাও জাহির করতে ভীষণ ভালোবাসেন। এরা একদিকে নারী স্বাধীনতার কথা বলে, অন্যদিকে মুসলিম পার্সোন্যাল ল’য়ের পক্ষে সওয়াল করে মুসলমান মেয়েদের জীবন দুর্বিষহ করে তোলেন। একদিকে হিন্দুদের দেব দেবীর নগ্ন মূর্তিকে বলেন শিল্পকর্ম, অন্যদিকে নবী মহাম্মদের দুষ্কর্মের কথা মুখে আনলেই, তাকে সাম্প্রদায়িক আখ্যা দেন। একদিকে মুক্ত চিন্তার কথা বলেন, আবার অন্য দিকে তসলিমাকে দেশ থেকে তাড়ান, রুশদিকে ঢুকতে দেন না। মাসুম আখতারের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া নিয়ে একটা শব্দও খরচ করেন না। ঠিক তেমনি এরাই আবার দশ মুখে গুজরাটের খবর প্রচার করলেও, উস্থি, নদীয়া বা সমুদ্রগড়ের বেলায় চুপ করে ঘাপটি মেরে বসে থাকেন। মুখে গনতন্ত্রের খৈ ফোটালেও পেশী শক্তির ব্যবহারে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে ক্ষমতা ধরে রাখতে এরা সদা তৎপর। আর সব চেয়ে যেটা দুঃখের বিষয়, যে এরাই হলেন আজকে আমাদের সমাজের সবচেয়ে উঁচুতলার ক্ষমতাবান মানুষ। এরা বুদ্ধিজীবী, নায়ক, গায়ক, শিল্পী, ফিল্ম ডাইরেক্টার, রাজনীতিবিদ, লেখক, বুদ্ধিজীবী, বিশেষতঃ হিন্দু ধরমগুরুর দল – কেউই এদের ঊর্ধে নন। এরা হজেও যান, গির্জাতেও প্রার্থনা করেন, আবার চাঁদা তুলে দুর্গাপুজা কালী পুজাও করেন। নিজেদের অপকর্ম ঢাকার জন্য এরাই দেশের ইতিহাস বিকৃত করে, দেশের মানুষ কে সত্য ইতিহাস জানতে বাধা দেন,.. নিরুৎসাহিত করেন। এদের সংখ্যা খুবই অল্প। কিন্তু তা হলে কি হবে? এরা প্রবল পরাক্রমশালী, ক্ষমতাসম্পন্ন ও বিত্তবান। নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এরা আর কিছুই বোঝেন না। উপরন্তু তারা শিক্ষিত হওয়ায় যুক্তির মারপ্যাঁচেও মারাত্মক ওস্তাদ। এরাই আমাদের দেশকে মূলত বরবাদ করছেন। দেশ বিরোধী সমস্থ শক্তির সঙ্গে এদের যোগাযোগ। অবৈধ পেট্রোডলারে এদের পকেট উপচে পড়ে। এরা প্রায় প্রত্যেকেই প্যান ইসলামাইজেসনের গভীর ষড়যন্ত্রের একেকজন কুশীলব মাত্র। ভারতবর্ষ জাহান্নামে যাক, নিজেদের ভবিষ্যৎ ফর্সা করতেই এরা অধিক যত্নবান।
    সুতরাং আমাদের দেশে যে সেকুলারিজম ‘সোনার পাথরবাটী’ ছাড়া আর কিছুই নয়, তাতে কি আর কারো কোন সন্দেহ আছে? আজ এই ভন্ড সেকুলারিজমের ছদ্ম আশ্রয়ে মুসলিম মৌলবাদের রমরমা তাই আর দ্যাখে কে? তাকে প্রতিহত করতে খুব স্বাভাবিক ভাবেই হিন্দু মৌলবাদের জন্ম হবে।– কারন, বাঁচার অধিকার প্রত্যেকেরই আছে।
    কোন সুস্থ মানুষের পক্ষে যেমন কেমো ক্ষতিকারক। কিন্তু সেই কেমোই আবার একজন ক্যন্সার আক্রান্ত মানুষের পক্ষে জীবনদায়ক। ঠিক তেমনই, জানি – যে কোন মৌলবাদই খারাপ।

    ReplyDelete
  2. কিন্তু দেশের সরকার যখন প্রত্যক্ষ ভাবে ইসলামিক মৌলবাদকে সমর্থন করেন, সেখানে হিন্দুদের বেঁচে থাকার তাগিদেই আজ হয়তো হিন্দু কট্টরবাদকে সমর্থন করা বিশেষ জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে, - যদিও তা মুক্ত চিন্তার ক্ষেত্রে অবশ্যই খুব একটা সুখপ্রদ বিষয় নয়।
    ... আর হিন্দুদের সেকুলারিজমের শিক্ষা দেওয়া?
    ... অনেকটা ঠিক কুকুরকে সাঁতার শেখানোর মত! যে কুকুর জীবনে কোনদিনও জলে নামেনি, তাকে যদি মরার আগের মুহূর্তেও জলে নামিয়ে দেন, দেখবেন সে ঠিক সাঁতার কেটে জল পেরিয়ে গেছে। ... এ তার সহজাত ক্ষমতা। কিন্তু মানুষকে সাঁতার শিখতে হয়। ঠিক তেমনি, একজন হিন্দু পরিবারে বেড়ে ওঠা যে কোন সন্তানের মধ্যেই ধর্মনিরপেক্ষতা,পরধর্মসহিষ্ণুতাকিংবা বিশ্বজনীন বোধের বিষয়গুলি নেহাতই জন্মগত,... যা তাকে শিক্ষা দেবার কোন প্রয়োজনই পড়ে না।বরঞ্চ যে কারনে মুসলমান বা খ্রিস্টান, যাদের সেকুলারিজমের শিক্ষা দেওয়াটা বিশেষ জরুরী, তাদের ছেড়ে কেবলমাত্র অকারনে এবং অবান্তরভাবে, সমাজের সর্বস্তরে আজ হিন্দুদের সেকুলারিজমের তত্ত্ব গলধঃকরনের প্রক্রিয়া যে কেবলমাত্র অপ্রয়োজনীয়, তাই নয়... সন্দেহজনকও বটে!
    ....... নিহারন......

    ReplyDelete