কিছু কুচক্রী মহল
প্রায়ই প্রশ্ন করে
কৃষ্ণ কেন স্নানরত
নারীদের বস্ত্র চুরি
করলো ?
এর উত্তরের শুরুতেই
সবাইকে জানাতে চাই
বস্ত্রহরণের ঘটনাটি
যখন ঘটেছিলো তখন
শ্রীকৃষ্ণের বয়স ছিল
মাত্র বারো বছর।তখন
গোপীনিরা বস্ত্র
হীনভাবে স্নান
করতো।যা ছিল
সম্পূর্ণরূপে
শাস্ত্রবিরুদ্ধ।সনাতন
শাস্ত্রমতে নগ্ন হয়ে
বা বস্ত্রহীনভাবে
স্নান করা মহাপাপ।
আর তখন গোপীনিরা
সেই মহাপাপটিই
করছিলো।তারা তাদের
শরীরের বস্ত্র নদীর
পাড়ে রেখে বস্ত্রহীন
হয়ে স্নান করছিলো।
আর তাদের সেই
মহাপাপের শিক্ষা
দিতেই শ্রীকৃষ্ণ
সেইদিন তাদের
পরিত্যক্ত বস্ত্রগুলো
লুকিয়ে রেখেছিলেন।
কেননা লজ্জা নারীর
অন্যতম ভূষণ।কিন্তু
সেইসময় গোপীনিরা
সেই লজ্জাই পরিত্যাগ
করে বস্ত্রহীন হয়ে
স্নান করছিলো।
অতঃপর কৃষ্ণ যখন
তাদের বস্ত্র লুকিয়ে
রেখেছিলেন তখন
তারা নিরূপায় হয়ে
গেলো।এতো প্রাতেঃ
নদীর ঠান্ডা জলে
তারা জড়োসড়ো হয়ে
যেতে লাগলো।কিন্তু
বস্ত্রহীন তারা
কিভাবে জল থেকে
উঠবে?
তখন অনেক ক্ষমা
চাওয়ার পর কৃষ্ণ
তাদের বস্ত্র ফেরত
দিলেন এবং প্রতিজ্ঞা
করালেন যেন তারা
আর কখনো বস্ত্রহীন
হয়ে স্নান না করে।
আর এই ঘটনার মধ্য
দিয়েই গোপীনিরা চরম
শিক্ষা পেলো এবং
পরবর্তীতে তার আর
বস্ত্রহীন হয়ে স্নান
করেনি।
অতএব পরিশেষে
বলতে চাই কখনো না
জেনে বুঝে
শ্রীকৃষ্ণের সম্পর্কে
কুকথা বলবেন না।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Saturday, 4 July 2015
Child Rape
এ কোন দেশে বাস করি আমরা?
এ কোন রাজ্যে বাস করি আমরা?
এ কোন সমাজে বাস করি আমরা?
একটা ৬ বছর ৮ মাসের ফুটফুটে শিশু কন্যা - গত কাল দুপুর ৩ টা ২০ মিনিট স্কুল থেকে ফেরার পথে ২ মানুষরূপী জানোয়ার, দুষ্কৃতি মেয়েটিকে প্রথমে ধর্ষণ করে তারপর খুন করে । ঘটনাটি রায়গঞ্জ থানার তাহেরপুর অঞ্চলের ভাগদুমুর গ্রামের ।
আজ মেয়েটির মৃতদেহের ময়না তদন্ত হয় । এরপর আমরা স্থানীয় মানুষদের সাথে নিয়ে দুপুর ২ টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ৩৪ নাম্বার জাতীয় সড়ক অবরোধ করি ।
যে পুলিশ দোষীদের ধরতে পারেনা - সেই পুলিশ পুরো শক্তি অপচয় করে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে ধুলিস্যাত করতে । পুলিশ বারবার আমাদের এই গণতান্ত্রিক দাবী ও আন্দোলনকে ধুলিস্যাত করতে চাপ সৃষ্টি করে, ধ্বস্তাধ্বস্তি করে ।
সর্বশেষে রায়গঞ্জ থানার আইসি বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে এসে আমাদের কথা দেয় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার করবে । আমরা আমাদের অবরোধ তুলে নিই । তবে, যদি পুলিশ তার কথা না রাখে আমাদের এই আন্দোলন বৃহত্তর রূপ নেবে । আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব ।
যদিও, এই আন্দোলন দল মত নির্বিশেষে আমরা সকলকে ডেকেছিলাম । আশ্চর্য জনক ভাবে কাউকে পাইনি ।
আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন - শ্রী প্রদীপ সরকার - জেলা সাধারণ সম্পাদক - বিজেপি । শ্রী বিকে রায় - জেলা আহ্বায়ক - শিল্প ও সংস্কৃতি প্রকোষ্ঠ - বিজেপি । শ্রী প্রভাত ধর - জেলা সংযোজক - এবিভিপি । শ্রী ব্রজেশ দাস - রায়গঞ্জ শহর সভাপতি - বিজেপি । আইনজীবী শ্রী অমিত সাহা, শ্রী মিথুন ঘোষ, শ্রী বিমান চাকী, শ্রী প্রকাশ প্রুস্তি, শ্রী রবি রায়, শ্রী মুকুল ঘোষ সহ আমাদের সংগঠনের বিশিষ্ট নেতৃত্ব ।
আমি মর্মাহত, লজ্জা, লজ্জা, লজ্জা - এই লজ্জা রাখব কোথায়?BK Roy
"খানকী" শব্দটি, - বাংলায় বহুল প্রচলিত বেশ কয়েকটির অশ্লীল শব্দের মধ্যে অন্যতম।
"খানকী" শব্দটি, - বাংলায় বহুল প্রচলিত বেশ কয়েকটির অশ্লীল শব্দের মধ্যে অন্যতম। আশ্চর্য্যের বিষয় এই যে এই মধ্যেও এক ধরণের ইসলামী ক্রূরতা লুকিয়ে আছে।
'বাংলাভাষায় অপশব্দের উদ্ভব' নিয়ে একটি লিটলম্যাগাজিন পড়েছিলাম। তাতে 'বেশ্যার' অপশব্দ 'খানকী'র একটি চমকপ্রদ ব্যাখা ছিল। বাংলায় মুসলিম যুগে বহুশক্তিশালী হিন্দু সামন্ত রাজা শেষদিন পর্যন্ত ছিলেন। এদের কোনমতেই ধর্মভ্রষ্ট করা যায়নি। সেইকারনে মুসলিম সুফিরা একটি চমৎকার ফন্দি আঁটেন। তারা তাদের মসজিদ সংলগ্ন অতিথিশালায় বা খানকায় একদল ধর্মভ্রষ্ট ( সম্ভবত জোর করে তুলে আনা ) হিন্দু নারীকে আটকে রাখতেন যৌনদাসী হিসাবে। হিন্দু সম্ভ্রান্ত বংশীয়রা, পীর-ফকির বা আউলিয়াদের সাথে দেখা করতে গেলে তাদের খানকায় আপ্যায়ন করা হত। অবশ্যই তাদের কোননা কোন ভাবে যৌনদাসীদের সাথে সঙ্গমে লিপ্তও করানো হত।
ওই ব্যক্তিদের প্রলোভিত করে মানসিক ভাবে দুর্বল করা ছিল ওই নারীদের কাজ। শেষ পরিনতি তাদের মুসলমান হওয়া এবং ওই ব্যক্তির সাহায্যে এলাকা দখল। সংক্ষেপে, দার-উল-ইসলামের বিস্তার।
সেই থেকে আজও কুখ্যাত খানকাহ্র সেই সমস্থ নারীরা সমাজে 'খানকী' বলে ঘৃণিতা হন।
এমন কিছু মুসলমান মহিলা আজও এই সমাজে আছেন, যারা খুবই শয়তান। "লাভ জেহাদে"র আড়ালে, ছলনার আশ্রয় নিয়ে হিন্দু পুরুষের মগজধোলাই করার চক্রান্তে এরা সদাই লিপ্ত। এই সব শয়তানির কুহকে মোটেই পড়া চলবে না। আমরা হিন্দু। এটাই আমাদের একমাত্র পরিচয়। কোন লজ্জা বা হীন চিন্তা নয়। মানবতা, সাম্য, স্বাধীনতা সবকিছুর চূড়ান্তই হল হিন্দুত্ববাদ। হিন্দু মানে মানবতাবাদীই শুধু নয়, বিশ্বব্রহ্মান্ডবাদী। অর্থাৎ এই জগতসংসারের একান্ত আত্মীয়। তাই বন্ধুত্ব করার আগে অবশ্যই ভাবতে হবে, যার সাথে মিলিত হলে ইহকাল পরকাল উভয় কালই ধ্বংস, তেমন 'খানকী'কে বন্ধু হিসাবে গ্রহন করা যায়না কি! অবশ্যই যায়।
শর্ত...... খানকীবাজী ছাড়তে হবে।
..... সামান্য পরিমার্জিত এই লেখাটি শ্রী জয় রাজে'র .....
দাদা আপনি কি মোছলমান ?
দাদা আপনি কি মোছলমান ? রোজা রাখছেন ? মোছলমান না হলেও ক্ষতি নেই | ইফতারির সময় কিন্তু নিশ্চই আসবেন | ইফতারি করবেন, সোয়াব হবে, খুশি হবেন আল্লাহ | ওয়েস্ট বঙ্গে মমতা(জ) বেগমের পলিটিকাল কালচারে ইফতার নব্য-বাহারে সংযোজিত | এই ভড়ং দেখে আল্লাহমাবুদ নিশ্চই ভাবছেন "হে বান্দা - আর কত রঙ্গ দেখাবি ! কোন দিক সামাল দেব; আইএসআইএস, আল-কায়দা, বোকো হারামি, তালিবানি, আমেরিকা-ইউরোপেরবদমাইশি সামল দিতেই হিমশিম খাচ্ছি, উত্ক ঝামেলা এই বঙ্গেশ্বরী | আমার ধারণা, আল্লাহ হয়ত 'বঙ্গেশ্বরী', 'কালিঘাটেশ্বরী'এইসব বলেন না, বিনম্র শ্রধ্যায় 'মমতা দিদি' সম্মোধন করেন |
মোল্লা পরভেজ মুশারফ খান আরও বলেন -
"মুশরিকরা (পৌত্তলিক/হিন্দুরা) ইফতার পার্টি তে যোগ দিচ্ছে, খুব ভালো কথা | কিন্তু মোছলমানরা খুশ নন | কারণ, ইফতার পার্টি তে যোগ দেওয়ার আগে কোরানের সুরা পড়তে হয়, অজু করতে হয় | সুরা না পড়ে, অজু না করে টুপি পরা গুনাহ | ইফতারে যে নারীকুল যোগ দেন, তাদের কপালে টিপ, সিঁদুর থাকবে না | মাথা ঢাকলে, হিজাব পরলেও চলবে না | বরখা পরতে হবে | চোখ ছাড়া আর কিছু দেখা যাবে না | ইফতারের পরে আবার নমাজ পড়া অবশ্য কর্তব্য | এটা কোরান, হাদিশের নির্দেশ | মমতা(জ) বেগম কি এই নির্দেশ জানেন ? তিনি যা করছেন বা তাঁর কালচারে কালচারিত হয়ে অনেক মালাউনই যা করছে তা "গুনাহ" (চরম পাপ)| আমরা অবাক, ওয়েস্ট বঙ্গের মোছলমানরা এই নিয়ে কিছু বলছেন না কেন ? তাঁদের মতলব বোঝা ভারী মুশকিল | মোছলমানের আখেরও ঝরঝরে |"
বোঝা গেল যে মোল্লা পরভেজ মুশারফ খান ওয়েস্ট বঙ্গ -এর মোছলমানদের হাল-হকিকত সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল এবং আগ্রহীও বটে | আগামী দিনে মমতাদিদিকে তিনি যে সঠিক ইফতারের কালচারে কালচারিত সক্ষম হবেন না, সেটা কি আমাদের সেকুলার জারজরা হলফ করে বলতে পারেন ? Anindya Nandi
কামদুনি কাণ্ড
কামদুনি কাণ্ডে মুসলিমদের চাপের কাছে আবার নতজানু হল মমতা ব্যানার্জীর প্রশাসন। গত ২রা জুলাই, বারাসাত কোর্টে পেশ করা চার্জশিট পুলিশ এমন ভাবে তৈরি করেছে যাতে ধর্ষন কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত আনসার আলি, এমানুল এবং রাজ্জাক সহজেই ছাড়া পেয়ে যায় কারন তারা একটি বিশেষ ধর্মালম্বী। যে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে তার দলের মন্ত্রীদের ইস্তফা দেওয়ার জন্যে জুম্মাবারের অপেক্ষা করে, যে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে দুঃস্থ হিন্দুদের বঞ্চিত করে ভোটের তাগিদে শুধু মুসলিমদের উপঢৌকন দিয়ে যায়, যে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী তোষনমুলক রাজনীতির অঙ্গ হিসেবে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায় নিয়েও কটাক্ষ করে তার কাছ থেকে হিন্দুরা কখনই সুবিচার আশা করতে পারেনা।
মুসলিম ভাইয়েরা মনে কষ্ট নিবেন না
মুসলিম ভাইয়েরা মনে কষ্ট নিবেন না।এই পোস্টটা আপনাদের জন্য নয়।এই পোস্টটা সমগ্র ভারতবাসীর জন্য।যারা ভারতীয় সংস্কৃতি 'একাদশী উপবাস' কে হেয় করে আরবীয় ইফতারকে আকড়ে ধরছে সেইসব হিন্দুদের উদ্দেশ্যে সত্য প্রকাশ করছি।তারপরও যদি কোন মুসলিম ভাই মনে কষ্ট পান তবে আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।যাই হোক এবার মূল কথাটা লিখছি-
রোজা প্রমান করে-
কুরান আল্লাহর বানী না,মুহাম্মদের লেখা।
রোজা আরো প্রমান করে-
মুহাম্মদ আল্লাহর নাবী না-আল্লাহ নাই।
প্রমান দিচ্ছি-
কুরানে আছে-রোজা পালনে-"সূর্যোদয়থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকতে হবে।" [সূরা বাকারাঃ১৮৭
নাম্বার আয়াত]
-এ আয়াত তাঁর লেখা যাঁর মক্কার বাইরে-পৃথিবীর বক্রতা এবং দিন-রাত সংঘটিত হওয়ার বৈজ্ঞানিক নিয়ম সম্বন্ধে কোন
ধারনা ছিল না।পৃথিবীর আকৃতি ও বসবাসকারী মানুষ সম্পর্কে যিনি অবগত ছিলেন না।
যিনি এ আয়াত নাজিল করেছেন তিনি যদি আল্লাহ হতেন-জানতেন পৃথিবীর সকল স্থানে-একই সময় সূর্য্য ওঠে ও অস্ত
যায় না।তিনি আরো জানতেন-আমাদের এখানে যেমন-সূর্য ওঠে রাত দেড়টায়-ডোবে রাত সাড়ে এগার টায়-২২ ঘন্টা দিন।(নরওয়ে)
মুহাম্মদের এ অজ্ঞানতার আরো প্রমান-হাদীস সহি বুখারি (৫৪৪:২১)।-সেখানে বলা হয়েছে যে-"রাতের বেলা সূর্য স্রষ্টার আরশের নিচে বিশ্রাম নেয়।"
আরো প্রমান-কুরানের আয়াতে-"আমি আপনার প্রতি আরবী ভাষায় কোরআন নাযিল করেছি,যাতে আপনি মক্কা ও তার আশ-পাশের লোকদের সতর্ক করেন এবং সতর্ক করেন সমাবেশের দিন সম্পর্কে ....।" [সূরা আশ-শুরা ৪২:৭]
"এ কোরান এমন গ্রন্থ,যা আমি অবতীর্ন করেছি;বরকতময়,পূর্ববর্তী গ্রন্থের সত্যতা প্রমাণকারী এবং যাতে আপনি মক্কাবাসী
ও পাশ্ববর্তীদেরকেভয় প্রদর্শন করেন।" [সূরা আন আম ৬:৯২]
"আমি একে আরবী ভাষায় কোরআন রূপে অবতীর্ণ করেছি,যাতে তোমরা বুঝতে পার।" [সূরা ইউসূফ ১২:২]
তাহলে প্রশ্ন-কোরান মতে আমার ভাষা কি আরবি?কুরানের উপরোক্ত আয়াত সমূহ প্রমান করে-রোজা শুধু মক্কাবাসী তথা আরবীয়দের জন্য।-সার্বজনীনবিশ্বের সকল মানুষের জন্য নয়।কুরান সার্বজনীন বা সব মানুষের জন্য প্রযোজ্য-অনুসরনীয় গ্রন্থ নয়।
কুরান যদি সৃষ্টিকর্তার হত-তাহলে রোজা পালনে "সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের" বিধান থাকত না।যেমনটা আমাদের কোন উপবাসে নেই ফলে উপবাস পৃথিবীর সকল প্রান্তেই প্রযোয্য।
রোজায়-মানুষকে অযৌক্তিক অন্ধ বিশ্বাসের কাছে আত্মসমর্পন করতে দেখে কষ্ট পাই।
তাছাড়া আমরা কদিন আগে রোজার আপকারিতা নিয়ে একটা বিশ্লষণধর্মী লেখা পোস্টও করেছিলাম জানেন।দেখুন এখানে- https:// www.facebook.com /bengalrss/ photos/ pb.7073612727102 89.-2207520000. 1435961464./ 804920276287721/ ?type=3&src=http s%3A%2F %2Ffbcdn -sphotos-f-a.ak amaihd.net%2Fhp hotos- ak-xaf1%2 Fv%2Ft1.0-9%2F1 0666020_8049202 76287721_577549 729209921425_n. jpg%3Foh%3D420f 15e832e6c3beecc ad5d2969d7e60%2 6oe%3D5612BC37% 26__gda__%3D144 3941449_6a2d8d6 011122c7e5e21e3 b12abb3e6f&size =320%2C282&fbid =80492027628772 1
হিন্দু শাস্ত্র বলে সন্ধ্যায় কোন রকম খাদ্য গ্রহণ করা যাবে না।এসময় মহাজাগতিক কিছু অশুভ শক্তি তথা নিকৃষ্ট প্রজাতিই কেবল খাদ্য গ্রহণ করে।আর এদিকে বিজ্ঞান বলে-সূর্য যখন অস্ত যায় তথা সন্ধ্যা হয় তখন সূর্যের আল্ট্রা-ভায়োলেট কিছু ক্ষতিকর রশ্মি অতি সহজেই বায়ুমন্ডল ভেদ করে পৃথিবীপৃষ্ঠে প্রবেশ করে।আর এসময় খাদ্য গ্রহণ করলে তা দেহের জন্য ক্ষতিকর হয়।
তাই সকল হিন্দু তথা ভারতীয়কে বলব-আসুন সবাই আমাদের ভারতীয় সংস্কৃতিকে আকড়ে ধরি ইফতার বয়কট করি।মসলমান ভাইয়েরা মনে কোন কষ্ট পেলে ক্ষমা করবেন।আমরা জাস্ট সত্যটা প্রকাশ করলাম।এটা আমরা দায়িত্ব মনে করি।
জয় হিন্দ।
হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।
# RSS
আপনি কি ইসলাম সমর্পকে এএইগুলি জানেন ???
১: আলেকজান্ডার এর ৫০০ বছরের পর মহম্মদের জন্ম। ২:ভারত বাদে গোটা বিশ্বের মুসলমান রমজান কে রামাদান বলে, ভারতে নিজেদের নকল লুকোতে এরা এই কাজ করে, রামাদান সংস্কৃত শব্দ রামজ্ঞান এর অপভ্রংশ,। ৩: কাবা শরীফ এক শিব মন্দির ছিল, মুসলমানরা হজ করার সময় হিন্দু রীতিমতো মন্দিরের প্রদক্ষিণ এর মতো সজদা করে . ৪: পুরো আরবে আর্য সংস্কৃতি ছিল ,হজরতের কাকা এক হিন্দু ছিলেন. তিনি "শয়ার উল ওকুল " নামে একটা বই লিখেছিলেন , যাকে হজরত মেরে ফেলে . ৫: মুসলিমদের নামাজ ও সংস্কৃত শব্দ নমত থেকে এসেছে যার অর্থ ঝোকা বা নীচু হওয়া। ৬: মুসলিমদের দিনে ৫বার নামাজ আমাদের বেদের ৫মহাযজ্ঞের নকল। ৭: মুসলমানদের উৎসব শবেবরাত হিন্দু দের শিবরাত্রির অপভ্রংশ, মক্কার বিখ্যাত মক্কেশ্বর মহাদেবের মন্দির ছিল, যেখানে ধুম ধামে শিবরাত্রির উৎসব হত, যেটি বন্ধ করে মহম্মদ শবেবরাত চালু করে। ৮: নামাজের পূর্বে শরীরের ৫ অঙ্গ ধোয়া হিন্দুদের বেদে র পঞ্চাঙ্গ ধৌত ন্যায়ের নকল। ৯: ঈদ উল ফিতর হিন্দু দের পিতৃ পুরুষ এর স্মৃতিচারণ অনুস্ঠান এর নকল। ১০ : গ্যারহারি শরীফ আমাদের একাদশীর ব্রতের নকল, আমাদের পুরাণের নকল হল কুরান, আমাদের মল মাস মুসলিমদের সফর মাস, এইভাবে হিন্দু ধর্ম কে নকল করেই ইসলাম গড়ে উঠেছে।
Subscribe to:
Comments (Atom)