আজ নেতাজীর আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রতিষ্ঠা দিবসে সেই সময়ের এই বাহিনীর সকল বীর সেনাদের জানাই প্রণাম।
ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের এক নবযুগের সূচনা করা এ ফৌজের সেনা ছিল 43000।যার জন্য ব্রিটিশ দালাল কংগ্রেস গান্ধী,নেহেরুরাছিল তার প্রতি ক্ষেপা।শেষে ভারত ছেড়ে গান্ধী নেহেরুদের প্রতিহিংসার প্রতিদানও দিতে হয় তাঁকে!!!
কংগ্রেস গান্ধী-নেহেরু মূর্দাবাদ।
নেতাজী জিন্দাবাদ।
জয় হিন্দ।
# জয়শ্রীরাম
হিন্দুরাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।।
# RSS
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Monday, 6 July 2015
গান্ধী মরল
(¥) গান্ধী মরল.... আর নির্দোষ ৬০০০
ব্রাহ্মণকে
হত্যা করা হল,
(¥) ইন্দিরা মরল.... আর নির্দোষ ৪৭০০
শিখকে
হত্যা করা হল,
তখন কি কোথায়ও একটি মোমবাতি
জ্বলেছিল ???
(¥) মুসলমান যদি "বন্দে মাতরম্" না বলে,
তাহলে তা তাদের ধার্মিক বিষয়,
নরেন্দ্র মোদি টুপি না পড়লে,
তাহলে তা সাম্প্রদায়িক বিষয় ???
(¥) ডেনমার্কে যদি কোন ছবি ছাপা হয়,
তাহলে তার সর কলম,
শ্রী রামের জন্মভূমিতে যদি মন্দির
তৈরি করা হয়,
তাহলে হিন্দু বেশরম !!!
(¥) গোধরাতে যে ৫৬ জন হিন্দুকে
প্রথমে জ্বালানো
হল, তারা যেন ঈদের বকরি...
আর তারপরে যে মুসলিম মরল,
তারা সত্যিকারের দেশ প্রেমী ???
(¥) ১৫ বছর আগেই কাশ্মীর হয়ে গেছে
হিন্দু হীন..
আর দেশে যে হচ্ছে মুসলিম জনসংখ্যা
বিস্ফোট,
তা আমাদের কাছে গুরুত্বহীন !!!
(¥) পাঠানী স্যুট, নামাজী টুপিতে
তারা সুশ্রী....
আর আমরা শুধু তিলক লাগালেই বা "জয়
শ্রী রাম"
বললেই আতঙ্কের মূর্তি ???
(¥) এখানে কেউ লড়াই করে
পাকিস্তানের জন্য,
কেউ লড়াই করে উর্দু ভাষার জন্য,
আর সবাই চূপ হয়ে যায় "শ্রী রাম"এর
জন্য...!!!
(¥) এখন তো মিছিলে স্লোগান উঠে
তালিবানের দাবীতে,
আর হিন্দু চিন্তিত চাকরি আর
দোকানের জন্য !!!
আমি বলি... এর সমাধান কোথায় ???
আরে তুমিই বলো... হিন্দুর হিন্দুস্তান
কোথায় ???
Saturday, 4 July 2015
এ কেমন দ্বৈথ নীতিঃ
এ কেমন দ্বৈথ নীতিঃ
মালদ্বীপ হইতে নিহার রঞ্জনঃ
ভারতীয় মহাসাগরের ঠিক মধ্যে অবস্হিত মালদ্বীপ । খুব সুন্দর মনোরম পরিবেশে ঘেরা ১১৯০ টির মত ছোট বড় দ্বীপের সমন্নয়ে গঠিত মালদ্বীপ । ২০১৪ সালের সরকারি হিসাব অনুযায়ী মালদ্বীপের মোট জন সংখ্যা প্রায় ৩৯৪০০০ এবং সবাই মুসলমান । ২০০৯ সালে এক রাস্ট্রীয় প্রঙ্গাপনে বলা হয়েছে, স্থানীয় নাগরিকরা অন্য কোন ধর্ম চর্চা করতে পারবেন না এমনকি অন্য দেশ হইতে আগত অথিতী কিংবা কর্মরত ব্যক্তি কোনো ভাবেই পূঁজা বা মুসলিম ধর্মে নিষিদ্ধ এমন কোন অনুষ্ঠান করিতে পারিবেন না ।
২০১৩ সালের অন্য একটি আইনে বলা হয়েছে জন সম্মুখে ধূমপান দন্ডনীয় অপরাধ, স্থান কাল অনুযায়ী দন্ড হিসাবে গুনতে হবে ৫০০-১০০০ রূপি জরিমানা।
যেমন এয়ারপোর্ট ও লঞ্চ টার্মিনাল এর মত স্পর্শকাতর এরিয়াতে কেউ ধূমপান করলে জরিমানা গুনতে হবে দ্বিগুণ অর্থাৎ ১০০০ রূপি ।
কিন্ত আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, বিদেশী অথিতীরা যখন সব জায়গায় সমান তালে ধূমপান করছে এমনকি রোজার মাসেও তারা ওপেনলি সবকিছুই খাচ্ছে, কিন্ত তাদেরকে কেন আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না । যেখানে রোজার মাসে বাইরে খাওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ পুলিশের চোখে পড়লে ৫০০ রূপি জরিমানা এমনকি হোটেল খোলাও নিষেধ ।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানিতে পারিলাম মালদ্বীপ রাস্ট্রটি সম্পূর্ণই বিদেশী সাহায্যের উপর নির্ভর করে, যখন বিদেশী অথিতীরা এখানে বেড়াতে আসেন সাথে নিয়ে আসেন লাখ লাখ আমেরিকান ডলার আর এই ডলার দিয়েই মালদ্বীপ সমস্ত ব্যবসা বানিজ্য নিয়ন্ত্রণ করেন । এইসব দিক বিবেচনা করেই শুধুমাত্র বিদেশী অথিতীদেরকে ছাড় দেওয়া হয় ।
উল্লেখ্য যে প্রতি মাসেই বিভিন্ন দেশ হইতে লক্ষ লক্ষ লোক ছুটি কাটাতে এই মালদীপে ছুটে আসেন । বিশেষ করে চীন, জাপান, কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া এমনকি ইউরোপ, আমেরিকার লোকজন ও এই মালদীপের রিসোর্টে বেড়াতে আসেন । চতুর্থ দিকে সমুদ্রে ঘেরা মালদীপের রিসোর্ট গুলি খুবই আকর্ষণীয় ।
আর্যরা কী সত্যিই বিদেশী??
আর্যরা কী সত্যিই বিদেশী??
বৈদিক সভ্যতা নিয়ে বাম ও পশ্চিমী ঐতিহাসীকদের মতবাদটা কী সত্যিই সঠিক??? তবে তাদের মতবাদ এমন Self-Contradictory কেন??
---ঋক্ বেদে বলা হয়েছে এমন ভগবানের কথা যারা শহর ধ্বংস করতো, আর তাই বলা হয় বৈদিক যুগে নাকি আর্যরা শহুরে ছিলনা আর তারা শহর ধ্বংস করতো,
কিন্তু ঋক্ বেদে এমন প্রচুর শ্লোকও আছে যেখানে বলা আছে আর্যরা শহরে থাকতো ।
The ‘Rig Veda’ describes its Gods as ‘destroyers of cities’. This was used also to regard the Vedic as a primitive non-urban culture that destroys cities and urban civilization. However, there are also many verses in the ‘Rig Veda’ that speak of Aryans as having cities of their own and being protected by cities up to a hundred in number.
ঈদ আসছে
ঈদ আসছে । তাই বাজারে কেনাকাটার ভিড় বাড়ছে উৎসব উপলক্ষ্যে । ঈদে মহিলাদের জন্য হাজির পাকিস্তানের ডিজাইন করা সব পোষাক । কেননা প্রত্যেক মুসলিম মহিলাদের চাহিদা পাকিস্তানের পোষাক তাই সদূর পাকিস্তান থেকে উড়ে আসছে নানা রকম পাকিস্তানের পোষাক । একবার ভাবুন তো ভারতের এত পোষাক থাকতে,ভারতের এত ফ্যাশন ডিজাইনার থাকতেও পাকিস্তানের পোষাক কেন মুসলিমদের প্রথম পছন্দ? আসলে ভারতে বসবাসকারী সিংহভাগ মুসলিমদের মনে পাকিস্তানের প্রতি প্রেম রয়েছে সেটা তারা প্রকাশ করছে কখনো পাকিস্তানের পতকা উড়িয়ে,কখনও পাকিস্তানের পোষাক পরে । পাকিস্তানের পোষাক পরে নিজেদেরকে পাকিস্তানি ভেবে গর্বিত হওয়ার চেষ্টা করছে এখন উৎসবের মরসুমে ।
ঢাকায় সুধীর গৌতমদার উপর হামলার পর তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়ে সারা ভারত
ঢাকায় সুধীর গৌতমদার উপর হামলার পর তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়ে সারা ভারত। এরপর বাংলাদেশের প্রথম সারির একটি দৈনিক "প্রথম আলো" ধোনি কোহলিদের নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র ছেঁপে সে ক্ষোভের আগুনে যে ঘি ঢালে, তাতে করে বাংলাদেশীদের নোংরা অসভ্য চেহারা বেরিয়ে আসে আরো একবার। যারা ব্যঙ্গচিত্র টি দেখেছেন তারা জানেন, কোনো ভারতীয় ক্রিকেটারদের এহেন অপমান সহ্য করতে পারেনা কারণ এটা দেশেরও অপমান। কিন্তু আমার এসবে বাংলাদেশীদের প্রতি বিন্দুমাত্র ক্ষোভ নেই বরং করুণা হয় এদের ঘৃণ্য মানসিকতার কথা ভেবে।
এই সেদিন ক্রিকেটার নাসির হোসেন তার ফ্যান পেজে নিজের বোনের সাথে তোলা ছবি আপলোড করলে ভাই বোনকে জড়িয়ে অশ্লীল সব মন্তব্য করে। যাতে দুঃখ পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নাসির। ভাবুন, যারা নিজেদের দেশকেই সন্মান দিতে জানে না তারা কিভাবে অন্য দেশ কে সন্মান জানাবে? যদিও এখানে মন্তব্যকারীদের বিশেষ দোষ দিতে পারছি না কারণ মুসলমানরা তো বোনেদের সাথে বিয়ে করতে পারে, তাই কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে!
গতকাল আবার দেখলাম, বাংলাদেশের আরেক ক্রিকেটার মুশফিক্কুর রহিমের পেজে সৌম্য সরকার আর লিটন দাস কে সাম্প্রদায়িক গালি দিচ্ছে মোল্লারা। কারণ ওরা একসাথে খেতে বসেছে, তাই! ভাবুন একবার কতটা নীচু মন এদের।
এরা ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ কে পর্যন্ত গালি দেয় নিজের স্ত্রীর সঙ্গে ছবি শেয়ার করার কারণে। ফেসবুক টাকে পুরো বস্তি বানিয়ে ছেড়েছে বাংলাদেসী বস্তিবাসীরা। এরা আসলে সাইকো, এদের প্রতি ক্ষোভ নয় বরং করুণা করুন!
ভারতের গরু না আসায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ
ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার সীমান্ত পথে বাংলাদেশে গরু পাচার ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে (বিএসএফ) নির্দেশ দিয়েছে। ফলে ভারত থেকে বৈধ বা অবৈধ পথে গরু আসা বন্ধ হয়ে গেছে। ভারতের এই নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে গরু সরবরাহকারী ব্যবসায়ী, মাংস বিক্রেতা, মাংস রফতানি ও চামড়া (ট্যানারি) শিল্পের সঙ্গে জড়িত মালিক-শ্রমিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। গতকাল শুক্রবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে শতকরা ৩ ভাগ অবদান রাখছে এই ট্যানারি শিল্প। গরু পাচার বন্ধ হওয়ায় ভারতের জিডিপিতে কতটুকু নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সেটা সরকারিভাবে নিরূপণ করা না হলেও বাংলাদেশের অর্থনীতি যে ক্ষতিগ্রস্ত হবে তা সেদেশের সরকার স্বীকার করেছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা এইচটি ইমাম বলেছেন, মাংস ব্যবসা ও চামড়া শিল্প যে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।
মাংস রফতানিকারক বাংলাদেশের শীর্ষ একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক সৈয়দ হাসান হাবিব টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছেন, বিদেশে মাংস রফতানির অর্ডার ৭৫ শতাংশ কমে গেছে। তিনি জানান, তার প্রতিষ্ঠান প্রতি বছর আরব উপসাগরীয় দেশে ১২৫ টন মাংস রফতানি করত। মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ায় এখন সেই পরিমাণ অনেক কমে গেছে।
বাংলাদেশ ট্যানারি অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শাহিন আহমেদ জানান, ১৯০টি ট্যানারির মধ্যে ৩০ ট্যানারি তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে।
গরু জবাই করা বা পাচার করা হিন্দু বালিকাকে ধর্ষণ বা মন্দির ধ্বংসের সমতুল্য অন্যায় বলে ক্ষমতাসীন বিজেপি জোট সরকারের এক নেতা ঘোষণা দেন। তাই ধর্মীয় দিক বিবেচনা করে বিজেপি সরকার সীমান্ত পথে গরু পাচারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কোনোভাবে ভারতীয় গরু ঢুকতে না পারে সেজন্য ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং গত মার্চ মাসে বিএসএফ জওয়ানদের কঠোর নজরদারি বাড়াতে নির্দেশ দেন। অন্যদিকে সীমান্ত পথে ভারতীয় গরু আসা বন্ধ হওয়ার কারণে বাংলাদেশের বাজারে মাংসের দাম অকস্মিকভাবে বেড়ে গেছে।
বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়েই দাম বাড়ানো হয়েছে। এতে করে নিম্ন আয়ের ক্রেতাদের মাংস কেনা দায় হয়ে পড়ছে। http://www.samakal.net/2015/07/04/147400
Subscribe to:
Comments (Atom)