Monday, 6 July 2015

শ্রদ্ধেয় শ্রী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১১৫ তম জন্মজয়ন্তি পালন .... ও 'নমো মঞ্চের' প্রসঙ্গিকতা...।।

শ্রদ্ধেয় শ্রী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১১৫ তম জন্মজয়ন্তি পালন .... ও 'নমো মঞ্চের' প্রসঙ্গিকতা...।। (অনেক বড় একটি লেখা, কিন্তু সবার পড়া বিশেষ দরকার। পড়লে, - অনেক কিছু জানতে পারা যাবে...) আজ এই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যস্থপতি ইতিহাসের পাতায় চিরবিস্মৃত স্বর্গীয় শ্রী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১১৫ তম জন্মজয়ন্তি....। সাধারণ ভাবে আমরা সবাই জানি যে ১৯৪৭'র ১৫ই আগস্ট ভারতবর্ষ বিভক্ত হয়ে যেদিন গঠিত হল ভারত ও পাকিস্তান, সেইদিনই জন্ম নিল পশ্চিমবঙ্গ। বঙ্গ প্রদেশ ভাগ হয়ে তৈরী হল পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান। ... কিন্তু না, ভারতবর্ষ ভাগ হলেই যে বাংলাও ভাগ হবে এমনটা নিশ্চিত ছিল না। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান (৫৬%) চেয়েছে পুরো বাংলাটাই। কম্যুনিস্টরা পাঞ্জাব ভাগাভাগির পক্ষে হলেও পুরো বাংলা পাকিস্তানকে দেবার পক্ষে। এমনকি ৪৬-এর রায়টের হিন্দু গণহত্যার নেতা বাংলার প্রধানমন্ত্রী শহিদ সুরাবর্দী আর মুসলিম লীগের নেতা আবুল কাসেম স্বাধীন বাংলার গল্প ফাঁদলেন, তার বড় সমর্থক শরৎচন্দ্র বসু – নেতাজী সুভাষ বসুর দাদা। শরৎচন্দ্র বসুর কলকাতা গণহত্যার নায়ক শহীদ সুরাবর্দীর সঙ্গে যুক্ত বাংলা স্থাপনের ভয়ংকর আত্মঘাতী ভাবনাকেও হিন্দু বাঙালি ন্যূনতম গুরুত্ব দেয় নি। যাই হোক বাঙালি ৫০০ বছরের ইসলামি শাসন দেখেছে, একেবারে সাম্প্রতিক ১৯৩৭ থেকে ১৯৪৬-এর মুসলিম লীগের শাসন দেখেছে – ফলে তারা আর সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান শাসনের ভয়াবহ ভবিষ্যতের পথে চলতে রাজী ছিল না। অমুসলমান বাঙালি চাইল একটি নিরাপদ আশ্রয়। আর এই গুরু দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলার কংগ্রেস দলও সমর্থন করল শ্যামাপ্রসাদের ভাবনা – পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা। ১৯৪৭-এ ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আইন অনুসারে বাংলা ও পাঞ্জাব ভাগের ব্যবস্থা হল। যেহেতু বঙ্গীয় আইনসভা ভারত বা পাকিস্তানে যুক্ত হবার ব্যাপারে একমত ছিল না ফলে ১৯৪৭ সালের ২০ জুন বঙ্গীয় আইনসভা ভেঙে তৈরি হল পূর্ববঙ্গ আইনসভা ও পশ্চিমবঙ্গ আইনসভা। মুসলমান প্রধান অঞ্চল নিয়ে হল পূর্ববঙ্গ ও অমুসলমান প্রধান অঞ্চল নিয়ে হল পশ্চিমবঙ্গ।পশ্চিমবঙ্গ আইনসভার সমস্ত অ-মুসলিম সদস্যরা, এমনকি কম্যুনিস্টরাও ভাঙাচোরা পশ্চিমবঙ্গের স্বপক্ষেই ছিলেন। ঐ দিনেই পশ্চিমবঙ্গ আইনসভার অবিভক্ত বঙ্গের অমুসলমান বিধায়করা ৫৮-২১ ভোটে বাংলাভাগের পক্ষে ও পাকিস্তানে যোগদানের বিপক্ষে ভোট দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ গঠন সুনিশ্চিত করেন। তৈরী হয় পশ্চিমবঙ্গ ও তার আইনসভা এবং বঙ্গীয় নবজাগরণের আলোকে আলোকিত, বহুত্ববাদী ও জাতীয়তাবাদী জনসাধারণের জন্য ১৯৪৭ সালের ২০শে জুন এইভাবেই পশ্চিমবঙ্গের জন্ম হয়। অর্থাৎ ২০শে জুন – এই ঐতিহাসিক দিনটিই আমাদের পশ্চিমবঙ্গের জন্মদিন। কিন্তু কয়জন মানুষ তা জানেন? পশ্চিমবঙ্গ কেবল একটি স্থান নয়, এটি বাঙালির মুক্ত অস্তিত্বের ভাবনা। স্বর্গীয় ভারতকেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মানস সন্তান। কে এই শ্যামাপ্রসাদ? যিনি দেশের যতখানি অংশকে পাকিস্থানে যাবার হাত থেকে বাঁচান যায়, তার জন্য সমস্থ শক্তি একত্রিত করে ঝাঁপিয়েছিলেন। কারন তিনি জানতেন, ক্ষমতার জন্য মরীয়া কংগ্রেস নেতারা সারা বাংলা, এমনকি আসামকে পর্যন্ত পাকিস্থানের গ্রাসে তুলে দিতে দ্বিধা করবেন না। ওদিকে কম্যুনিস্টরা মহা উৎসাহে জিন্নার বক্তব্যকে সমর্থন করেছিল। তারা বলেছিল, “ মুসলমানেদের জন্য আলাদা রাষ্ট্রের ব্যাবস্থা করা উচিত। তাদের পার্টি থেকে দাবী করা হয়েছিল, “The Pakistan is a just, progressive and national demand.” তাই মূলত তাঁরই আপ্রান প্রয়াসের ফলে বাংলার এক তৃতীয়াংশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত রাখা সম্ভব হয়েছিল এবং তাকে রক্ষা করতে পেরেছিলেন ডঃ মুখার্জী। এই ভাবে তিনি জিন্নার – স্বপ্নের অখণ্ড পাকিস্থানকেই বিভক্ত করে দিলেন... “ Jinnah partitioned India and I partitioned Pakistan” – এই দম্ভোক্তি হয়তো তার পক্ষেই মানানসই। আর এভাবেই জিন্না-সুরাবর্দী-মাউন্টব্যাটেন-বারোজের দুরভিসন্ধিমূলক স্বাধীন যুক্তবঙ্গের পরিকল্পনাও তিনিই বানচাল করে দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রথম দিকে এই ড.মুখার্জি’ই ভারত বিভাজনের তীব্র বিরোধী ছিলেন। ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৪১ সালে তিনি বলেন, মুসলিমরা যদি ভারত বর্ষের বিভাজন চায় তবে ভারতের সকল মুসলিমদের উচিত তাদের তল্পিতল্পা গুটিয়ে পাকিস্তান চলে যাওয়া। আজ তাঁর অর্থাৎ ভারত কেশরী ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বা ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১১৫তম জন্মদিবস । ১৯০১ সালের ৬ই জুলাই কলকাতায় এক উচ্চ সামাজিক মর্যাদাসম্পন্ন ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা স্যার আশুতোষ মুখার্জী ও মাতা শ্রীমতী যোগমায়া দেবীর কাছ থেকে তিনি কিংবদন্তিতুল্য পাণ্ডিত্য ও ঐকান্তিক জাতীয়তাবাদী চেতনা উত্তরাধিকারসূত্রে লাভ করেন। তাঁরা তাঁকে ‘পবিত্র ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন’-যাপনে অনুপ্রাণিতও করেন। ১৯২১ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইংরেজিতে সম্মান পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান দখল করার পর শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ভারতীয় ভাষায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি ১৯২৪ সালে বি.এল পরীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়েসর্বোচ্চ স্থান লাভ করেন। ছাত্র থাকাকালীন সময় থেকে শ্যামাপ্রসাদ তাঁর ভাইস-চ্যান্সেলরপিতাকে শিক্ষা পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা করেন। এই মহান ভারতীয় পন্ডিত ও জাতীয়তাবাদী নেতাই প্রথম হিন্দু জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল ভারতীয় জন সংঘ গঠন করেন। ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা যুগাচার্য্য স্বামী প্রনবানন্দজীর ছিলেন আশীর্বাদধন্য। তিনি ছিলেন হিন্দু মহাসভার সভাপতি এবং জওহরলাল নেহেরুর প্রথম ক্যাবিনেটের একজন দায়িত্বপূর্ণ মন্ত্রকের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রীও বটে। জম্মু-কাশ্মীরের৩৭০ নং ধারা নিয়ে নেহুরু মন্ত্রিসভার সাথে মতবিরোধ দেখা দিলে তিনি, মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। পরবর্তিতে তিনি দক্ষিণপন্থি প্রজা পরিষদ গঠন করে “এক প্রজাতন্ত্রের মধ্যে আরেকটা প্রজাতন্ত্র থাকতে পারে না” এই দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু করেন। ১৯৫৩ সালের ১১ই মে শ্যামাপ্রসাদকে গ্রেপ্তার করে জেলবন্দি করা হলে অবশেষে তিনি বন্দি থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে যে নেহেরুর ষড়যন্ত্রে নিহত হতে হয় নি,... এ কথাও গ্যারান্টি দিয়ে কা

বিচার চেয়ে বেড়ানো আর কুকুরের মত ঘেই ঘেউ করার সামিল

বিচার চেয়ে বেড়ানো আর কুকুরের মত ঘেই ঘেউ করার সামিল |কুকুর সারা জীবন ঘেউ ঘেউ করে কাটায় হিন্দুরা ও বংশ পরস্পরায় বিচার চেয়ে বেড়ায় বিচার চেয়ে বেড়ানো হিন্দুদের স্বভাব কারণ বিচার চাওয়া হিন্দুদের রক্তে মিশে গেছে হিন্দুরা যতিই কান্নাকাটি করে বেড়ায় কেউ তাদের ছলনাময়ী বাশির স্বুর আর শুনে না যেমন কুকুরের ঘেউ ঘেউ কারো উপকার ও হয় না ক্ষতি ও হয়না কারণ তাতে কেউ কর্ণপাত করে না সবাই জানে ঘেউ ঘেউ করা কুকুরের স্বভাব বিঃ আমার কথায় কেউ আঘাত পেলে গঙ্গা স্নান করে পবিত্র হয়ে নিবেন

বাংলাদেশি মোল্লাদের পেটে টান

***দারুন সুখবর*** বাংলাদেশি মোল্লাদের পেটে টান।আর কয়েক মাসের মধ্যেই কমপক্ষে 90% মোল্লার পাত থেকে গোমাংস উঠে যাচ্ছে। বলেছিলাম না বাংলাদেশিদের গোমাংস খাওয়া বন্ধ করব?করবই।বিএসএফভ্রাতাদের অসংখ্য ধন্যবাদ এ বিষয়ে আমাদের সহযোগিতা করার জন্য। গত দুই মাসের ব্যবধানে অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে প্রতিটি মাংসের মূল্য।দুই মাস পূর্বে গরুর মাংসের যেখানে মূল্য ছিল ২৬০ টাকা বর্তমানে সেখানে বিক্রি করা হচ্ছে ৩৮০-৪০০ টাকা দরে।খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৬০০ টাকা,ব্রয়লার মাংস বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজি।কক(লেয়ার) ১৩০ এর স্থলে ১৮০ এবং ২৫০ টাকার দেশি মুরগী বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি দরে।ফলে মাংসের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কারণে হিমশিম খেতে হচ্ছে শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষের।আগে নিম্নবিত্ত মানুষেরা সপ্তাহে একদিন হলেও মাংস খেত।বর্তমানে যে হারে মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে তাতে মাসে একদিনও মাংস খাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।এ প্রসঙ্গে বাথুলি এলাকার কৃষক আব্দুল কুদ্দুস সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান,১ মণ ধানের টাকায় ১ কেজি গরুর মাংস তো কিনলাম কিন্তু বাকি বাজার করার জন্য আর যে টাকা নাই।আর বুঝি পোলানানগো মুখে মাংস দিতে পারুমনা।এভাবে সব জিনিসের দামবারে কিন্ত আমাগো ধানের দাম বারেনা?(সূত্র-সময়ের কন্ঠস্বর) যেহেতু বাংলাদেশের 90% ফকির গোছের অতএব 90% বাংলাদেশির গোমাংস খাওয়া বন্ধ হতে যাচ্ছে। সবাই বলুন-জয় শ্রী রাম জয় হিন্দু। ‪#‎ RSS‬

হিন্দু সমাজের নেতৃত্ব তুলে দিতে হবে সাহসী যুবকদের হাতে

হিন্দু সমাজের নেতৃত্ব তুলে দিতে হবে সাহসী যুবকদের হাতে৷ মুসলিম দুষ্কৃতিদের অতর্কিত আক্রমণের উপযুক্ত জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি রাখতে হবে বাড়িতে বাড়িতে৷ মল্লিকপুর, সমুদ্রগড় আর পঞ্চগ্রামে হামলার সময় যেভাবে পুলিশ মূক দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে, টুকটুকি মন্ডলের ক্ষেত্রে পুলিশ যেভাবে অপহরণকারীর সাথ দিচ্ছে, তারপর আর তাদের উপরে ভরসা করে নিশ্চিন্ত থাকার অবকাশ নেই৷ নিজেদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিজেদেরকেই করতে হবে৷ তাতে আইনের চোখে অপরাধী হিসাবে গণ্য হলেও এছাড়া আর কোন বিকল্প নেই৷ পরিণামে হয়তো কেস্ খেতে হবে, জেল খাটতে হবে৷ পক্ষান্তরে এই ক্ষতির হাত থেকে বাঁচার জন্য নিষ্ক্রিয় থাকলে সারা জীবনের সমস্ত সঞ্চয় ওরা লুঠ করে নিয়ে যাবে, মা-বোনের ইজ্জত যাবে, বাড়ি পুড়বে - সর্বস্বান্ত হয়ে রাস্তায় নামতে হবে৷ উপরন্তু পুলিশ ফলস্ কেস্ দিয়ে জেলে ঢোকাবে৷ কোন ক্ষতিটা বড়, তার বাস্তবসম্মত বিচার আপনারাই করুন৷ কথাগুলো আপাত দৃষ্টিতে প্ররোচনামূলক বলে মনে হলেও এটাই বাস্তব৷ হিন্দুরা এই পথ অবলম্বন করতে বাধ্য হলে সমাজের ভারসাম্য বিঘ্নিত হবে ঠিকই৷ কিন্তু এছাড়া অন্য কোন পথ নেই৷ যখন অন্যায়, অত্যাচার আইনে পরিণত হয়, তখন প্রতিরোধই হয়ে ওঠে একমাত্র কর্তব্য৷ এক কথায় এই পথকে বলা যেতে পারে - A necessary evil. এই অমঙ্গলের আমন্ত্রণই সমাধানের একমাত্র পথ৷

সনাতন সমাজ রক্ষার জন্য এখন সবেচেয়ে বেশি প্রয়োজন সংঘশক্তি বা একতাশক্তি

***"""কৃপা করে সবাই এই গুরুত্বপূর্ন Post টি পুরোটা পড়ুন***"""|সনাতন সমাজ রক্ষার জন্য এখন সবেচেয়ে বেশি প্রয়োজন সংঘশক্তি বা একতাশক্তি| যার জন্য প্রথমত,বৈদিক শিক্ষা ব্যাবস্তা চালু করে ছোটবেলা থেকে সব শিশুদের সনাতন সমাজকে কিভাবে রক্ষা করতে হবে সে শিক্ষা দেওয়া| ***দ্বিতীয়ত,সনাতন ধর্মে বর্ন মূলত যার যার ব্যাক্তিগত গুন কর্ম অনুসারে নির্ধারিত হয় এই কথাটি সব সনাতনীর জানা প্রয়োজন|সর্বপরিবর্নপ্রথার ভুলব্যাখ্যা থেকে বেরিয়ে এসে সব সনাতনীদের একতাবদ্ধ থাকা এবং সব বর্নের মধ্যে শাস্ত্রীয়সম্মতভাবে বিবাহ প্রথা পুনরায় চালু করা| ***তৃতীয়ত কোন সনাতনী ছেলে অন্য ধর্মের মেয়েদের বিয়ে করে সনাতনে আনতে চাইলে তাকে সেকাজে আরো উত্সাহ দেওয়া| ***চর্তুথত,পূজাপার্বনে কীর্ত্তনের পাশাপাশি কিভাবে সনাতন সমাজকে রক্ষা করা যায় সে শিক্ষা সব ভক্তদের দেওয়া| ***পঞ্চমত,মুসলিমদের মাহফিলের মত প্রতিটি গ্রামে সনাতনী সম্মেলন করা এবং সেখানে কিভাবে সবাই সনাতনের পথে থাকবে এবং সনাতনকে রক্ষা করবে সে শিক্ষা দেওয়া| ***ষষ্ঠত,সনাতন ধর্মে কোথাও টাইটেল বা উপাধি প্রথাকে স্বিকৃত দেওয়া হয়নি|আর শুধুমাত্র এই প্রথার আমাদের মধ্যে বিভেদের সৃষ্টি হয়|তাই এই উপাধি প্রথা বাদ দিয়ে শ্রী,কুমার,শ্রীমতি,রানি এইগুলো ব্যাবহার করা| ***সপ্তমত,সব সনাতনীর উচিত পবিত্র বেদ অনুসারে আদ্যশ্রাদ্ধ একই দিবসে করা|আসুন আমরা সবাই মিলে সবাই মিলে একতাবদ্ধভাবে এইভাবে সনাতন সমাজকে রক্ষা করি

গন্ধহীন পুষ্পের ন্যায় কর্মবির্জতিত কথামালা

মুখে বড় কথা বলে অথচ সে নিজেই সেই কাজ করে না তাহলে কি হল? ভারত উপমহাদেশকে হিন্দু শূন্য করার লক্ষ্যে প্রাচীন কাল থেকে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র হয়ে আসছে। শাসক শ্রেণি থেকে শুরু করে ধর্মগুরুরা পর্যন্ত এ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। প্রথমত, ধর্মগুরুরা হিন্দুদের দূরে রেখেছে তারপর তারা ধর্মশাস্ত্র বিরুদ্ধ কাজ করে সনাতনধর্মকে বারবার বিতর্কিত করে তুলেছে তেমনিই একটি দিক তুলে ধরছি। কলিযুগ শুরু হয়েছে চার হাজার বছরেরও আগে। কিছু সংগঠন যুগ ধর্ম প্রচার করা নিয়ে ব্যস্ত। কিছু সংগঠন তাদের নিজস্ব মতবাদ প্রচার করছে যেগুলো শাস্ত্রে একটু আছে সেগুলোকে বড় করে তুলেছে। এক কথায় তিলকে তাল বানিয়ে ছাড়ছে নিজেদের লাভের খাতিরে। আর আমরাও তাদের কথা মত চলছি শাস্ত্রে কি আছে তা না দেখে। ধর্মীয় সংগঠন আমাদের কিভাবে সংখ্যালঘু করছে দেখুন। বৃহৎ নারদীয় পুরান মতে কলিযুগে পাঁচটি কর্মের কথা নিষেধ করেছেন। সেগুলো হল, গোমেধ যজ্ঞ, অশ্বমেধ যজ্ঞ, দেবর দ্বারা পুত্র উৎপাদন,মাংস দ্বারা পিতৃশ্রাদ্ধ এবং সন্ন্যাস। এখন আসুন দেখি আমাদের কিছু ধর্মীয় সংগঠনের দিকে তাকায় সেখানে কত যুবক ছেলে আজ সন্ন্যাস ব্রত পালন করছে? এরকম করে যদি চার হাজার বছর ধরে একটি জাতি থেকে যুবক ছেলেরা সন্ন্যাস ব্রত নেয় তাহলে কত ছেলে চলে গেছে? তাদের যদি দুটি করে সন্তান পৃথিবীর বুকে আসতে তাহলে আজ কতটি কন্ঠে জয় শ্রী রাম কথাটি ধ্বনিত হত? প্রাচীন বৈদিক ঋষিগন আমাদের জীবনকে চারটা ভাগে ভাগ করেছেন তা হল ব্রহ্মচর্য, গৃহস্থ, বাণপ্রস্থ ও সন্ন্যাস। কোন শিশু যদি প্রথম শ্রেণী পড়েই যদি পঞ্চম শ্রেণী তে পড়তে চাই বা উঠে তার চেয়ে আমরা কি রেজাল্ট আশা করতে পারি? শাস্ত্রে জীবন ব্যবস্থা কে চার ভাগে ভাগ করলেও কলিযুগের জন্য সন্ন্যাস নিষেধ করা হয়েছে আর যদি কেউ তা পালন করে তাহলে অবশ্যই আগের তিনটে ধাপ অতিক্রম করে পালন করতে হবে। কিন্ত আমরা কি দেখছি কলিযুগে এসেও ধর্মগুরুরা বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ভারত উপমহাদেশের হাজারো যুবককে ব্রহ্মচারী বানিয়ে নিজ সংগঠনে গাধা খাটনি খাটিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু যেসব সংগঠনে আসলে বিয়ে করা যাবে না বলছে সেই সংগঠনের প্রতিষ্ঠিতা বা তাদের গুরুরা নিজেরাই ব্রহ্মচারী ছিলেন কি? ইসকনের প্রতিষ্ঠিতা বিবাহিত ছিলেন তাহলে তার ধর্ম প্রচারক গন কেন বিবাহিত হবেন না? আবার রামকৃষ্ণ মিশনের রামকৃষ্ণ নিজে বিবাহিত ছিলেন যদিও মিশনের প্রতিষ্ঠাতা বিবেকানন্দ ব্রহ্মচারী সন্ন্যাসী ছিলেন তথাপি তিনি নিজেও সন্ন্যাসব্রত নিতে বারন করেছেন। আমাদের পৃথিবীর সবাই যদি সন্ন্যাসী হয় তাহলে উক্ত সন্নাসীদের ভিক্ষা কে দিবে সেটাই ভাবছি। আর সবাই সন্ন্যাসী হলে আশা করি একশো বছরে পৃথিবী মানব শূন্য হয়ে যাবে ভগবানের নাম উচ্চারনের মত কেউ থাকবে না তাই প্রত্যেক হিন্দু যুবকদের বলব ঈশ্বরের সান্নিধ্য পেতে চাও তাহলে ঈশ্বর বলার মত অন্তঃত দুটো জীব পৃথিবীর বুকে রেখে যাও।

দেশভাগের সময় কলকাতা যদি পাকিস্তান এর হত তাহলে হয়তবা এদেশ এত তাড়াতাড়ি স্বাধীন হত না

দেশভাগের সময় কলকাতা যদি পাকিস্তান এর হত তাহলে হয়তবা এদেশ এত তাড়াতাড়ি স্বাধীন হত না। অার কলকাতায় বসবাসরত বাঙালী হিন্দুদেরও কোন স্থায়ী ঠিকানা হত না। তাদেরকেও হয়তবা নিরাপত্তার জন্যে অাশ্রয় নিতে হত পাশ্ববর্তী রাজ্য গুলো তে। অার সেখানে মুক্তবুদ্ধি, সেকুলারিজম এর বদলে চর্চা হত অারবীয় বেদুঈন সংস্কৃতি। কিন্তু এক বিশেষ ব্যক্তির অান্তরিক প্রচেষ্টার জন্যে স্বপ্নের কলকাতাকে পাকিস্তানের ভেতরে যেতে হয় নি। কিন্তু যার জন্যে কলকাতা তে এখনো মার্ক্সবাদ, লেনিনবাদ চর্চা হয়, চারদিকে শঙ্কধ্বনির শব্দ শোনা যায়, সেই মানুষটিকেই তারা ভুলে গেছে। যাইহোক, সেই ব্যক্তিটির দানে চলা কলকাতার বাসিন্দারা ঠিক কতদিন তাদের ধর্ম, সংস্কৃতি ইতিহাস, ঐতিহ্য অার সেকুলারিজম কে টিকিয়ে রাখতে পারে তাই ই দেখার বিষয়।