Sunday, 9 August 2015

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের শেষ লগ্নে সুভাষ চন্দ্র বসুর উত্থান এক স্মরণীয় ঘটনা।

তিনি ছিলেন দেশবন্ধু চিওরঞ্জন দাসের মন্ত্রশিষ্য।দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের মূর্ত প্রতীক ছিলেন ভারতমাতার এই রত্ন। ---------- ১৮৯৭ সালের ২৩ জানুয়ারি, বর্তমান ওড়িশা রাজ্যের কটক শহরে জন্মগ্রহণ করেন সুভাষচন্দ্র বসু। তিনি ছিলেন কটক- প্রবাসী বিশিষ্ট বাঙালি আইনজীবী জানকীনাথ বসু ও প্রভাবতী দেবীর সন্তান।প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যয়ন কালেই তার ব্রিটিশ বিরোধীতা স্পষ্ট হয়ে উঠে।কলেজ থেকে এজন্য বহিস্কৃত হন তিনি।আই সি এস পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান দখল করেও তিনি সরকারী চাকুরী গ্রহন করেননি।দেশবন্ধুচিওরঞ্জন দাসের হাত ধরে জাতীয় কংগ্রেসের সদস্য পদ গ্রহন করেন।ব্রিটিশদেরবিরুদ্ধে আপোসহীন সংগ্রাম করাই ছিল তার ব্রত।এই প্রশ্নে তিনি কোথাও মাথা নত করেননি।এইজন্য কংগ্রেসের সাথে তার মতপার্থক্য দেখা যায়।শেষপর্যন্ত গান্ধিজীর বিরোধীতায় তিনি কংগ্রেস ত্যাগ করে ফরওয়ার্ড ব্লক নামে নতুন রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন। বসুর-----------সুভাষ বসুর পরবর্তী কার্যক্রম ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সুযোগে ইংরেজদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে ভারতকে স্বাধীন করা।একথা জানতে পেরে 1940 খ্রীষ্টাব্দে তাকে ভারত রক্ষা আইন দ্বারা গ্রেফতার করা হয়।1941 এ তিনি ছদ্মবেশে ভারত ছেড়ে চলে যান।1941 খ্রীষ্টাব্দে 1 লা এপ্রিল বার্লিনে পৌছান।কিন্তু জার্মানি থেকে কোন সাহায্য না পেয়ে তিনি ও তার সহকারী কর্ণেল হাবিবুর রহমানের সাথে বার্লিন পৌছান। আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন-------------প্রখ্যাত বিপ্লবী রাসবিহারী বসু ব্যাঙ্ককে প্রবাসী ভারতীয় দের নিয়ে গড়ে তোলেন ইণ্ডিয়ান ইনডিপেডেন্স লিগ 1942 খ্রীষ্টাব্দে।রাসবিহারী বসু নেতাজীকে সিঙ্গাপুরে আসতে অনুরোধ করেন।মোহন সিং এর সহায়তায় বন্দি ভারতীয় সৈনিকদের নিয়ে গড়ে তোলা হয় আজাদ হিন্দ ফৌজ 1লা সেপ্টেম্বর 1942।এই ফৌজের সর্বাধিনায়ক নির্বাচিত হন নেতাজী ।ঐক্য-আত্মবিশ্বাস-আত্মোৎসর্গ এই তিনটি আদর্শের ভিত্তিতে ভারতকে ব্রিটিশমুক্ত করতে তৎপর ছিল এই বাহিনী।আজাদ হিন্দ বাহিনীকে বেশ কয়েকটি বিগ্রেডে ভাগ করেন নেতাজী যেমন ঝাঁসি বিগ্রেড,আজাদ বিগ্রেড,নেহেরু বিগ্রেড,গান্ধী বিগ্রেড। ✏✏আজাদ হিন্দ সরকার ও ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ------------1943 খ্রীষ্টাব্দে অক্টোবর মাসে নেতাজী সিঙ্গাপুরে গড়ে তোলেন আজাদ হিন্দ সরকার।এই সরকার ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।সামান্য কয়েকদিনে জাপান-ইতালি-থাইল্যাণ্ড-জার্মানী এর মত বিশ্বের 9 টি দেশ এই সরকার কে স্বীকৃত দেয়।জাপানের প্রধানমন্ত্রী তোজো আনুষ্ঠানিক ভাবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ দুটি এই সরকারের হাতে তুলে দেন।নেতাজী এই দুটি দ্বীপের নাম দেন শহিদ ও স্বরাজ দ্বীপ।ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামিল হওয়ার জন্য তিনি দেশবাসীকে আহ্বান করেন । দিল্লী অভিযান----------------শুরু হয় দিল্লী দখলের অভিযান।আজাদ হিন্দ বাহিনীর তরুণ সৈনিকদের প্রতি বলেন "দিল্লী চলো"।1944 এর শুরুতে নেতাজী ও আজাদ হিন্দ বাহিনী রেঙ্গুনে পৌছান ও সেখানে ঘাঁটি গাড়েন।এরপর 18ই মার্চ আজাদ হিন্দ বাহিনী ব্রহ্মদেশ অতিক্রম করে ভারতের মাটি স্পর্শ করে।মনিপুরে জাতীয় পতাকা উত্তলিত হয়।শুরু হয় দিল্লী দখলের পরিকল্পনা।প্রবলবর্ষা এই অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করে।কিন্তু মুক্তিযোদ্ধারা ভারতীয় এলাকার 150 মাইল ব্রিটিশ শাসনমুক্ত করে। নিখোজ--------দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে ইঙ্গ মার্কিন বাহিনীর আক্রমনে জাপান বিধ্বস্ত হয়ে পড়লে জাপানের কাছ থেকে সাহায্যের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়।ফলে আজাদ হিন্দ ফৌজকে আত্মসমর্পন করতে হয়।এরপর নেতাজীর ইতিহাস রহস্যের মোড়কে আবৃও। মনে করা হয় ১৯৪৫ সালের ১৮ অগস্ট তাইওয়ানে একটি বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। তবে তাঁর এই তথাকথিত দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর বিরুদ্ধ প্রমাণও বিদ্যমান। ■■বিখ্যাত উক্তি----------- সুভাষ চন্দ্র বসুর সবচেয়ে বিখ্যাত উক্তি হল, "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব" (হিন্দিতে, তুম মুঝে খুন দো, ম্যায় তুমহে আজাদি দুঙা)। ৪ জুলাই ১৯৪৪ সালে বার্মাতে এক র্যালিতে তিনি এই উক্তি করেণ। তার আর একটি বিখ্যাত উক্তি হল "ভারতের জয় ("জয় হিন্দ"), যা কিনা পরবর্তিতে ভারত সরকার গ্রহণ করে নেয়। কারণ------------- 1)দূর্গম পর্বতসংকুল এলাকায় প্রবল প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য ফৌজ যথাযথ ভাবে লড়াই করতে পারেনি। 2)জাপানের সমর্থন ও সহযোগীতা ছিল বহুলাংশে ভাওতা।জাপানের উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা এই বাহিনীকে দূর্বল করেছিল। 3)আজাদ হিন্দ ফৌজ দেশের অভ্যন্তরের বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলির কাছে যথাযথ সমর্থন পায়নি। ------- 1)নানা ধর্ম ও জাতিকে একত্রিত করে জাতীয় সংহতির মহৎ আদর্শ স্থাপন করে এই বাহিনী। 2)এই ফৌজের সংগ্রাম-আত্মত্যাগ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করে। 3)1946 এ বোম্বাইয়ে নৌসেনা দের বিদ্রোহের অনুপ্রেরণা ছিল নৌ বিদ্রোহ। সুভাষপ্রেমী--------------- বাঙালীর গর্ব তথা এশিয়ার প্রথম নোবেল জয়ী সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সবথেকে বড় সুভাষপ্রেমী ছিলেন।ভারতের ঐক্য তে সুভাষ বোসকে কতটা দরকার কংগ্রেস তথা ভারতবাসীর তা বারবার তিনি বুঝিয়েছিলেন নেতাদের কিন্তু সকলের বক্তব্যেই নিরাশ হয়েছিলেন তিনি।বঙ্গভঙ্গেরবিরোধী ছিলেন উভয়ে। ----- ১৯৩৪ সালে তিনি তাঁর প্রথম প্রেম এমিলি সেচঙ্কল এর সাথে পরিচিত হন ভিয়েনাতে। ১৯৩৭ সালে তারা ব্যাড গ্যাস্টিনে বিয়ে করেন। সুভাষচন্দ্র ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ হিন্দু। তিনি ধ্যানে অনেক সময় অতিবাহিত করতেন।গীতা র বাণী তাকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। স্বামী বিবেকানন্দের ভাবাদর্শ তাঁকে উদ্বুদ্ধ করেছিল।ছাত্রাবস্থা থেকে তিনি তাঁর দেশপ্রেমিক সত্ত্বার জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি কখনও চাননি ভারত ভাগ হোক ডোমিনিয়নে সম্প্রদায়ের উপর ভিত্তি করে এজন্য জিন্না ও নেহেরু উভয়ে তাকে পছন্দ করতেন না। ■■■■কিছু বিখ্যাত উক্তি--------------- ●ধর্মের নামে,দেশের নামে বা রাজনীতির নামে কোন প্রকার গোড়ামি যেন আমাদের শিক্ষামন্দিরে প্রবেশ করতে না পারে,সেদিকে আমাদের দৃষ্টি রাখা উচিত।

১৯৪৬ সালে কলকাতায় ভয়াবহ হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা

আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন না যে ১৯৪৬ সালে কলকাতায় এক ভয়াবহ হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা হয়েছিল... যার নেতৃত্বে ছিল হোসেন সুরাবর্দী... যে আবার জ্যোতি বসুর ঘনিষ্ঠতম বন্ধু ছিল... যাই হোক সেই দাঙ্গায় হাজার হাজার মানুষের প্রান গিয়েছিল কিন্তু একজন বাঙ্গালী সেই দাঙ্গার বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়েছিলেন... তিনি হলেন গোপালচন্দ্র মুখার্জী...যাকেআমরা সবাই গোপাল পাঁঠা নামে চিনি......... সেই তারই স্মরনে 'হিন্দু সংহতি'র সভাপতি প্রানপুরুষ শ্রী তপন ঘোষের ডাকে আগামী ১৬ই আগস্ট কলকাতায় মহামিছিল......দুপুর ২টায়।। আসুন দলে দলে যোগ দিন...

ফলেন পরিচয়তে...

না, দিদির মত ঢাকঢোল পিটিয়ে "১০০ শতাংশ কাজ করে ফেলেছি" বা "৫ বছরের কাজ এক বছরেই করে দিয়েছি" এই জাতীয় চমকপ্রদ বুকনি নয়, কেন্দ্রীয় সরকারের স্থির করা মাপদন্ড মেনে স্বচ্ছ ভারত অভিযানের সাফল্যতালিকায় নবম স্থান দখল করল আমাদের হালিসহর। এই অসাধারণ সাফল্যের জন্যে অভিনন্দন জানাই হালিসহর পৌরসভার প্রধান শ্রী অংশুমান রায় সহ হালিসহরবাসীদের।হালিসহর পুরসভার নিরলস প্রচেস্টা ও শহরবাসীর সক্রিয় সহযোগীতার ফলেই আজ সারা দেশ হালিসহরের সাফল্যের কথা জানতে পারলো। তবে মনে রাখতে হবে যে সাফল্য লাভ করার থেকেও সেটাকে ধরে রাখা আরও কষ্টসাধ্য। তাই, আগামীদিনে আমাদের সবাইকে আরও বেশী সচেতন থাকতে হবে যাতে আমরা এই সাফল্য বজায় রাখতে পারি এবং তালিকার আরও উপরের স্থান দখল করতে পারি। Prasun Maitra

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কালোবাজারিরা চালে কাঁকর মিশিয়ে বিক্রয় শুরু করে

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কালোবাজারিরা চালে কাঁকর মিশিয়ে বিক্রয় শুরু করে। একে জিনিসের দাম বেশি তার উপর চালে কাঁকর! সাধারণ জনগণ যখন কাঁকরের অভিযোগ করল তখন দোকানদার বলল; কাঁকর খোদ সৌদি আরব থেকে আসছে। এগুলো পবিত্র পাথর! পাবলিকও পবিত্র পাথর পেয়ে চুপ হয়ে গেল! একজন বলব; ভাই ইয়েমেনে সৌদি বোমা হামলা নিয়ে কিছু বললেন নাহ! আমি কহিলাম- বোমাগুলো সৌদি আরব থেকে ফালাচ্ছে! এগুলো সাধারণ বোমা নয়, পবিত্র বোমা। তাই সবার মতন আমিও চুপ আছি।

পাক জঙ্গি নাভেদকে সাহায্য করার অভিযোগে গ্রেফতার দুই | 24Ghanta.com

http://zeenews.india.com/bengali/nation/two-arrested-for-allegedly-aiding-pakistani-terrorist-naved_130382.html

পাক সার জমিন সাদ বাদ -- পর্ব ২৪

বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতন নিয়ে হুমায়ন আজাদের অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ "পাক সার জমিন সাদ বাদ"-- পর্ব ২৪ ------------------------------------------------------------ পর্ব যত বাড়ছে হিন্দুদের নারীদের উপর ইসলামি জিহাদের বর্বরতার কাহিনী ততই বাড়ছে। তাই পড়ুন, ইসলামি জিহাদ বিষয়ে আগাম সতর্ক হোন... ------------------------------------------------------------ হাফিজুদ্দিন বলে, ‘কাইলকে দুই চারডা লাশ ফেলতে অইব,মালাউনগো(হিন্দু) পাচ সাতটা দোকানো আগুন লাগাইতে হইব, ওগো দালালগো দোকান বাড়িঘর পুড়তে হইব, আর বিরিজটার পুব দিকটা চুরমার কুইর্যা ফ্যালাতে হইব’। আমি একটু চমকে উঠি ব্রিজটার কথা শুনে। ব্রিজটা সব সময়ই আমাকে বিস্মিত করেছে, অনেক দিন মনে হয়েছে, ওটির উপর আমি শুয়ে থাকি, শুয়ে নদী দেখি; নিজেকেই ব্রিজ মনে হয়েছে আমার। এতো বড়ো ব্রিজ কাফেররা কীভাবে বানিয়েছে, সেটা ভেবেও আমি অবাক হয়েছি। একটি দোয়া পড়ে কি আমরা অমন ব্রিজ বানাতে পারি না? হজরত মুসাকে আমার মনে পড়ে, তবে তার রাস্তাটি ছিল ক্ষনস্থায়ী, আর ওইটা ছিল ইহুদিদের জন্য, তাই রাস্তাটিকে আমি একটি অপচয় মনে করি। আমি বলি, ‘খুন তিনটে চারটে করলেও ক্ষতি নেই, সারা বাজারে আগুন লাগালেও ক্ষতিনেই, তাতেই মাদের জিহাদ সফল হবে, আমরা ইছলামের দিকে পাক স্তানের দিকে বেশি এগিয়ে যাবো, আমাদেরব দলের শক্তি বাড়বে, তবে ব্রিজটা চুরমার করা ঠিক হবে না, মানুষের অসুবিধা হবে’। মোঃ হাফিজুদ্দিন বলে, ‘মাইনষের কথা ভাবনের সময় এইটা না, এইটা আসিক কামের সময়, পাকিস্তান ভাঙ্গনের জইন্যে যেমন এই বিরিজটা ভাঙছিল, আবার পাকিস্তান বানানোর জইন্য এই বিরিজ ভাঙতে হইব’। ব্রিজটার জন্য আমার মায়া লাগে; আমি বলি, ‘ব্রিজ ভাঙার সময় পরেও পাবো, আগামীকালই দরকার নেই’। মোঃ হাফিজুদ্দিন হুইস্কির গেলাশে একটা বড়ো চুমুক দিয়ে, এক্স এক্স এক্স ছবিটার একটি দৃশ্য রিওয়াইন্ড করে বলে, ‘হুজুর, জিহাদি জোশে আপনার দিল আজও ভইর্যা ওথে নাই। তয় আপনের কতার উপরে কতা নাই, কয়ডা ডিনামাইট মাডির নিচে জমা কইর্যা রাকছি, পরে কাজে লাগামু, ইনশাল্লা’। আমি বলি, ‘মোঃ হাফিজুদ্দিন ব্রিজটা তুমি ভাঙতে চাও, তা খুবই উত্তম। তারপর কি একটি দোয়া পড়ে ওটি বানাতে পাড়বে?’ মোঃ হাফিজুদ্দিন খুব বিব্রত হয়, বলে, ‘হুজুর, এমুন দোয়া অহনও পাই নাই’। আমি বলি, ‘এমন দোয়া কি নেই?’ মোঃ হাফিজুদ্দিন বলে, ‘হুজুর, আল্লার কিতাবে নিচ্চই আছে, তয় অইডা খুইজ্যা দেকতে অইব’। আমি বলি, ‘এখনও খোঁজো নি কেন?’ মোঃ হাফিজুদ্দিন বলে, ‘অহন থিকা খুজুম, হুজুর’। আমি বলি, ‘এতো দেরী করলে কেন?’ মোঃ হাফিজুদ্দিন বলে, ‘দোয়াডা খোজনের কতা মনে আইছিল না, হুজুর’। আমি বলি, ‘কোন কোন দোকানে আগুন লাগাতে চাও?’ মোঃ হাফিজুদ্দিন বলে, ‘গোডা দশেকের কমে হইব না; কয়ডা মালাউনগো দোকানে আর কয়ডা মালাউনগো দালালগো দোকানে; মালাউনগো আর তাগো দালালগো বাইচ্যা থাকতে দিমু না’। আমি বলি, ‘বেশ, আলহামদুলিল্লা’।

নাস্তিক ব্লগারদের আক্রমণে আতংকিত-ভীত-শংকিত-হতচকিত হয়ে খুন করে ফেলার পক্ষে রায় দিয়ে দিচ্ছেন

আপনারা যারা নাস্তিক ব্লগারদের আক্রমণে আতংকিত-ভীত-শংকিত-হতচকিত হয়ে খুন করে ফেলার পক্ষে রায় দিয়ে দিচ্ছেন; তাদের কাছে সবিনয়ে জানতে চাই- মাওলানা মোহাম্মদ ফারুকি কি নাস্তিক ছিলেন? তাকে কেন হত্যা করা হলো? আপনারা যারা এসলামের হর্তা-কর্তা-রক্ষাকর্তা, বলতে চান ইহা সহীহ এসলাম নহে; তাদের কেউ এই হত্যাকান্ডগুলিরপ্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়ে? যেহেতু জানাননি, ধরে নিচ্ছি এটাই এসলাম। যে এসলামে "নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার" বলে কোপ দিয়ে একটা মানুষকে হত্যা করাটাই মূল ঈমান। আর যে রাজনীতিবিদেরা ভোটব্যাংকের কথা ভেবে পিঠ বাঁচাতে ব্যাস্ত, ছোট্ট করে বলে রাখি- ১৯৭১ এ বাঙালীদের অর্ধ মুসলিম বুঝিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আপনাদের দলকেও নাস্তিকের দল বলেই তারা প্রচার করে। আজ নাস্তিক মারছে, কাভার ফটো হয়ে যাচ্ছে, আপনারা চুপ করে আজ ব্লগার মারছে, কাভার ফটো হয়ে যাচ্ছে, আপনারা চুপ করে কাল আপনাদের মারবে, কাভার ফটো করারো লোক খুঁজে পাবেন না। আপনি আস্তিক না নাস্তিক না আওয়ামীলীগ করেন না সাধারন মুসলিম সেইটা ব্যাপার না। কাল আপনি গান শুনলে ধরে নিয়ে গিয়ে গলা কেটে ফেলে রেখে দেবে, আপনার পাশে দাঁড়ানোর কাউকে পাবেন না। কাল আপনার স্ত্রী শাড়ি পরে ঘর থেকে বেরুলে গণধর্ষণ করবে, আপনি অসহায় ভাবে শুধু চেয়ে চেয়ে দেখবেন। কাল আপনার ৯ বছর বয়সী মেয়েকে ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি করবে যৌন দাসী হিসেবে, আপনার বলার কিছু থাকবে না। এরাই আল কায়েদা-আইসিস-জামায়াত-আনসারুল্লাহ-হিজবুত-হেফাজত। শুধু এতোটুকু বলে রাখছি, অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, দুজনেই সমান অপরাধী। আগামীর বাংলাদেশ যদি জঙ্গীদের বাংলাদেশ হয়, সেই বাংলাদেশ তৈরীতে তাই আপনিও হবেন সমান অপরাধী। Mahmudul Haque Munshi