http://www.hinduhumanrights.info/is-anything-really-achieved-at-these-world-hindu-conferences/
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Tuesday, 11 August 2015
`The day is not far when no Hindu will be left in Pakistan` | Hindu Human Rights Online News Magazine
http://www.hinduhumanrights.info/the-day-is-not-far-when-no-hindu-will-be-left-in-pakistan/
প্রশাসনের ব্যর্থতা সীমার মধ্যে থাকতে হবে: সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত - Sylhet Today 24
http://www.sylhettoday24.com/news/details/Politics/7602?utm_campaign=shareaholic&utm_medium=facebook&utm_source=socialnetwork
বাংলাদেশে ছেলে শিশু ধর্ষণের ক্ষেত্র বেড়েছে - BBC বাংলা
http://www.bbc.com/bengali/news/2015/08/150811_aho_boy_child_abuse
ঋগ্বেদ (সংস্কৃত: ऋग्वेद ṛgveda, ঋক্ (ṛc, "স্তুতি, কাব্য"
ঋগ্বেদ (সংস্কৃত: ऋग्वेद ṛgveda, ঋক্ (ṛc, "স্তুতি, কাব্য"[১]) ও বেদ (veda "জ্ঞান")) হল একটি প্রাচীন ভারতীয় বৈদিক সংস্কৃত স্তোত্র সংকলন।[২] এটি বেদ নামে পরিচিত হিন্দুধর্মের চারটি আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থের (শ্রুতি) অন্যতম।[note ১]
এটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষায় রচিত প্রাচীনতম বিদ্যমান গ্রন্থগুলির একটি।[৩]ভাষাবৈজ্ঞানিক ও ভাষাতাত্ত্বিক প্রমাণিত হয় যে, ঋগ্বেদ খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০-১২০০ অব্দের মধ্যবর্তী সময়ে ভারতীয় উপমহাদেশে রচিত হয়েছিল।[৪][৫][৬] যদিও অনেকে মনে করেন, এই গ্রন্থের রচনাকাল খ্রিস্টপূর্ব ১৭০০-১১০০ অব্দ।[৭][৮][note ২]
ঋগ্বেদের কয়েকটি পৌরাণিক কাহিনি এবং বিশ্বের উৎপত্তি, দেবদেবীর স্তোত্র, জীবন, সম্পত্তি ইত্যাদি লাভের জন্য প্রাচীন প্রার্থনামূলক অনেক কাব্যিক উপাখ্যান রয়েছে।[১১] এগুলির কয়েকটি আজও হিন্দুদের বিভিন্ন উৎসবে অনুষ্ঠানে আবৃত্তি করা হয়। ঋগ্বেদ পৃথিবীর সেই প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থগুলিরএকটি যা আজও মান্যতা পায়।[১২]
পাঠ
ঋগ্বেদের যে পাঠটি আজ পাওয়া যায় সেটির মূল ভিত্তি লৌহযুগের (নিচে কালনির্ধারণ দেখুন) একটি সংকলন। এই সংকলনটি থেকে ‘গোত্রীয় গ্রন্থাবলি’ ((মন্ত্রদ্রষ্টা, দেবতা ও ছন্দ অনুসারে ২য়-৭ম মণ্ডল[১৩]) পরবর্তীকালে সম্পাদিত একটি সংস্করণ পাওয়া যায়। এই পরবর্তীকালীন সংকলনটি আবার অন্যান্য বেদসমূহের সঙ্গে মুখে মুখে সম্পাদিত একটি সংকলন। এই সংকলনে পরবর্তীকালে কিছু প্রক্ষিপ্ত বিষয় যুক্ত হয়েছিল, যা মূল ঋগ্বেদের কঠোর বিন্যাস-প্রণালীর সঙ্গে বেমানান। এর সঙ্গে বৈদিক সংস্কৃতের বিশুদ্ধ উচ্চারণ পদ্ধতির মধ্যেও কিছু পরিবর্তন (যেমন সন্ধির নিয়ামন[১৪]) এসেছিল।
অন্যান্য বেদসমূহের মতো সম্পাদিত পাঠটির একাধিক সংস্করণ পাওয়া যায়। এর মধ্যে পদপাঠ সংস্করণটি গুরুত্বপূর্ণ। এটি পৌস আকারে রচিত এবং মুখস্ত করার সুবিধার্থে প্রতিটি শব্দ এখানে পৃথক আকারে লিখিত। এছাড়া সংহিতাপাঠও গুরুত্বপূর্ণ। এটি সন্ধির নিয়মানুসারে লিখিত (প্রতিসখ্য বিধানে বর্ণিত নিয়মানুসারে)। এটি হল আবৃত্তি-উপযোগী মুখস্ত রাখার সংস্করণ।
পদপাঠ ও সংহিতাপাঠ বিশ্বাসযোগ্যতা ও অর্থগতদিক থেকে ঋগ্বেদের মূল পাঠের সবচেয়ে নিকটবর্তী।[১৫] প্রায় এক হাজার বছর ধরে ঋগ্বেদের মূল পাঠ সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্যতার সঙ্গে মুখে মুখে সংরক্ষিত হয়েছিল।[১৬] এটি করার জন্য মুখে মুখে প্রচলিত রাখার প্রথাটিকে একটি বিশেষ উচ্চারণভঙ্গি দেওয়া হয়েছিল। এর জন্য সংস্কৃত সমাসবদ্ধ শব্দগুলির ব্যাসবাক্য এবং বৈচিত্র্য দান করা হয়েছিল। কোথাও কোথাও ব্যাকরণগত পরিবর্তনও আনা হয়েছিল। শব্দের এই পরিমার্জনার সঙ্গে সঙ্গেই অঙ্গসংস্থানবিদ্যা ও ধ্বনিবিজ্ঞানের একটি সমৃদ্ধ প্রথা গড়ে উঠেছিল। সম্ভবত গুপ্তযুগের (খ্রিস্টীয় ৪র্থ-৬ষ্ঠ শতাব্দী) আগে ঋগ্বেদ লিখিত হয়নি। গুপ্তযুগে ব্রাহ্মী লিপি সুপ্রচলিত হয়েছিল (ঋগ্বেদের প্রাচীনতম বিদ্যমান পাণ্ডুলিপিগুলি পরবর্তী মধ্যযুগের)।[১৭]যদিও মুখে মুখে প্রচলিত রাখার প্রথাটি আজও আছে।
ঋগ্বেদের আদি পাঠ (যেটি ঋষিগণ অনুমোদন করেছেন) বিদ্যমান সংহিতাপাঠের পাঠের সঙ্গে কাছাকাছি গেলেও সম্পূর্ণ এক নয়। তবে ছন্দ ও অন্যান্য দিক থেকে এর কিছু অংশ অন্তত একই ধাঁচে লেখা।[১৮]
ভারতী, এতখানি নির্লজ্জ বিবৃতি কি খুব জরুরি ছিল ? | বেঙ্গল টাইমস্
http://www.bengaltimes.in/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%80-%e0%a6%8f%e0%a6%a4%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c-%e0%a6%ac%e0%a6%bf/
ধর্ম্মান্তর রুধে সবচাইতে বড় কৌশল হচ্ছে__নিজ ধর্ম্ম সম্পর্কে জাগরন।
ধর্ম্মান্তর রুধে সবচাইতে বড় কৌশল
হচ্ছে__নিজ ধর্ম্ম সম্পর্কে জাগরন।
নিজে জেনে অন্যকে তা জানিয়ে
দেওয়া এবং নিজ ধর্ম্মের অনুশাসনগুলো
সুবিশ্লেষণের দ্বারা তার গুরুত্ব অনুভুত
হওয়া। তার জন্যে প্রথমেই অভ্যাসযোগ
অবলম্বন করা অত্যাবশ্যক। অতঃপর
সূচারুভাবে শাস্ত্রের গভীরে প্রবেশ
করা। সৃষ্টিতত্ব, সৃষ্টিরহস্য ইত্যাদি
বিষয় অবগত হওয়। সর্ব্বোপরি নিজ
মনে, অন্যমনে অধ্যাত্ম বিষয়ে
যৌক্তিক প্রশ্ন দাঁড় করানোর মধ্য
দিয়ে মস্তিষ্কে একটা আলোড়ন সৃষ্টি
করা। বেদশাস্ত্র-গীতাশাস্ত্র যত
শাস্ত্রই আছে__তা কেবল আভিধানীক
ব্যাখ্যা দ্বারা সার পাওয়া যাবে
না। শাস্ত্রবাণীর সার উৎপাটন করতে
আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যার বিকল্প নাই।
তার জন্যে অবশ্যই যোগ অর্থাৎ,
ধ্যানযোগ অবলম্বন করা চাই। ধ্যান
অর্থে আসনোপরে মুদিত নয়নে
উপবেসনকেই বোঝায় না কিন্তু! ধ্যান
অর্থে বরং কোন একটা বিষয়ের প্রতি
একনিষ্ঠ চিন্তা করা বা একাগ্রতাকেই
বোঝায়। তা সেই ধ্যানযোগ হাটা-
চলায় কিংবা কর্ম্মশালায় কর্ম্মের
মধ্যেও হতে পারে। চিন্তা অর্থে
চেতন রাজ্যে স্থিতা বা বিরাজ করা
বোঝায়। চেতন অর্থে চৈতন্যসত্ত্বাকে
অর্থাৎ, যে শক্তির বলে আমরা জীবন
ধরে রাখি, যে শক্তির বলে আমাদের
দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ-ইন্দ্রিয়াদি
নিজ নিজ ক্ষেত্রে সক্রিয়, সেই
শক্তিকে বোঝায়। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে
কোন কিছু অবগত না হয়ে কোন মন্তব্য
কিংবা কোন সিদ্ধান্তে নির্ভুল উপনীত
হওয়া কখনোই সম্ভব নয়। আর, অপুক্তা
বা কাঁচা জ্ঞান দ্বারা কোন সিদ্ধান্ত
গ্রহণ করা আহাম্মকি ছাড়া কিছুই নয়।
আগে নিজেকে, নিজ ধর্ম্মকে, কারনকে
জানতে হবে এবং তৎপরে অন্যকেও তা
জানিয়ে দিতে হবে, নচেৎ
অন্যধর্ম্মের সমালোচনা/নিন্দা
উপস্থাপনা দ্বারা কারো মন-মস্তিষ্ক
হতে ধর্ম্মান্তরিত হওয়ার বিষ
অপসারিত করা সহজসাধ্য নয়। তা
ছাড়া অন্য বা পরধর্ম্মের সমালোচনা
বা নিন্দা করা নিছক মূর্খতা বৈ কি
হতে পারে? প্রথমে নিজ সম্মন্ধে
জানবার আগ্রহ প্রকাশ করো,,,,,অন্যের
মধ্যেও সেই আগ্রহের বীজ অঙ্কুরিত
করো,,,,,দেখবে__তখন আর ঐ
ধর্ম্মান্তরিত হবার ভাইরাসটি
জীবিত থাকবে না। তাই অগ্রে
আত্মসমালোচনা দ্বারা নিজেদেরকে
শুধরে লও।।
Subscribe to:
Posts (Atom)