http://abpananda.abplive.in/national/2015/08/12/article682657.ece/JDU-RJD-to-contest-100-seats-each-in-Bihar-Cong-40
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Wednesday, 12 August 2015
১৯৯২ সালে ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষার অভুতপুর্ব নিদর্শন বাবরি মসজিদ ধ্বংস!!
১৯৯২ সালে ভারতের সার্বভৌমত্ব
রক্ষার অভুতপুর্ব নিদর্শন বাবরি
মসজিদ ধ্বংস!! হিন্দু সংস্কৃতির
প্রাণপুরুষ শ্রী রামচন্দ্রের মন্দির
পুনর্নির্মাণ এর প্রয়াস,,,এই মন্দির
নিয়ে বহু জলঘোলা হয়েছে,,কিন্তু
ভারতের সংস্কৃতি মুখী জনগনকে এই
নির্মাণ কার্য থেকে কেউ বিরত করতে
পারেনি,,,,নিজেরপ্রানের
বিনিময়ে,,এই প্রচেষ্টা চালিয়ে
গেছে।
কিন্তু খেলা তো তার পরে শুরু
হয়,,মুম্বাইতে ভয়ংকর বিষ্ফোরন ঘটায়
দাউদ ইব্রাহিম এবং তার দলবল
১৯৯৩সালের ১২ই মার্চ,শুক্রবার,
,,ঠিক তার এক সপ্তাহ পর আর এক
জিহাদী, ততকালীন কমিউনিষ্ট
সরকারের স্নেহ ধন্য সাট্টাবাজ রশিদ
খান চেষ্টা করে কলকাতায় ঐ ধরনের
বিষ্ফোরন ঘটাতে! কিন্তু বিধিবাম!
আগেই অর্থাৎ ১৬ই মার্চ ঘটে যায়
অঘটন, বিষ্ফোরনের প্রস্তুতি পর্বেই
ভয়ানক বিষ্ফোরনে উড়ে যায় রশিদ
খানের নিজের বৌবাজারের দুটি
বাড়ি!!নাহলে আরও কতবড় সর্বনাশ
হোতো কে জানে?? এই ঘটনায় শতাধিক
নিহত হয়,, কিন্তু জ্যোতি বাবুর সরকার
মাত্র ৬৯ জনের হিসাব
দিয়েছিলেন,,এখন দেখা যাক কে এই
রশিদ খান? কলকাতার বুকে সব
সাট্টার ঠেকের পান্ডা ছিল এই রশিদ
খান,তার a.c হোটেলে বিশ্রাম নিতে
আসতেন ততকালীন বামফ্রন্ট
নেতা,মন্ত্রীরা,,,যারা কলকাতা
চেনেন,তারা নিশ্চই জানেন,এই
বৌবাজার থেকে লালবাজারের দুরত্ব
খুব ই কম,,,পুলিশের নাকের ডগায় বসে
এই কুকর্ম চালাত সে,,,কিন্তু যার
সমাজবিরোধী বাহিনী সরকার কে
সাহায্য করে বিরধীদমনে,,তার গায়ে
হাত দেবার সাহস কার হবে? কত বড়
ষড়যন্ত্র,বানানোহয়েছিল,অযোধ্যার
বদলা নিতে,,সেই ফাইল আজ ও
বন্ধ,,বামফ্রন্টচলে গিয়েও তো লাভ
হয় নি,,মমতা ব্যানার্জীর সরকার তো
জিহাদী পালনের সরকার,,তাই ফাইল
বন্ধই আছে। রশিদ খান জেলে,মামলায়
দোষী সাব্যস্ত হয়ে,,,
তার ফাসির জন্য কেউ রাস্তায় নামে
নি,,,অথচ হেতাল পারেখ হত্যা
মামলায় দোষী ধনঞ্জয়ের ফাসির
দাবীতে মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী মীরা
ভট্যাচার্য কিন্তু রাস্তায় মিছিল
করেছেন,,,
বর্তমান তৃনমূল সরকারের বদান্যতায়
আজ ও ওই জিহাদীরা প্রবল বিক্রমে
বিক্রম চালাচ্ছে,,,ইমামভাতা থেকে
শুরু করে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়,
ওবিসি দের জন্য সংরক্ষন প্রায়
পুরটাই ছিনিয়ে নিয়ে ওই জিহাদীদের
মন রাখতে ব্যাস্ত মমতা ব্যানার্জীর
সরকার।আজো পুলিশ অফিসার তাপস
চৌধুরির খুনী মুন্না,,দাপট নিয়ে ঘুরে
বেড়াচ্ছে!!!রশিদখানকে মুক্ত
করাতেও মুখ্যমন্ত্রী অগ্রনী,,হয়তো এই
রশিদ খান ই মুক্ত হয়ে পুনরায় এই
সরকার গঠনে সাহায্য করবে বর্তমান
সরকার কে,,,ঝাঁপিয়ে পরবে জাতীয়তা
বাদী হিন্দুদের উপর,,,সময়ের
প্রতিক্ষা...................
ইসলামে না কি নারীদের সাজ সজ্জা নিষেধ?
ইসলামে না কি নারীদের সাজ সজ্জা নিষেধ?প্রমাণ তো পাই না।আমারই অনেক মুসলিম মেয়ে কাষ্টমার আছে।হাত খুলে বাজার করে সুন্দরী হবার জন্য।কিন্তু যে দেশে শতকরা ৭ ভাগ হিন্দুর বসবাস,সেই দেশে এত কসমেটিক্সের দোকান কেন?দু'মাস আগে বাংলাদেশ গিয়েছিলাম।ওরে বাব্বা,ঐসব দোকানগুলিতে বোরখাওয়ালীদের কি ভীড়।আর তারা সাজতেও পারে বেশ উগ্রভাবে।বেশকিছু মুসলিম বিয়ের কনে দেখার ভাগ্যও হয়েছিল।ওদের গালে যদি একবার ক্ষুরের টান দেয়া যায়,তাহলে কি পরিমান যে ফাউন্ডেশান আর ফেইসপাউডার উঠে আসবে,কেউ ভাবতেও পারবেন না।আমার প্রশ্ন,বোরখাওয়ালীরা এত সাজবে কেন?তাদের তো পুরোটাই ঢাকা।তাহলে সেজে কাকে দেখাবে আর সেই মানুষ ওদের সাজ দেখবেই বা কি করে?....Shib Saron Haldar
আফগান নারীদের সোনালী অতীত Chittagong Daily
http://chittagongdaily.com/%e0%a6%86%e0%a6%ab%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%a4/
লালমনিরহাট:
মাছ ধরাকে কেন্দ্র
করে লালমনিরহাটে এক সংখ্যালঘুর
বাড়িতে হামলা চালিয়েছে স্থানীয়
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এ সময়
ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ভোলানাথ (৩৬)
নামে এক কৃষককে খুন করে হামলাকারীরা।
তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছয় জনকে গ্রেপ্তার
করেছে পুলিশ।
রোববার সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
ভোলানাথের মৃত্যু হয়।
শনিবার বিকেলে কালিগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর
ইউনিয়নের নওদাবাস গ্রামের সতি নদীতে মাছ
ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাধলে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী জানান, শনিবার
বিকেলে কালিগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের
নওদাবাস গ্রামের রামচন্দ্র রায়ের
ছেলে ভোলানাথের জমিতে বাঁধ দিয়ে মাছ
ধরতে যান নওদাবাস ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের
নেতা খোরশ জামাল ও তার সহযোগিরা।
এতে ভোলানাথ
বাধা দিতে গেলে তাকে ধারালো অস্ত্র
দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন তারা।
এ ঘটনার পর ভোলানাথের
বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট
চালায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। এ সময়
তারা ভোলানাথের স্ত্রী আরজু বালাসহ বাড়ির
সাত সদস্যকে পিটিয়ে জখম করে।
গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা ভোলানাথকে উদ্ধার
করে প্রথমে কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও
পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই রংপুর মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার
সকালে তিনি মারা যান।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য
বলে স্বীকার করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের
সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার রায়।
এদিকে, সংখ্যালঘুর বাড়িতে হামলা লুটপাট ও
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ওই এলাকার সংখ্যালঘু
সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
চন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর
আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,
হত্যাকারীরা স্থানীয় আওয়ামী লীগের
নেতাকর্মী। তাদের বিরুদ্ধে নানা অপকর্মের
অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন জানান, ঘটনার
সঙ্গে জড়িত ছয় জনকে রোববার ভোরে গ্রেপ্তার
করা হয়েছে।
শিশু অধিকার ফোরাম
শিশু অধিকার ফোরামের পরিচালক আব্দুস শহিদ মাহমুদ বিবিসিকে বলেন, 'আগে শুধু আবাসিক স্কুল বা মাদ্রাসায় ছেলে শিশুরা ধর্ষণের শিকার হত বলে অভিযোগ পাওয়া যেত। এখন এই ক্ষেত্র আরো বিস্তৃত হয়েছে'।
'এখন দেখা যাচ্ছে শ্রমজীবী বা পথ-শিশুরা প্রচুর ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। লঞ্চ বা বাস টার্মিনাল, ফুটপাত, মার্কেট—যেসব জায়গায় আশ্রয়হীন মানুষ রাত্রি যাপন করে সেসব জায়গায় এমন ঘটনা ঘটছে'।
মূলতঃ এক ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে রবিবার রাতে ঢাকার এক মাদ্রাসা শিক্ষককে পুলিশ আটক করবার পর ছেলেদের উপর যৌন নির্যাতন চালানোর এই বিষয়টি সামনে চলে এসেছে।বাংলাদেশেবহু ছেলে ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও ভিকটিম বা পরিবারের সদস্যদের অনীহার কারণে এসব ঘটনা প্রকাশিত কম হয় বলে উল্লেখ করছেন মি. মাহমুদ।
'শুধুমাত্র সেসব ঘটনাই আমরা জানতে পারি যেগুলো পরিস্থিতির কারণে তারা প্রকাশ করতে বাধ্য হয়'।
ঢাকায় নির্যাতনের শিকার ওই মাদ্রাসা ছাত্রের ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।ঘটনাটি তখনই সামনে এসেছে যখন ছাত্রটিকে অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।অথচ ওই একই শিক্ষক এর আগেও ছাত্রটিকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেছে বলে তার পরিবারের সদস্যরা এখন জানাচ্ছেন।
http:// www.bbc.com/ bengali/news/ 2015/08/ 150811_aho_boy_c hild_abuse
কলির পাঁচ স্থান
কলির পাঁচ স্থান
(শ্রীমদ্ভাগবতম্হইতে উদ্ধৃত)
(১) দ্যূত; যথা—তাস, দাবা, পাশা,
ঘোড়দৌড়, জলের খেলা, জুয়া, লটারি,
সতরঞ্চ, দশপঁচিশ, বাঘবন্দী, প্রভৃতি ।
তার মধ্যে মিথ্যা থাকে । এই করিলে
সত্যের নাশ হয় ।
(২) পান; যথা—তাম্বূল, গুবাক, নস্য,
তামাক, গাঁজা, অহিফেন, সুরা, ভাং,
কালকূট, ধুস্তর, তাড়ি, প্রভৃতি ।
মাধ্বিক, ঐক্ষব, দ্রাক্ষ্য, তাল,
খর্জ্জুর, পনসজাত, মৈরেয়, মাক্ষিক,
টাঙ্ক, মাধুক, নারিকেলজাত ও অন্নজাত
এই দ্বাদশপ্রকার মদ্যও পান মধ্যে
গণ্য । তার মধ্যে গর্ব্ব থাকে । এই
করিলে দয়ার নাশ হয় ।
(৩) স্ত্রী; যথা—অবৈধ স্ত্রীসঙ্গ ও
নিজ বৈধ স্ত্রীতে আসক্তি (এবং
স্ত্রীসঙ্গীর সঙ্গ) । তার মধ্যে কাম
থাকে । এই করিলে শৌচের নাশ হয় ।
(৪) সূনা অর্থাৎ নিজ দেহ পোষণের
জন্য অপরকে হত্যা করা । প্রাণিবধের
মধ্যে হিংসা থাকে । এই করিলে সত্য,
দয়া, শৌচ এবং তপের নাশ হয় ।
পশুহননে অনুমোদনকারী, হতপশুর
মাংসবিভাগকারী, স্বয়ং হন্তা,
মাংসক্রয়বিক্রয়কারী, পাচক,
পরিবেশক, এবং ভক্ষক এই কয়জনই
ঘাতকশ্রেণীভুক্ত।
(৫) জাত অর্থাৎ সুবর্ণ, রৌপ্যাদি
দ্রব্য এবং টাকা পসায়া । স্বর্ণের
মধ্যে মিথ্যা, গর্ব্ব, স্ত্রীজনিত কাম,
হিংসা, ও শত্রুতা নামক একটী পঞ্চম
অনর্থ বিরাজিত ।
Subscribe to:
Posts (Atom)