মালদা হয়ে খুব শীঘ্রই ছড়াবে সমগ্র দেশে নাশকতা, দেশের ঘরে ঘরে পৌঁছবে নেশা! এমনি বয়ান দিলেন নাম না জানিয়ে লোকাল পুলিশ! হ্যাঁ। আসলে কয়েকদিন আগে বিভিন্ন বিদেশী মিডিয়ায় এই খবর পেয়ে (যা আপনাদের সামনে তুলে ধরি) একটু লোকাল খবর নেওয়ার চেষ্টা করি,আর আমাদের সোর্স থেকে এসেছে যা খবর, তা বিস্ফোরক! বর্ডার অঞ্চল কালিয়াচকে প্রত্যেক দিন চলে কোটি কোটি টাকার ড্রাগ/ পোস্ত, বেয়াইনি অস্ত্র (যা জঙ্গিদের হাথে পৌঁছোয়), বাংলাদেশ থেকে মেয়ে পাচার কলকাতার সোনাগাছি লালবাতি এলাকায়, গোরু, ও ভারতীয় জাল নোটের লেনদেন। এবং এ কাজ শুধু ছোট দালালদের নয়, লম্বা হাথ আছে সরকার ঘনিষ্ঠ দালালদের, যারা লাভের এক মোটা অংশ রাখে নিজেদের কাছে, যার কিছুটা ভাগ যাই পার্টি ফান্ডে!! ইদানিং পুলিশ সক্রিয় হয়ে ওঠে এতে বাধা দেওয়ায়। কিন্তু ইলেকশন সামনে, তাই খরচ বেশী, এই সময় 'ধান্দায়' বাধা পড়ায় বেশ বেকায়দায় পড়ে এই 'র্যাকেট'। এই অঞ্চলে ও রাজনীতিতে ৬০%+ বেশী লোক ইসলাম ধর্মের। তাই দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করতে থাকা এই দলের সুযোগ করে দেয় কমলেশ তিওয়ারির বয়ান। ধর্মের দোহায় দিয়ে চালানো হয় আক্রমণ। প্রধান টার্গেট ছিলো পুলিশ থানা গুলি এবং এখানে গোচ্ছিত প্রমানপত্র, যা সকল নষ্ট করা হয়। তবে শুধু তাই নয়, খুবই সুক্ষতার সাথে কাজ করে যাতে কেউ প্রাণে মারা না যায়। এতে এক ঢিলে দুই পাখি মরে- ১) মালদার ঘটনায় কোন প্রানহানি হয় নি, তাই কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দরকার নেই, এই অজুহাতে ইনভেশটিগেশ্ন রাজ্য সরকারের লেভেলে সীমাবদ্ধ রাখা। আর দুই, লোকাল পুলিশের কাছে কড়া বার্তা পৌঁছে দেওয়া যে- "ধান্দায় বাধা দিয়েছ কি মরেছ!" রাজ্যে নির্বাচন আসন্ন, তাই এই মুহুর্তে টাকার প্রয়জনিয়তা, আর কমলেশজির বয়ানে ধর্মের উস্কানিতে সাধারণ মুসলিমদের লেলিয়ে দিয়ে ভিড় বাড়িয়ে পুরো ব্যাপারটাকে অন্য ভাবে প্রদর্শন করে দেখিয়ে, গেরুয়া সম্প্রদায়ের নাম খারাপ করা- এই সকলই ছিলো উদ্দেশ্য। শুধু এই নয়, এই র্যাকেটের হাথ আর দূর, এবং পাঞ্জাবের পর, ড্রাগ পাচারে বাংলার পথ হবে সবচেয়ে সুগম, বিশেষ করে পাঠানকোঠএর কান্ডের পর যখন ওপারে সুরক্ষা আরো কঠোর হয়ে গিয়েছে! এরা দেশের ঘরে ঘরে নেশা পৌঁছতে চায়, না পারলে ধর্ম দাঙ্গা, সব রকম পথ অবলম্বন করতে প্রস্তুত। আর এদের লাভের অংশীদার সরকারের দালাল, যারা এই 'কমিশনের টাকা' ইলেকশনে ও ব্যক্তিগত আমোদে খরচা করছে। নজর রাখুন, আসছে আরো খবর fb.com/WERHINDU
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Wednesday, 13 January 2016
কালিয়াচক-কাণ্ডে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)-র তদন্ত চাইছে বিজেপির বঙ্গব্রিগেড৷
কালিয়াচক-কাণ্ডে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)-র তদন্ত চাইছে বিজেপির বঙ্গব্রিগেড৷ তবে, কোনও কারণে এনআইএ-কে দায়িত্ব দেওয়া সম্ভব না হলে, তার সমতুল কোনও সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের দাবি করছে পশ্চিমবঙ্গের গেরুয়া শিবির৷ একই সঙ্গে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, মালদহের কালিয়াচক কি কাশ্মীর হয়ে গিয়েছে? কালিয়াচক কি এমন কোনও স্থান, যেখানে পৌঁছতে হলে এ দেশের-ই সংসদ সদস্যদেরও পাসপোর্ট-ভিসার প্রয়োজন?
কালিয়াচকের গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চাইছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ৷ যে কারণে, তাঁর নির্দেশে দলের-ই তিন সংসদ সদস্য সোমবার ভোরে পৌঁছে যান মালদহে৷ তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক তথা রাজস্থানের সংসদ সদস্য ভূপেন্দ্র যাদব৷ ওই প্রতিনিধি দলের অন্য দু’জন হলেন পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খণ্ডের বিজেপির সংসদ সদস্য সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া এবং বিষ্ণুদয়াল রাম৷ বিজেপির বঙ্গব্রিগেডের আবেদনের ভিত্তিতেই অমিত শাহর নির্দেশে সোমবার ওই তিন সদস্যের কালিয়াচকে যাওয়ার কথা ছিল৷ তাঁদের সঙ্গে বঙ্গ-বিজেপির তরফে ছিলেন এ রাজ্যের মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক কৃশানু মিত্র সহ আরও একজন৷ গেরুয়া শিবির সূত্রের খবর, এই পাঁচজনের সঙ্গে সোমবার কালিয়াচকে পৌঁছনোর কথা ছিল বিজেপির মালদহ জেলা সভাপতির৷
কিন্তু, শেষ পর্যন্ত তাঁরা কালিয়াচকে পৌঁছতেই পারেননি৷ কেন? সোমবার সকাল ছ’টা ১০ মিনিট নাগাদ মালদহ টাউন স্টেশনে পৌঁছয় গৌড় এক্সপ্রেস৷ কৃশানু মিত্র বলেন, ‘‘ট্রেন থেকে নামার পর আমাদের মালদহ টাউন স্টেশনের ওয়েটিং রুমে অপেক্ষা করতে বলা হয় রাজ্য প্রশাসনের তরফে৷ সেখানে আমাদের সঙ্গে এসডিপিও কথা বলবেন বলেও জানানো হয়৷ আমাদের বলা হয়, কালিয়াচকে আমরা গেলে সেখানকার শান্তি বিঘ্নিত হবে৷ সেখানে ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে বলেও জানানো হয়৷ এর পর জানানো হয়, আমাদের সঙ্গে জেলার এসপি এবং ডিএম কথা বলবেন৷ আমরা বলি, মালদহের সার্কিট হাউসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলে আমরা কালিয়াচক যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব৷ কিন্তু, মালদহ টাউন স্টেশনের বাইরে যেতে নিষেধ করেন এসপি এবং ডিএম৷’’ এবং, এমন ঘটনার জেরেই একই সঙ্গে নতুন করে সন্দেহ এবং প্রশ্ন-ও দেখা দিয়েছে গেরুয়া শিবিরে৷ কেন? তার পিছনে অন্যতম কারণ, পুলিশ-প্রশাসনেরপরস্পর বিরোধী মন্তব্য৷
কৃশানু মিত্র বলেন, ‘‘পুলিশ-প্রশাসনআমাদের যেমন বলে, কালিয়াচক এখন শান্ত৷ সেখানে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে গিয়েছে৷ তেমনই আবার, কালিয়াচক থেকে ৩৫ কিমি দূরে হওয়া সত্ত্বেও মালদা টাউন স্টেশন থেকে আমাদের বের হতে-ই দেওয়া হয়নি৷ এর পর সকাল সওয়া ন’টা নাগাদ মালদহ টাউন স্টেশন থেকে জোর করে আমাদের শতাব্দী এক্সপ্রেসে উঠিয়ে দেওয়া হয় হাওড়ায় ফেরার জন্য৷’’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘এ ভাবে সংসদীয় দলের প্রতিনিধিদের আটকে দেওয়ার বিষয়টি অভূতপূর্ব ঘটনা৷ কোন অধিকারে এমন করা হল? কোনও স্থানকে উপদ্রুত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করতে পারে সরকার৷ কিন্তু, কালিয়াচক কি কাশ্মীর হয়ে গিয়েছে? কালিয়াচক কি এমন কোনও স্থান, যেখানে যেতে হলে পাসপোর্ট-ভিসার প্রয়োজন? এই ঘটনা থেকেই স্পষ্ট, কালিয়াচকের বিষয়ে কিছু না কিছু গোপন করতে চাইছে পুলিশ-প্রশাসন৷’’
গেরুয়া শিবির সূত্রের খবর, এই বিষয়ে অমিত শাহকে গোটা ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট দেবে বিজেপির তিন সদস্যের ওই প্রতিনিধি দল৷ অন্যদিকে, বঙ্গ-বিজেপির তরফে সোমবারই গোটা বিষয়ের রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে এ রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্তকেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে রাজ্য সভাপতিকেও৷ যদিও, কালিয়াচক-কাণ্ডে বিজেপির বঙ্গব্রিগেড যে এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও রিপোর্ট সংগ্রহ করতে পারেনি, তাও নয়৷ ঘটনার পরে ১০ সদস্যের বিজেপির জেলা প্রতিনিধি দল সংস্লিষ্ট স্থান থেকে রিপোর্ট সংগ্রহ করেছে৷ সংশ্লিষ্ট স্থানের পঞ্চায়েতে বিজেপির জনপ্রতিনিধি রয়েছেন৷ বঙ্গ-বিজেপির তরফে শমীক ভট্টাচার্যর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলকেও কালিয়াচকে যেতে দেওয়া হয়নি৷ এ সবের প্রতিবাদে বঙ্গ-বিজেপির তরফে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীকে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে৷ এবং, কালিয়াচকের বিষয়ে বিজেপির রাজ্য এবং জেলা স্তরের তরফে প্রাপ্ত রিপোর্টও দেওয়া হয়েছে রাজ্যপালকে৷ গেরুয়া শিবির সূত্রের খবর, কালিয়াচক-কাণ্ডের বিষয়টি জানার পরে রাজ্যপালও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন৷ রাজ্যপালের মাধ্যমে ওই রিপোর্ট যাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে পৌঁছয়, তার জন্য বঙ্গ-বিজেপির তরফে অনুরোধ জানানো হয়েছে৷
কৃশানু মিত্র বলেন, ‘‘কালিয়াচকের ঘটনায় আমরা এনআইএ-র তদন্ত চাইছি৷ কোনও কারণে এনআইএ-কে দায়িত্ব দেওয়া সম্ভব না হলে, এনআইএ-র সমতুল কোনও সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করানোর জন্য আমরা দাবি করছি৷’’ গেরুয়া শিবির সূত্রের খবর, রাজ্যপালের মাধ্যমে যাতে কালিয়াচক-কাণ্ডের তদন্তে এনআইএ-র বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে পৌঁছয়, সেই জন্য বঙ্গ-বিজেপির তরফে তাঁকে অনুরোধ জানানো হয়েছে৷ তবে, সোমবার বিজেপির তিন সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি দলকে পুলিশ-প্রশাসন কালিয়াচকে পৌঁছতে না দিলেও, এসডিপিও, এসপি, ডিএম-দের কথাবার্তায় বিভিন্ন ধরনের অসঙ্গতি প্রকাশ পেয়েছে বলেও জানা গিয়েছে৷
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইন্দিরা গান্ধীর শাসন, ব্রিটিশ শাসনের থেকেও খারাপ ছিল।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইন্দিরা গান্ধীর শাসন, ব্রিটিশ শাসনের থেকেও খারাপ ছিল। এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে বিহার সরকারের ওয়েবসাইটে। আর তাতেই বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছে। আর এতে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছে বিহার সরকারকে।
বিহার সরকারের ওয়েবসাইটের ‘History of Bihar’ সেকশনের আধুনিক ইতিহাসের এটি অংশে লেখা রয়েছে যে 'জয়প্রকাশ নারায়ণ, ইন্দিরা গান্ধীর স্বৈরাচারী শাসনের বিরোধিতা করেছিলেন। আর তাঁর বিরোধিতায় মানুষের কি প্রতিক্রিয়া হবে সেই ভয়ে ১৯৭৫-এর ২৬ জুন সন্ধেয় তাঁকে গ্রেফতার করান ইন্দিরা।তাঁকে
িহার জেলে রাখা হয়। যেখানে কুখ্যাত সব অপরাধীরা থাকে সেখানেই রাখা হয়েছিল তাকে।'' আরও লেখা রয়েছে যে, 'ভারতকে স্বাধীন করার জন্য যিনি জওহরলাল নেহরুর পাশে থেকে লড়াই করেছেন তাঁর সঙ্গে ইন্দিরা গান্ধী এতটাই খারাপ ব্যবহার করেছিল যা নাকি ব্রিটিশরা চম্পারণে গান্ধীজির সঙ্গে যা করেছিল তার থেকেও খারাপ।'
বিহারের কংগ্রেস নেরা চন্দন যাদব বলেন, এই ইস্যু নিয়ে দলে আলোচনা হবে। দল মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের সঙ্গে কথা বলবে। এইভাবে ইন্দিরা গান্ধীর উদাহরণ টানা কখনই উচিৎ নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, ইন্দিরা গান্ধী আজও বিহারের মানুষের মধ্যে যথেষ্ট জনপ্রিয়। বিশেষত গরিবি হটাও আন্দোলনের জন্য তাঁকে মনে রেখেছে বিহারবাসী। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের আধিকারিকরা।
২০১৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ওই ওয়েবসাইটটি প্রকাশিত হয়।
বিশাখাপত্তনমে যুদ্ধজাহাজ তৈরির কারখানা গড়ার কথা রবিবার ঘোষণা করলেন অনিল ধীরুভাই আম্বানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান অনিল আম্বানি৷
বিশাখাপত্তনমে যুদ্ধজাহাজ তৈরির কারখানা গড়ার কথা রবিবার ঘোষণা করলেন অনিল ধীরুভাই আম্বানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান অনিল আম্বানি৷ এ জন্য প্রাথমিক ভাবে ৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন৷ রামবিল্লিতে প্রস্তাবিত এই কারখানা তৈরি হলে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম অনুসারী শিল্পে ওই এলাকায় আরও ৫ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হওয়ার পাশাপাশি কয়েক হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে তাঁর দাবি৷ এ ব্যাপারে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের সঙ্গে রিলায়েন্স অনিল ধীরুভাই আম্বানি গোষ্ঠী ইতিমধ্যেই একটি মউ স্বাক্ষর করেছে৷ এদিন অন্ধ্র পার্টনারশিপ সামিটে তিনি বলেন , 'গুজরাটের পিপাভাভে আমাদের ইতিমধ্যেই কারখানা রয়েছে৷ আমরা ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য রামবিল্লিতে আরও একটি কারখানা তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি৷ আগামী ১৫ বছরে ভারতীয় নৌবাহিনী সাবমেরিন এবং বিমানবাহী জাহাজ কেনা ও আধুনিকীকরণের জন্য ৩ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি খরচ করবে বলে প্রাথমিক হিসাব৷ অর্থাত্, প্রতি বছর তারা এই খাতে খরচ করবে ২০ হাজার কোটি টাকা , যা এই প্রস্তাবিত কারখানার কাছে একটা বিরাট সুযোগ৷ '
এই কারখানা গড়ার জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে বলে জানিয়ে তাঁর দাবি অন্ধ্রপ্রদেশে একটি জায়গায় এত বড় বিনিয়োগ এযাবত্ হয়নি৷ প্রসঙ্গত , দক্ষিণের এই রাজ্যে গোষ্ঠী সব মিলিয়ে ইতিমধ্যে ১৫ ,০০০ কোটি টাকারও বেশি লগ্নি করেছে৷ কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যতম নীতি হল আরও বেশি সংখ্যায় দেশের মধ্যে নিউক্লিয়ার সাবমেরিন তৈরি করা৷ আম্বানির মতে , তাঁদের প্রস্তাবিত এই কারখানা এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে৷ তাঁর কথায় , 'একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বারে বারে যে মেক ইন ইন্ডিয়া -র কথা বলছেন , তাও এই কারখানা পূরণ করবে৷ একই সঙ্গে এই কারখানা তৈরি হলে ভারতে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাণে অন্ধ্রপ্রদেশ শীর্ষ স্থানে চলে যাবে৷ ' তাঁর বক্তব্য , ভারত তখনই আঞ্চলিক সুপারপাওয়ার হয়ে উঠবে , যখন তার নৌবাহিনীর পারদর্শিতা ও ক্ষমতা আরও বাড়বে৷ তিনি বলেন , 'সারা বিশ্বে আমেরিকার ১০টি বিমানবাহী নৌ -জাহাজ গোষ্ঠী কাজ করে৷ তারা আরও তিনটি বাড়াচ্ছে৷ সেই জায়গায় ভারতের রয়েছে মাত্র একটি৷ একই ভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের হাতে যেখানে ৭২ ও ৬৯টি সাবমেরিন আছে , সেখানে ভারতের রয়েছে মাত্র ১৭টি৷ ভারতীয় নৌবাহিনীর নিউক্লিয়ার সাবমেরিনের সংখ্যা মাত্র এক৷ সেখানে চিনের রয়েছে ১২টি৷ ভারতীয় নৌবাহিনীর ৯০ শতাংশ জাহাজের বয়স ২০ বছরের বেশি৷ ফলে , আধুনিকীকরণের পাশাপাশি নতুন জাহাজ কেনাটাও এই মুহূর্তে অত্যন্ত জরুরি৷ ' লগ্নি ৫ হাজার কোটি টাকা৷
Tuesday, 12 January 2016
পশ্চিমবঙ্গে শরীয়া আইন চালু হয়ে যাবে
শেয়ার অবশ্যই করবেন
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির অবদানে বাংলাদেশের আগেই হয়ত পশ্চিমবঙ্গে শরীয়া আইন চালু হয়ে যাবে। ইসলামী মৌলবাদিদের রমরমা চলছে সেখানে। বাংলাদেশের জেএমবি জঙ্গীরা ঘাটি গেড়ে বসেছে সেখানে, আর মমতা ব্যানার্জি ভোট ব্যাংকের রাজনীতির জন্য এদের মদদ দিয়ে যাচ্ছেন। আমার অবাক লাগে নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামী জঙ্গী সংগঠন 'সিমি'র এক সময়কার সাধারন সম্পাদক আহমেদ হাসান ইমরানকে কিভাবে মমতা ব্যানার্জি রাজ্যসভার এমপি বানান? এর সাথেই বাংলাদেশের জামাতের অর্থ লেনদেন হয়েছে। হিন্দুবিরোধি দাঙ্গার আরেক উস্কানিদাতা ইদ্রিস আলীকে এমপি বানান মমতা। মমতা ব্যানার্জি হিন্দু মৌলবাদের বিরোধী। এটাকে সাধুবাদ জানানোর পর অবাক হতে হয় সেই মমতাই পরম মমতায় উগ্র ইসলামী মৌলবাদী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী এবং টিপু সুলতান মসজিদের ইমাম বরকতিকে আচঁলের নিচে রেখেছেন। ফুরফুরার ত্বহা সিদ্দিকা ব্রাদার্স কোম্পানি তো আছেই।
বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধী জামাত নেতাদের রায়ে ইসলামী মৌলবাদীরা মিছিল করে, আর তাতে পুলিশি প্রটেকশন দেয় মমতার সরকার।
আর ভারতের মহান(?) স্যেকুলারিজম!!
ফেসবুক বন্ধুদের পোস্ট+জি নিউজ থেকে জেনেছি যে মালদার কালিয়ারচকে বড় রকমের একটা সাম্প্রদায়িক সমস্যা হয়েছে। পুলিশ স্টেশনে আগুন দিয়েছে, হিন্দুদের দোকানপাটে আগুন দিয়েছে,বিএসএফের গাড়ী পুড়িয়েছে, মন্দিরে হামলা হয়েছে। উত্তর প্রদেশের এক বিজেপি নেতার মন্তব্যের প্রতিবাদে সেখানে লক্ষাধিক মুসলিম জনতা একত্রিত হয় এবং হামলা শুরু করে। পুলিশ আহত হয়েছে, পরে পালিয়ে বেচেছে। যেহেতু এখানের হামলাকারীরা মুসলিম তাই প্রায় সকল মিডিয়া এতোবড় ঘটনা চেপে গিয়েছে। অথচ আখলাকের ঘটনা পুরো ভারত তো বটেই বাংলাদেশের শিশুরাও জানে। ভারতের মুসলিম নির্যাতনের সামান্য ঘটনাও বাংলাদেশের মিডিয়া ব্যাপক প্রচার করে। অথচ হিন্দু নির্যাতনের ঘটনাগুলো দুদেশের মিডিয়াই চেপে যায়। বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতনের কোন খবর আমি ভারতের মিডিয়ায় কখনো দেখিনি। বাংলাদেশের মতো দূর্গা প্রতিমা ভাঙার ঐতিহ্য পশ্চিমবঙ্গেও চালু হয়েছে। বাহ!
মহান(?) স্যেকুলারিজমের কল্যানে ইসলামী জঙ্গীদের হুঙ্কারে পশ্চিমবঙ্গ থেকে মৌলবাদবিরোধী লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে বিতাড়িত করা হয়, আবার সেই তারাই হিন্দু ধর্মীয় নেতা তোগাড়িয়াকে পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ করে হিন্দু মৌলবাদের অভিযোগে।
বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের উপর হামলায় আমি কখনো দেখিনি কাউকে প্রতিবাদে পুরস্কার ফেরত দিতে। ভারতে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনায় কবি সাহিত্যিকসহ সকল শ্রেনী পেশার লোকেরা পুরষ্কার, পদক ফেরত দিয়ে প্রতিবাদ করেছে, অথচ তারাই ইসলামী মৌলবাদীদের উগ্রতার সময় চরমভাবে নিশ্চুপ। ভারতে ভন্ড বাম ও স্যেকুলার সবাই ইসলামী মৌলবাদের তোষন প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত। ফলাফল দেখবেন আগামী ২০-৩০ বছরে। ভারতের ভন্ড বামগুলো সূদুর ফিলিস্তিনে হামলার প্রতিবাদে মিছিল করে, অথচ পাশের দেশে সংখ্যালঘুদের জন্য একটা বাক্যও ব্যয় করে না।
ভাবছেন আমি বাংলাদেশী হয়ে ভারতের এটা নিয়ে কেন এতোকিছু ভাবছি?
ভাবছি সাবেক পূর্ববঙ্গের অধিবাসী, আমাদের এখান থেকে প্রতিনিয়ত হিজরত করে পশ্চিমবঙ্গে যাওয়া হিন্দুদের কথা। আমার চোখের সামনে আমাদের গ্রামের বহু হিন্দু পরিবারের ভিটে খালি করে ভারতে যাওয়া দেখেছি, এখনো যাচ্ছে। চেষ্টা করেছি এদের থামাতে, কিন্তু পারিনি। কাপুরুষের দল নিরাপদ স্থানের খোঁজে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে, কয়েক বছর পরে আবার সেখান থেকে কোথায় পালাবে এটা ভাবছি। তবে সেবার তারা পালানোর সময় পশ্চিমবঙ্গের ভূমিপুত্র সাথীদেরও পাবে এটা নিশ্চিত!!
ABP আনন্দের মহান সাংবাদিক সুমন এক কৃষক এর সাক্ষাৎকার নিচ্ছে -
ABP আনন্দের মহান সাংবাদিক সুমন এক কৃষক এর সাক্ষাৎকার নিচ্ছে -
সুমন : তুমি ছাগল দুটোকে কি খেতে দাও ?
কৃষক : কোন ছাগলটা কে, সাদা টা কে না কালো টা কে ?
সুমন : কালো টা কে ?
কৃষক : ঘাস
সুমন : আর সাদা টা কে ?
কৃষক : ওটাকেও ঘাস খেতে দিই।
সুমন : তুমি ছাগল দুটোকে কোথায় বেঁধে রাখো ?
কৃষক : কোন ছাগলটা কে, সাদা টা কে না কালো টা কে ?
সুমন : কালো টা কে ?
কৃষক : গোয়ালে, একটা খুঁটির সাথে।
সুমন : আর সাদা টা কে ?
কৃষক : ওটাকেও গোয়ালে ওই একই খুঁটির সাথে।
সুমন : তুমি ছাগল দুটোকে কি দিয়ে পরিস্কার রাখো ?
কৃষক : কোন ছাগলটা কে, সাদা টা কে না কালো টা কে ?
সুমন : কালো টা কে ?
কৃষক : জল দিয়ে চান করাই।
সুমন : আর সাদা টা কে ?
কৃষক : ওটাকেও জল দিয়ে চান করাই।
সুমন (প্রচন্ড রেগে গিয়ে) : শালা, হারামী...দুটো ছাগল এর সাথেই যখন সব কিছু একরকম হচ্ছে তখন বার বার আমাকে জিজ্ঞাসা করছো কেন যে সাদা ছাগল টা না কালো ছাগল টা ?
কৃষক : কারন কালো ছাগল টা আমার।
সুমন : আর সাদা ছাগল টা ?
কৃষক : ওটাও আমার।
এই শুনে সুমন অজ্ঞান। যখন জ্ঞান ফিরলো তখন কৃষক সুমনকে বললো - এবার বুঝলি যখন টিভি তে একই খবর বারবার বলে আমাদের কানের পোকা মেরে দিস তখন আমাদের কেমন লাগে ?
পৃথিবীর সব দেশেই নারী নির্যাতন আর ধর্ষণ হয়।
পৃথিবীর সব দেশেই নারী নির্যাতন আর ধর্ষণ হয়।তবে মুসলিম দেশ গুলোতে সেটা মাত্রা ছাড়া কারণ সে সব ঘটনা তাদের দেশের কথিত মিডিয়া সামনেই আনে না।প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি মুসলিম পরিবার এক একটি ধর্ষণের কারখানা।মা,মেয়ে, বউ,শাশুড়ি, দাদি ,নানি কে না ধর্ষিত হচ্ছে এই সব পরিবারে প্রতিনিয়ত। কিন্তু সেগুলো মিডিয়াতে আসে না মানে আসতে দেয় না।আর যে সব মুসলিম দেশে শরিয়া আইন চালু আছে সেখানে তো একজন ধর্ষিত বা নির্যাতিত মেয়েকে চার জন পুরুষ সাক্ষী আনতে হবে তার ধর্ষণ প্রমাণ করার জন্য।একটি বার ভেবে দেখুন কতটা বর্বর হলে এমন কানুন থাকতে পারে সমাজে। একজন ধর্ষিত মেয়েকে চারজন পুরুষ সাক্ষী রেখে ধর্ষিত হতে হবে। হায় রে মুসলমান।মানে এক ভাবে মুসলিম পুরুষদের জন্য ধর্ষণকে জায়েজ করে দিয়েছ শরিয়া আইন।আর এসব কারনেই কোন ধর্ষিত মেয়ে বিচার চাইতে আসে না, নীরবে অশ্রু পাত করে ।তার কথা মিডিয়া তেও আসে নে কেউ জানতেও পারে না। চাচাত মামাত ভাই, চাচা, খালু, মামা ,শ্বশুর,দেবর, ভাসুর,প্রতিবেশি,হুজুর, মাওলানা, মাদ্রাসার শিক্ষক, আরবি শিক্ষক প্রত্যেকটা পুরুষ মুসলিম পরিবারের ওই সব বোরকা মানে বস্তা বন্দী মেয়েটার জন্য লালা ফেলতে থাকে সব সময়।এগুলো তো আমার নিজের চোখে দেখা। আর কাজের মেয়ের কথা কি বলব।এটা তো আমাদের পবিত্র কোরানেই জায়েজ করে দিয়েছে।কিন্তু এগুলো কেউ বলতে সাহস করে না। যে মেয়ে বলবে তাঁকেই তসলিমরা মত হত্যার ফতোয়া দেবে, গালাগালি করবে। আমার ইনবক্স দেখলে ভয় লাগে এত টা নৃশংস আর বর্বর এই মুসলিমরা।
একজন একটি কমেন্ট করল যে ভারতেও ধর্ষণ হয়।হ্যা, ধর্ষণ তো সেখানে হবেই। কারণ সেখানেও তো ১৫ কোটি মুমিন মুসলমান বসবাস করে। ভারতের ৮০% ধর্ষণ করে মুসলিমরাঃ উপাত্তসহ বিশ্লেষণ
গত এক মাসে(জুন) পশ্চিমবঙ্গে নারীর ওপর ঘটে যাওয়া সহিংস কিছু ঘটনা, যা আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে, তা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। খবর গুলির একটি বাদে সব কটিই এবিপি আনন্দ এবং 24 ঘণ্টা হতে সংগৃহীত।
1/6/15- কলকাতার আর জে কর হাসপাতালে মাসুম আলী খান ও হায়দার আলী নামে দুই কর্মচারী কর্তৃক 24 বছর বয়সী এক মহিলাকে গণ ধর্ষন।
3/6- গিরিশ পার্ক হত্যাকাণ্ডে প্রতিমা মাইতী খুনে মূল অভিযুক্ত আলম আলী।
3/6- বাগুই হাটি হত্যাকান্ডে নিহত সোনিয়া সিং ওরফে সুভদ্রা হালদার খুনে অভিযুক্ত তার নিকট আত্মীয়রা। তাকে প্রথম যৌন পল্লীতে বিক্রি করে সিরাজ নামের এক ব্যক্তি।
4/6- পরীক্ষা হল থেকে বেরিয়ে যেতে বলায় টিএমসিপি নেতা তাজমুল হক দুই
শিক্ষিকাকে সরাসরি ধর্ষন ও খুনের হুমকি দিল।
10/6- মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে দুই রোগীর আত্মীয়কে শ্লীলতাহানি করল শাহজাহান শেখ নামে আর এক রোগীর আত্মীয়।
11/6- বাগদার হরিহর পুরে এক মহিলার শিশু পুত্রের গলায় অস্ত্র ধরে তাকে ধর্ষন
করল রমজান মণ্ডল ও রফি মণ্ডল নামে দুই ব্যক্তি।
12/6 বাঁকুড়া বাসস্ট্যাণ্ডে এক মহিলাকে শ্লীলতাহানি এবং তার সঙ্গীদেরকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল নেতা বাপী চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে।
13/6- বলে দিলে স্বামীকে খুন করে দেবে হুমকি দিয়ে এক গৃহ বধূকে ধর্ষনের
অভিযোগে অভিযুক্ত রাজ মন্ডল ও চিরন রায়।
19/6- মগরা হাটে 15 বছর বয়সী টুকটুকি মণ্ডলকে অপহরণ করল ( দ্বিতীয় বার)
রমজান গাজীর ছেলে বাবুসোনা গাজী।
23/6- শালীকে বারংবার ধর্ষনে অভিযুক্ত জেলবন্দী জামাইবাবু শওকত শেখে জেলে বসেই শালিকে অপহরন ও শ্লীলতাহানি করাল বন্ধুদের দিয়ে, পরে গাড়ী থেকে রাস্তায় ছুড়ে ফেলে।
26/6- প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় বাড়ীর জানালা দিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় ছাত্রীর গায়ে আগুন দিল মুশিওর খান নামে এক যুবক। সেই আগুনে মা-বাবা সহ সেই ছাত্রীটি অগ্নিদগ্ধ।
অতএব উপরোক্ত ১১ টি ঘটনা বিশ্লষণ করে দেখা যাচ্ছে যে ৯ টি ঘটনার সাথে আমাদের সংখ্যালঘু ভাই মুসলিমরাই যুক্ত,। যা মোট ঘটনার ৮১%। অপর দিকে সংখ্যা গরিষ্ঠ হিন্দুরা যুক্ত ২৭% ক্ষেত্রে।
সংখ্যালঘুরা অপরাধে সংখ্যাগুরু কেন ভাই?
কামদুনি থেকে পার্ক স্ট্রিট সব ঘটনার নায়ক কিন্তু মুসলিম।
Subscribe to:
Posts (Atom)