মালদা হয়ে খুব শীঘ্রই ছড়াবে সমগ্র দেশে নাশকতা, দেশের ঘরে ঘরে পৌঁছবে নেশা! এমনি বয়ান দিলেন নাম না জানিয়ে লোকাল পুলিশ! হ্যাঁ। আসলে কয়েকদিন আগে বিভিন্ন বিদেশী মিডিয়ায় এই খবর পেয়ে (যা আপনাদের সামনে তুলে ধরি) একটু লোকাল খবর নেওয়ার চেষ্টা করি,আর আমাদের সোর্স থেকে এসেছে যা খবর, তা বিস্ফোরক! বর্ডার অঞ্চল কালিয়াচকে প্রত্যেক দিন চলে কোটি কোটি টাকার ড্রাগ/ পোস্ত, বেয়াইনি অস্ত্র (যা জঙ্গিদের হাথে পৌঁছোয়), বাংলাদেশ থেকে মেয়ে পাচার কলকাতার সোনাগাছি লালবাতি এলাকায়, গোরু, ও ভারতীয় জাল নোটের লেনদেন। এবং এ কাজ শুধু ছোট দালালদের নয়, লম্বা হাথ আছে সরকার ঘনিষ্ঠ দালালদের, যারা লাভের এক মোটা অংশ রাখে নিজেদের কাছে, যার কিছুটা ভাগ যাই পার্টি ফান্ডে!! ইদানিং পুলিশ সক্রিয় হয়ে ওঠে এতে বাধা দেওয়ায়। কিন্তু ইলেকশন সামনে, তাই খরচ বেশী, এই সময় 'ধান্দায়' বাধা পড়ায় বেশ বেকায়দায় পড়ে এই 'র্যাকেট'। এই অঞ্চলে ও রাজনীতিতে ৬০%+ বেশী লোক ইসলাম ধর্মের। তাই দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করতে থাকা এই দলের সুযোগ করে দেয় কমলেশ তিওয়ারির বয়ান। ধর্মের দোহায় দিয়ে চালানো হয় আক্রমণ। প্রধান টার্গেট ছিলো পুলিশ থানা গুলি এবং এখানে গোচ্ছিত প্রমানপত্র, যা সকল নষ্ট করা হয়। তবে শুধু তাই নয়, খুবই সুক্ষতার সাথে কাজ করে যাতে কেউ প্রাণে মারা না যায়। এতে এক ঢিলে দুই পাখি মরে- ১) মালদার ঘটনায় কোন প্রানহানি হয় নি, তাই কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দরকার নেই, এই অজুহাতে ইনভেশটিগেশ্ন রাজ্য সরকারের লেভেলে সীমাবদ্ধ রাখা। আর দুই, লোকাল পুলিশের কাছে কড়া বার্তা পৌঁছে দেওয়া যে- "ধান্দায় বাধা দিয়েছ কি মরেছ!" রাজ্যে নির্বাচন আসন্ন, তাই এই মুহুর্তে টাকার প্রয়জনিয়তা, আর কমলেশজির বয়ানে ধর্মের উস্কানিতে সাধারণ মুসলিমদের লেলিয়ে দিয়ে ভিড় বাড়িয়ে পুরো ব্যাপারটাকে অন্য ভাবে প্রদর্শন করে দেখিয়ে, গেরুয়া সম্প্রদায়ের নাম খারাপ করা- এই সকলই ছিলো উদ্দেশ্য। শুধু এই নয়, এই র্যাকেটের হাথ আর দূর, এবং পাঞ্জাবের পর, ড্রাগ পাচারে বাংলার পথ হবে সবচেয়ে সুগম, বিশেষ করে পাঠানকোঠএর কান্ডের পর যখন ওপারে সুরক্ষা আরো কঠোর হয়ে গিয়েছে! এরা দেশের ঘরে ঘরে নেশা পৌঁছতে চায়, না পারলে ধর্ম দাঙ্গা, সব রকম পথ অবলম্বন করতে প্রস্তুত। আর এদের লাভের অংশীদার সরকারের দালাল, যারা এই 'কমিশনের টাকা' ইলেকশনে ও ব্যক্তিগত আমোদে খরচা করছে। নজর রাখুন, আসছে আরো খবর fb.com/WERHINDU
No comments:
Post a Comment