Friday, 10 July 2015

Chanakya চাণক্য (খ্রিস্টপূর্ব ৩৭০-২৮৩ অব্দ)

চাণক্য (খ্রিস্টপূর্ব ৩৭০-২৮৩ অব্দ) ছিলেন একজন প্রাচীন ভারতীয় গুরু (শিক্ষক), দার্শনিক ও রাজ- উপদেষ্টা। তিনি প্রাচীন তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়েঅর্থনীতি ও রাষ্ট্রনীতির অধ্যাপক ছিলেন। তিনি মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের উত্থানে প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করেন। তিনিই তরুণ চন্দ্রগুপ্তকে শিক্ষা দিয়েছিলেন। মৌর্য সাম্রাজ্য ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের নথিভুক্ত ইতিহাসে প্রথম সর্বভারতীয় সাম্রাজ্য। চাণক্য চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ও তাঁর পুত্র বিন্দুসারের রাজ-উপদেষ্টার কাজ করেছিলেন। চাণক্যকে কৌটিল্য বা বিষ্ণুগুপ্ত নামেও অভিহিত করা হয়। তিনি প্রাচীন ভারতের রাষ্ট্রবিজ্ঞান গ্রন্থ অর্থশাস্ত্র -এর রচয়িতা।তাঁকেই ভারতের প্রথম অর্থনীতিবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীমনে করা হয়। চাণক্যকে "ভারতের মেকিয়াভেলি " বলা হয়। তার অসাধারণ কৃতিত্ব ছিল প্রচণ্ড শক্তিশালী নন্দ বংশের শাসন উৎখাত করে সম্রাট অশোকের পিতামহ চন্দ্র গুপ্ত মৌর্যকে ভারতের শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করা। চন্দ্র গুপ্ত মৌর্যকেই উপমহাদেশের প্রথম ঐতিহাসিক সম্রাট হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নন্দ বংশের সর্বশেষ রাজা প্রজা সাধারণের কাছে প্রিয় ছিলেন না। একবার তিনি চাণক্যকে অপমান করেছিলেন। চাণক্য এই অপমানের প্রতিশোধ গ্রহণের প্রতিজ্ঞা করেন। এদিকে তরুণ ও উচ্চাভিলাষী চন্দ্র গুপ্ত, যিনি নন্দ রাজার পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন, তিনিও ষড়যন্ত্র করছিলেন সিংহাসন দখলের। কিন্তু তার ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয় এবং জীবন বাঁচাতে তাকে পালাতে হয়। চন্দ্র গুপ্ত যখন বিন্ধানের জঙ্গলে পলাতক ও নির্বাসিত জীবন যাপন করছিলেন তখন ঘটনাচক্রে চাণক্যের সাথে তার সাক্ষাত হয়। চন্দ্র গুপ্ত তার জীবনের লক্ষ্যে পৌঁছার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করেন চাণক্যকে এবং তখনই তাকে তার গুরু, উপদেষ্টা ও মন্ত্রণাদাতা হিসেবে মেনে নেন। পরবর্তীতে তিনি চন্দ্র গুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রীও হয়েছিলেন। চাণক্যের সক্রিয় সাহায্যে চন্দ্রগুপ্ত একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তোলেন এবং গুরুর তৈরি সুনিপুণ পরিকল্পনা অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণ করে শেষ পর্যন্ত নন্দ রাজাকে সিংহাসনচ্যুত করতে সক্ষম হন। অতঃপর মগধের সিংহাসনে আরোহণ করেন চন্দ্র গুপ্ত মৌর্য। যে পরিস্থিতিতে চন্দ্র গুপ্ত নন্দ বংশকে ক্ষমতাচ্যুত করে নিজের বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন তা অত্যন্ত চমৎকারভাবে বর্ণনা করা হয়েছে পঞ্চম শতাব্দীতে লিখিত একটি রাজনৈতিক নাটক 'মুদ্রা রাক্ষস' এ। এ নাটকের রচয়িতা বিশাখাদত্ত নামে এক প্রাচীন নাট্যকার। যে পরিস্থিতিতে চন্দ্র গুপ্ত নন্দ বংশকে ক্ষমতাচ্যুত করে নিজের বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন তা অত্যন্ত চমৎকারভাবে বর্ণনা করা হয়েছে পঞ্চম শতাব্দীতে লিখিত একটি রাজনৈতিক নাটক 'মুদ্রা রাক্ষস' এ। এ নাটকের রচয়িতা বিশাখাদত্ত নামে এক প্রাচীন নাট্যকার। চন্দ্র গুপ্তের শ্রদ্ধেয় গুরু ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাণক্য অবলীলায় বিলাসবহুল জীবন কাটাতে পারতেন জাঁকজমকপূর্ণ প্রাসাদে। কিন্তু তিনি এর পরিবর্তে খুব সাধারণভাবে একটি কুঁড়েঘরে বসবাসের জীবন বাছাই করে নিয়েছিলেন। এই কুঁড়েঘরটি অবস্থিত ছিল এক শ্মশানে। সেখানে ক্ষমতার দৃশ্যপট থেকে দূরে অবস্থান করে তিনি বহু শিষ্যকে রাজ্যশাসনের কৌশল শিক্ষা দিয়েছেন এবং নৈতিক ও আর্থ-সামাজিক বিষয়ে জ্ঞান দান করেছেন। এসব ছাড়াও তিনি তার রাজার দেয়া দায়িত্ব পালন করেছেন বিশ্বস্ততার সাথে। চন্দ্রগুপ্তের জীবনে তিনি ছিলেন অভিভাবক স্বর্গীয় দূতের মতো এবং সত্যিকার বন্ধু, দার্শনিক ও গুরু। চাণক্যের বিরাট সাহিত্য কর্ম 'অর্থশাস্ত্র', যার শব্দগত অর্থ 'পৃথিবীতে সাধারণ কল্যাণ বিষয়ক বিবরণী।' এই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ রয়েছে শাসকের উদ্দেশ্যে পরামর্শ যে, কিভাবে একজন শাসককে তার প্রজাদের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও জীবন মান উন্নত করার জন্যে কাজ করতে হবে এবং কিভাবে আরও ভূখণ্ড ও মূল্যবান সম্পদ নিজ সাম্রাজ্যভুক্ত করতে হবে। চাণক্য যে সব পরামর্শ বা নির্দেশনা সেই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেছেন সেসবের অধিকাংশই শুধু রাজ্যশাসন নয় বড় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। চাণক্য উপমহাদেশে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রথম প্রবক্তা এবং তার কিছু নীতি বিশ্বজনীনভাবে প্রযোজ্য। এই বিজ্ঞ ও বাস্তবজ্ঞান সম্পন্ন দার্শনিক ধর্ম, নীতিশাস্ত্র, সামাজিক আচরণ ও রাজনীতির ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু পর্যবেক্ষণ বর্ণনা করেছেন। এসবের কিছু কিছু অন্যান্য বিবরণীতে সংগৃহীত হয়েছে। এ ধরণের একটি সংকলনের নাম 'চাণক্য নীতি দর্পণ'।তার কথাগুলো হয়তো আধুনিক যুগের পরিশীলিত কথাবার্তা থেকে ভিন্ন, কিন্তু দুই হাজার বছরের অধিক সময়ের ব্যবধানেও সেগুলো গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেনি। চাণক্য তার নীতিকথায় বলেছেন, "বিষ থেকে সুধা, নোংরা স্থান থেকে সোনা, নিচ কারো থেকে জ্ঞান এবং নিচু পরিবার থেকে শুভলক্ষণা স্ত্রী - এসব গ্রহণ করা সঙ্গত।" "মনের বাসনাকে দূরীভূত করা উচিত নয়। এই বাসনাগুলোকে গানের গুঞ্জনের মতো কাজে লাগানো উচিত।" বাংলায় প্রচলিত কিছু চাণক্য শ্লোক---------------- ●অতি পরিচয়ে দোষ আর ঢাকা থাকে না। ●অধমেরা ধন চায়, মধ্যমেরা ধন ও মান চায়। উত্তমেরা শুধু মান চায়। মানই মহতের ধন। ●অনেকে চারটি বেদ এবং ধর্মশাস্ত্র অধ্যয়ন করলেও আত্মাকে জানে না, হাতা যেমন রন্ধন-রস জানে না। ●অহংকারের মত শত্রু নেই। ● আদর দেওয়ার অনেক দোষ, শাসন করার অনেক গুণ, তাই পুত্র ও শিষ্যকে শাসন করাই দরকার, আদর দেওয়া নয। ● আড়ালে কাজের বিঘ্ন ঘটায়, কিন্তু সামনে ভাল কথা বলে, যার উপরে মধু কিন্তু অন্তরে বিষ, তাকে পরিত্যাগ করা উচিত। ● উৎসবে, বিপদে, দুর্ভিক্ষে, শত্রুর সঙ্গে সংগ্রামকালে, রাজদ্বারে এবং শ্মশানে যে সঙ্গে থাকে, সে-ই প্রকৃত বন্ধু। ● একটি দোষ বহু গুণকেও গ্রাস করে। ● একটি কুবৃক্ষের কোটরের আগুন থেকে যেমন সমস্ত বন ভস্মীভূত হয়, তেমনি একটি কুপুত্রের দ্বারাও বংশ দগ্ধ হয। ● একটিমাত্র পুষ্পিত সুগন্ধ বৃক্ষে যেমন সমস্ত বন সুবাসিত হয়, তেমনি একটি সুপুত্রের দ্বারা সমস্ত কুল ধন্য হয়। ●একশত মূর্খ পুত্রের চেয়ে একটি গুণী পুত্র বরং ভাল। একটি চন্দ্রই অন্ধকার দূর করে, সকল তারা মিলেও তা পারে না।

বাংলাদেশের কট্টরপন্থী ইসলামিকরা ভারতীয় পেজে যে অপপ্রচার চালাচ্ছে

তার জবাব---------¤¤ মিথ্যার স্থায়িত্ব ক্ষনিক কিন্তু সত্য চিরস্থায়ী---------------- ●●শিব তার নিজের ছেলে গনেশকে চিনতে পারেনি অবশেষে গর্দান কেটে ফেলেছিলেন, তাহলে তিনি তার সৃষ্টিকে কি করে চিনবেন? ভুলে যাওয়া কি সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট...? ☆--- ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ অনুসারে, গণেশের জন্ম হয়েছিল অন্যভাবে। শিব ও পার্বতী পুত্রলাভের আশায় বর্ষব্যাপী পুণ্যক ব্রত ও বিষ্ণুপূজা করেছিলেন। এই ব্রতে তুষ্ট হয়ে বিষ্ণু পার্বতীর পুত্ররূপে অবতীর্ণ হবেন। এরপর পার্বতীর গর্ভে এক পুত্রের জন্ম হয়। সকল দেবদেবী তাঁর জন্ম উপলক্ষ্যে উৎসবে মেতে ওঠেন। যদিও সূর্যের পুত্র শনি শিশুটির দিকে তাকাতে ইতস্তত করেন। কারণ শনির দৃষ্টি অমঙ্গলজনক। কিন্তু পার্বতীর পীড়াপীড়িতে শনি শিশুটির দিকে তাকাতে বাধ্য হন। মুহুর্তের মধ্যে শিশুর মস্তক ছিন্ন হয়ে গোলোকে চলে যায়। শিব ও পার্বতী এতে শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়লে বিষ্ণু গরুড়ের পিঠে চড়ে পুষ্পভদ্র নদীর তীরে এসে উপস্থিত হন। সেখান থেকে তিনি একটি হস্তিশিশুর মাথা নিয়ে ফিরে আসেন। এরপর পার্বতীর শিশুর মুণ্ডহীন দেহে সেই হাতির মাথাটি বসিয়ে তার প্রাণ ফিরিয়ে আনা হয়। এই শিশুর নাম রাখা হয় গণেশ এবং দেবতারা তাঁকে আশীর্বাদ করেন।তাহলে আমার প্রশ্ন তিনি ভুললেন কখন? ॐ卐 ●● রাবন যদি শয়তান হয়ে একদিনে লঙ্কায় পৌছাঁতে পারে তবে রামের সৃষ্টিকর্তা হয়ে কেন ১২ বছর লাগলো তাও আবার হনুমানের সাহায্যে? শয়তানের শক্তি সৃষ্টির্কতা হতে কি করে বেশি হওয়া সম্ভব ? ☆---------রামকেলঙ্কা যেতে ১২ বছর লাগেনি।রাম ১৪ বছরের জন্য বসবাসে গিয়েছিলেন।শেষবর্ষে সীতা মাতার অপহরণ হয় ও শ্রী রাম মাকে উদ্ধার করেন। দূর্গাপূজার ষষ্ঠী থেকে শুরু হয়ে বিজয়াতে রাম জয় লাভ করেন।ॐ卐 ●●শিব ৬০,০০০বিবাহ করেছিল সে মারা যাবার পর তার লিঙ্গকে পূজা করা হয় একজন শিষ্টাচার হিন্দু কোন যুক্তিকতায় তার স্ত্রীকে দিয়ে দুধ দিয়ে শিবের গোপন অঙ্গ ধৌত করে? এটা কি সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য? এমন কুরুচিপূর্ন আদেশ সৃষ্টিকর্তা দিতে পারেন? ☆-----শিব ৬০০০০ বিয়ে করেছিলেন এই কথার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ দিতে পারবেন?? আর সংস্কৃত আর বাংলা এক না।আক্ষরিক বিশ্লেষণে দেখা যায়- ‘শিব’ শব্দের অর্থ ‘মঙ্গল’ আর ‘লিঙ্গ’ শব্দের অর্থ প্রতীক বা চিহ্ন। শাস্ত্রে ‘শিব’ বলতে নিরাকার সর্বব্যাপি পরমাত্মা বা পরমব্রহ্মকে বোঝায়। তাই ‘শিবলিঙ্গ’ হচ্ছে মঙ্গলময় পরমাত্মার প্রতীক।ॐ卐 ●●দেবদাসীর ও যোগিনীর মত পতিতা চরিত্রের সাথে ভগবান ও ব্রাহ্মনগন কি করে অশ্লীলকর্মে লিপ্ত হন? যদি তারা প্রকৃতার্থে ভগবান হয়ে থাকেন। ☆---- এই কথাটার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ চাই। গীতা,বেদ,ভাগবত বা উপনিষদ কোথা থেকে পেয়েছেন ?সততা ও রটনার মধ্যে ফারাক টা আপনার কশ্চেনে প্রমান হয়।ॐ卐 ●●কৃষ্ণা যদি সৃষ্টিকর্তা হয় তবে সে কেন তার মামীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক রাখলো? তবে কি সৃষ্টিকর্তা মানুষের সাথে এমন অবৈধ কর্মে লিপ্ত হয় যা তার নিজেরাই আইনের বর্হিভূত? ☆--- কৃষ্ণ ও মামির সম্পর্ক এই কাহিনীর বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ দিতে পারবেন?? ভাগবতগীতা বা ভগবতপুরাণ থেকে ?কৃষ্ণ ছিলেন বিষ্ণুর অবতার ও রাধা ছিলেন দেবী লক্ষীর অবতার।তাই তাদের মিলন ও স্বাভাবিক।রাধা শ্রীকৃষ্ণের মামী এমন তথ্য পুরান বা গীতা তে নেই।ॐ卐 ●●কিভাবে রাম সৃষ্টিকর্তা হতে পারে কারন সে প্রয়োজনে খাবার খেয়েছে, ঘুম গেছে, অনেক বিয়ে করেছে দৈহিকতারনায়, রাম নিজের স্ত্রীকে সন্দেহ করেছে এসবকি সৃষ্টিকতার কর্ম? ☆--- শ্রী রাম মানব রুপে জন্মেছেন।আদতে তিনি ছিলেন বিষ্ণুর অবতার, দুষ্টদের দমন করতেই তার ইহলোকে আসা। তাই কর্মসূত্রে মানবীয় গুনাবলি পালন করতেন। আর কখনই রাম বহুবিবাহ করেননি।ॐ卐 ●●যদি রাম সৃষ্টিকর্তাই হন কেন তিনি হনুমানের সাহায্য চাইবেন? তাহলে কি সৃষ্টিকর্তার ক্ষমতার কমতি আছে? ☆----আগেই বলেছি রাম মানবরুপে জন্মেছেন। তাই মানবীয় গুনাবলি মেনেছেন। আর আল্লাহও কিন্তু জিবরাইলের সাহায্যে নবীর কাছে আয়াত পাঠিয়েছেন।যদিওশয়তান মাঝে মাঝে ডিস্টার্ব করত।ॐ卐 ●●রাম হনুমানের দু’ভাইকে কেন অকারনে খুন করলেন যেখানে রামের সাথে তাদের কোন শত্রুতা ছিলনা? সৃষ্টিকর্তা হয়ে অপরাধ করা কি সম্ভব? ☆-----রাম হনুমানের ভাইকে হত্যা করেননি। হত্যা করেছেন সুগ্রীবের ভাই বালিকে।কারণ বালি সুগ্রীরের স্ত্রীকে বন্দী রেখেছিলো।ॐ卐 ●●কৃষ্ণ একজন সৃষ্টিকর্তা হয়ে কিভাবে নারীদের স্নানরত দৃশ্য উপভোগ করেন ও তাদের পোষাক লুকিয়ে রেখে দেন? ☆-----আপনার কথার উৎস কি ? মহাভারত নাকি ভাগবত ??বড়ুচন্ডীদাস ও মধুসুদন দও এর লেখা যথাক্রমে শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন আর মেঘনাদ বধ কাব্য(যেগুলোতে অনেক কাহিনী বিকৃত করে দেয়া)!! তা আপনি হাজার বছর আগের আসল বই মহাভারত, ভাগবত না পড়ে আপনি কয়েকটা বিকৃত বই পড়ে এই মন্তব্য করাটা কতটা যৌক্তিক?? শ্রীকৃষ্ণ তখন ১০বছরের কম বয়সের । তখনকার সময় কিছু লোক সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে স্নান করত!যেটা পাপ। তাই শ্রীকৃষ্ণ তখন ওই মেয়েদের কাপড় চুরি করেন। পরবর্তীতে ওই মেয়েদের প্রতিজ্ঞা করান,যে তারা যেন আর সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে স্নান না করে,এটা পাপ।তাছাড়া শ্রীকৃষ্ণ নগ্ন হয়ে স্নান করায় দুই গাছরূপী (নন্দরাজের বাড়িতে)পাপী পুরুষকে তাদের শাস্তি ভোগার পর মুক্তি দেন।এ নিয়ে কাহিনী হলঃদুই পুরুষ একবার সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে স্নান করে তখন ওই দিক দিয়ে দেবর্ষি নারদ যান।তখন দেবর্ষি নারদ সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে স্নানের কারণে ওই পুরুষদেরকে গাছ হওয়ার অভিশাপ দেন।পরবর্তীতে ওই দুই পুরুষ গাছ হয়ে নন্দরাজের বাড়ির উঠানে জন্মেছিল এবং বহুকাল শাস্তি ভোগার পর শ্রীকৃষ্ণ তাদের মুক্তি দেন। এছাড়াও মহাভারতে দূর্যোধনকে মায়ের সামনে নগ্ন হয়ে যেতে নিষেধ করেন।ॐ卐 সত্যের জয় হোক

Pakistani flag in Kolkata

কলকাতার পার্কসার্কাসে পাকিস্তানের পতাকা নিয়ে কিছু মুসলিম ঘুরছে । চারটি থানা এই কেস ধামাচাপা দিতে চাইছে । গোপনসূত্রে খবর । যদি পার্কসার্কাস এলাকার কেউ এই পোষ্টটা দেখে থাকেন তাহলে নিজের চোখে দেখে আসুন ।

Weak up Hindu

জেগে উঠুন,,আমার হিন্দু ভাই-বোনেরা,,,আরদেরি হোলে নতুন কোরে আবার উদ্বাস্তু হতে হবে,,সব ভুলে শুধু হিন্দু হোয়ে বাচুন,,,ওই সেলিম গাজির মত হাজার জিহাদি আজ গ্রাস কোরতে চলেছে আমাদের সংস্কৃতি,,, আজ টুকটুকি,সুপ র্না,,,কাল আমাদের বাড়ির মেয়ে,,,এই জিহাদি কবল থেকে রক্ষা পাবার একমাত্র রাস্তা,,,নিজেদের স্বাভিমান,সংস্কৃতি, আত্ম-ম র্যাদা কে অক্ষুন্ন রেখে,জামাত জিহাদি দের উপযুক্ত জবাব দেওয়া,,,,রাজনীতির উর্ধে উঠে শুধু "আমি হিন্দু" হিন্দুত্ব ই আমার একমাত্র পরিচয়,,এই ম ন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হোন,,,তবেই বাঁচবে আমার ঘর,আমার সমাজ,আমার দেশ,,, রাষ্ট্র পুনঃ নির্মানে এগিয়ে চলুন।।

Rabindranath's poem about present kolkata

আজকের দিনে যদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকতো তাহলে কলকাতা নিয়ে কি কবিতা লিখতো একটু দেখুন- ডুবিয়াছে আজ কলিকাতা জলে,সব রাস্তায় জলকাদা । মস্তকে সবার প্ল্যাস্টিক বাঁধা,হাতে কেসি পালের ছাতা ।। ভাসিয়া আসিছে মলমুত্র আজ,শহরের রাজপথে । জ্বলেনি আজ ত্রিফলা আলো ঝড় বৃষ্টির রাতে ।। স্নান করিয়াছে কলিকাতা বাসী,বালতি বালতি জল ঢালিয়া । সত্য কথা মেয়র আজি দিইয়াছে বলিয়া ।। সাইলেন্সার পাইপে ঢুকিয়া জল,পর্বত হইয়াছে গাড়ি । পা অবধি প্যান্ট গুটায় কেহ, কেহ বা তোলে শাড়ি ।। সাঁতার কাটিয়ে ছেলের দল আজি,পানশালাতে দীর্ঘ লাইন । মদ্যপান করিয়া আনন্দ করিয়াছে সবাই,নাহিকো আজিকে ফাইন ।। প্রেমিক প্রেমিকাদের বাড়িতেছে ভিড়,জলমগ্ন মাঠে । গঙ্গার জলে গন্ডোলা ভাসে,ছাড়িছে বাবুঘাটে ।। হাওড়ার ব্রীজে লাগিবে মুর্ছা,ভাঙিবে আজিকে স্মৃতি । মাইকে আজিকে জল ঢুকিয়া বাজেনি রবীন্দ্রগীতি ।। ভাসিয়াছে আজি আমার শহর,নৌকা শেষ ভরসা । কলিকাতা আজ লন্ডন হইয়াছে,নামিয়াছেতাই বর্ষা ।। written by-sabyasachi

B.J.P west bengal

অপদার্থ রাজ্য নেতৃত্বের কব্জায় থেকে দলের এমন দশা হয়েছে যে হাজার চেষ্টা করলেও ২০১৬তে ভাল ফল করা অসম্ভব আর এটা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও বুঝে গেছে। তাই, রাজ্যসভার পাটিগণিতের অঙ্ক মিলাতে তারা কখনই তৃণমূলের বিরুদ্ধে কোন জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলার অনুমতি দেবেনা। এটা এই রাজ্যের বিজেপি সমর্থকদের পছন্দ হোক আর নাই হোক, এটাই বাস্তব। রাহুল সিনহার মত নেতৃত্বকে সামনে রেখে নিজেদের মুখ বাঁচানোর চেষ্টা সেই বাস্তবতারই প্রতিফলন। এই রাজ্যে বিজেপির ভাগ্যে শিকে ছিঁড়তে পারে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়। গত নির্বাচনে ২৮২টা আসন পাওয়ার পথে বিজেপি ইতিমধ্যেই তার প্রভাবশালী অঞ্চলগুলি থেকে সর্বাধিক আসন পেয়ে গেছে, সেখান থেকে বাড়তি কিছু আসন পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে বরং অ্যান্টিইনকাম্ব্যান্সির কারনে সেখানে কিছু আসন কমে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। সেই কমে যাওয়া আসনের ঘাটতি পূরন করার জন্যে বিজেপিকে পশ্চিমবঙ্গের মত রাজ্যগুলি, যেখানে তাদের আসন প্রায় নেই বললেই চলে, সেখানে জোর লাগাতে হবে। এমতাবস্থায় দেয়ালের লিখন স্পষ্ট যে আগামী কয়েকবছর, যে যতই হাত-পা ছোড়াছুড়ি করুক না কেন, রাজ্য বিজেপির কর্মপদ্ধতিতে কোন র্যাডিকাল পরিবর্তন আসবেনা। এই রাজ্যের হিন্দুরা বিজেপিকে নিয়ে যতই আশায় বুক বাঁধুক না কেন, তাদের স্বপ্নপূরন হবার কোন আশু সম্ভাবনা নেই। রামমন্দির আন্দোলন নিয়ে সুষমা স্বরাজের সেই কথা মনে নেই যে "একটা চেককে দুবার ভাঙানো যায়না"। হ্যাঁ, হিন্দুত্ব হল বিজেপির কাছে একটা চেক মাত্র, ক্ষমতায় পৌছানোর জন্যে সেটা সে কখন ব্যবহার করবে সেই সিদ্ধান্ত একান্তই তার।

Shiv Sena

শিবসেনার সভাপতি উদ্ধব ঠাকরে বলেছেন, মোদীজী আজ নওয়াজ শরিফের সঙ্গে কথা বললেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক। সীমান্তের পরিস্থতি কিছু একটুও বদলায়নি। মানুষের কিন্তু বিরাট প্রত্যাশা রয়েছে মোদীজীর কাছে। তিনি বলেন, সম্প্রতি আমাদের সেনারা সন্ত্রাসবাদীদেরগুঁড়িয়ে দিতে মায়ানমার গিয়ে অভিযান চালিয়েছে। আমি জানি না, এ থেকে সরকার কোনও শিক্ষা নিয়েছে কিনা, তবে পাকিস্তানকে শিক্ষা দেওয়া দরকার। আমি মনে করি, উনি (মোদী) বর্তমান পরিস্থতি বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। তাই প্রতিবেশী দেশটি যে ভাষা বোঝে, সেই ভাষাতেই ওদের শিক্ষা দিতে হবে।