তার জবাব---------¤¤
মিথ্যার স্থায়িত্ব ক্ষনিক কিন্তু সত্য চিরস্থায়ী----------------
●●শিব তার নিজের ছেলে গনেশকে চিনতে পারেনি অবশেষে গর্দান কেটে ফেলেছিলেন, তাহলে তিনি তার সৃষ্টিকে কি করে চিনবেন? ভুলে যাওয়া কি সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট...?
☆--- ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ অনুসারে, গণেশের জন্ম হয়েছিল অন্যভাবে। শিব ও পার্বতী পুত্রলাভের আশায় বর্ষব্যাপী পুণ্যক ব্রত ও বিষ্ণুপূজা করেছিলেন। এই ব্রতে তুষ্ট হয়ে বিষ্ণু
পার্বতীর পুত্ররূপে অবতীর্ণ হবেন। এরপর পার্বতীর গর্ভে এক পুত্রের জন্ম হয়। সকল দেবদেবী তাঁর জন্ম উপলক্ষ্যে উৎসবে মেতে ওঠেন। যদিও সূর্যের পুত্র শনি শিশুটির দিকে তাকাতে ইতস্তত করেন। কারণ শনির দৃষ্টি অমঙ্গলজনক। কিন্তু পার্বতীর পীড়াপীড়িতে শনি শিশুটির দিকে তাকাতে বাধ্য হন। মুহুর্তের মধ্যে শিশুর মস্তক ছিন্ন হয়ে গোলোকে চলে যায়। শিব ও পার্বতী এতে শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়লে বিষ্ণু গরুড়ের পিঠে চড়ে পুষ্পভদ্র নদীর তীরে এসে উপস্থিত হন। সেখান থেকে তিনি একটি হস্তিশিশুর মাথা নিয়ে ফিরে আসেন। এরপর পার্বতীর শিশুর মুণ্ডহীন দেহে সেই হাতির মাথাটি বসিয়ে তার প্রাণ ফিরিয়ে আনা হয়। এই শিশুর নাম রাখা হয় গণেশ এবং দেবতারা তাঁকে আশীর্বাদ করেন।তাহলে আমার প্রশ্ন তিনি ভুললেন কখন? ॐ卐
●● রাবন যদি শয়তান হয়ে একদিনে লঙ্কায় পৌছাঁতে পারে তবে রামের সৃষ্টিকর্তা হয়ে কেন ১২ বছর লাগলো তাও আবার হনুমানের সাহায্যে? শয়তানের শক্তি সৃষ্টির্কতা হতে কি করে বেশি হওয়া সম্ভব ?
☆---------রামকেলঙ্কা যেতে ১২ বছর লাগেনি।রাম ১৪ বছরের জন্য বসবাসে গিয়েছিলেন।শেষবর্ষে সীতা মাতার অপহরণ হয় ও শ্রী রাম মাকে উদ্ধার করেন। দূর্গাপূজার ষষ্ঠী থেকে শুরু হয়ে বিজয়াতে রাম জয় লাভ করেন।ॐ卐
●●শিব ৬০,০০০বিবাহ করেছিল সে মারা যাবার পর তার লিঙ্গকে পূজা করা হয় একজন শিষ্টাচার হিন্দু কোন যুক্তিকতায় তার স্ত্রীকে দিয়ে দুধ দিয়ে শিবের গোপন অঙ্গ ধৌত করে? এটা কি সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য? এমন কুরুচিপূর্ন আদেশ সৃষ্টিকর্তা দিতে পারেন?
☆-----শিব ৬০০০০ বিয়ে করেছিলেন এই কথার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ দিতে পারবেন?? আর সংস্কৃত আর বাংলা এক না।আক্ষরিক বিশ্লেষণে দেখা যায়- ‘শিব’ শব্দের অর্থ ‘মঙ্গল’ আর ‘লিঙ্গ’ শব্দের অর্থ প্রতীক বা চিহ্ন। শাস্ত্রে ‘শিব’ বলতে নিরাকার সর্বব্যাপি পরমাত্মা বা পরমব্রহ্মকে বোঝায়। তাই ‘শিবলিঙ্গ’ হচ্ছে মঙ্গলময় পরমাত্মার প্রতীক।ॐ卐
●●দেবদাসীর ও যোগিনীর মত পতিতা চরিত্রের সাথে ভগবান ও ব্রাহ্মনগন কি করে অশ্লীলকর্মে লিপ্ত হন? যদি তারা প্রকৃতার্থে ভগবান হয়ে থাকেন।
☆---- এই কথাটার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ চাই। গীতা,বেদ,ভাগবত বা উপনিষদ কোথা থেকে পেয়েছেন ?সততা ও রটনার মধ্যে ফারাক টা আপনার কশ্চেনে প্রমান হয়।ॐ卐
●●কৃষ্ণা যদি সৃষ্টিকর্তা হয় তবে সে কেন তার মামীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক রাখলো? তবে কি সৃষ্টিকর্তা মানুষের সাথে এমন অবৈধ কর্মে লিপ্ত হয় যা তার নিজেরাই আইনের বর্হিভূত?
☆--- কৃষ্ণ ও মামির সম্পর্ক এই কাহিনীর বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ দিতে পারবেন?? ভাগবতগীতা বা ভগবতপুরাণ থেকে ?কৃষ্ণ ছিলেন বিষ্ণুর অবতার ও রাধা ছিলেন দেবী লক্ষীর অবতার।তাই তাদের মিলন ও স্বাভাবিক।রাধা শ্রীকৃষ্ণের মামী এমন তথ্য পুরান বা গীতা তে নেই।ॐ卐
●●কিভাবে রাম সৃষ্টিকর্তা হতে পারে কারন সে প্রয়োজনে খাবার খেয়েছে, ঘুম গেছে, অনেক বিয়ে করেছে দৈহিকতারনায়, রাম নিজের স্ত্রীকে সন্দেহ করেছে এসবকি সৃষ্টিকতার কর্ম?
☆--- শ্রী রাম মানব রুপে জন্মেছেন।আদতে তিনি ছিলেন বিষ্ণুর অবতার, দুষ্টদের দমন করতেই তার ইহলোকে আসা। তাই কর্মসূত্রে মানবীয় গুনাবলি পালন করতেন। আর কখনই রাম বহুবিবাহ করেননি।ॐ卐
●●যদি রাম সৃষ্টিকর্তাই হন কেন তিনি হনুমানের সাহায্য চাইবেন? তাহলে কি সৃষ্টিকর্তার ক্ষমতার কমতি আছে?
☆----আগেই বলেছি রাম মানবরুপে জন্মেছেন। তাই মানবীয় গুনাবলি মেনেছেন। আর আল্লাহও কিন্তু জিবরাইলের সাহায্যে নবীর কাছে আয়াত পাঠিয়েছেন।যদিওশয়তান মাঝে মাঝে ডিস্টার্ব করত।ॐ卐
●●রাম হনুমানের দু’ভাইকে কেন অকারনে খুন করলেন যেখানে রামের সাথে তাদের কোন শত্রুতা ছিলনা? সৃষ্টিকর্তা হয়ে অপরাধ করা কি সম্ভব?
☆-----রাম হনুমানের ভাইকে হত্যা করেননি। হত্যা করেছেন সুগ্রীবের ভাই বালিকে।কারণ বালি সুগ্রীরের স্ত্রীকে বন্দী রেখেছিলো।ॐ卐
●●কৃষ্ণ একজন সৃষ্টিকর্তা হয়ে কিভাবে নারীদের স্নানরত দৃশ্য উপভোগ করেন ও তাদের পোষাক লুকিয়ে রেখে দেন?
☆-----আপনার কথার উৎস কি ? মহাভারত নাকি ভাগবত ??বড়ুচন্ডীদাস ও মধুসুদন দও এর লেখা যথাক্রমে শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন আর মেঘনাদ বধ কাব্য(যেগুলোতে অনেক কাহিনী বিকৃত করে দেয়া)!! তা আপনি হাজার বছর আগের আসল বই মহাভারত, ভাগবত না পড়ে আপনি কয়েকটা বিকৃত বই পড়ে এই মন্তব্য করাটা কতটা যৌক্তিক?? শ্রীকৃষ্ণ তখন ১০বছরের কম বয়সের । তখনকার সময় কিছু লোক সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে স্নান করত!যেটা পাপ। তাই শ্রীকৃষ্ণ তখন ওই মেয়েদের কাপড় চুরি করেন। পরবর্তীতে ওই মেয়েদের প্রতিজ্ঞা করান,যে তারা যেন আর সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে স্নান না করে,এটা পাপ।তাছাড়া শ্রীকৃষ্ণ নগ্ন হয়ে
স্নান করায় দুই গাছরূপী (নন্দরাজের
বাড়িতে)পাপী পুরুষকে তাদের
শাস্তি ভোগার পর মুক্তি দেন।এ
নিয়ে কাহিনী হলঃদুই পুরুষ একবার
সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে স্নান করে তখন ওই
দিক দিয়ে দেবর্ষি নারদ যান।তখন
দেবর্ষি নারদ সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে
স্নানের কারণে ওই পুরুষদেরকে গাছ
হওয়ার
অভিশাপ দেন।পরবর্তীতে ওই দুই পুরুষ
গাছ হয়ে
নন্দরাজের বাড়ির উঠানে জন্মেছিল
এবং বহুকাল শাস্তি ভোগার পর
শ্রীকৃষ্ণ তাদের মুক্তি দেন। এছাড়াও
মহাভারতে দূর্যোধনকে মায়ের
সামনে নগ্ন হয়ে যেতে নিষেধ করেন।ॐ卐
সত্যের জয় হোক
No comments:
Post a Comment