Saturday, 25 July 2015

দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক নীলদর্পণ

দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক নীলদর্পণ বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ পরিচিত নাটক। স্বাদেশিকতা, নীল বিদ্রোহ ও সমসাময়িক বাংলার সমাজব্যবস্থার সঙ্গে এই নাটকের যোগাযোগ অত্যন্ত গভীর। এই নাটকটি তিনি রচনা করেছিলেন নীলকর-বিষধর-দংশন-কাতর-প্রজানিকর-ক্ষেমঙ্করেণ-কেনচিৎ-পথিক ছদ্মনামে। যদিও এই নাটকই তাঁকে খ্যাতি ও সম্মানের চূড়ান্ত শীর্ষে উন্নীত করে। অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষায়, “ ‘নীলদর্পণ’ নাটক প্রকাশিত হলে এবং এর ইংরেজি অনুবাদ প্রচারিত হলে একদিনেই এ নাটক বাঙালিমহলে যতটা প্রশংসিত হয়েছিল, শ্বেতাঙ্গমহলে ঠিক ততটাই ঘৃণিত হয়েছিল। এই নাটক অবলম্বন করে বাঙালির স্বদেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের সূচনা, এই নাটক সম্বন্ধে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সম্প্রদায় ও রায়তদের মধ্যে মৈত্রীবন্ধন স্থাপিত হয়, এর মধ্যে দিয়েই শ্বেতাঙ্গ নীলকরদের বর্বর চরিত্র উদ্ঘাটিত হয়। ” মনে করা হয়ে থাকে, নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদ করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তবে আধুনিক গবেষকগণ এই বিষয়ে একমত নন। এই অনুবাদ Nil Durpan, or The Indigo Planting Mirror নামে প্রকাশ করেছিলেন রেভারেন্ড জেমস লঙ। এই অনুবাদ প্রকাশিত হবার সঙ্গে সঙ্গে দেশে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং জেমস লঙের জরিমানা ও কারাদণ্ড হয়। জরিমানার টাকা আদালতেই দিয়ে দেন কালীপ্রসন্ন সিংহ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এটিই প্রথম বাংলা নাটক যা ইংরেজিতে অনূদিত হয়। নীলদর্পণ নাটকের মূল উপজীব্য বিষয় হল বাঙালি কৃষক ও ভদ্রলোক শ্রেণীর প্রতি নীলকর সাহেবদের অকথ্য অত্যাচারের কাহিনী। কিভাবে সম্পন্ন কৃষক গোলকমাধবের পরিবার নীলকর অত্যাচারে ধ্বংস হয়ে গেল এবং সাধুচরণের কন্যা ক্ষেত্রমণির মৃত্যু হল, তার এক মর্মস্পর্শী চিত্র অঙ্কিত হয়েছে এই নাটকে। তোরাপ চরিত্রটি এই নাটকের অত্যন্ত শক্তিশালী এক চরিত্র; বাংলা সাহিত্যে এর তুলনা খুব কমই আছে। এই নাটকের অন্যতম বৈশিষ্ট্য আঞ্চলিক ভাষার সাবলীল প্রয়োগ। কর্মসূত্রে পূর্ব ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষায় যে দক্ষতা দীনবন্ধু আয়ত্ত করেছিলেন, তারই এক ঝলক দেখা মেলে এই নাটকের জীবন্ত চরিত্রচিত্রণে। নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদ ইংল্যান্ডের পার্লামেন্টে প্রেরিত হয়। স্বদেশে ও বিদেশে নীলকরদের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়। ফলে সরকার ইন্ডিগো কমিশন বা নীল কমিশন বসাতে বাধ্য হন। আইন করে নীলকরদের বর্বরতা বন্ধের ব্যবস্থা করা হয়। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পরবর্তীকালে এই নাটকের সঙ্গে স্টো-এর আঙ্কল টমস কেবিন গ্রন্থের তুলনা করেছিলেন। তা থেকেই বোঝা যায়, সেই সময়কার বাংলা সাহিত্য ও বাঙালির সমাজজীবনে এই নাটক কি গভীর প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছিল। সমাজের তৃণমূল স্তরের মানুষজনের জীবনকথা এমনই স্বার্থক ও গভীরভাবে নীলদর্পণ নাটকে প্রতিফলিত হয়েছে যে অনেকেই এই নাটককে বাংলার প্রথম গণনাটক হিসাবে স্বীকার করে নিয়েছিলেন। আবার বিদেশি শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা বলে এই নাটকই প্রথম জাতির জীবনে জাতীয়তাবোধের সঞ্চার ঘটিয়েছিল। লং, রেভারেন্ড জেমস (১৮১৪-১৮৮৭) চার্চ মিশনারি সোসাইটির একজন যাজক। তিনি প্রাচ্যবিদ ও সক্রিয় মানবতাবাদী হিসেবে বাংলা ও ইংল্যান্ডে ব্যাপক সুখ্যাতি অর্জন করেন। আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী লং প্রথম জীবনে কিছুকাল রাশিয়ায় বসবাস করেন। ঊনিশ শতকে ধর্মান্তরণের কাজে বাংলায় আগত মিশনারিদের মধ্যে জেমস লং ছিলেন এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। তিনি চার্চ মিশনারি সোসাইটির লন্ডনস্থ আইলিংটন কলেজে পড়াশোনা করেন। ১৮৩৯ সালে তিনি ইংল্যান্ডের গির্জার ‘ডিকন’ এবং পরের বছরই যাজক পদে অভিষিক্ত হন। লং ১৮৩৯ সালে যাজকরূপে কলকাতায় আসেন। কলকাতার দক্ষিণে ঠাকুরপুকুর গ্রাম ছিল তাঁর নির্ধারিত কর্মক্ষেত্র। সেখান থেকে সুদীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে তিনি তাঁর কর্মকান্ড পরিচালনা করেন।

মহাভারতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাণী-

. ১."যে বস্তু সহজেই লাভ করা যায়, সে বস্তুর প্রতি মানুষের মূল্যবোধ থাকে না"- ‪#‎ বিদুর‬. ২."চরিত্রের পরিক্ষা তখনই হয়, যখন অপরিচিত কারো সংস্পর্শে আসা হয়"- ‪#‎ ভীষ্ম‬. ৩."জয়ের জন্য বলের চেয়ে অধিক ছলেরপ্রয়োজন" - ‪#‎ শকুনি‬. ৪."সমুদ্র হোক বা সংসার, যে ধর্মের নৌকা প্রস্তুতকরে সে ঠিকই পার হয়ে যায়" - ‪#‎ শ্রীকৃষ্ণ‬. ৫."যে কেবল নিজের দুঃখকে আপন করে জীবন কাটায় সে শক্তিহীন হয়ে পড়ে। কিন্তু যে ব্যাক্তি সমগ্র সমাজের দুঃখ আপন করে জীবন কাটায় সে শক্তিশালী হয়ে ওঠে" - #শ্রীকৃষ্ণ . ৬."সুগন্ধ, দুরগন্ধ ও মানুষের স্বভাব কখনো গোপন থাকে না" - # শকুনি . ৭."যেভাবে বৃক্ষের মূল বৃক্ষকে খাদ্য যোগায়, সেভাবে মানুষের গর্ব মানুষকে শক্তি যোগায়" - #শকুনি . ৮."পরিস্থিতিকে যদি নিজের অনূকুলে না আনতে পারো, তবে তাকে শত্রুর প্রতিকুল বানিয়ে ফেলো" - #শকুনি . ৯."যারা শত্রুর শত্রু হয়, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে হয়" - #শকুনি - শেয়ার করে বন্ধুদের জানিয়ে দিন।

কিশোর আইএস জীবন্ত পুড়িয়ে মারল ৯ ব্যক্তিকে

ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় মসুল শহরে তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএল এবার নয় ব্যক্তিকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, রাজধানী বাগদাদের ৪০০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত বাব আল -তাউফ শহরের মধ্যাঞ্চলে আইএসআইএলের কিশোর সদস্যরা গতকাল (বুধবার) এসব ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে। সরকারি বাহিনীর সঙ্গে কথিত সহযোগিতা এবং গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে বলে আরবি ভাষার স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল ‘আল-সুমারিয়া’ জানিয়েছে। এর আগে একই দিনে আইএসআইএল মসুলের এক সাংবাদিকের মৃত্যুদণ্ডও কার্যকর করেছে বলে ইরাকের সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে। তাকফিরি সন্ত্রাসীরা সাংবাদিক জালা আদনানকে ইদুল ফিতরের ছুটির সময় হত্যা করেছে বলে মুসলে অবস্থিত ইরাকি-কুরদিস্তান সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রধান আকরাম সুলাইমান জানিয়েছেন। তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএলের হাতে ২০১৪ সালের ১০ জুন মসুল শহরের পতন হওয়ার পর সর্বশেষ এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে এ পর্যন্ত ১০ জন সাংবাদিককে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। http://eibela.com/article /%E0%A6%95%E0%A6%BF %E0%A6%B6%E0%A7%8B %E0%A6%B0-%E0%A6%86 %E0%A6%87%E0%A6%8F %E0%A6%B8-%E0%A6%9C %E0%A7%80%E0%A6%AC %E0%A6%A8%E0%A7%8D %E0%A6%A4-%E0%A6%AA %E0%A7%81%E0%A7%9C %E0%A6%BF%E0%A7%9F %E0%A7%87-%E0%A6%AE %E0%A6%BE%E0%A6%B0 %E0%A6%B2-%E0%A7%AF- %E0%A6%AC%E0%A7%8D %E0%A6%AF%E0%A6%95 %E0%A7%8D%E0%A6%A4 %E0%A6%BF%E0%A6%95 %E0%A7%87

From Murshidabad Dist. WB :

ঈদ উপলক্ষে তিন দিন ছুটির দাবীকে কেন্দ্র করে স্কুলের ছাত্রদের মধ্যে বচসা৷ তা থেকে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পরল সালার থানার টিঁয়া-তে৷ পুলিশের সাথে খন্ডযুদ্ধ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে RAF নামাতে বাধ্য হয়েছে জেলা পুলিশ৷ বেশ কয়েকটি পুলিশ গাড়ী ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে৷ ২৪ জন হিন্দু গ্রেফতার, এলাকার পুরুষরা পুলিশি অত্যাচারে ঘরছাড়া, প্রায় ১২ টি হিন্দু পরিবার গ্রামছাড়া৷ টিঁয়া শান্তিসুধা দাস উচ্চমাধ্যমিক স্কুল৷ অসমর্থিত সূত্রে প্রাপ্ত খবর, মুসলিম ছাত্ররা দাবী করে যে রমজান মাসে স্কুলের আট পিরিয়ড ক্লাস কমিয়ে ছয় পিরিয়ডে আনতে হবে, নামাজ পড়ার জন্য একটা আলাদা ঘর দিতে হবে৷ স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের দাবী মেনে নেয়৷ এর পরে তারা দাবী করে যে ঈদ উপলক্ষে তিন দিন ছুটি দিতে হবে৷ প্রধান শিক্ষক এই দাবী না মানায় স্কুলের মুসলিম ছাত্ররা তাদের লেখা মাস পিটিসনে সব ছাত্রকে দিয়ে সই করাতে শুরু করে৷ স্কুলের হিন্দু ছাত্ররা তাতে সই করতে সম্মত না হওয়ায় ঝামেলা শুরু হয়৷ গত ১৫ই জুলাই স্কুলের হিন্দু ছাত্রদের শায়েস্তা করার জন্য কয়েকজন মুসলিম ছাত্র অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে স্কুলে আসে এবং মারামারি শুরু হয়৷ সঙ্ঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে না পেরে স্কুলের প্রধান শিক্ষক সালার থানায় ফোন করেন৷ ইতিমধ্যে খবর পেয়ে হিন্দু ছাত্রদের অভিভাবকরা এবং এলাকার সাধারণ মানুষ স্কুলের বাইরে জমতে শুরু করেছে৷ থানা থেকে পুলিশ এসে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেওয়ার পরিবর্তে উপস্থিত জনতার উপরে লাঠিচার্জ করতে শুরু করে৷ এতে ক্ষিপ্ত জনতা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুড়তে শুরু করে৷ পুলিশের বেশ কয়েকটি গাড়ী ভাঙচুর হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে৷ বিক্ষোভ সামাল দেওয়ার জন্য বহরমপুর থেকে পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে এলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়৷ এরপর RAF এর বিশাল বাহিনী এসে জনতার উপরে ঝাপিয়ে পড়ে৷ হিন্দুদের বাড়ি বাড়ি ঢুকে শুরু হয় তান্ডব৷ তাদের হাত থেকে মহিলারাও রেহাই পায় নি বলে স্থানীয় মানুষের বক্তব্য৷ এখনও পর্যন্ত ২৪ জন হিন্দুকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে৷ আজকেও টিঁয়া স্টেশন চত্তরে সাম্প্রদায়িক সঙ্ঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে৷ প্রচুর পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে স্টেশন এলাকায়৷!!! ..... ঝড়ু রায় ....

Milk Of Dog

কুকুরের দুধ আমরা পান করি, কুকুরের দুধ থেকে ঘি,মাখন,ছানা উৎপন্ন হয় যা আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটায়,কুকুরের মল থেকে ঘুঁটে ও গ্যাস তৈরী হয়... এটা দেখে অনেকেই অবাক হবেন হয়তো কিন্তু এই কথাটার বাস্তবকতা কাছে । কারন যারা পশুপ্রেমী বলে নিজেদের দাবী করছেন এবং কেরলে কুকুর হত্যার জন্য প্রতিবাদ করছেন তারা কুকুর সমন্ধে হয়তো এটাই বলতে পারেন । আজকে যারা কুকুর হত্যার প্রতিবাদে পথে নামছেন তারা কি কখনো গো হত্যার প্রতিবাদ করেছেন? গোরু আমাদের গুতোয়,গরু আমাদের কামড়ালে জলাতঙ্ক হয়,গোরুর দুধ বিষাক্ত এই কথা গুলো বলেন হয়তো গরু সম্পর্কে । পশুপ্রেমীদের কাছে জানতে চাই তারা কি কুকুরের দুধ পান করেন নাকি গরুর দুধ? গো হত্যার প্রতিবাদে এদের পথে নামতে বলুন দেখবেন এরা লেজ তুলে দৌড়াবে কারন গরুর সাথে যে তাদের পিতৃপুরুষ মুসলিমরা জড়িয়ে আছে? যদি প্রকৃত পশুপ্রেমী হন তাহলে গো হত্যা ও কুকুর হত্যার দুটোর প্রতিবাদেই নামুন । আমরা গোমাতার দুধ পান করে মানুষ তাই গোমাতে রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য অপরদিকে নিজের বিশ্বস্ত প্রভুভক্ত কুকুরকেও রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য ।

এবার কি হানিমুন দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপের দখল নেবে চীন?

এবার কি হানিমুন দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপের দখল নেবে চীন? এমনই আশঙ্কা ঘোরাফেরা করছে ভারত সহ বিভিন্ন দেশের আনাচে কানাচে। মালদ্বীপের আইনপ্রণেতার ঐতিহাসিক এক সিদ্ধান্তে এধরনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পাকাপাকিভাবে মালদ্বীপে জমি কিনে ব্যবসা শুরু করায় সম্মতি দিয়েছেন মালদ্বীপের জনপ্রতিনিধিরা। সংক্ষিপ্ত আলোচনার পর সহজেই এই সংক্রান্ত বিল পাশ হয়ে যায় সেদেশের অ্যাসেম্বলিতে। বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৭০ জন আইনপ্রণেতা, বিপক্ষে গিয়েছে ১৪টি ভোট। বর্তমানে প্রচুর বিদেশি কোম্পানির বিলাসবহুল রিসর্ট রয়েছে এই দ্বীপরাষ্ট্রে। সরকারের থেকে সর্বাধিক ৯৯ বছরের জন্য জমি লিজ নিয়ে ব্যবসা চালাচ্ছে কোম্পানিগুলি। কিন্তু, নতুন আইন রাষ্ট্রপতির ছাড়পত্র পেলে, ১০০কোটি ডলার বিনিয়োগকারী যেকোনও বিদেশি কোম্পানি সেই জমির পাকাপাকি মালিক হতে পারবে। এই বিতর্কিত বিলকে আইনে পরিণত করার আগে, এ ব্যাপারে জনমত নিতে রাষ্ট্রপতি আবদুল্লা ইয়ামিনের কাছে আর্জি জানিয়েছিলেন দেশের প্রাক্তন হেভিওয়েট নেতা মাউমুল আবদুল গায়ুম। বিরোধীদের আশঙ্কা এই আইন বাস্তবায়িত হলে, গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট জলপথে অধিকার জমাতে, মালদ্বীপে বেসক্যাম্প খুলবে চীন। ওই এলাকায় চিনের শক্তিবৃদ্ধির চেষ্টায় উদ্বেগে রয়েছে দিল্লিও। এদিকে, রাজধানী মেল থেকে যে দ্বীপে বিমানবন্দর রয়েছে, সেটি পর্যন্ত একটি ১.৪ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণে বেজিং-এর থেকে বিনিয়োগ ও অর্থসাহায্য চেয়েছে মালদ্বীপ সরকার। http://eibela.com/article/%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে তুরস্কের বিমান হামলা

উত্তর সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে এই প্রথমবারের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে তুরস্ক। এর পর তুরস্ক সরকার বলছে, আইএস এবং অন্যান্য জঙ্গী গ্রুপের বিরুদ্ধে আরো অভিযান চালানো হবে। প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ এরদোয়ান নিশ্চিত করেছেন যে ইসলামিক স্টেটের ওপর আক্রমণ চালানোর জন্য মার্কিন বিমান বাহিনীকেও "কিছু শর্ত সাপেক্ষে" দক্ষিণ তুরস্কের ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেয়া হবে। গত কয়েকদিনের ঘটনাবলীর পর তুরস্ক হঠাৎ করেই ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। কয়েকটি ফ্রন্টে তারা এখন এই জঙ্গীদের দমনের চেষ্টা করছে। প্রধানমন্ত্রী আহমেট ডাভুটুগলু জানিয়েছেন, তুর্কী বিমান ইসলামিক স্টেটের যেসব অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালায়, সেগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, যদি প্রয়োজন হয়, তুর্কী বাহিনী সিরিয়ার সীমানা অতিক্রম করেও এরকম অভিযান চালাবে। এই বিমান হামলার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীকে একটি বিমান ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে তুরস্ক। দক্ষিণের ইনসিরলিক বিমান ঘাঁটি থেকে যদি যুক্তরাষ্ট্র ইসলামিক স্টেটকে টার্গেট করে হামলা চালাতে পারে, সেটা পুরো লড়াইয়ের গতি বদলে দিতে পারে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র এখন অনেক দ্রুত জঙ্গীদের হামলার বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারবে। এর পাশাপাশি তুরস্ক নিজের সীমান্তের ভেতরেও ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের বিরুদ্ধে দমন অভিযান শুরু করেছে। শত শত জায়গায় নিরাপত্তা বাহিনি অভিযান চালিয়েছে, এসব ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে যোগাযোগ আছে এমন বহু মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর পাশাপাশি কুর্দী দল পিকেকের সদস্যদেরও ধরা হয়েছে। গত সোমবার ইসলামিক স্টেটের আত্মঘাতী হামলায় তুরস্কে বহু কুর্দী তরুণ নিহত হওয়ার পর তুরস্কের সরকারের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠে যে তারা জঙ্গীদের দমনে যথেষ্ট ব্যবস্থা নিচ্ছে না। বিবিসির কূটনৈতিক এবং প্রতিরক্ষা সংবাদদাতা জোনাথান মার্কাস বলছেন, তুরস্ক এতদিন পর্যন্ত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে অপসারণ বা কুর্দী জঙ্গীদের দমনকে ইসলামিক স্টেটের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু ইসলামিক স্টেট এখন তুরস্কের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্যও যেরকম বড় হুমকি হয়ে উেঠছে, সেটিকে তুর্কী সরকার আর উপেক্ষা করতে পারছে না। সুত্র : বিবিসি http://eibela.com/article/%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE