Wednesday, 29 July 2015

ভারতের সফল রাষ্ট্রপতি এবং সফল পদার্থবিদ ড. এপিজে আব্দুল কালামের মৃত্যুতে সাতদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার

ভারতের সফল রাষ্ট্রপতি এবং সফল পদার্থবিদ ড. এপিজে আব্দুল কালামের মৃত্যুতে সাতদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। আব্দুল কালামের মৃত্যুতে ভারতীয় বামপন্থী থেকে শুরু করে বাংলাদেশের পিনাকীদের বিদ্রূপ চোখে পড়ল। স্বভাবসুলভ ভাবে তারা ড. কালাম কে সম্রাজ্যবাদের দালাল উপাধি তে ভূষিত করল! তবে মুসলমানরা পড়ে গেছে বড় ফাপরে। চিরকুমার নিরামিষভোজী সনাতনধর্মের প্রশংসক কালাম যে একজন মুনাফিক তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু সেকথা স্বীকার করলে "ভারতে মুসলমানের অবদান" বলে জাহির করা যাবে না। মরে গিয়েও ভীষণ এক ঈমানের পরীক্ষায় ফেলে দিয়ে গেলেন কালাম সাহেব! এদিকে একদল হিন্দু এটা প্রমাণে ব্যস্ত যে কালাম জন্মগত ভাবে মুসলিম হলেও তিনি হিন্দুরীতি মেনে চলতেন; তাই তাঁকে হিন্দু বলা চলে। হিন্দু-মুসলমানের টানাটানি তে মৃত কালামের জাতীয়তা আজ সঙ্কটে পড়ে গেছে! হিন্দু সমাজে সাধারণত গুণীজনের ধর্মপরিচয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে দেখা যায় না। যারা আজ কালামের ধর্মপরিচয় নিয়ে বেশি টানাটানি করছেন তারা মুসলিমদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এমনটা করছেন বলে আমি বিশ্বাস করি। কারণ এই বদ অভ্যাস কেবল ধর্মান্ধ মুসলিম সমাজেই লক্ষ্যনীয়। যেমনঃ কোনো মুসলিম কবি-সাহিত্যিক কিংবা বিজ্ঞানী কে তারা "মুসলিম কবি" "মুসলিম বিজ্ঞানী" বলতে পছন্দ করে। মডারেট প্রগতিশীল মুসলমানরা পর্যন্ত নজরুলকে মুসলমান কবি বলে কিন্তু রবি ঠাকুরকে কোনো তথাকথিত উগ্র হিন্দুর মুখেও বলতে শুনিনি যে তিনি 'হিন্দু কবি'। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় একবার বাংলাদেশে এলে এক বাংলাদেশী মুসলিম অটোগ্রাফের জন্য কাগজ এগিয়ে সুনীল কে জানায়, "হিন্দু লেখকদের মধ্যে একমাত্র আপনার লেখায় আমি পছন্দ করি!" সুনীল সেদিন তাঁর মুসলমান ভক্তের কথা শুনে বেশ বিস্মিত হয়েছিলেন। কিন্তু আজ আর বিস্মিত হবার উপায়টুকু নেই! খোঁজ নিয়ে দেখুন, "বিজ্ঞানে মুসলমানদের অবদান" টাইপের বইয়ের অভাব হবে না। কিন্তু "হিন্দু বিজ্ঞানী" "খ্রিষ্টান বিজ্ঞানী" "ইহুদী বিজ্ঞানী" বলে কারো পরিচয় মিলবে না। আব্দুল কালাম কে আজ যারা মুনাফিক বলে গালমন্দ করছে তারায় একদিন কালামের মাজার বানিয়ে ফেলবে। কালাম কে সাচ্চা মুসলমান বলে জাহির করে বলবে, "দ্যাখো! মুসলমানরা ভারত কে কত্ত ভালবাসে!" যেমন একসময়ের মুনাফিক নজরুল আজ মুসলমানদের নিকট পীর ফকিরদের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়! (সংগৃহীত পোষ্ট)

ভারতবর্ষের অভিশাপ

ভারতবর্ষের অভিশাপ, মি্রযাফরের অনুসারী এই নির্লজ্জ কমিউনিস্ট ও তার সঙ্গীরা আজ ইয়াকুব মেমনের ফাসী রদ করার জন্য উঠেপরে লেগেছে, জঙ্গী ইয়াকুবের জন্য কান্নাকাটি করে বুক ভাসাচ্ছে.......অথচ ১৯৯৩ সালের ১২ মার্চে যে মুম্বাইতে বড় ধরনের সিরিজ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ২৫৭ জন মানুষ মারা গিয়েছিল পাশাপাশি ৭১৩ জন আহত হয়েছিল। ঐ ঘটনায় ১২টি স্থানে মোট ১৩টি বোমা বিস্ফোরণ হয়। এতে প্রায় ২৭ কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়। কোনো কমিউনিস্টের বাচ্চা ঐ মৃত ও আহতদের জন্য এতটুকু কান্নাকাটি করছে না।... কেউ কি বলতে পারেন যে ঐ বিস্ফোরণে মৃত মানুষগুলো কি অপরাধ করেছিলো ?.... অথট এই বেহায়া বেয়াদপ কমিউনিস্ট ও তার সঙ্গীরা এই জঙ্গীকেই বাচাতে উঠেপরে লেগেছে।... অথচ যে মানুষটা সারা জীবন দেশের জন্য এত এত করে গেলো সেই এ পি জে আব্দুল কালামকে শ্রদ্ধা জানাতে এই নির্লজ্জদের কুন্ঠা বোধ হয়। কিন্তু এক জঙ্গীকে বাচাতে কমিউনিস্টদের এতটুকু কুন্ঠা বোধ হয় না.... এই কমিউনিস্টরা নেতাজীকে তোজোর কুকুর, রবীন্দনাথ ঠাকুরতে বৌদি ঘেষা... আরো অনেক আছে.. এই হচ্ছে কমিউনিস্টের আসল চরিত্র...... এই নির্লজ্জ বেহায়া কমিউনিস্টদের দেশদ্রোহী ঘোষনা করা উচিত।

বামপন্থী মাকু

Tapan Ghosh :- কিছু বামপন্থী মাকুরা দেখছি আমার পোস্ট-এর বিরুদ্ধে নোংরা পোস্ট দিচ্ছে। কারণটা সহজ। এদের আঁতে ঘা লেগেছে। কিন্তু আমার প্রতিটি কথা সত্য। আমি মাকু-সেকু দেরকে চ্যালেঞ্জ করছি - আমার দেওয়া একটা তথ্যও কেউ ভুল প্রমান করুক। প্রমান করুক - ইন্দিরা গান্ধী জরুরী অবস্থার সময় কোন সিপিএম নেতাকে জেলে পুরেছেন। একজন ব্যতিক্রম ছিলেন। তিনি তত্কালীন ডায়মন্ড হারবারের সিপিএম এম পি - জ্যোতির্ময় বসু। তিনি পার্টির নির্দেশ না মেনে জরুরী অবস্থার বিরোধিতা করেছিলেন। তিনি একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন। আর সবাই পার্টির বাধ্য ছেলে। কেউ সেই জরুরী অবস্থার বিরোধিতা করেন নি। কেউ ইন্দিরা গান্ধীকে স্বৈরতান্ত্রিক বলেন নি। সিপিএম গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইতে যোগ দেয় নি। তারা জয়প্রকাশ নারায়নের আন্দোলনেও যোগ দেয় নি, নিজেরাও কোন আন্দোলন করে নি। তাই ইন্দিরা সেদিন সিপিএম-কে বিপজ্জনক বলে মনে করেন নি। সুতরাং সিপিএম নেতাদের গ্রেপ্তারও করেন নি। কয়েকজন বামপন্থী যুক্তি দিয়েছে - সিপিএম জরুরী অবস্থাকে সমর্থন করলে তারপর জনগণ ১৯৭৭ সালে আবার ওই পার্টিকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনল কেন ? প্রশ্নটা সঠিক। উত্তরটাও জানা দরকার। ১৯৭৭ সালে জানুয়ারী মাসে ইন্দিরা গান্ধী লোকসভা নির্বাচন ঘোষণা করলে সিপিএম গর্ত থেকে বেরিয়ে এল। আদি কংগ্রেস নেতা প্রফুল্ল সেনের হাত ধরে নির্বাচনী প্রচারে নামল। জনতা পার্টি-র সঙ্গে পূর্ণ নির্বাচনী আঁতাত করল। তখন আমি আর এস এসের নবীন প্রচারক। সেই ঐতিহাসিক লোকসভা নির্বাচনে আর এস এসের নির্দেশে আমি তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে জনতা পার্টির প্রার্থী সুশীল ধাড়া-র হয়ে পাঁশকুড়া পূর্ব (কোলাঘাট) বিধানসভা কেন্দ্রের পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে প্রচারের কাজ করেছি। জরুরী অবস্থার জন্য জনগন ছিল ক্ষিপ্ত। মার্চ মাসে নির্বাচনে কংগ্রেস হারল। এমনকি অকল্পনীয় ভাবে ইন্দিরা গান্ধী ও তাঁর যুবরাজ পুত্র সঞ্জয় গান্ধীও হেরে গেলেন। ইন্দিরা হেরে যাওয়ার পর চরম দক্ষিনপন্থী নেতা মোরারজী দেশাই-এর নেতৃত্বে কেন্দ্রে জনতা সরকার গঠিত হল। মোরারজী বিভিন্ন রাজ্যের কংগ্রেসী সরকারগুলো ভেঙ্গে দিলেন। পশ্চিমবঙ্গেও। জুন মাসে এখানে বিধানসভা নির্বাচন হল। লোকসভা নির্বাচনের আঁতাত বিধানসভা নির্বাচনে থাকল না। জনতা দলের প্রফুল্ল সেন সিপিএম-কে তাদের দাবিমত আসন দিতে রাজী হলেন না। সুতরাং পশ্চিমবঙ্গে ত্রিমুখী লড়াই হল। কংগ্রেস, জনতা ও বামফ্রন্ট। জনতা পার্টি ছিল অগোছাল ও চরম বিশৃঙ্খল। কংগ্রেস পর্যুদস্ত। সিপিএম গোছানো অবস্থায়। তাই সেই নির্বাচনে সিপিএম জিতল। এর জন্য সিপিএমের সাংগঠনিক দক্ষতার প্রশংসা করতেই হবে। বিশেষ করে সেই সময়ের অসম্ভব সংগঠন দক্ষ প্রমোদ দাশগুপ্ত-এর অবদান বিরাট। কিন্তু এটাও স্বীকার করতে হবে যে, ১৯৭২ সালে সিদ্ধার্থ শংকর রায়ের মার খেয়ে কাপুরুষের মত গর্তে ঢুকে গিয়েছিল। তারপর রাশিয়ার মাধ্যমে ইন্দিরার কাছে নতিস্বীকার করে গুপ্ত আঁতাত করে নিজেদের চামড়া বাঁচিয়েছিল। তারপর সুযোগ বুঝে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ১৯৭৭ সালে নির্বাচনের আসরে। শেষ জয় - ১৯৭৭ সালের জুন মাসে বিধানসভা নির্বাচনে এই বামেদেরই হয়েছিল। তাদের সাংগঠনিক দক্ষতা, ঝড়ের সামনে মাথা নীচু করার বাস্তব বুদ্ধি এবং মেরুদন্ডের নমনীয়তার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছিল। পরের ইতিহাসটাও জানা দরকার। চরম দক্ষিনপন্থী মোরারজী দেশাই-এর সরকারের জন্য চরমভাবে বিঘ্নিত হল সোভিয়েত রাশিয়ার স্বার্থ। নেহেরু নিজেও ছিলেন বর্ণচোরা বামপন্থী, মাকু। তার উপর, নেতাজিকে গুপ্ত হত্যা করে রাশিয়া নেহেরুর গদিকে নিষ্কন্টক করে দিয়েছিল। আর তার বিনিময়ে কিনে নিয়েছিল নেহেরু ও নেহেরু পরিবারকে। তাই তো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় পাক্কা কমুনিষ্ট কৃষ্ণমেনন, নুরুল হাসান কে স্থান দিয়েছিলেন নেহেরু। আর মার্কসবাদী অর্থনীতি অনুসরণ করে ছিবড়ে হয়ে যাওয়া রাশিয়া নেহেরুকে ব্ল্যাকমেল করে (নেতাজী হত্যার কথা বলে দেব, আজাদ হিন্দ ফৌজের গুপ্ত ধনভান্ডারের কথা বলে দেব ) ভারতকে প্রচন্ড ভাবে আর্থিক শোষণ করে চলেছিল। যখন আন্তর্জাতিক বাজারে রুবলের মূল্য পঞ্চাশ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, তখন রাশিয়া ভারতের কাছে বিনিময় মূল্য নিত ১ রুবলের জন্য ৩০ টাকা। রাশিয়ার তখনকার অবস্থা জানতে হলে বিখ্যাত লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী-র লেখা "দ্বন্দ-মধুর" বইটা পরে দেখুন। ১৯৭৭ সালে কংগ্রেস ও নেহেরু পরিবার ক্ষমতা থেকে চলে গেলে রাশিয়ার স্বার্থ চরমভাবে বিঘ্নিত হল। তাই রাশিয়া তার খেলা শুরু করে দিল। সাংবাদিকদের মধ্যে বামপন্থীদের প্রভাব ছিলই। তারা প্রচার শুরু করে দিল - জনতা পার্টি মানেই জনসংঘ, আর জনসংঘ মানেই আর এস এস। ফ্যাসিবাদী আর এস এস ভারতটাকে দখল করে নিল। এই ফ্যাসিবাদকে রুখতে হবে। তখন পাঁচমিশেলি জনতা দলে যেসব রাশিয়ার অর্থপুষ্ট সোশালিস্ট নেতারা ছিলেন তাদেরকে দিয়ে মাত্র আড়াই বছরের মধ্যেই জনতা সরকারকে ভেঙ্গে দিল রাশিয়া। ৬ নম্বরী সোশালিস্ট নেতা পিলু মোদী রাশিয়া থেকে ঘুরে এসেই বায়না ধরলেন - জনসংঘের সব সদস্যকে আর এস এস থেকে পদত্যাগ করতে হবে। দ্বৈত সদস্যপদ চলবে না। বাজপেয়ী - আদবানী ইত্যাদি নেতারা মানলেন না। সেই অজুহাতে জনতা পার্টি ভেঙ্গে দেওয়া হল। আর এস এস কে রোখার অজুহাতে আবার রাশিয়ার তাঁবেদার নেহেরু পরিবারকে দিল্লীর ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা হল। এই হল কাহিনী। এর মধ্যে অনেক উপ-কাহিনী আছে। সেগুলো বলতে হলে রাতের ঘুমকে বাদ দিতে হবে। আজকের সিপিএমের অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত ক্যাডার -সমর্থকরা এসব ইতিহাস জানে না। তাদেরকে মূর্খ করে রাখাই সিপিএমের কৌশল। মূর্খ ক্যাডার-সমর্থক-ই সিপিএমের সম্পদ। সিপিএমের রাজত্ব মানে অজ্ঞতার প্রসার, অন্ধকারের বিস্তার। ৩৪ বছরের সেই অন্ধকার থেকে পশ্চিমবঙ্গ এখনো মুক্তি পায়নি। সেই অন্ধকারেরই ফসল বর্তমানের মমতা ব্যানার্জী।

মুসলমানদের উৎপত্তির ইতিহাস জানে না বলেই তাদেরকে ভাই বলে মনে করে হিন্দুরা

মুসলমানদের উৎপত্তির ইতিহাস জানে না বলেই তাদেরকে ভাই বলে মনে করে হিন্দুরা। “সেদিন ঢাকা হইতে একটি কৌতুহলজনক সংবাদ শুনিলাম। এক বাড়িতে খাইতে গিয়াছি। সেখানে অতি সুশ্রী, সুশিক্ষিত ও অতি সুবেশও বটে - একটি বাংলাদেশী যুবকও ছিল। কথায় কথায় সে আমাকে বলিল যে, মায়ের দিক হইতে সে সৌদি আবদুল আজিজ ইবন -এর বংশধর। আমি হাসিয়া জিজ্ঞেস করিলাম, “কোন তরফ, সিধা- না বাঁকা?” যুবকও হাসিয়া উত্তর দিলো, জারজ তরফেই বটে। আমি আবার জিজ্ঞেস করিলাম, “কোন উপপত্নীটি?”… সকলেই অবশ্য হাসিল।” এ প্রসঙ্গে বলা যায়, বাংলাদেশী মুসলিম লেখিকা তসলিমা নাসরিন তাঁর ‘আমার মেয়েবেলা’ গ্রন্থের এক মুসলিম লেখকের বরাতে উল্লেখ করেছেন- “ সৌদি আরব , ইরান, ইরাক সকলেই স্থানীয় মেয়েদের (মুসলিম মেয়েদের) ‘উপপত্নী’ হিসেবে বাড়িতে রাখতো। এদের সন্তান-সন্ততিরাবর্তমানে মুসলিম জাতিবিন্যাসে একটা বড় অংশ।” এসব অবৈধ মুসলিম সন্তানগুলো যে নিজেদের অবৈধ জন্মপরিচয় নিয়ে গর্ববোধ করতো, সেটাই আলোচনার শুরুতে তসলিমা নাসরিনের অভিজ্ঞতায় ফুটে উঠেছে। কুৎসিত ব্যাধিসমূহও হিন্দুদের সমাজে অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয় বলে ধরে নেয়া হতো। উপরোক্ত ‘নির্বাচিত কলাম’ বইটিতে এ প্রসঙ্গে বেশকিছু ঘটনা রয়েছে, যার মধ্যে একটি হলো “দাদা একটি জলচৌকিতে বসিয়া আছে, কোমর পর্যন্ত লুঙ্গি তোলা, একটা কি তীব্রগন্ধ ঔষধ দিয়া উন্মুক্ত উপস্থ ধুইতেছে, তাহার অগ্রভাগ হইতে ফোঁটা ফোঁটা রক্ত নীচে একটা পিতলের বাটিতে পড়িতেছে। এতগুলি বালক বালিকা যে আছে তাহাতে সে কেনোও সঙ্কোচ বোধ করে নাই। অবশ্য আমরা বালক-বালিকারাও দৃশ্যটা দেখিয়া উহাতে মনোযোগ দেওয়া বা কথা বলার কোনো আবশ্যক দেখি নাই। আমাদের অস্পষ্ট ধারণা ছিল যে, শহরের উপকণ্ঠে বেশ্যাপাড়া বলিয়া যে একটা বেড়া-দেওয়া দোচালা-চারচালারবসতি আছে, সেখানে যাওয়ার জন্যই এই ধরনের রোগ হয়; উহা লইয়া চেচামেচি বা মাতামাতি একেবারে অহেতুক।” একসাথে খেতে বসে নিজের জন্মপরিচয়ের অবৈধতা নিয়ে হাসিঠাট্টা করা, কিংবা কুৎসিত ব্যাধিসমূহকে স্বাভাবিক বলে ধরে নেয়া, এগুলো কোনো হিন্দু তার দুঃস্বপ্নেও কল্পনা করতে পারবে না। তবে কেন তারা মুসলমানদেরকে বন্ধু মনে করে? কেন তাদেরকে ভাই বলে ডাকে তারা? কারণ একটাই, হিন্দুরা মুসলমানদের ইতিহাস জানে না। তারা জানে না যে, মুসলমানদের সমাজ কতোটা অপবিত্র। ...... স্বর্নেন্দু বিশ্বাস......

কংগ্রেস আর বিজেপি কালাম কে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সমর্থন করেছিল

পরস্পর বিপরীত মেরুতে অবস্থান করেও কংগ্রেস আর বিজেপি কালাম স্যার কে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সমর্থন করেছিল। একমাত্র কমিউনিস্ট রা কালাম স্যার এর বিরোধিতা করে ছিল, তাঁকে ব্যক্তিগত আক্রমন পর্যন্ত করছিল । কমিউনিস্ট পার্টির এই নোংরা চরিত্র অবশ্য বরাবরই আছে । কমিউনিস্ট দের চোখে নেতাজি হলেন তোজোর কুকুর , আর বিবেকানন্দ হলেন " চাকরি না পাওয়া বেকার " । এতে একটা বিষয় পরিষ্কার কমিউনিস্ট রা যাকে অপমান করে সারা দেশ তাঁদের কে জীবন্ত ভগবান মনে করে পুজো করে । আর কমিউনিস্ট রা যাকে সমর্থন করে সারা দেশ তাকে ঘৃণা করে যেমন ইয়াকুব মেনন । সন্ত্রাস বাদী দের থেকেও ভারতের বড় শত্রু হলো কমিউনিজম । সন্ত্রাসবাদী দের সাথে কমিউনিস্ট দের ও ফাঁসি দেওয়া হোক , দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি আর কৃষ্টির স্বার্থে । তুলসী তলায় দিয়ে বাতি / কমিউনিস্ট বলে আমিই সতী ।

বিদ্যাসাগরের প্রয়ান দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি

বিদ্যাসাগরের প্রয়ান দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি ******************************************* ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (জন্ম-২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ –মৃত্যু ২৯ জুলাই ১৮৯১) ঊনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার। তাঁর প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য প্রথম জীবনেই লাভ করেন বিদ্যাসাগর উপাধি। সংস্কৃত ছাড়াও বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় বিশেষ ব্যুৎপত্তি ছিল তাঁর। তিনিই প্রথম বাংলা লিপি সংস্কার করে তাকে যুক্তিবহ করে তোলেন ও অপরবোধ্য করে তোলেন।বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার তিনিই। রচনা করেছেন জনপ্রিয় শিশুপাঠ্য বর্ণপরিচয় সহ, একাধিক পাঠ্যপুস্তক, সংস্কৃত ব্যাকরণ গ্রন্থ। সংস্কৃত, হিন্দি ও ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন সাহিত্য ও জ্ঞানবিজ্ঞান সংক্রান্ত বহু রচনা।

বিশ্বে জঙ্গীবাদের যে মেরুকরণ ঘটেছে

সারা বিশ্বে জঙ্গীবাদের যে মেরুকরণ ঘটেছে তাতে বাংলাদেশের জঙ্গী সংগঠনগুলো নতুন করে অনুপ্রাণিত হচ্ছে এবং আল্লাফাকের নামে সংগঠিত হচ্ছে। দেশের মসজিদ, মাদ্রাসা, শহরের বিভিন্ন হোটেল এবং পতিতালয় গুলতে এইদের প্রধান ঘাঁটি। আজও গোয়েন্দা পুলিশ ঢাকার উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জঙ্গী সংগঠন জেএমবির ভারপ্রাপ্ত প্রধানসহ ৮ ব্যক্তিকে আটক করেছে।