Thursday, 6 August 2015

হিন্দুদের বাড়িঘর বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিল মুসলমান দুষ্কৃতিরা নদীয়ার হরিণঘাটা থানার অন্তর্গত বারুনি নামক একটি গ্রাম

হিন্দুদের বাড়িঘর বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিল মুসলমান দুষ্কৃতিরা নদীয়ার হরিণঘাটা থানার অন্তর্গত বারুনি নামক একটি গ্রাম, যেখানে রঞ্জিত মাহাতো একটি ভাঁটিশালা চালায়৷ স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯শে জুলাই ২০১৫, বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ সেই দোকানে পাশের গ্রাম বৈকারা থেকে শেখ কুদ্দুস মণ্ডল, শেখ হারান মণ্ডল এবং শেখ কালো মণ্ডল মদ খেতে এসেছিল৷ মদ খেয়ে রাস্তা দিয়ে বারি ফেরার সময় তারা সামনে কোন হিন্দু লোক দেখলেই মারধোর আরম্ভ করে৷ কয়েকজন প্রতিবাদ করায় দুষ্কৃতিরা তাদের উপরেও চড়াও হয়৷ ক্রমশঃ গ্রামবাসীদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় দুষ্কৃতিরা তখনকার মত পালিয়ে গেলেও কিছুক্ষণ পরেই তলোয়ার, দা, বন্দুক ইত্যাদি নিয়ে এসে আক্রমণ করে৷ তাদের এই আক্রমণে আহত বারুনি গ্রামের বাসিন্দা নরেন্দ্রনাথ মাহাতো, রাধা মাহাতো, সত্যজিত্ মন্ডল, শ্যামপ্রসাদ হাজারি এবং রাজকুমার মন্ডলকে গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ পরে গ্রামবাসীরা হরিণঘাটা থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ সেই অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে৷ থানায় অভিযোগ জানাতে অসমর্থ হয়ে গ্রামবাসীরা ডাকযোগে কল্যাণীর SDPO, SDO, নদীয়া জেলার পুলিশ সুপার, জেলাশাসককে অভিযোগ পত্র পাঠিয়ে দেন বলে জানা গেছে৷ গ্রামবাসীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত খবরের ভিত্তিতে জানা গেছে, এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তদেরকে গ্রেফতার করা হয় নি৷ উপরন্তু দুষ্কৃতিরা হিন্দু পাড়ায় এসে হুমকি দিচ্ছে যে কেস্ তুলে না নিলে তাদেরকে সেখানে বাস করতে দেবে না৷ এমনকি তারা এও বলেছে যে অভিযোগকারীদের বাড়িঘর বোম মেরে উড়িয়ে দেবে৷

পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদী কাসিম খান ওরফে উসমানকেও কি বাঁচাতে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হবেন ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদীরা?

পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদী কাসিম খান ওরফে উসমানকেও কি বাঁচাতে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হবেন ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদীরা? আবারও কি রাতের বেলায় সুপ্রিম কোর্ট খোলা হবে? আবারও কি মোমবাতি হাতে শহরের রাস্তায় শান্তি মিছিল করবে বুদ্ধিজীবীরা? প্রশ্ন গুলো আজ থেকেই মাথাতে ঘুরপাক খাচ্ছে । আফজল গুরু,কাসভ থেকে ইয়াকুব মেমনকে বাঁচাতে যেভাবে মানবতাবাদীরা আদাজল খেয়ে মাঠে নেমে ছিল সেটা দেখেই বোঝা যায় পাকিস্তানের অবৈধ সন্তানরা আজও ভারতে বিরাজমান । ভারতবর্ষের বুকে দেশপ্রেমিকের থেকে দেশদ্রোহীরা আজ সংখ্যা গরিষ্ঠ । একবার ইতিহাসে ফিরে আসা যাক, ভারতবর্ষের বীর হিন্দু রাজাদের পরাস্ত করতে আরব থেকে মুসলিমদের ডেকে এনে যুদ্ধ করিয়েছিলেন এই মানবতাবাদীরা,পরে আবার ইংরেজদের কাছে মেয়ে আর মদের জন্য নেহেরুরা গোলামী করে গেছেন । আর গান্ধীজীর কথা তো বাদই দিলাম উনি তো আবার মানুষ গুলো হাঁটিয়ে হত্যা করেছিলেন । আজকে ধর্মনিরপেক্ষ নেতারা ভাবছেন মুসলিম তোষন করে ক্ষমতা অর্জন করবেন,কিন্তু পরবর্তী পর্যায়ে ওই সম্প্রদায় আপনাকে শেষ করে দার- উল-ইসলাম গড়ার স্বপ্ন দেখবে । রাজনীতির ফয়দা তুলতে গিয়ে ভারতবর্ষকে ইসলাম রাষ্ট্র গড়ে ফেলতে চলেছেন আপনারা । একদিন এর ফল দেখার জন্য তৈরী থাকুন ।

If you ask any Muslim "How Allah created this word..?"

If you ask any Muslim "How Allah created this word..?" They will answer you Allah created this world though "Word". Then ask them again Is the word "Creator" or "Creation"..! They will answer you the word is Creator. If the word is Creator then Jesus Christ must be a God. Because Qur'an strongly says that "Jesus is the word of God" means the "Kalimatullah" Sagenen Tudu

যীশু একজন নবী ছাড়া আর কিছু নয়

মুসলমানরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যীশু একজন নবী ছাড়া আর কিছু নয়। কিন্তু আসলে কোরান যীশুকে স্বয়ং ঈশ্বর ও নবী উভয়ই বলছে। যা সম্পূর্ন অসার ও স্ববিরোধী বক্তব্য। প্রথমেই দেখি যীশু সম্পর্কে কোরানে কি বলছে - হে আহলে-কিতাবগণ! তোমরা দ্বীনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করো না এবং আল্লাহর শানে নিতান্ত সঙ্গত বিষয় ছাড়া কোন কথা বলো না। নিঃসন্দেহে মরিয়ম পুত্র মসীহ ঈসা আল্লাহর রসূল এবং তাঁর বাণী যা তিনি প্রেরণ করেছেন মরিয়মের নিকট এবং রূহ-তাঁরই কাছ থেকে আগত। অতএব, তোমরা আল্লাহকে এবং তার রসূলগণকে মান্য কর। আর একথা বলো না যে, আল্লাহ তিনের এক, একথা পরিহার কর; তোমাদের মঙ্গল হবে। নিঃসন্দেহে আল্লাহ একক উপাস্য। সন্তান-সন্ততি হওয়াটা তাঁর যোগ্য বিষয় নয়। যা কিছু আসমান সমূহ ও যমীনে রয়েছে সবই তার। আর কর্মবিধানে আল্লাহই যথেষ্ট। ‪#‎ সূরা_নিসা‬-৪: ১৭১ উক্ত আয়াতে দেখা যাচ্ছে কোরান যীশুকে আল্লাহর বানী ও আল্লাহর রুহু হিসাবে বর্ণনা করছে। আরবীতে যাকে বলে - আল্লাহর বানী = কালিমাতুল্লাহ এবং আল্লাহর রুহু= রুহুল আল্লাহ। প্রতিটি মুসলমানও কিন্তু বিষয়টা স্বীকার করে। কিন্তু স্বীকার করার পর এর নিহিতার্থ সম্পর্কে কিছুই উপলব্ধি করতে পারে না। তা না পারার কারনও কিন্তু কোরানের স্ববিরোধী বিরোধী বানী। এবার দেখা যাক তা --- আর বণী ইসরাঈলদের জন্যে রসূল হিসেবে তাকে মনোনীত করবেন। তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাদের নিকট তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে এসেছি নিদর্শনসমূহ নিয়ে। আমি তোমাদের জন্য মাটির দ্বারা পাখীর আকৃতি তৈরী করে দেই। তারপর তাতে যখন ফুৎকার প্রদান করি, তখন তা উড়ন্ত পাখীতে পরিণত হয়ে যায় আল্লাহর হুকুমে। আর আমি সুস্থ করে তুলি জন্মান্ধকে এবং শ্বেত কুষ্ঠ রোগীকে। আর আমি জীবিত করে দেই মৃতকে আল্লাহর হুকুমে। আর আমি তোমাদেরকে বলে দেই যা তোমরা খেয়ে আস এবং যা তোমরা ঘরে রেখে আস। এতে প্রকৃষ্ট নিদর্শন রয়েছে, যদি তোমরা বিশ্বাসী হও। উক্ত আয়াতে বলছে যীশু একজন রসুল ছাড়া আর কিছুই নয়। বলা বাহুল্য রসুল হলো একজন মানুষ মাত্র যার কাছে আল্লাহ সরাসরি বা কোন ফিরিস্তার মাধ্যমে বানী পাঠায় নিয়মিত। এখন আমরা দেখি ঈশ্বর বা আল্লাহ সম্পর্কে আমাদের ধারনা কি। ঈশ্বর বা আল্লাহ হলো চিরন্তন ও শ্বাশ্বত। তাই স্বাভাবিক ভাবেই তার বানী ও আত্মাও চিরন্তন ও শ্বাশ্বত হবে। তার বানী যদি শ্বাশ্বত ও চিরন্তন না হয় , তার আত্মা যদি শ্বাশ্বত ও চিরন্তন না হয় তাহলে আল্লাহ বা ঈশ্বর চিরন্তন ও শ্বাশ্বত হতে পারে না।সাধারন মানুষ বা যে কোন রসুলের বানী বা আত্মা হবে অবশ্যই নশ্বর ও অস্থায়ী। এখন যীশু হলো আল্লাহর বানী ও তার আত্মা যা কোরান বলছে তাহলে সেই বানী ও আত্মা হবে চিরন্তন ও শ্বাশ্বত। তার অর্থ যীশু হলো চিরন্তন এক সত্তা। অথচ চিরন্তন সত্তা একমাত্র ঈশ্বর বা আল্লাহ। যার উপসংহার দাড়ায় কোরান আসলে যীশুকে স্বয়ং ঈশ্বর হিসাবেই স্বীকার করে নিচ্ছে। এ এমন এক ঈশ্বর যে নাকি রক্ত মাংশের আকারে দুনিয়াতে আগমন করেছিল মানুষকে মুক্তির পথ দেখাতে। আল্লাহ বা ঈশ্বর যেহেতু সব কিছু করতে সক্ষম তাই তার পক্ষে রক্ত মাংশের মানুষ আকারে পৃথিবীতে আসাও তার পক্ষে নিতান্ত সাধারন ব্যাপার। অথচ সেই একই কোরান পরেই আবার বলছে যীশু হলো একজন রসুল মাত্র । আর বলা বাহুল্য , স্বয়ং ঈশ্বর ও রসুলের মধ্যে আকাশ পাতাল তফাত। রসুল একজন মানুষ মাত্র। তারা অর্থ খোদ কোরানই যীশু সম্পর্কে উল্টা পাল্টা ও স্ববিরোধী কথাবার্তা বলেছে। বোঝাই যাচ্ছে , যীশু সম্পর্কে খৃষ্টানরা যে সব কথা বলত , তার নিহিতার্থ না বুঝেই মোহাম্মদ তার কোরানের মধ্যে যীশুর কথা হুবহু ঢুকিয়ে দিয়েছিল। বর্তমানে মুসলমানরা কোরানের সেই উল্টা পাল্টা কথারই প্রতিধ্বনি করে যায় তার নিহিতার্থ না বুঝেই। তারা বুঝতে পারে না যে যীশুকে একবার আল্লাহর বানী ও আল্লাহর আত্মা হিসাবে স্বীকার করার পর সে আর কোনভাবেই একজন রসূল থাকতে পারে না, সে হয়ে যায় স্বয়ং ঈশ্বর।

ভগবান সাকার না নিরাকার!

ভগবান সাকার না নিরাকার-১ কেউ কেউ গ্রহন করে ভগবানের সাকারত্বকে,ফলে তারা ভগবানের বিভিন্ন রূপের আরাধনা করে;আবার অন্যেরা মনে করে পরমব্রহ্ম মূলতঃ নিরাকার।যারা নিরাকার ব্রহ্মের উপাসনা করেন,তারা পরমব্রহ্মের সাকারত্বকে মানে না।যারা সাকার উপাসনা করে,তারা হয়তো পরমব্রহ্মের নিরাকারত্বকে গ্রহন করেনা।কিন্ত আচার্য্যরা শাস্ত্রভিত্তিতেপরমব্রহ্ম সম্পর্কে 2 প্রকার ধারনার সমন্বয় করেছেন।পরমব্রহ্মের 2প্রকার স্বরূপ আছে,সাকার ও নিরাকার।ভাগবতে পরমব্রহ্মের 3 প্রকার উপলব্ধির কথা বর্ণনা করা হয়েছে।ব্রহ্ম,পরমাত্মা ও ভগবান। 'ব্রহ্মেতি পরমাত্মেতি ভগবানেতি শব্দ্যতে'-আমরা এই শ্লোক আলোচনার মাধ্যমে পরমব্রহ্মের নিরাকার স্বরূপ সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করব।ব্রহ্ম,পরমাত্মা ও ভগবান-পরমব্রহ্মের এই 3স্বরূপ কে 3প্রকার সাধকেরা উপাসনা করে থাকেন।যারা ব্রহ্ম স্বরূপকে উপাসনা করেন তাদেরকে বলা হয় জ্ঞানী।যারা পরমাত্মা স্বরূপকে সাধনা করেন তাদেরকে বলা হয় যোগী,তারা ধ্যানযোগের মাধ্যমে পরমাত্মাকে হৃদয়ে উপলব্ধি করেন।যারা ভগবানের সচ্চিদানন্দ রূপকে উপাসনা করেন তাদেরকে বলা হয় ভক্ত।«চলবে..» আরো জানতে LIKE our Page, http://m.facebook.com/profile.php?id=1633143613584040

Did You Khow?

আপনারা কি জানেন , বর্তমানে ভারতের কাছে 90 - 110 টি নিউক্লিয় বোমা আছে এবং পাকিস্থানের কাছে 100 - 120 টি নিউক্লিয় বোমা আছে ।কিন্তু , দুঃখের বিষয় হল ,পাকিদের সব বোমাই কিলোটনের ,,কিন্তু ভারতের কাছে 40 - 50 টি বোমা মেগাটনের বোমা রয়েছে ।তাই পাকিদের একটা বোমার পাওয়ার থেকে ভারতের বোমার পাওয়ার তিন - চার গুন বেশী । তাছারা ,পাকি জেনারেলরা ,কথায় কথায় ,ভয় পেয়ে ,নিউক্লিয় হামলার হুমকি দেয় ।কিন্তু গাধার দল কি জানে না ,,, ওদের এটম থেকে বাঁচার জন্য আমাদের PAD , AAD আছে ,,যা ওদের দেশের ভেতরেই ,ওদের ছোড়া নিউক্লিক বোম ধংস করে দেবে ।কিন্তু তারপর ,ভারত থেকে যখন ,ছবির মাল গুলি যাবে ,,সেগুলির থেকে টেরোরিস্ট ল্যান্ড পাককে কে বাঁচাবে ..

Did You Khow

আপনারা কি জানেন , বর্তমানে ভারতের কাছে 90 - 110 টি নিউক্লিয় বোমা আছে এবং পাকিস্থানের কাছে 100 - 120 টি নিউক্লিয় বোমা আছে ।কিন্তু , দুঃখের বিষয় হল ,পাকিদের সব বোমাই কিলোটনের ,,কিন্তু ভারতের কাছে 40 - 50 টি বোমা মেগাটনের বোমা রয়েছে ।তাই পাকিদের একটা বোমার পাওয়ার থেকে ভারতের বোমার পাওয়ার তিন - চার গুন বেশী । তাছারা ,পাকি জেনারেলরা ,কথায় কথায় ,ভয় পেয়ে ,নিউক্লিয় হামলার হুমকি দেয় ।কিন্তু গাধার দল কি জানে না ,,, ওদের এটম থেকে বাঁচার জন্য আমাদের PAD , AAD আছে ,,যা ওদের দেশের ভেতরেই ,ওদের ছোড়া নিউক্লিক বোম ধংস করে দেবে ।কিন্তু তারপর ,ভারত থেকে যখন ,ছবির মাল গুলি যাবে ,,সেগুলির থেকে টেরোরিস্ট ল্যান্ড পাককে কে বাঁচাবে ..