Saturday, 30 January 2016

অর্থলোভী পাষন্ড

'শিপ্রা'ও ঘোষ.... আর... 'তীর্থঙ্কর'ও ঘোষ! পার্থক্য,... একজন পৃথিবীর নির্মমতম অত্যাচারের শিকার.... আরেকজন সেই ঘটনার অত্যাচারীর পক্ষে সওয়ালকারী আইনজীবী। অর্থলোভী এই পাষন্ডের যুক্তি... তিনি নাকি আগে আইনজীবী... পরে (অ)মানুষ! আমিও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই ভারত বর্ষের নাগরিক সমাজের কাছে একটি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে চাই,... যারা এই ভাবে আইন কে শিখন্ডি দাঁড় করিয়ে প্রকাশ্যে দুষ্কৃতীদের হয়ে সওয়াল করেন, তাদের পাশে গিয়ে প্রশ্রয় দেন,... তাদের অন্যায়কে লঘু করে দেখানোর চেষ্টা করেন,... তাদের কি কোন দোষ নেই?... সমাজে অপরাধবান্ধব হিসাবে তারা কি সমাজে অপরাধ বৃদ্ধিতে পরোক্ষে সাহায্য করেন না? অপরাধীকে সাহায্য করা যদি অপরাধ হিসাবে গন্য হয়,... তবে এই (অ)মানুষ গুলো কি আইনের উর্দ্ধে? - তবে এই কুলাঙ্গারদের বিচার করবে কে? হ্যাঁ মানছি,....আজ যদি শিপ্রা তার নিজের আদরের মেয়ে হত, তাহলেও যদি তিনি এই একই ভাবে ঐ নররাক্ষসদের হয়ে ওকালতি করতে পারতেন - তবে সেটা অন্য ব্যাপার ছিল। কিন্তু... উনি কি তাই পারবেন? যদি পারেন তবে প্রকাশ্যে বিবৃতি দিন... যে, আমার মেয়েকে যদি কেউ ধর্ষন করে দুই পা ধরে চিরে ফেলে দেয়,.. আমি সেই ধর্ষকের পক্ষে কথা বলব।... তার যাতে শাস্তি না হয় বা হলেও যাতে তা লঘু করা যায়, তার ব্যবস্থা করব। .... আর তা যদি তিনি না পারেন, তবে এই বিরলতম অপরাধে... অপরাধীকে সাহায্য করার অপরাধে আমি তার ফাঁসির দাবী জানাচ্ছি। ওই শয়তানদের সঙ্গে যেন এই নরাধমের জন্যেও ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়। - না হলে আমার শিপ্রা'র আত্মা চিরকাল অতৃপ্তই থেকে যাবে।। .... আপনারা কি বলেন...??

বিশ্বের সব উন্নত রাষ্ট্রের মানুষ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে। ব্যতিক্রম কেবল হিন্দুপ্রধান রাষ্ট্র ভারত।

বিশ্বের সব উন্নত রাষ্ট্রের মানুষ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে। ব্যতিক্রম কেবল হিন্দুপ্রধান রাষ্ট্র ভারত। ভারত এমনি একটি সেকুলার রাষ্ট্র যেখানে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে গেলে আপনি মুসলমান বিরোধী সংখ্যালঘু নির্যাতনের কেসে ফেঁসে যাবেন। সেদেশে প্রকাশ্যে কলকাতার রাস্তায় তালিবান প্রধান বিন লাদেনের নামাজে জানাযা পড়া হয়, সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসিতে দুঃখিত হয়ে গাড়ি ভাঙা হয়। মুম্বাই শহরে বোমা মেরে মানুষ হত্যাকারী ইয়াকুব মেননের ফাঁসির প্রতিবাদ জানানো হয়। একজন খুনি জঙ্গির ফাঁসি হবে জেনে ফাঁসির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সেদেশের বুদ্ধিজীবীরা। লাখ লাখ মানুষ জড়ো হয়ে একজন জঙ্গির জন্য নামাজে জানাযা পড়ে। যেদেশে বাংলাদেশ থেকে জঙ্গি ঢুকে একের পর এক সহিংস কর্মকাণ্ড ঘটলেও বাংলাদেশী অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে নরম কিংবা শক্ত কোনো ব্যবস্থায় নেওয়া হয় না পাছে সংখ্যালঘু নির্যাতনের আর্তনাদ উঠবে সেই ভয়ে; সেদেশে মাত্র তিরিশ হাজার মুসলমান জঙ্গি সংগঠন আইএসে যোগ দিতে মুখিয়ে আছে বলে বিশ্বাস করি না। সুযোগ পেলেই ভারতের সতের কোটি একতাবদ্ধ মুসলমান, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেজর্জরিত বাম ও সেকুবাদী চেতনায় বিশ্বাসী একশো কোটি হিন্দুর উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে।

6 दिसबंर 2018 से पहले हो जाएगा राम मंदिर का निर्माण: | Hindi News India Live

http://www.24hindinews.com/ram-temple-in-ayodhya-to-be-completed-before-december-2018-375132/

কেন তুমি জেন্টেলম্যানদেরমতো পোশাক পরো না?

একজন বৃ‌টিশ স্বামী বিবেকানন্দকে জিজ্ঞেস করে‌ছিল, “কেন তুমি জেন্টেলম্যানদেরমতো পোশাক পরো না?” স্বামীজী হাসলেন এবং বললেন, “ তোমাদের সংস্কৃতিতে জেন্টেলম্যান তৈরি হয় দর্জিদের কাছে, আমাদের সংস্কৃতিতে জেন্টেলম্যান তৈরি হয় চরিত্র দিয়ে।” <<<<<<<<>>>>>>> "That's the Difference of culture." __Mr.Sen 30/01/2016

হুগলী জেলার চন্ডিতলা থানার পুলিশ গতকাল হিন্দুদের উপর অকথ্য অত্যাচার করেছে।


হুগলী জেলার চন্ডিতলা থানার পুলিশ গতকাল হিন্দুদের উপর অকথ্য অত্যাচার করেছে। পুলিশ শিবমন্দির ভেঙ্গেছে। হিন্দুদের অপরাধ? তারা দুজন মুসলিম দুস্কৃতিকারী শেখ হাসান ও শেখ সহরাব-কে মেরেছে। কেন ? শেখ সফিক নাম এক ব্যক্তি তার চারচাকার গাড়িতে এক সাইকেল আরোহী উত্তম মাজীকে ধাক্কা মেরে গুরুতর আহত করে। উত্তম মাজীকে শ্রীরামপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শেখ সফিকের গাড়ি ঘিরে হিন্দুরা বিক্ষোভ দেখালে ওই দুজন শেখ হাসান ও শেখ সোহরাব সেখানে এসে অত্যন্ত নোংরা ভাষায় বিক্ষোভরত হিন্দুদের গালাগালি করতে থাকে ও হুমকি দিতে থাকে। তখন ওই হিন্দুরা ওই দুজন দুস্কৃত্কারীকে প্রহার করে। তখন চন্ডিতলা থানার পুলিশ এসে হিন্দুদের উপর প্রচন্ড অত্যাচার শুরু করে। এমনকি শিবমন্দিরে ঢুকে মন্দিরের ক্ষতি করে। পুলিশের সামনে মুসলিম দুস্কৃতকারীরা অস্ত্র নিয়ে ঘুরতে থাকে। সেখানকার হিন্দুরা অত্যন্ত আতঙ্কে আছে। [সংবাদসূত্র : দৈনিক যুগশঙ্খ < http:// www.dainikjugasa nkha.in/ index.php?city=3 &edition=300120 16#>]. আমার মন্তব্য : পুলিশ এইরকম হিন্দু বিরোধী আচরণ করছে - হিন্দু বিদ্বেষে নয়। মুসলমানের ভয়ে। সদ্য ঘটে যাওয়া কালিয়াচক, ময়ূরেশ্বর, তুফানগঞ্জ ও বহুস্থানে পুলিশ মুসলিম জনতার হাতে মার খেয়েছে, মার খেয়ে থানা ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে। পুলিশ আর কত মার খাবে ? হুগলী-র পুলিশ কর্তারা বুদ্ধিমান। শেখ হাসান ও শেখ সোহরাব-এর হুমকি শুনে তাঁরা বুঝতে পারেন - এখানেও কালিয়াচক হতে চলেছে। তাই আগে থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া। কী ব্যবস্থা ? হিন্দুদের উপর অত্যাচার করে তাদের কন্ঠস্বরকে দাবিয়ে দেওয়া। সহজ উপায়। হিন্দু মার খাও, মার খাও, মার খাও। প্রতিবাদ কোরো না। শান্তি বজায় রাখো। শান্তি বজায় রাখার দায়িত্ব শুধু তোমাদের। যে কোন মূল্যে। এমনকি মা-বোনেদের সম্মানের মূল্যেও। তোমাদের পূর্বপুরুষরা পূর্ববঙ্গ থেকে মাটি ছেড়েছেন। তবু প্রতিবাদ করেননি। ধর্মনিরপেক্ষতারমহান আদর্শকে বজায় রেখেছেন। তোমরাও সেই মহান পরম্পরা বজায় রাখো। তবেই তো ভবিষ্যতে বাঙালী হিন্দুর নাম উজ্জ্বলভাবে জাদুঘরে সংরক্ষিত থাকবে। Tapan Ghosh

শিশু যৌন নির্যাতনের অভিযুক্তদের মধ্যে বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীও রয়েছে

জাতিসংঘ প্রথমবারের মতো মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে শিশুদের যৌন নির্যাতনের সাথে জড়িত শান্তিরক্ষীদের জাতীয়তা প্রকাশ করেছে। এই সন্দেহভাজনেরা এসেছে বাংলাদেশ, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, নিজার এবং সেনেগাল থেকে। নিউ ইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘ কর্মকর্তা (সহকারী মহাসচিব, এ্যান্থনি ব্যানবেরি) কান্নাজড়িত কণ্ঠে যৌন নির্যাতনের নতুন অভিযোগগুলো ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, এই সমস্যা মোকাবেলায় সম্ভাব্য সবকিছুই করা হচ্ছে। মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে জাতিসংঘ এবং ইউরোপিয় শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে অনেকটা হিমশিম খাচ্ছে জাতিসংঘ। গতমাসে এসব যৌন নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে জাতিসংঘের প্রতিক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে বর্ণনা করে একটি স্বাধীন প্যানেল। এই প্রতিবেদন শেয়ার করুন। http://www.bbc.com/bengali/news/2016/01/160130_child_sexual_abuse_peacekeepers_bangladesh?SThisFB

কামদুনি গণধর্ষণ ও খুনের মামলায় তিনজনকে ফাঁসি ও তিনজনকে আমৃত্যু কারাবাসের সাজা শোনাল আদালত।

কামদুনি গণধর্ষণ ও খুনের মামলায় তিনজনকে ফাঁসি ও তিনজনকে আমৃত্যু কারাবাসের সাজা শোনাল আদালত। দোষী সাব্যস্ত ছ’জনের মধ্যে আমিন আলি, সইফুল আলি মোল্লা এবং আনসার আলি মোল্লাকে আদালত ফাঁসির সাজা দিয়েছে। ভোলা নস্কর, শেখ এমানুল ইসলাম ও আমিনুর ইসলামকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। কামদুনির ছাত্রী গণধর্ষণ ও হত্যায় দোষী ঘোষিত ৬ অপরাধীর কী সাজা হবে, আমৃত্যু কারাবাস না মৃত্যুদণ্ড, জানতে অধীর অপেক্ষায় ছিল কামদুনি-সহ গোটা রাজ্য। সাজা নিয়ে এক ঘণ্টার সওয়াল-জবাব শেষে রায় দেয় আদালত। এর আগে শুনানি চলাকালীন সর্বোচ্চ শাস্তির পক্ষে সওয়াল করে সরকারি আইনজীবী। দুপুর সাড়ে তিনটেয় সাজা ঘোষণা করেন বিচারক সঞ্চিতা সরকার।গতকাল সাজা ঘোষণা হয়নি। নগর দায়রা আদালতে বিচারক সঞ্চিতা সরকারের এজলাসে সাজার মেয়াদ নিয়ে গতকালের পর আজ সকাল ১১টা থেকে ফের শুনানি শুরু হয়। নগর দায়রা আদালতে বিচারক সঞ্চিতা সরকারের এজলাসে সাজার মেয়াদ নিয়ে সওয়াল করেন অভিযুক্তপক্ষের আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি। তবে নির্যাতিতার ভাইয়ের দাবি, ফাঁসি চাই দোষীদের। গতকাল তিনটি পর্যায়ে শুনানি হয়। আড়াই বছর পর গণধর্ষণকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে ৬ অভিযুক্তকে। তথ্যপ্রমাণের অভাবে খালাস পেয়েছে ২ জন। এ নিয়ে আজ শুনানিতে এক ঘণ্টা বলার সুযোগ পাবেন তাদের আইনজীবীরা। আজই সাজা ঘোষণার সম্ভাবনা। কেন দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হল, সেজন্য ক্ষুব্ধ নির্যাতিতার পরিবার। তারা ওদের ছাড়া পাওয়া রুখতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে পারেন।