- শুনেছেন দাদা??
- কি??
- আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতাজ বেগম পশ্চিমবঙ্গে মোসলমানদের জন্য দাঙ্গা কোটার ব্যাবস্থা করেছে।
- এটা আবার কি জিনিস??
- জানেন না বুঝি.. দাঙ্গাবাজ মমতাজ বেগম ও তার তৃণমূল দল মমতাজ বেগমের এই দাঙ্গা কোটা অনুযায়ী, দাঙ্গাবাজ ও সন্ত্রাসী যবনের বাচ্চারা যেকোনো জায়গায় যেকোনো সময়ে দাঙ্গা লাগাতে পারে... হিন্দুদের বাড়িঘর দোকানপাট ভাংচুর, মারধোর করা, রেপ করা, এমনকি খুন ও করা যেতে পারে। কিন্তু এতে পুলিশ বা মিডিয়া - কেউই কিছু বলবে না।
- এ কি বলছেন? রামরাজত্ব চলছে নাকি??
- আরে দাদা রামরাজত্ব চললে তো অনেক ভালো হত। কিন্তু এখানে তো সাম্প্রদায়িক, ধর্মান্ধ আল্লার রাজত্ব চলছে। এককথায় বলতে গেলে হারামজাদার হারাম রাজত্ব চলছে।
- বিষয়টা একটু খুলে বলবেন???
- ঠিক আছে, বলছি। এই দাঙ্গা কোটা অনুযায়ী
১. প্রথমে কোনো একটা বিষয় নিয়ে মোসলমানেরা ঝামেলা শুরু করবে।
২. এরপরে হিন্দুরা ঐ বিষয় নিয়ে হালকা প্রতিবাদ করবে।
৩. এমন সময় হিন্দুদের প্রতিবাদকে সাম্প্রদায়িক বলে দাঙ্গাবাজ মোসলমানেরা তাদের জাতের লোকজনকে জড়ো করবে। ''আল্লাহু আকবর'' বলে হিন্দুদের দোকান, ঘর ভেঙ্গে দিবে, হিন্দুদের মারধোর করবে। প্রিয় মোসলমান ভাইদের রাগ বেশি হয়ে গেলে আল্লার নাম নিয়ে খুন ও করে দিতে পারে।
৪. এরপর পুলিশ আসবে। মমতাজ বেগম বলে দেয়, কোনো প্রিয় দাঙ্গাবাজ মুসলমান ভাইকে যেন পুলিশ গ্রেপ্তার না করে। তাই তারা বেছে বেছে হিন্দুদের গ্রেপ্তার করবে।
৫. সংবাদপত্র, মিডিয়া এগুলি কিছু দেখাবে না, কারণ তাতে প্রিয় মুসলিম ভাইদের মনে আঘাত লাগতে পারে।
৬. কোনো হিন্দু যদি এই ঘটনার প্রচার করে, তাহলে তাকে সাথে সাথেই বিজেপি, আর এস এসের এজেন্ট বলে চালিয়ে দেওয়া হয়। আর বলা হয় যে সে নাকি শান্তিপ্রিয় বাংলায় আমাদের শান্তিপ্রিয় মোসলমান ভাইদের সাথে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে।
- তাহলে আক্রান্তদের কি হয় দাদা?? তারা কি সুবিচার পায়??
- সুবিচারের কথা আর বলেন না দাদা। রাজ্যে জেহাদিদের সরকার চলছে যে। পুলিশ, প্রশাসন সব ই তো জেহাদিদের কবলে।
- তাহলে বাংলার হিন্দুরা কি আর জাগবে না? এইভাবেই কি মোসলমানদের হাতে মার খেতে হবে??
- কি আর বলি দাদা !!! আমরা আর্তচিৎকার করে দিলেও হয়ে যাই সাম্প্রদায়িক, ওরা খুন করে দিলেও কোনো কথা হয় না।
No comments:
Post a Comment