Monday, 22 June 2015

এই পোস্টটি কোন ব্যক্তি বা কোন ধর্মীয় গোষ্ঠীকে ছোট করার উদ্দেশ্যে নয়

এই পোস্টটি কোন ব্যক্তি বা কোন ধর্মীয় গোষ্ঠীকে ছোট করার উদ্দেশ্যে নয়।মসলমান ভাইরা মন খারাপ করবেন না।এটা একান্তাই আমাদের হিন্দুদের জন্য।হিন্দুদেরকে পাপ কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য। আজ থেকে মসলমানদের এক মাসের তথাকথিত পবিত্র মাসের রোজা শুরু হয়েছে।মসলমানরাসেই ভোর থেকে সন্ধ্যা অবধি না খেয়ে তথাকথিত তাদের কাল্পনিক সৃষ্টিকর্তাকে নাকি সন্তুষ্ট করবে।যাক তাতে আমরা বাধা দিচ্ছি না এবং দিবও না।রোজা রাখা যে মানবদেহের জন্য কতবড় ক্ষতিকর তার মেডিক্যাল ব্যাখ্যাসহ একটু পরে পোস্ট করব।যাই হোক আসল কথায় আসি। এই রোজা আসলেই কিছু হিন্দুর মসলমানদের সাথে মিলে গজা খাওয়া বেড়ে যায়।কোন মসলমান বন্ধু ইফতারের নিমন্ত্রণ দিল অমনি খাওয়ার লোভে নিজের ধর্ম ভুলে ইফতার খেতে ছুটে যায়!যা হিন্দু শাস্ত্রে ঘোর অন্যায় পাপ কার্য।ইফতার নামক রাক্ষসী খাওয়াটা হয় ঠিক সন্ধ্যার সময়।যে সময় অনুযায়ী একজন হিন্দুর পূজা-পাঠে ব্যস্ত থাকার সময়।এবং সবচেয়ে বড় কথাটি হল সন্ধ্যা কোন খাওয়ার সময় না।কোন মানুষ এসময়টা খাদ্য গ্রহন করে না।সেই ভগবান শ্রী রামের সময় থেকেই সন্ধ্যার সময়টা রাক্ষসকূল এবং অশুভ শক্তির খাদ্য গ্রহনের সময়।তাই আমাদের হিন্দু শাস্ত্রেও এ সময়টা খাদ্য গ্রহণ করা পাপ(একটু পর এর মেডিকেল ব্যাখ্যা সহ পোস্ট করব।) তাছাড়া ওদের ঐ ইফতারির বেশিরভাগ খাদ্যই তৈরি হয় গোমাংস দ্বারা।আর একজন হিন্দুর নিকট গোমাংস গ্রহন কতটা পাপের কার্য তা বলার অপেক্ষাই রাখে না। আর একটি বিষয়-ওরা ইফতারের আগে খাদ্যটা ওদের আল্লার নামে উৎসর্গ করে তারপর খায়।যা খাওয়া একজন হিন্দুর একেবারে অনুচিত।কারন,ভগবানের উদ্দেশ্য উৎসর্গকৃত খাবার ছাড়া সব খাবার ভগবান নিষিদ্ধ করেছেন।পূজার সময় যে প্রসাদ আমরা খাই তা প্রথমে ভগবানকে উৎসর্গ করা। তাছাড়া সারাদিন না খেয়ে থাকা ব্যক্তি যখন খাবারের উপর ঝাপিয়ে পড়ে ক্ষূধার তাড়নায় তা দেখেও মানসিকভাবে সুস্থ ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়বে।এর মেডিক্যাল ব্যাখ্যাসহ বিস্তারিত পোস্ট আসছে। এতসব বিবেচনা করে সেইসব হিন্দু দের উদ্দেশ্য করে বলছি-আজ এই মূহূর্ত থেকে ভারতীয় সংস্কৃতি আকড়ে ধরুন।বিজাতীয়-বিধর্মী আরবীয় সংস্কৃতি ত্যাগ করুন।ওদের সাথে ইফতার খাওয়া ও ওদের ঈদে শুভেচ্ছা জানানো থেকে বিরত থাকুন। ‪#‎ জয়শ্রীরাম‬ হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।

No comments:

Post a Comment