Thursday, 18 June 2015

শাসিতরা শাসকের অধীনে থাকে

সকল দেশের সর্বকালে বিজেতারা পরাজিত দের নিকৃষ্ট রূপে প্রমাণিত করার চেষ্টা করে গেছে,যাতে শাসিতরা শাসকের অধীনে থাকে।ভারত এর ব্যতিক্রম নয়। ভারতীয়রা যে হাজার বছর ধরে যে বিদেশীদের শাসনে ছিল সেই কালখন্ডে ভারত বিপুল ভাবেগরিমা চ্যুত হয়েছে। বিদেশীরা আমাদের ধন রত্ন লুন্ঠন করে আমাদের শিল্প সংস্কৃতি ধ্বংস করে,আমাদের জ্ঞান ভান্ডার স্বরূপ পুস্তকাগার গুলি ভস্মীভূত করে ভারতীয় দের শিকড় থেকে বিচ্ছন্ন করার ক্ষেত্রে অনেকটাই সফল হয়েছে। ভারত স্বাধীন হওয়ার পরও কংগ্রেস সরকার সেই পুরনো গৌরব পুনরুদ্ধারের কোন চেষ্টাই করেনি।বরং সাম্প্রদায়ীকতাররং দিয়ে আমাদের দূরে সরিয়ে রেখেছে।নেতাজী সুভাষ চন্দ্রের জাতীয়তাবাদ,বিবেকান্দের দর্শন থেকে আমারা অনেকাংশে বঞ্চিত।ভুলে ভরা ইতিহাসে আমরা শুধু পাপাত্মা গান্ধীরগুনগানই গিলেছি। ভন্ড সেকুলারদের বিস্মরণ এতটাই গভীর যে জাগ্রত ভারতের অত্মগৌরবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার চেষ্টা কে এঁরা নানা ভাবে আক্রমণ করে চলেছে।যাতে ভারত কখনও আত্মগৌরবের শক্তিতে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। সম্প্রতি ১৭৭ টি দেশের সমর্থনে ২১ জুন দিনটিকেUN দ্বারা বিশ্ব যোগদিবস হিসাবে ঘোষনা করা হয়েছে।যোগাভ্যাস দ্বারা যে মানুষের শরীর,মন ও বুদ্ধির বিকাশ সম্ভবতা শতাধিক দেশ মেনে নিলেও এখানে সেকুলাররা সাম্প্রদায়ীকতাররং দেখতে পেয়ে বিরোধিতায় মত্ত! মার্কিন যুক্ত রাষ্টের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে(যেমন নিউজার্সির সেটনহল বিশ্ববিদ্যালয়) সকলছাত্রের জন্য আবশ্যিক পাঠ হিসেবে পাঠক্রমে গীতার অংশ বিশেষ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।পবিত্র গীতাকে কোর কোর্সে রাখার পক্ষে তাদের যুক্তি এর দ্বারা সহজেই যুবসমাজকে দায়িত্ববোধ ও সুস্থ জীবন বোধের শিক্ষা দেওয়া যাবে।অথচ গীতা কে এদেশের পাঠক্রমে রাখার কথায় সেকুদের মাথায় বাজ ভেঙেপড়ে। ইংল্যান্ড,আমেরিকার অনেক স্কুলেই সংস্কৃত ভাষারপঠন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।সেই সব দেশের সরকার প্রমাণ ছাড়া কোন কিছু হুজুগে গ্রহণ করেনা।তারা প্রমাণ পেয়েছেন,সংস্কৃতশুদ্ধ ভাবে উচ্চারণকরলে মুখগহ্বরের বিভিন্ন কেন্দ্রে যে অভিঘাত সৃষ্টি হয়,তা মানুষের বুদ্ধির বিকাশে সহায়তা করে তাছাড়া এই ভাষার উন্নত ব্যাকরণ গুণে সীমাহীনসংখ্যার নতুন শব্দ নির্মাণ সম্ভব এবং পৃথিবীর সকল ভাষার মধ্যে সংস্কৃত সর্বাধিক কম্পিউটার ফ্রেন্ডলী ভাষা। বর্তমানে ১২৫ কোটি ভারতবাসীর মধ্যে ৬৫ কোটি মানুষের বয়স ৪০ এর নীচে।এই বিপুল যুব শক্তির অর্ধেকও যদি আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে নিজের ব্যক্তিসত্তার প্রতি শ্রদ্ধাবান হয়ে দেশমাতৃকার উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করে তবেএদেশ কে রোখা মুসকিল।তাইতো কিছু বিদেশী শক্তি ভন্ড সেকুলার রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মিশে দেশের উন্নতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মসলমানদের গোপন এজেন্ডা বাস্বায়নে। হে ভারতবাসী জেগে ওঠো,দরকার হলে হাতে অস্ত্র তুলে নাও।স্কুলে যোগ ব্যায়াম করতেই হবে মসলমান শিক্ষার্থীদের নয়ত কর্কশ আযান চিরতরে ব্যান করে হিন্দুদের ওটা শুনতে বাধ্য করা থেকে রেহাই দিতে হবে। ‪#‎ জয়শ্রীরাম‬ হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।।

No comments:

Post a Comment