Thursday, 20 August 2015

আমি কেন হিন্দু সংহতির কাছে যাবো? ... আর কেনই বা হিন্দু থাকবো ??

আচ্ছা আমি কেন হিন্দু সংহতির কাছে যাবো? ... আর কেনই বা হিন্দু থাকবো ?? ( আলোচনা করেছেন, শ্রী সঞ্জয় চৌধুরী) সংবিধানে বলা আছে.. জোর করে বা প্রলোভোন দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করা বা ধর্মান্তরে উৎসাহ দেওয়া অবৈধ কিন্তু ----------------------------------- ১ / আমাদের দেশের সরকার তুষ্টি করন এমন পর্যায়ে নিয়ে গেছে, তাতে সেই তুস্টির ফল পেতে আমি তো ধর্মান্তরে উৎসাহী হয়ে পড়ছি । ২ / সরকার অন্যধর্মের ছাত্রীদের নীল নীল সাইকেল দিচ্ছে। এতে করে যদি কোনো বাচ্চা মেয়ে বাবাকে বলে, বাবা তুমি অন্য ধর্ম গ্রহন করো তাহলে আমাকে সাইকেল দেবে সরকার । সুতরাং সরকার কি ধর্মান্তরে প্রোলোভন দিচ্ছে না ??? ৩/ ওবিসির নাম করে শয়ে শয়ে ছেলে মেয়ে অন্য ধর্মের হলেও চাকুরী , লোন, ব্যবসার লোন , লাইসেন্স কলেজে ভর্তির সুযোগ সহজেই পেয়ে যাচ্ছে । সুতরাং এটা কি ধর্মান্তরে ইন্ধন জোগানো নয় ????????? ৪ / কামদুনী, কাটোয়া সহ নানা জায়গায় ধর্ষন হলে আসামী কোনো শাস্তি পাচ্ছে না। এর ফলে উৎসাহিত হয়ে হিন্দু আসামীরা যদি বলে আমি ভিন্ন ধর্ম গ্রহন করব তাহলে শাস্তি হবে না। এটা কি ধর্মান্তরে উৎসাহ জোগানো নয় ????? ৫/ যার যখন ইচ্ছা লুঠ পাট করে বাড়ি থেকে বাজারের দোকান থেকে টিভি, কাপড় সহ সব নিয়ে যাচ্ছে -- উস্তি, সমুদ্রগড় ---- কাউকে ধরা হচ্ছে না। এতে হিন্দুরা যদি দলে দলে উৎসাহী হয়ে ভিন্ন ধর্ম গ্রহন করে তবে কি সেটাতে ইন্ধন জোগানো হচ্ছে না ??? লুঠ পাঠ করে টিভি, ফ্রিজ , জামা কাপড় নিয়ে চলে গেলো ধরা হবে না। ৬/হিন্দু ঘরের মেয়ে যখন তখন তুলে নিয়ে যাচ্ছে। ৭৫ দিন ধরে ব্রেন ওয়াসিংএর পরে সেই মেয়ে বলছে আমি স্বইচ্ছায় গেছি -- এতে মেয়ে নাবালক হলেও আসামীর শাস্তি হচ্ছে না। -------- এই ঘটনায় উৎসাহী হয়ে কোনো হিন্দুর ছেলে যদি এটা করার জন্য ধর্মান্ততরিত হয় শুধু মাত্র তাঁর পছন্দের মেয়েটিকে তুলে নিয়ে যাবে ---- অথচ শাস্তি হবে না বিশেষ একটা ধর্ম গ্রহন করলে ------- এটা কি ধর্মান্তরে ইন্ধন যোগান নয় ???????????????????????????? ৭ / আমি একটা বিয়ে করলে এবং আর একটা বিয়ে নয় শুধু মাত্র প্রেম করলেই সেটা আইনের চোখে অপরাধ। আর কেউ কেউ চার খানা বিয়ে করলেও সেটা অপরাধ নয়। এর ফলে এতে উতসাহী হয়ে কেউ ধর্মান্তরিত হলে দুরকম আইন কি দায়ি নয় ??? চারটে বিয়ের আইন রেখে সরকার কি ধর্মান্তরে ইন্ধন যোগাচ্ছে না ?? ৮/ দেশদ্রোহীতা করেও পার পাওয়া যাচ্ছে এমনকি --এই দেশের পার্লামেন্টের মেম্বারও হওয়া যাচ্ছে । এটা কি ধর্মান্তরে ইন্ধন জোগানো নয় ?? এতে উৎসাহ পেয়ে অনেক দেশদ্রোহীও তো ধর্মান্তরিত হবে বাঁচার জন্য ??? ৯/ কোলকাতা শহরের অর্ধেকটা যখন তখন অচল করে দেওয়ার পরেও সরকার -প্রশাসন - পুলিশ সকলে নীরব হয়ে থাকছে --- এটা কি ধর্মান্তরে ইন্ধন যোগানো নয় ?? কারণ আমরা যদি এটা বুঝে যাই যে যা খুশি তাই করতে পারব দরকারে শহর অচলও করে দিতে পারি --- শুধুমাত্র ধর্মান্তর করতে হবে --- তবেই এই সব করার লাইসেন্স পাওয়া যাবে ----- এটা কি ধর্মান্তরে ইন্ধন যোগানো নয় ???? ১০ / আমি বাইকে হেলমেট পরে না গেলে পুলিশে ধরবে আর কেউ মাথায় দু টাকার টুপি পরলেই সেই বাইক আমার চোখের সামনে ছেড়ে দেওয়া হবে এটা কি ধর্মান্তরে উৎসাহ যোগানো নয় ??? তবে সেই সুযোগটা নিতে আমি কেন হিন্দু থাকব ?? ১১/ বিনা টিকেটে বিশেষ বিশেষ উৎসবে যতবার ইচ্ছা ট্রেনে সারাদিন ঘুরলেও কেউ কিছু বলবে না। এই সুযোগটা নিতে গেলে আমি কেন ধর্মান্তরিত হব না ?? ১২ / বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ করার পর বিশেষ ধর্মের হলে আমি ধর্মীয় স্থান থেকে রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট পাবো। তাঁর পরে কাউন্সিলরের কাছ থেকে রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট পাবো। সেটা নিয়ে রেশন কার্ড , জব কার্ড, প্যান কার্ড সব পাব ---- তবে কেন আমি বাংলাদেশ থেকে হিন্দু শরনার্থী পরিচয়ে ভারতে আসব??????? দরকার পরলে নাম পরিবর্তন করে অনুপ্রবেশকারী হয়ে আসবো এতে আমার সব হবে । সুতরাং এতো এতো কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে শুধুমাত্র হিন্দু ধর্ম পরিত্যাগ করলে। রাজনৈতিক নেতারা , পুলিশ , সরকার , দেশের সংবিধান আমাকে মাথায় তুলে রাখবে। সুতরাং এতো প্রলোভনের মাঝে পরে হই বুঝি বা ক্ষয় ----------- আমি কেন হিন্দু থাকব ??? আর কেনই বা হিন্দু সংহতির কাছে যাব ?? দেশের সরকার ------ প্রশাসন আপনারা একটু ভাবুন আপনারাই কি ধর্মান্তরে সব থেকে বেশি উৎসাহ , প্রলোভন দেখিয়ে সংবিধানের আইন ভাঙছেন না !!!!!!!!!

কংগ্রেস-কমিউনিস্ট দুই পাপ

কংগ্রেস-কমিউনিস্ট দুই পাপ ... হিন্দুস্থানে হিন্দুর.... অভিশাপ।। পশ্চিমবঙ্গে .... আমাদের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে আপনারা যে যাই বলুন না কেন, কয়েকটি বিষয়ে তার সঙ্গে সহমত পোষণ না করে আমি পারি না। .... এই ধরুন, বছর খানেক আগেও তিনি বামফ্রন্টকে কংগ্রেসের ‘বি’ টিম বলে সম্বোধন করতেন..। খুব একটা ভুল কথা তিনি বলতেন কি? আমার মনে হয় না। এটা কিন্তু একদমই বাস্তব সত্য। আপনারা যদি ভারতের স্বাধীনতার পর থেকে একবার এদের দ্বৈত সম্পর্কের দিকে আলোকপাত করেন। তবে অতি সহজেই এটা বুঝতে পারবেন যে চিরকাল এরা রাজ্যে কুস্তি ও কেন্দ্রে দোস্তি করে এসেছেন! এমনকি ইন্দিরাজীর আমলে সেই কুখ্যাত জরুরী অবস্থার সময়েও সেই কারনেই হয়তো প্রায় কোন বামপন্থী নেতাকেই গ্রেফতার বরণ করতে হয়নি। কারাগারের চৌকাঠ মাড়াবার মত দুর্ভাগ্য তাদের কোনদিনই ছিল না। আর দেশপ্রেম! .. সে কথা নতুন করে কি আর বলব? সিপিএম কাজ সেরেছে কার্পেটের তলায়... তারা ... দুধ খেয়েছে স্ট্র লাগিয়ে। বাটিতে স্ট্র লাগিয়ে .... চোঁ চোঁ ... মার টান! ওপরের ‘সর’ যেমনকার ...তেমনই ছিল। শুধু নিচের দুধটাই যা হাওয়া হয়ে গেছে ..।। কাক পক্ষীতে টেরটিও পায় নি। ... আর ছাগলের তিন নম্বরি বাচ্চার মত জনগন সে সব ঘুণাক্ষরে টের না পেয়ে তাদের প্রতিদিন ‘ইনক্লাব জিন্দাবাদ’ বলে স্তুতি করেছে। কিন্তু কংগ্রেস ...? দুধ খাবার ব্যাপারে বড্ড-বেশি তাড়াহুড়ায় হামলে পড়ে খেতে গিয়ে সারা মুখে সর মেখে ভূত হয়েছে। ... আর লোকের কাছে দুবেলা .. চোর – বাটপাড় বলে গালাগাল শুনেছে ...।। পার্থক্য যদি বলেন, ... তা হয়তো শুধু... এটুকুই। - আমার অন্তত তাই মনে হয়। — Raja Debnath

ইসলামে বর্ণিত সৃষ্টিকর্তা ‘আল্লাহ’ কর্তৃক প্রেরিত কুরানের দু'টি আয়াত দেখুন ~

ইসলামে বর্ণিত সৃষ্টিকর্তা ‘আল্লাহ’ কর্তৃক প্রেরিত কুরানের দু'টি আয়াত দেখুন ~ So blessed is Allah, the best of creators. এ সবই আল্লাহর আশীর্বাদ, যিনি সৃষ্টিকর্তাদের মাঝে অন্যতম। (Quran 23:14) Do you call upon Ba'l and leave the best of creators – তোমরা কি বা’আল দেবতার এবাদত করবে এবং সর্বোত্তম স্রষ্টাকে পরিত্যাগ করবে। (Quran 37:125) উক্ত আয়াতদ্বয়ে ব্যবহৃত আরবি শব্দ l-khāliqīna এর ইংলিশ প্রতিশব্দ Creators অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তার বহুবচন। এখানে আল্লাহ নিজেই নিজেকে অন্যান্য সৃষ্টিকর্তা থেকে শ্রেষ্ঠ বা অন্যতম বলে স্বীকার করে নিচ্ছেন। প্রশ্ন হল, সৃষ্টিকর্তা আসলে কতজন? নাকি ‘আল্লাহ’ খ্রিষ্টানদের ‘গড’ বা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ‘কৃষ্ণ’-র অস্তিত্বও স্বীকার করে নিচ্ছেন? বিষয়টার সহজ ব্যাখ্যা মেলে যদি ধরে নেই, মুহম্মদ তার সৃষ্ট চরিত্র ‘আল্লাহ’-কে তৎকালীন মূর্তিপূজক সমাজে প্রতিষ্ঠা পাবার জন্য আল্লাহকে দিয়েই নিজের বাণী আনিয়েছেন যে উক্ত ‘আল্লাহ’ চরিত্র অন্যান্য পূজিত দেবতা বা ঈশ্বর থেকে শ্রেষ্ঠ, অন্যতম! . . যারা প্রার্থনা করে, তাদের প্রার্থনা কবুল করে নেই, যখন আমার কাছে প্রার্থনা করে। কাজেই আমার হুকুম মান্য করা এবং আমার প্রতি নিঃসংশয়ে বিশ্বাস করা তাদের একান্ত কর্তব্য। (Quran 2:186) উক্ত আয়াত অনুসারে, আল্লাহ বলেছেন যে, তাঁর কাছে কোনো বিষয়ে প্রার্থনা করলে তা তিনি কবুল করে নেন। ধরে নিতে পারি, ইসলামে বর্ণিত সৃষ্টিকর্তা ‘আল্লাহ’ মিথ্যা বলেন না, ফলে কুরানের বাণীতেও তিনি কিছুই মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন না! শর্ত শুধু একটাই যে, তাঁর উপর পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপনসহ তাঁর নির্দেশিত কুরানের বাণী মেনে চলা। এখন কথা হল, আল্লাহ কি তাঁর এই প্রতিশ্রুতি রাখতে প্রকৃতপক্ষেই সক্ষম? কেউ যদি শর্ত পূরণ করে ৩০০ বছর বেঁচে থাকার প্রার্থনা করে তবে কি তা মঞ্জুর হবে? আল্লাহর প্রিয় নবী মুহম্মদের কথাই ধরুন, যিনি মারা গিয়েছেন কোন পুত্রসন্তান না রেখেই, আপনার কি মনে হয় তিনি সন্তানের জন্যে আল্লাহর কাছে আর্জি জানান নি? আল্লাহর প্রিয় হয়েও যখন তাঁর প্রার্থনা পূরণ হয়নি, তখন আপনি কি করে ধরে নিচ্ছেন, আল্লাহ তাঁর প্রতিশ্রুতি রাখতে সক্ষম ! বস্তুত দেখা যাচ্ছে আল্লাহ এক মিথ্যাবাদী চরিত্র! . . আল্লাহ দাবি করেছেন যে, পৃথিবীতে যত প্রাণী রয়েছে, প্রত্যেকেই মানুষের মতন একেকটি কমিউনিটি শ্রেণীবদ্ধভাবে বাস করে । আয়াতটি দেখুন ~ And there is no creature on [or within] the earth or bird that flies with its wings except [that they are] communities like you. (umamun means ‘communities) আর যত প্রকার প্রাণী পৃথিবীতে বিচরণশীল রয়েছে এবং যত প্রকার পাখী দু’ ডানাযোগে উড়ে বেড়ায় তারা সবাই তোমাদের মতই একেকটি শ্রেণীবদ্ধ জীব । (Quran 6:38) হাস্যকর বিষয় হচ্ছে, একজন সৃষ্টিকর্তার কাছে জাগুয়ার (jaguar), লেপার্ড (leopard) বা মাকড়সাদের (spiders) ব্যাপারে কোনো তথ্যই ছিল না। ফলে তিনি জানতেন না যে বহু প্রাণী আছে, যারা শ্রেণী বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পছন্দ করে না। এ ধরনের মিথ্যা উদ্ধৃতি থেকেই প্রতীয়মান হয় কুরান রচয়িতা মুহম্মদের অজ্ঞতা। কেননা এটা আশা করাই যায়, একজন সৃষ্টিকর্তা, যিনি এত নিখুঁত (আপাত দৃষ্টিতে) সৃষ্টি করতে সক্ষম, তিনি এমন প্রাইমারি লেভেলের জ্ঞান নিয়ে কথা বলবেন না!

পাক সার জমিন সাদ বাদ -- (পর্ব - ২৯)

এই শতাব্দীর এক অকুতোভয় অনন্যসাধারন বামপন্থী কথা সাহিত্যিক শ্রী 'হুমায়ূন আজাদ' ও বাংলাদেশের হিন্দু নিপীড়নের প্রেক্ষাপটে তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ "পাক সার জমিন সাদ বাদ" -- (পর্ব - ২৯) ------------------------------------------------------------- হাফিজুদ্দিন বলে, ‘হুজুর আপনে আজও খাঁটি মুছলমান হইতে পারেন নাই, একবার কইর্যা দেখেন, পরে আর মাইয়া মানুষের দিকে চোকও দিতে ইচ্ছা হইব না’। আমি বলি, ‘এই দুনিয়ায় মালাউন উর্বশী আমি পছন্দ করি, ওরা যখন কাপড় তুলে চনচন করে প্রস্রাব করে সেই শব্দটাও আমার ভালো লাগে। মহান পাক রাহমানির রাহিম আমাকে এইভাবেই সৃষ্টি করেছেন’। হাফিজুদ্দিন বলে, ‘আগে জানলে মহান আল্লাতালা আদমের বদলে আপনারেই সৃষ্টি করতেন’। আমি হাফিজুদ্দিনকে একটু বিব্রত করতে চাই, যাতে সে আরো বেশী করে আমার অধীনে থাকে; তাই আমি বলি, ‘নাউজুবিল্লা’। হাফুজুদ্দিন বলে, ‘হুজুর মাপ কইর্যা দেন; এইটা আপনের আমার মইদ্যে কতা হুজুর, কারে কোন দিন বইল্যোন না’। আমি বলি, ‘তুমি আমাকে সন্দেহ করো?’ হাফিজুদ্দিন বলে, ‘না, হুজুর, আপনে সব সন্দেহের বাইরে’। আমি বলি, ‘হাফিজুদ্দিন, তুমি গেলমানের কথা বলছো, এতে মি না খোশ হই নি’। মোঃ হাফিজুদ্দিন বলে, ‘বুক থিকা আমার একটা পাথর নাইম্যা গেল’। আমি বলি, ‘তুমি কি সক্রেটিসের নাম শুনেছো?’ মোঃ হাফিজুদ্দিন বলে, ‘না, হুজুর’। আমি বলি, ‘সে দুনিয়ার, এক মহান জ্ঞানী বলে পরিচিত, তারও দুটি কচি গেলমান ছিল, তাদের মধ্যে তাকে নিয়ে মারামারি লাগতো’। মোঃ হাফিজুদ্দিন বলে, ‘হুজুর, আমারগুনি মারামারি করে না’। মালাউনটার আসার কথা ছিল, সে এলো না; কাল ওর দোকান আর চাউল কল কীভাবে পুড়বে সে দৃশ্য আমি দেখতে থাকি। এমন সময় দেখি মালাউনটা কথা রেখেছে, দশটার দিকে সে এসেছে, সঙ্গে তার মেয়ে কনকলতা।

বড়াইগ্রামে মাদ্রাসা শিক্ষক জামাই শ্বশুরের কাণ্ড!

http://wwwww.jugantor.com/bangla-face/2015/08/14/307717

একটা স্বপ্ন

কাল রাতে একটা স্বপ্ন দেখলাম । স্বপ্নে দেখলাম আমার জনধন যোজনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কালো টাকা থেকে পাওনা ১৫ লক্ষ টাকা ঢুকে গেছে । এরপর আনন্দে এক বন্ধুকে কথাটা জানাতে গেলাম সেও বলল আমারও ১৫ লক্ষ টাকা ঢুকেছে । রোজ সকালে আমি কচুরী খায় তাই আজকেও কচুরীর দোকান গেলাম গিয়ে দেখি দোকান বন্ধ,কচুরীওয়ালাও ১৫ লক্ষ টাকা পেয়ে গেছে তাই দোকান বন্ধ । সব্জি কিনতে গেলাম সেখানেও দোকান বন্ধ, সব্জি বিক্রেতাও ১৫ লক্ষ পেয়ে গেছে তাই দোকান বন্ধ । ১৫ লক্ষ টাকা করে সবাই পেয়েছে তাই কাজ ব্যাবসা সব বন্ধ করে দিয়েছে । ১৫ লক্ষ টাকা আমার মৃত্যুর কারন হয়ে দাঁড়িয়ে গেল । ১৫ লক্ষ টাকা করে ব্যাক্তিগত অ্যাকাউন্টে নিতে যারা চাইছেন তারা নিশ্চয় বুঝতে পারছেন এর ভবিষ্যত কি? যদি কালোটাকা দেশের কাজে লাগানো হবে বলা হত তাহলে কালোটাকার ব্যাপারে কোন দেশবাসী মাথা ঘামাত না, ওই যে ১৫ লক্ষ টাকা অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে বলা হয়েছিল তাই এত গলা ফাটাচ্ছে । কালোটাকা দেশে ফিরবে আর সেই টাকাতে উন্নতি হবে দেশের, পারলে কর্ম করে ১৫ লক্ষ টাকা কামানোর চেষ্টা করুন, বিনাপরিশ্রমে ১৫ লক্ষ টাকার আশা করছেন কোন লজ্জাতে ।সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য

অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাস-ফেল ফের চালু করছে কেন্দ্র | 24Ghanta.com

http://zeenews.india.com/bengali/nation/can-reverse-no-fail-policy-in-schools-smriti-irani_130735.html