Thursday, 6 August 2015

একশো কোটি হিন্দুরে হে মুগ্ধ জননী, রাখিলে ভদ্র করি, মানুষ করোনি

"একশো কোটি হিন্দুরে হে মুগ্ধ জননী, রাখিলে ভদ্র করি, মানুষ করোনি”। “তুমি অধম হইলেও আমি উত্তম না হইব কেন?”- সাহিত্য সম্রাট শ্রীযুক্ত বাবু বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক সৃষ্ট বিখ্যাত চরিত্র নবকুমারের মুখ নিঃসৃত এই শ্রী বানীটিই যে বঙ্গীয় হিন্দু সমাজকে “মরিশাসের ডোডো পাখীর ন্যায়” এক পার্থিব–বিরল আত্মঘাতী জাতীতে পরিনত করিতে সর্বাগ্রগণ্য ভূমিকা গ্রহন করিয়াছে, তাহাতে কাহারও কোন সন্দেহের অবকাশ থাকিবার কথা নহে। কারন হিসাবে ইহার সহিত অপর দুই প্রখ্যাত বঙ্গীয় আপ্তবাক্য – “যেমন কুকুর তেমন মুগুর” এবং “ইটটি মারিলে পাটকেলটিও খাইতে হয়”; গোছের বক্তব্যের স্ববিরোধ স্পষ্টতই দিবালোকের ন্যায় প্রতীয়মান। ইহারই পাশাপাশি “ক্ষমাহি পরমং ধর্মঃ”- প্রকৃতির আরও গুটি কতক শান্তিনিকেতনী গো-বিতাড়নী শান্তি মন্ত্র আমাদের বঙ্গীয় হিন্দু সমাজের দুর্বলতাকেই প্রবল ভাবে সবল করিতে সক্ষম হইয়াছে। সেই কবেই ঋষি প্রবর শ্রী অরবিন্দ তাঁহার “দিব্য জীবন” গ্রন্থখানিতে কি অপূর্ব ভঙ্গিতে দাস্য ও বীর ভাবের মধ্যে সুস্পস্ট প্রভেদ চিহ্নিতকরণ করিয়া গিয়াছেন। তাঁহার মতে “ক্ষমারও একখানি বিধিবদ্ধ সীমারেখা থাকা প্রয়োজন। ক্ষমার মন্ত্রে দীক্ষিত হইয়া উক্ত লক্ষনরেখা অতিক্রম করিয়া ক্ষমা প্রদর্শন যে কেবল অন্যায় কারীর সহিত আপোষ – তাহাই নহে, একান্ত কাপুরষতার লক্ষণও বটে”! ইহার সূত্র ধরিয়াই পৃথিবীর সকল দুর্বল জাতিই অপেক্ষাকৃত সবলের অত্যাচার ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে বিচার করিতে নিতান্তই বাধ্য থাকেন ও পরিশেষে পুরুষাকারের একান্ত অভাব সত্বেও জাগতিক ক্ষমার মাহাত্যে প্রতিষ্ঠিত হইবার হাস্যকর প্রচেষ্টায় লিপ্ত হন। ইহার সূত্র ধরিয়াই পূর্ববঙ্গ হইতে মান, সম্মান, নারীর ইজ্জত খোয়াইয়া এবং দূর্বার অপ্রতিরোদ্ধ বর্বর ইসলামী সন্ত্রাসে সর্বস্বান্ত হইয়া, সপ্ত পুরুষের ভিটে মাটি পরিত্যাগ করিয়া, চোখের জলে – নাকের জলে (অথবা ইহার পরিবর্তে যদি অন্য কিছুরও জল থাকিত)এক হইয়া, “মাটি বাপের নয়, মাটি দাপের” – এই পার্থিব সত্যকে হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করিয়া, রিফিউজির (উদ্বাস্তুর) সম্মানে বিভূষিত হইয়া এই বঙ্গে আগত কয়েক কোটি হিন্দুনন্দন বঙ্গবাসী আজও প্রকাশ্যে দন্ত বিকশিত করিয়া “হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই” – এই বিকট ও উদ্ভ্রান্ত ভণ্ডামোর প্রকাশ্য সওয়াল করতে এক মুহূর্তের জন্যেও দ্বিধা বোধ করেন না। ইহা নিঃসন্দেহেই সমকালীন সমগ্র পৃথিবীর এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয় না হইতে পারাটাই অস্বাভাবিক। ইহার সূত্র ধরিয়াই ইসরায়েলের ন্যায় একটি অতি ক্ষুদ্র দেশের পক্ষেও তাহার প্রতিবেশী শত্রুদের প্রতি এই রনহুঙ্কার দেওয়া সম্ভব, যে তাহারা একজন ইসরায়েলী সৈনিকের মৃত্যুর প্রতিশোধরূপে আটজন বিপক্ষীয় শত্রুর প্রাণনাশ করিবেক। পক্ষান্তরে ইহার সূত্র ধরিয়াই পাকিস্থানী দুর্বৃত্তের দল ভারতের দুই জন সৈনিকের মস্তক ছেদন করিয়া লইয়া গেলেও ভারতবর্ষীয় কোন এক ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রীরূপী উদ্বাস্তু সন্তান(পাক কতৃক দেহাতী ঔরত সম্মানে সম্মানিত),তাহারসলজ্জ প্রতিবাদ স্বরূপ পাকিস্থানের সহিত ক্রিকেট নামক একটি জনমোহিনী বিজাতীয় ক্রীড়া হইতে বিরত থাকার অঙ্গিকার করিয়া বসেন(কার্যক্ষেত্রে তাহাও সংঘটিত করিতে সফলকাম হন নাই)। সুতরাং .. আইসেন ....অন্তত ভদ্র ভাবে বাঁচিয়া থাকিবার নিমিত্ত না হয় একটু অভদ্র হইলামই বা ... ক্ষতি কি? Raja Debnath

পাক সার জমিন সাদ বাদ -- পর্ব ২১

এক অনন্য সাধারন বামপন্থি 'হুমায়ূন আজাদ' এবং বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতন নিয়ে তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ "পাক সার জমিন সাদ বাদ"-- পর্ব ২১ ------------------------------------------------------------ পর্ব যত বাড়ছে হিন্দুদের নারীদের উপর ইসলামি জিহাদের বর্বরতার কাহিনী ততই বাড়ছে। তাই পড়ুন, ইসলামি জিহাদ বিষয়ে আগাম সতর্ক হোন... ----------------------------------------------------- আমার একটি প্রিয় অভ্যাস হচ্ছে ছহবতের পর তাদের(হিন্দু নারীদের) কিছু উপহার দেওয়া। আমার মধ্যে আরব্যরজনীর একটি হারুনর রশিদ বাস করে। যদি এখন সোনার দিনার চল থাকতো, তাহলে আমি ছহবতের পর তাদের অমৃতনির্ঝর সোনার খনিতে কয়েকটি সোনার সিনার ঢুকিয়ে দিতাম উপহার হিসাবে, যাতে আমাকে তারা চিরকাল মনে রাখে; স্তনে দুটি স্বর্ণমুদ্রা গেঁথে দিতাম, যাতে ওখানে আমি চিরকাল থাকি। এখন যা চলে তা ঢোকানো যায় না; তাই আমি তাদের কয়েক হাজার করে দিই, তারা খুশী হয়। ওরা অনেকেই একসঙ্গে কয়েক হাজার দেখে নি। আমি কিছু সোনার হার, আংটি, লকেটও কিনে রেখেছি; যারা আমাকে বেশি সুখ দেয়, বেহেশতের স্বাদ দেয়, তাদের খনিতে আমি ধীরে ধীরে দামি সোনার হার, আংটি, লকেট ঢূকিয়ে দিই, ফ্রাংক হ্যারিশ নামে এক অতিশয় মহাপুরুষের অকপট আত্মজীবনী পড়ে এটি আমি শিখেছিলাম, তাদের টেনে বের করতে বলি, তারা টেনে বের করে সুখে তা গলায় আঙুলে পড়ে। আমি ঠিক ধর্ষন, বলাৎকার বা জেনা করি না, পেয়ার করি, প্রেম করি; যেমন দিল্লির বাদশারা, বাগদাদের সুলতানরা, তুরস্কের সুলতানরা করতো; হয়তো তাদের থেকে একটু বেশি রাজকীয় ভাবেই করি, যদিও আমার রাজত্ব ও দিনার নেই, কিন্তু আমি প্রেমকলা শিখেছি বাৎস্যায়নের থেকেও ভালো। আমার সঙ্গে যারাই ঘুমিয়েছে, আমার সাম্যবাদ সর্বহারার যুগের পর, তারা সবাই স্বীকার করেছে, আবার আসতে চেয়েছে। বিজয়ের পর আমাদেরও উৎসব আছে, প্রাপ্য আছে। আমাদের প্রাপ্য উর্বশী, রম্ভা আর উর্বশী-রম্ভার থেকেও যা সুন্দরী ও সেক্সি ও সেক্সাইটিং, মেরোলিন ও সুচিত্রার সংমিশ্রন, সেই অজর আমর টাকা, যাতে খোজাও দিন রাত রতিতে মত্ত থাকতে পারে, খোজার সর্বাঙ্গে অজস্র দৃঢ় শিশ্ন বিকশিত হয়, সেই চিরকামাবেদনময়ী,অনন্তযৌবনা, কামদেবী যার আছে অহস্র পীনোন্নত স্তন ও মধুময় যোনি ও প্রশস্ত নিতম্ব- টাকা, সোনারুপো, যা ৭০ বিলিয়ন ছওয়াবের থেকেও আকর্ষনীয়; একদিন পাবো বাড়ীঘর, যাতে আমরা পবিত্র গার্হস্থ্য জীবন যাপন করবো, ধর্মকর্ম করবো, মক্কা-মনোয়ারায় যাবো। ঠান্ডা আগুন এখনো আমরা থামিয়ে দিই নি, ঠান্ডা আগুনের থেকে গরম আগুন আর নেই; এর মাঝে ওরা অনেকেই ওদের আপন দেশে চলে গেছে; কিন্তু ঠান্ডা আগুনে পোড়া দাগ ওদের কোনোদিন সারবে না। আমার মদিনাতুন্নবি এলাকায় অনেককেই খবর দেওয়া হয়েছে।

1946 এর কোলকাতা নরসংহারের সময় প্রতিবেশী মুসলমানরাই প্রতিবেশী হিন্দুদের উপর আক্রমন করেছিল

1946 এর কোলকাতা নরসংহারের সময় প্রতিবেশী মুসলমানরাই প্রতিবেশী হিন্দুদের উপর আক্রমন করেছিল | যেসব মুসলমানরা বহিরাগত ছিল তাদের হিন্দু জনবসতিতে ঢুকিয়েছিল পাশের বাড়ির একই বৃন্তের দ্বিতীয় কুসুমরাই | সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী ৪৬ এর নরসংহার হয়েছিল বহিরাগতদের দ্বারা | কিন্তু সেটি একটি মনগড়া চিত্রনাট্য ছাড়া আর কিছুই নয় | যারা আক্রমন করেছিল তারা সবাই আক্রান্তদের খুব কাছের লোক ছিল | অসহায় হিন্দুরা পরিচিত মুসলমানদের কাছে সাহায্য চাইলে তাদের প্রথমে ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলমান হওয়ার প্রস্তাব দেয় হিন্দুদের সমাজতুতো ভাইয়েরা | পঞ্চগ্রাম-এর লক্ষী মজুমদার বলেছেন "আমি যখন আমার প্রতিবেশী মুসলিমকে আমার প্রাণ বাঁচানোর জন্য অনুরোধ করি তখন সে আমাকে প্রথমেই মুসলিম হয়ে যেতে বলে | বলে আমি যদি এখনই মুসলিম হয়ে যাই তাহলেই আমি ও আমার পরিবার বেঁচে যাবে | মুসলমানদের এই ধর্মান্তকরণের কাজে প্রধান সাহায্যকারী ছিল তখনকার পুলিশ | আমাকে যখন ওরা ধর্ম পরিবর্তন করতে বলে তখন আমার বাড়িতেই পুলিশ সুপারিনটেনডেন্টউপস্থিত ছিলেন |" প্রসঙ্গত বলে রাখি, লক্ষী মজুমদার ছিলেন পঞ্চগ্রাম-এর জমিদার | ওনার রেকর্ডেড স্টেটমেন্টটি নিচে দেওয়া হলো : - Statement of The Zamindar of Panchagaon, Babu Lakshmi Chandra Mazumdar : =================================================== "On 12th morning I called in some leading Muslim gentlemen for help and advice, notably Gholam Kibria, Latu Mia of Bhaor, our Union Board President (U. No. 12), Nure Rahman (dismissed sub-inspector of police) and other people. They promised to save our life and property on conversion to Islam. Surrendering our guns and our agreeing to abide by their decision....I was told by a known Muslim to go to the nearby mosque with some other leading Hindu gentlemen like Chandra Kumar Mazumdar and others whom he named and told us that if we decided to save our life and property, we must not make delay in making up our mind but must go to the mosque to be converted. We went to the mosque as we had no alternative where we found several Muslims armed with weapons."

কাশ্মীরে মুসলমানরা পাকিস্তানের পতাকা উড়াচ্ছে

সাধারন ভারতীয়ঃ দাদা, কাশ্মীরে মুসলমানরা পাকিস্তানের পতাকা উড়াচ্ছে। সেকুলারঃ দয়া করা সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়াবেন না। হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই, পাকিস্তানের পতাকা উড়াতেই পারে, আমরা ভাই ভাই বিভেদ লাগানোর চেষ্টা করবেন না।

কীভাবে বাড়িতেই গনেশ পুজো করবেন ?

কীভাবে বাড়িতেই গনেশ পুজো করবেন ? আজ সিদ্ধিদাতা গনেশ পূজা। সকলকে জানাই পূজার প্রীতি ও শুভেচ্ছা। >পূজার প্রস্তুতি পর্বের প্রয়োজনীয় সামগ্রীঃধূপ, আরতির থালা, সুপুরি, পান পাতা, গনেশের জন্য নতুন পোশাক, চন্দন কাঠ। >পুজো পদ্ধতিঃ ওম গণ গনপতায় নমঃ মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে শুরু হয় গনেশ আরাধনা। আরতির থালায় সুগন্ধি ধূপ জ্বালিয়ে সূচনা করুন গনেশ পুজোর। এরপর চন্দন কাঠের সামনে সাজিয়ে রাখুন পান পাতার ওপর সুপুরি। যারা গনেশ চতুর্থীর আগেই বাড়িতে মূর্তি নিয়ে আসছেন তারা নির্দিষ্ট দিনের আগের পর্যন্ত নতুন কাপড়ে বিগ্রহের মুখ ঢেকে রাখুন। পুজোর দিন মূর্তি স্থাপনের আগে খুলবেন মুখ। গনেশ নিয়ে ঘরে প্রবেশের আগে চাল ছড়াতে ভুলবেন না। মূর্তি স্থাপনের আগেও ছড়িয়ে দিন চাল। ওপরে রাখুন সুপুরি, কাঁচা হলুদ, লাল কুমকুম ও দক্ষিণা। >মূল পর্বের প্রয়োজনীয় সামগ্রীঃ মূর্তি স্থাপনের পর প্রয়োজন লাল ফুল, দূর্বা ঘাস, মোদক, নারকেল, লাল চন্দন, ধুনো ও ধূপ। >মূল পুজো পদ্ধতিঃ বাড়িতে গনেশ মূর্তি স্থাপনের আগে সারা বাড়ি পরিষ্কার করুন। স্নান সেরে মন্ত্রের মাধ্যমে মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর শুরু হবে পুজো। ঋক বেদ বা গণেশ সুক্তায় পাবেন প্রাণ প্রতিষ্ঠার মন্ত্র। প্রাণ প্রতিষ্ঠার পরই ধূপ ও প্রদীপ জ্বালিয়ে শুরু করুন আরতি। এরপর ষোড়শপচারে গনেশ আরাধনা করুন। গনেশ বন্দনার ১৬টি রীতির নামই ষোড়শপচার। এরপর ২১টি দূর্বা ঘাস, ২১টি মোদক ও লাল ফুল গনেশের সামনে সাজিয়ে রাখুন। মূর্তির মাথায় আঁকুন লাল চন্দনের টিকা। এরপর গনেশ মূর্তির সামনে নারকেল ভেঙে অশুভ শক্তিকে দুর করুন। গনেশের ১০৮ নাম জপ করুন। মূর্তির সামনে করজোরে প্রার্থনা করুন পরিবারের সুখ, সমৃদ্ধি।এইভাবে বাড়িতে পুরোহিতের সাহায্য ছাড়াই করতে পারেন গনেশ বন্দনা।

হিন্দুদের মারতে এসেছিলাম, এটা মজার, জেরায় জানাল ধৃত পাক জঙ্গি

"আমি এসেছি হিন্দুদের মারতে, হিন্দুদের মারতে আমাদের খুব আনন্দ হয়" ঠিক এই কথাটাই বলেছে কাল জম্মুর উধমপুর থেকে ধৃত সন্ত্রাসবাদী মোহম্মদ কাশিম। সে স্বীকার করেছে ইয়াকুব মেমনের ফাঁসির প্রতিশোধ নিতেই গতকাল জম্মুর উধমপুরে গ্রেনেড ফাটিয়ে সে দুই ভারতীয় জওয়ানকে খুন করেছে। এবার দেশে কংগ্রেস-ভামপন্থী- তৃণভোজীর মত সংখ্যালঘুদের পা চাটা নেড়ি কুকুরেরা একে বাঁচানোর জন্য লেগে পরবে ও এর বউকে সাংসদ বানানোর দাবী তুলবে। এবার প্রশ্নটা হল আপনি কি করবেন??? আমি জানি এই গ্রুপে বেশ কিছু ভণ্ড সেকুলার লোক আছে যারা বলবে এটা উস্কানিমূলক পোস্ট, কিন্তু ভারতের নাগরিক হওয়ার স্বার্থে আমার দেশপ্রেম যা সত্য তা তুলে ধরতে বাধ্য করেছে Zee News -এর লিঙ্কের সাথে। এই পোস্টের পর হয়তো আমাকে এই গ্রুপে আর রাখা হবেনা, কিন্তু আমার দেশপ্রেম আমার স্বধর্মপ্রেমের কাছে আর কিছুই বড় নয়। http://abpananda.abplive.in/incoming/2015/08/05/article675187.ece/I-came-to-kill-Hindus-its-fun-doing-this-says-captured-Pak-terrorist-Usman

আফগান হিন্দু ও শিখ

পোষ্টটি‬পুরুটা না পড়ে এড়িয়ে যাবেন না । বিশ্বের যে দেশেই যখন হিন্দুরা নির্যাতিত হয় তখন কোন তরুণকে প্রতিবাদ করতে বলা হলে সে বলে, "প্রতিবাদ করে কি হবে!"শেয়ার করে কি হবে?"কি লাভ? লাভ নাই!" এগুলো হেন তেন অযুহাত দেখিয়ে ভয়ে চুপসে থাকে!! কিন্তু আমরা এর উল্টো চিত্র দেখতে পাই আফগানিস্তানে।আফ গানিস্তানের তরুণ থেকে শুরু করে বৃদ্ধ হিন্দুরাও নিজ অধিকার আদায়ে লড়ে যাচ্ছে,এ অধিকার তাদের নিজ মাতৃভূমি আফগানিস্তানে নিজের অধিকার। ফাগিরচান্দ চান্দিহুক একজন ডাক্তার,কাবুল মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।একজন হিন্দু বীর যোদ্ধা ও আফগান হিন্দু ও শিখ সোসাইটির সদস্য।বয়সে বৃদ্ধ হলেও তাকে বয়স আটকে রাখতে পারেনি। হিন্দুদের অধিকার আদায়ে লড়ে যাচ্ছেন এই বীর। আফগানিস্তানে হিন্দুদের উপর চলে প্রতিনিয়ত অবহেলা ও আক্রমণ। আফগানিস্তানের হেমল্যান্ড প্রদেশে হিন্দুদের স্কুলে যেতে দেয়া হয় না! কাবুলে ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দির আশা মাই মন্দিরে,আশা মাই ওয়াট কাবুলের সেখানেই মন্দির উন্নয়ণে কোন কাজ হচ্ছে না, আফগানিস্তান জাতীয় সংসদের হিন্দু আইনপ্রণেতা ও সাংসদ আনারকলি কাউর হনারইয়ার বলেন,আফগানিস্তানে হিন্দু ও শিখদের জোর করে মাতৃভূমি ছাড়া করা হচ্ছে!একঘরে করে রাখা হয়েছে!জোর করে জমি দখল করা হচ্ছে,হিন্দু ও শিখদের জোর করে ধর্মান্তরও করা হচ্ছে!" এই অবস্থায় হিন্দু ও শিখদের প্রতিবাদ করা ছাড়া আর কোন পথ নেই। আফগানিস্তান একজন বলেন,এই আফগানিস্তান আমার মাতৃভূমি,আমার জন্মভূমি!তিন তিনটা বড় যুদ্ধেও এই দেশ ছাড়িনি!আর ভবিষ্যতেও ছাড়বো না।প্রাণ থাকতে এই আফগান ছাড়বো না। ‪#যদি‬মনে করেন কথাগুলি যথার্থই বলেছি তাহলে আশা করি শেয়ার করবেন ।