Monday, 17 August 2015

মনসা দেবীর পরিচয়ঃ

*মনসা দেবীর পরিচয়ঃ মনসা-লৌকিক দেবী হিসেবে খ্রীষ্টপূর্ব ৩০০০অব্দে সিন্ধু সভ্যতার অন্তর্গত আদিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে যাঁর প্রচলন পরবর্তীতে পৌরাণিক দেবী হিসেবেও খ্যাত । পদ্মপুরাণ, দেবীভাগবত পুরাণ ও ব্রহ্মবৈবর্তপুর াণসহ কয়েকটি উপপুরাণে এই দেবীর উল্লেখ রয়েছে। তবে ইতিহাসবেত্তাদেরমতে, মনসা দেবীর বর্তমান মূর্তিরূপে পূজার প্রচলন ঘটে দশম-একাদশ শতকে ।সাধারণত সর্পকুলের অধিষ্ঠাত্রী দেবীরূপে প্রচলিত হলেও তাঁকে কৃষির দেবীও বলা হয়। পুরাণ মতে, মনসা জরত্কারু মুনির পত্মী, আস্তিকের মাতা এবং বাসুকির ভগিনী । ব্রহ্মার উপদেশে ঋষি বশিষ্ঠ সর্পমন্ত্রের সৃষ্টি করেন এবং তাঁর তপস্যার দ্বারা মন থেকে অধিষ্ঠাত্রী দেবীরূপে মনসার আবির্ভাব ঘটে। মন থেকে সাকার রূপ লাভ করেছেন বলে এর নাম হয়েছে মনসা। মনসাকে আবার শিব দুহিতা রূপেও কল্পনা করা হয়। মনসার অপর নাম কেতকা, বিষহরি, পদ্মাবতী প্রভৃতি। ★মনসা পূজাঃ আষাঢ় মাসের পূর্ণিমার পর যে পঞ্চমী তিথি (শ্রাবণ) তাকে নাগপঞ্চমী বলে। নাগপঞ্চমীতেউঠানে সিজগাছ স্থাপন করে মনসা পূজা করা হয়। ভাদ্রমাসের কৃষ্ণা পঞ্চমী পর্যন্ত পূজা করার বিধান আছে। বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে একমাস যাবত্ পূজা করে পূজাসমাপনান্তে বিশেষভাবে পুজো করা হয়অথবা শুধুমাত্র শেষ দিনে পুরোহিত দ্বারা পূজা করা হয়। উল্লেখ্য, নাগকুল কশ্যপমুনির জাত যা সাধারণ সাপ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন যেমনঃ অনন্ত, শিষ, বাসুকি প্রভৃতি উদাহরণস্বরূপ বিষ্ণুর মস্তকের উপরে থাকে শিষ নাগ । ★বাংলা সাহিত্যে মনসাঃ ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষার্ধে কানা হরি দত্ত রচিত মনসা মঙ্গল, নারায়নদেবের পদ্মপুরাণ, বিপ্রদাস বিপলাই রচিত মনসা বিজয়, কেতাকদাস, ক্ষেমানন্দ প্রমুখসহ পূর্ববঙ্গের (বর্তমান বাংলাদেশের) প্রায় বাইশ জন কবি রচিত মনসাকে নিয়ে মঙ্গলকাব্য ও পালাগান তত্কালীন বাংলার আর্থ -সামাজিক প্রতিচ্ছবিকে প্রকাশ করে । ★পরিশেষঃ ভগবান গীতায় ১০ম অধ্যায়ের ২৮-২৯ শ্লোকে বলেছেন, সর্পের মধ্যে বাসুকি, নাগের মধ্যে তিনিঅনন্ত। আবার, তিনি খুব সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন যে, আকাশ যেমন সবকিছুকে আচ্ছাদিত করে থাকলেও কোন কিছুর সাথে লেগে নেই তেমনি সবকিছুর শক্তি তাঁরই অথচ তিনি কোনকিছুর সাথে জড়িত নন। দেবী মনসার পুজো কালক্রমে বাঙালি সনাতনী সংস্কৃতির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেরালা, তামিল নাড়ু সহ দক্ষিণভারতে, নেপালের কাঠমুন্ডুতে আজ নাগপঞ্চমী অন্যতম প্রধান উত্সব। বাংলাদেশে অনেক আদিবাসী সম্প্রদায়ের পল্লীতেও গড়ে উঠেছে অনেক মনসা দেবীর মন্দির। এমনকি বৌদ্ধ ও জৈন দর্শনেও দেওয়া হয়েছেমনসা দেবীকে বিশেষ মর্যাদা । ভগবান গীতায় বলেছেন , "যে যথা মাং প্রপদ্যন্ত...পার্থ সর্বশঃ ॥"(৪/১১) আবার, ভগবান গীতার ৭ম অধ্যায়ের ২১-২২ নং শ্লোকে বলেছেন,"যে যে ভক্ত যেই যেই দেবতাকে পূজা করিতে চায়, সেই দেবতাকে পূজা করিবার অচলা ভক্তি আমি তাকে দিয়াথাকি। সেই ভক্ত ভক্তির সহিত সেই দেবতাকে পুঁজিয়াই ইষ্টলাভ করে । "তাই মনসা দেবীর পুজো যে যে ভক্ত করে থাকেন সকলকেই জানাই ‪#‎ শ্রীশ্রী‬মনসা দেবীর পূজা উপলক্ষ্যে আন্তরিক শুভেচ্ছা ।

একটা দেশে কতোগুলো গণতান্ত্রিক রাজবংশ আছে

একটা দেশে কতোগুলো গণতান্ত্রিক রাজবংশ আছে, তা দেখেই বোঝা যায় ঐ দ্যাশে পলিটিক্স আর ডেমোক্রেসির কন্ডিসান কতোখানি সুপারফাইন। আমরা মূর্খ মানুষ, গরিব জনগণ, চাঁড়ালের চাঁড়াল, বেশি কিছু জানি না, তবে এই কথাটাই আমাদের মনে হইতেছে। …এই কথাটা আগে অন্য কোন মানুষজনের মনে হয়েছে কি না আমারা জানি না; তবে আমাদের মনে হচ্ছে। যেই দ্যাশে রাজবংশগুলি যতো বেশি একে অন্যরে পুঙ্গির ভাই, হৌরের পো, সমন্ধির পুত আর প্রিয় আদরের না মে ডাকে, সেই দ্যাশে গণতন্ত্র ততো বেশি বিশুদ্ধ, ততো বেশি পারফেক্ট। আমাগো দ্যাশে ড্যামক্রেসি যেমন বেশি তেমনি পারফেক্ট। আমাদের দেশে খালি চারখানা রাজবংশ নাই; দেশে আরও অনেক ছেড়াফাড়া, ভাঙ্গাচোর, চ্যাপ্টা, ছ্যাচালাগা, কানা, আতুর, লুলা, ধ্বজভঙ্গ রাজবংশ আছে। দেশ ছোট হতেই পারে, কিন্তু রাজবংশের অভাব নাই। দ্যাশ গরিব হতেই পারে তবে ড্যামক্রেসির ঘাতটি নেই। ...আমরা গরিব মানুষ, সাধারণ জনগণ, দিনে আনি দিনে খাই, কোন দিন আনতে পারি না তাই খাইতেও পারি না, আমাদের গায়েগতরে গোস্ত নাই। মাথার ঘিলুও নাই; কতো রাজবংশের নাম মুখুস্ত রাখবো? কতো রাজপুরুষের নাম মাথায় রাখমু? রাজপুরুষরা তো চারিদিকে পায়খানর পোকার মত কিলবিল করেন। এমন হইতে পারে তাগো কথা একেবারেই মনেই আসে নাই, আবার এমনও হইতে পারে তাঁদের কথা খুব মনে পড়চ্ছে, মিনিটের জন্যেও ভুলি নাই, কিন্তু বলার দরকার বোধ করি নাই। বলে কী লাভ, সময় নষ্ট হইতো। আমাগো চোখে ওইগুলি আজকাল পকেটমারি ছিমকা চোরের সমান হয়ে গেছে, আমরা দেশের মানুষজন ওইগুলিরে আর গনায় ধরি না। ওইগুলি টিকে আছে মাঝে মধ্যে ছোটখাটো চুরি চামরি চিন্তাই করার জন্যেই। দেশে একটু একটু আধটু চুরিচামরি না থাকলে কোন মজা থাকে না। ওইগুলি আমাদের মনে মজা দেয়। -রাজনীতিবিদগণ (উপন্যাস), হুমায়ুন আজাদ

সত্য বলা যাবে না।

আসল কথা হচ্ছে সত্য বলা যাবে না। ঐ সব নবী অনুভূতি, ইসলাম অনুভূতি সব বাজে কথা। আসল কথা হচ্ছে সত্য বলা যাবে না। নুলা রাজাকার এখন শেখ পরিবারের আত্মীয়। ক্ষমতার রক্তনালী তাই রাজাকার দেহেও প্রবাহিত। তাই ক্ষমতাবানের বিরুদ্ধে সত্য বলা যাবে না। আল্লার নবী ক্ষমতাবান মানুষ। তার মুরিদরা ক্ষমতা ও প্রতিপত্তির অধিকারী তাই ৫৭ ধারা একমাত্র তাদের হুকুমেই উঠে-বসে। এদেশে কৃষ্ণ, যীশু, বুদ্ধর ক্ষমতা ও প্রতাপ কম। কাজেই তাদের বিরুদ্ধে সত্য প্রকাশ করলেও আমাদের রিস্ক নেই। অনেকেই বলেন ছোট রাজাকার, বড় রাজাকার বলতে কিছু নেই- সব রাজাকারই সমান। কথাটা সত্য রাজাকারদের অপরাধের সংজ্ঞায়। কিন্তু সামাজিক বাস্তবতা বলে যে সব রাজাকার এক জিনিস না। শেখ পরিবারে অনেক আগেই রাজাকার রক্তের ছোঁয়া লেগেছে। এক বেয়াই বেঁচে থাকতে আরেক বেয়াই কিছুতে ট্রাইব্যুনালে যেতে পারে না। প্রবীর শিকদারের মত সংখ্যালঘু (উনি যে কোন পরিচয়েই সংখ্যালঘু!) সাহসী মানুষ ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে সত্য বলেছেন, উনাকে ৫৭ ধারা বাধবে সেটাই স্বাভাবিক। যেমন আমরা ধর্মের ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে কথা বলে নিজেদের মাথাকে নিলামে তুলে দিয়েছি। দেশে আরো একবার প্রমাণ হলো, শুধু ধর্ম বা ইসলাম নিয়ে লিখলেই বিপদে পড়তে হবে এটা সত্য নয়। সত্য হচ্ছে ফুল-ফল-লতা-পাতানিয়ে লিখলেই কেবল আপনি নিরাপদ। কারণ ওদের কোন অনুভূতি নেই!… Susupto Pathok

Sushma wants Gita as national book. DO YOU? - Rediff.com

http://m.rediff.com/news/report/sushma-wants-gita-as-national-book-do-you/20141208.htm

RSS is on a roll: Number of shakhas up 61% in 5 years : A Report in Times of India | Vishwa Samvada Kendra

http://samvada.org/2015/news/times-of-india-report-on-rss/

মুম্বই হামলা

মুম্বই হামলার মাথা, জামাত-উদ-দাওয়া প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ মহম্মজ সঈদের লাহোরের জনসভায় টেলিফোনে ভাষণ দেওয়ায় কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদীনেত্রী আসিয়া আনদ্রাবিকে গ্রেফতারের দাবি উঠল। গত ১৪ অগাস্ট সঈদের ডাকে ওই জনসভায় আসা লোকজনকে পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানান আসিয়া। তাঁর ভাষণ চলাকালে মঞ্চে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে সঈদকে। জনসভায় ভাষণ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে আসিয়া শ্রীনগরের বাচপোরা এলাকায় নিজের বাড়িতে পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন করেন। সেখানে জড়ো হন পাকপন্থী মহিলা সংগঠনটির একাধিক সদস্য। এদিকে সঈদের জনসভায় আসিয়া ভাষণ দেওয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তাঁর গ্রেফতারি চেয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীর বিজেপির সভাপতি যুগল কিশোর। তিনি বলেছেন, এ তো রাষ্ট্রদ্রোহিতার সমান। আসিয়াকে দ্রুত গ্রেফতার করে তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা রুজু করা হোক। http://abpananda.abplive.in/national/2015/08/16/article686396.ece/Andrabi-addresses-Saeed-rally-over-phone-triggers-controversy

১৬ই আগস্ট হিন্দু সংহতির মহা মিছিল ...

১৬ই আগস্ট হিন্দু সংহতির মহা মিছিল ... এক সাফল্যের সঙ্গীত... দিন বদলের ইঙ্গিত...। স্বর্গীয় হিন্দু সূরবীর শ্রী গোপাল চন্দ্র মুখোপাধ্যায়, যিনি ১৯৪৬’র ১৬ই আগস্ট ‘জিন্না’ ও ‘সুরাবর্দী’র প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবসে কলকাতার হিন্দু পরিত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন, মূলত যার কৃতিত্বেই আজকের এই কলকাতা পুর্ব পাকিস্থান বা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির হাত থেকে রেহাই পেয়েছিল,...তার স্মরণে আজ ৭০ বছর পর ‘হিন্দু সংহতি’ কত্তৃক আয়োজিত মহা মিছিলটি অত্যন্ত সুষ্ঠ ও শৃঙ্খলার সঙ্গে রাজা সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে বিকেল ৩টে’র সময় শুরু হয়। এবং শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে বিকেল পাঁচটায় শেষ হয়। সমগ্র বিষয়ে পুলিশ তথা প্রশাসনিক তৎপরতা ও সহযোগিতা ছিল চোখে পড়ার মত। স্বর্গীয় শ্রী মুখোপাধ্যায়ের প্রপৌত্র , শ্রী শান্তনু মুখোপাধ্যায় মিছিলটির শুভারম্ভ করেন। উক্ত পদযাত্রার মুখ্য অতিথি রূপে উপস্থিত ছিলেন দিল্লীর সর্বভারতীয় জাতীয়তাবাদী হিন্দু সংবাদ মাধ্যম ‘সুদর্শন টি ভি চ্যানেলে’র CEO শ্রী সুরেশ চাভাঙ্কে মহাশয়। বিশেষ অতিথির আসন অলংকৃত করেছিলেন সর্বভারতীয় ক্ষত্রিয় সমাজের ভাইস প্রেসিডেন্ট শ্রী এস এস রাজপুত মহাশয়। মূল আকর্ষণ ও সভার প্রধান বক্তা হিসেবে অবশ্যই উপস্থিত ছিলেন সমসাময়িক ভারতবর্ষের আপামর হিন্দু নয়ন মণি ও ‘হিন্দু সংহতি’র মাননীয় প্রেসিডেন্ট শ্রী তপন কুমার ঘোষ মহাশয়। বক্তারা তাদের বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে স্বর্গীয় হিন্দু ত্রাতা শ্রী গোপাল চন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ সহ ভারতবর্ষ তথা এই পশ্চিমবঙ্গের ক্রমবর্ধমান ইসলামিক আগ্রাসনের বিপদ ও তার প্রতিকারের বিভিন্ন পথনির্দেশিকার সন্ধান দেন। পাশাপাশি দর্শকাশনে উপবিষ্ট বিবিধ গুণী জনের শিরোমণি স্বরূপ উপস্থিত ছিলেন ‘নিঃশব্দ সন্ত্রাস’ সহ বহু বিখ্যাত গ্রন্থের রচয়িতা তথা ১৯৪৬ এর নোয়াখালি হিন্দু গনহত্যার প্রত্যক্ষদর্শী তথা উদ্ধারকর্মী, এক চলন্ত ইতিহাস ... নবুতিপর চির যুবক শ্রী রবীন্দ্র নাথ দত্ত মহাশয়। শ্রী ঘোষের জ্বালাময়ি বক্তৃতা ও তৎসহ মুহুর্মুহু সমবেত হিন্দুকন্ঠের গগনবিদারী বাঁধ ভাঙ্গা উচ্ছ্বাস, শঙ্খধ্বনি... বার বার যেন তুবড়িতে আগ্নিসংযোগের উদাহরণ মনে করিয়ে দিচ্ছিল। ... নেতাজী সুভাষচন্দ্রের মূর্তি শোভিত সমগ্র শ্যামবাজার চত্বর যেন আজ হিন্দু-গেরুয়ার ত্যাগ-তপস্যা ও শাশ্বত বলিদানের এক আদর্শ ধাত্রীভুমি হয়ে দাঁড়িয়েছে...।। পরিশেষে পাকিস্থান ও আইসিসের পতাকা সহ হিন্দু খাদক জিন্না, সুরাবর্দি ও দাউদ ইব্রাহীমের ছবিও আগুনে পোড়ানো হয়। সম্পুর্ন অরাজনৈতিক ভাবে আয়োজিত প্রায় ১৫ হাজার বিভিন্ন বয়েসের তরুনহৃদয়ের এই মহা মিছিল ছিল সম্পুর্ন ভারতবর্ষ তথা এই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে জেহাদি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এক স্বতঃস্ফুর্ত ও তেজোদীপ্ত বহিঃপ্রকাশ মাত্র। পাশাপাশি এই মহা মিছিলে যোগদানকারিণী যুবতী ও মহিলাদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি সম্পুর্ন বিষয়টিকে একটি ভিন্ন মাত্রা প্রদান করে। ... যা অত্যন্ত যুগোপযোগী এবং প্রাসঙ্গিকও বটে।