Saturday, 25 July 2015

পাক সার জমিন সাদ বাদ [হুমায়ুন আজাদ] পর্ব ১১

এক অকুতোভয় অনন্যসাধারন বামপন্থী কথাশিল্পী 'হুমায়ূন আজাদ' ও তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ পাক সার জমিন সাদ বাদ [হুমায়ুন আজাদ] পর্ব ১১ আমি বলি, ‘মহাশয়েরা, আপনারা কেমন আছেন, তা দেখতে এলাম; ভালো আছেন সবাই?’ একেকজন ভয়ে ভয়ে বলে, ‘সেইটা আমাদের ভাইগ্য, আপনেরা আমাগো বাড়িতে আসবেন, কোনোদিন চিন্তা করতেও পারি না, আপনাগো পায়ের ধুলায় আমাগো বাড়ি পবিত্র হইল।’ আমাদের অনেকের জামার ভিতর থেকে নানা রকমের শান্তিপ্রদ জিনিশ উঁকি দিচ্ছিলো- দু-একটা পিস্তল, দু-একটা কাটা রাইফেল, দু-চারটি ক্ষুর, কয়েকটি এম-১৬ আর বেশি না। একেকজন বলে, ‘আপনেরা কষ্ট কইর্যা আসছেন, কি দিয়া যে আপনাগো আপ্যায়ন করি। একটু চা দেই।’ দু-চারটি মালাউন(হিন্দু) বউ মেয়ে দেখার ইচ্ছে আমাদের সবারই ছিল। আগে থেকে দেখে রাখলে পরে কাজ দেবে। আমি বলি, ‘তালিকায় ২৫ নম্বরে আছেন শ্রীমতি পদ্মাবতী দেবী, তার সাথে কি একটু কথা বলতে পারি?’ পদ্মাবতী দেবী আমাদের সামনে আসেন, আমরা দেখি বেশ ভালো। আমি বলি, ‘আপনার পিতার নাম কৃষ্ণচন্দ্র দাস?’ পদ্মাবতী দেবী খুবই লজ্জা পান, তার লজ্জা পাওয়াটা দেখার মতো, কিন্তু তখনও ভালো করে দেখার সময় আসেনি। তিনি সলজ্জভাবে বলেন, ‘অইটা ভুল অইছে, অইটা আমার স্বামীর নাম।’ আমি জাই পিতার জাউগায় স্বামী, আর স্বামীর জায়গায় পিতার নাম বসানো আমাদের নির্বাচন কমিশনের একটি বড়ো কৃতিত্ব। তারা আজও পিতা আর স্বামীর পার্থক্য বোঝে না; তবে দল বোঝে, দালালি বোঝে, ক্ষমতা বোঝে, আর কারা ক্ষমতায় সবে তাও বোঝে। আমি বলি, ‘এই জন্য আমরা ক্ষমা চাই, মাফ কররে দেবেন। আপনারা ভোট দবেন কোন দল কে?’ পদ্মাবতী চালাক মাল, বলেন, ‘আপনাগো দলেরই দিমু’। আমি বলি, ‘তাহলে তো আপনার ভোট পেয়েই গেলাম, কষ্ট করে আর আপনার ভোট দিতে যাওয়ার দরকার নেই’। পদ্মাবতী দেবী বলেন, ‘হুজুর, অনেক কষ্ট থিকা বাচাই দিলেন, লাইনে দাড়াইতে দাড়াইতে মাজা বেদনা অইয়া যায়; তার উপর আমার এখন আটমাস চলতেছে, হাডতেই পারি না’। আমার এক জিহাদি হতাশ হয়, পদ্মাবতীকে তার পছন্দ হয়েছিল, কিন্তু মাগিটা আট মাস বাঁধিয়ে বসেছে, আট মাসের পেটের উপর চড়তে পারবে কি না বুঝতে পারে না; আররেক জিহাদি খুশি হয়, আট মাসের পেটের উপর চড়তে কেমন লাগে তা সে দেখতে চায়। দেখার সময় আসতে আসতে পদ্মাবতীর সাড়ে আট মাস হয়ে যবে। এটা একটা সুন্দর জিনিশ; কেউ খাল্লি পেট পছন্দ করে, কেউ ভরা পেট পছন্দ করে; আল্লার দুমিয়ায় বৈচিত্রের শেষ নাই।

Chachuliya Update : চাকুলিয়া আপডেটঃ

চাকুলিয়া আপডেটঃ হিন্দু সংহতি’র কর্মীরা এই নিয়ে দ্বিতীয়বার দাঙ্গা বিধ্বস্থ চাকুলিয়ায় তাদের ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে পৌঁছুলেন। যেখানে ইতিমধ্যেই ১০টি সাঁওতাল হিন্দু পরিবার মুসলমানের আক্রমনে সর্বস্বান্ত হয়ে পথে বসেছেন। সংহতি কর্মীরা তাদের মধ্যে চিঁড়ে, চিনি, আলু সহ সামান্য কিছু আনাজপাতি বিলি করেন। দেখা গেল, স্থানীয় বিডিও সাহেব ইতিমধ্যেই তাদের জন্যে কিছু কালো পলিথিনের চাদরের বন্দোবস্থ করেছেন। উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়ার বেলন অঞ্চলের সিরসি গ্রামে নিরীহ আদিবাসী সাঁওতালদের দশটি পরিবার ১৪ একর জমির উপর দীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে কোনো ক্রমে দিনাতিপাত করে বসবাস করছেন। কিছুদিন যাবৎ কিছু বাংলাদেশি মুসলমান সম্প্রদায়ের লোক নানাভাবে উত্তক্ত করে তাঁদের সেখান থেকে বিতাড়নের চেষ্টা করতে থাকে বলে অভিযোগ। বিগত ২১শে জুলাই সকাল দশটা নাগাদ ঐ আদিবাসী পরিবারের সকল বয়ষ্ক পুরুষ ও মহিলারা যখন বাইরে মাঠে কাজ করতে যান তখন সাব্দুর আলির নেতৃত্বে তার চার পুত্র সহ প্রায় ২০০-২৫০ জন মুসলমান ওই আদিবাসী পাড়ায় চড়াও হন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। দশটি পরিবারের বাড়িগুলির যথাসর্বস্ব লুট করে পরে আগুন দিয়ে সম্পূর্ণ ধংস করা হয়, বাড়ির সমস্ত আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। একেবারে নিঃশেষ করে দেওয়া হয়। বসত বাড়ি ছাড়া অবশিষ্ঠ জমিটুকুতে যে ধানচাষ করা হয়েছিল সেখানে ট্রাক্টর চালিয়ে ফসল সম্পূর্ণভাবে নষ্ট করে দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে দরিদ্র নিরীহ আদিবাসী মানুষগুলোর ঠিকানা হল মাথার উপরে খোলা আকাশের ছাদ, আর পায়ের তলায় নিজেরই বাড়ির পুড়ে যাওয়া ছাই। প্রতিবার মুসলমান এমনি ভাবেই দুর্বল হিন্দুর উপর আক্রমণ করবে আর সঙ্খ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুর করের টাকায় সরকার আক্রান্ত হিন্দুদেরই ত্রানের ব্যাবস্থা করবেন, ... খুব ভালো কথা! কিন্তু তাদের প্রতি বারংবার সংঘটিত এই অত্যাচারের সঠিক বিচারটি দেবে কে ? এই হতদরিদ্র মানুষগুলির দুরবস্থা দেখুন! এই ভরা বর্ষায় এইরকম খোলা আকাশের নিচে সাপ-খোপের মধ্যে আজ তারা হিন্দু সংহতির দেওয়া সামান্য চিনি-চিঁড়ে খেয়ে রাত কাটাবেন। ....কিন্তু এসব কেন? কেন এমন বার বার হয়? কারন একটাই ... আমাদের বিকৃত ধর্মনিরপেক্ষতারআদর্শ! ভারত বর্ষের সংবিধান বা কোন আইনের বাবার সাধ্য নেই যে এইরকম দুর্গতি থেকে হিন্দুদের বাঁচায়! সাধারন মুসলিম তো বটেই, এমনকি বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলমানেরাও এই রাষ্ট্রযন্ত্রেরফাঁক গলে (নির্লজ্জ তোষণে) যে কোন ধরনের অপরাধ এবং হিন্দুদের উপর নৃশংস অত্যাচার চালাতে পারে। সে যাই হোক, পুলিশ যদিও এই নিরীহ ও অতি দরিদ্র প্রান্তিক উপজাতী ভুক্ত মানুষ গুলিকে মুসলমানের জেহাদি আক্রমনের হাত থেকে বাঁচাতে পারেনি, তথাপি আশার কথা, তারা কিন্তু যথেষ্ট তৎপরতার সঙ্গেই কড়া হাতে এই নিন্দনীয় ঘটনাটি'র বিচার বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছেন। মিঃ শুভেন্দু মন্ডলের মত একজন ডি এস পি পদমর্যাদার পুলিশ অফিসারকে এই মামলাটির তদন্তকারী আধিকারিক (Investigation Officer) হিসেবে নিয়োগের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন যে বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন, তা পরিস্কার।( Case no. - 386/15, dated 21.05.15. U/S - 143/148/ 149/ 447/ 448/ 436/ 427/ 354/ 379 IPC read with Sec 3(IV), (V), (XI) of Prevention of atrocities on SC & ST(1989) Act. )। এমত অবস্থায় হিন্দু সংহতির মহানির্দেশক শ্রী তপন কুমার ঘোষ মহাশয়, চাকুলিয়ার OC’র সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে জানতে পেরেছেন যে, আপাতত ১৩ জন মুসলমানের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং যার ভিতরে ইতিমধ্যেই ৮ জন দুষ্কৃতিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সবচেয়ে আশ্চর্য বিষয় এই যে, উক্ত ৮ জন বন্দির মাঝে ৫ জনই মহিলা! বাকিরা ... পালিয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হল, এই নিরাপরাধ সহজ সরল আদিবাসী মানুষগুলির কাছে এখনো পর্যন্ত হিন্দু সংহতি ছাড়া আর অন্য কোন সঙ্ঘঠনের পক্ষ থেকে ছিটেফোঁটা সাহায্যও এসে পৌঁছালো না.....!! .... কৃতজ্ঞতা শ্রী বিশ্বনাথ মৃধা এবং শ্রী তপন কুমার ঘোষ....

গোধরাকাণ্ডে অভিযুক্ত গ্রেফতার মধ্যপ্রদেশে

গ্রেফতার ২০০২-এর গোধরাকাণ্ডের এক অভিযুক্ত।গোধরায় ২০০২-এ সবরমতী এক্সপ্রেসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় অভিযুক্ত হুসেন সুলেমান মোহনকে মধ্যপ্রদেশের ঝাবুয়া এলাকা থেকে ধরেছে গোধরা অপরাধ দমন শাখা (লোকাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ বা এলসিবি)। গোধরা এলসিবির পুলিশ ইনসপেক্টর ডি জে চাভদা জানিয়েছেন, ২০০২-এর ট্রেনে অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল অভিযুক্ত সুলেমান। কিছুদিন হল ঝাবুয়ায় এসে থাকছিল। পরিচয় লুকোতে অটো চালাতেও শুরু করে সে। গোপন সূত্রে এ খবর পেয়ে তদন্ত শুরু করে এলসিবি। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত সুলেমানকে বিশেষ তদন্তকারী দল(সিট)-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে গত এক সপ্তাহে সবরমতী এক্সপ্রেস হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেফতার করল গোধরা এলসিবি। গত ১৬ জুলাই গোধরা টাউন থেকে অভিযুক্ত কবির আব্দুল গনিকে গ্রেফতার করে সিট-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়। ~ via abp annada

মহানায়ক উত্তম কুমারের ৩৪ তম প্রয়াণ দিবস আজ

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা মহানায়ক উত্তম কুমারের ৩৪ তম প্রয়াণ দিবস আজ। ১৯৮০ সালের এই দিনে সবাইকে কাঁদিয়ে চলে যান মহানায়ক। অভিনয়, মেধা ও যোগ্যতাবলে জীবদ্দশায় উত্তম কুমার নিজেকে অন্যরকম এক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি একাধারে চলচ্চিত্র অভিনেতা, চিত্রপ্রযোজক ও পরিচালক ছিলেন। তার অভিনীত ছবির বেশিরভাগই দর্শকনন্দিত। বিশেষ করে তাঁর ও সুচিত্রা সেনের জুটি আজও স্মরণীয় হয়ে আছে দর্শক হৃদয়ে। বাংলা চলচ্চিত্রের অনেক দিন পার হয়ে গেলেও এই জুটির জনপ্রিয়তাকে এতটুকু স্পর্শ করতে পারেনি অন্য কোন জুটি।

সব মুসলমান খারাপ নয় ....!

সব মুসলমান খারাপ নয় ....! - আমি কি তাই বলেছি নাকি? যে, সব মুসলমান খারাপ? কখনও বলি নি বা বলবোও না। - কিন্তু সাবধান থাকা অবশ্যই উচিৎ। ব্যাপারটা কেমন জানেন? আপনার শোবার ঘরে তো কত ‘মশা’ই ঘুর ঘুর করে, তাদের মধ্যে কি সব মশা কামড়ায়...?? নিশ্চয়ই নয়। তবে কেন আপনি মশারী টাঙ্গিয়ে বা Good Night/All Out জ্বালিয়ে ঘুমান...??

এ দেশের মুসলমানরা আজও খাঁটি বাঙ্গালি হতে পারেনি

এ দেশের মুসলমানরা আজও খাঁটি বাঙ্গালি হতে পারেনি।না,শুধু এদেশ নয়,বাংলাদেশ,পশ্চিমবঙ্গ কিংবা পৃথিবীর কোন প্রন্তের মসলমান কখনো বাঙালি হতে পারে না।-যার কারণ এরা জলকে বলে পানি অথচ পানি হিন্দী ভাষা।জলখাবারকে বলে নাস্তা অথচ নাস্তা হিন্দী ভাষা।আবার লবণকে বলে নুন অথচ নুনও হিন্দী ভাষা। __এরপর ডিমকে বলে আন্ডা পায়রাকে বলে কবুতর পরিশ্রমকে বলে মেহনত আকাশী রংকে বলে ফিরোজা আকাশকে বলে আসমান অভিশাপকে বলে গজব নিমন্ত্রকে বলে দাওয়াত বন্ধুকে বলে দোস্ত ছুরিকে বলে চাকু খাবারকে বলে খানা কলসিকে বলে ঠেল্লা বিরক্তকে বলে পেরেশান গুড়কে বলে মিঠাই আয়কে বলে কামাই বৌদিকে বলে ভাবী অজ্ঞানকে বলে বেহুশ ইত্যাদি।...... _____________ অন্যদিকে আমরা হিন্দুরা কিন্তু হিন্দী ভাষা বলি না।আমরা জল,ডিম,অভিশাপ,নিমন্ত্রণ ও বৌদি এ রকম বাংলা ভাষা বলে থাকি।অতএব,হিন্দুরাই হচ্ছে খাঁটি বাঙ্গালি। __ কদিন আগে বাংলাদেশে বাংলা সংস্কৃতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তাই হাইকোর্ট মোবাইলে হিন্দী গানের রিংটোন নিষিদ্ধ করেছে!অথচ নিজেরাই 75% হিন্দী ও উর্দু ভাষা ব্যবহার করে যাচ্ছে তখন বাংলা সংস্কৃতি নষ্ট হয় না! আরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মানুষও হিন্দী ব্যবহার করে না।তারা জলকে পানি আর অভিশাপকে গজব বলে না। অনেকদিন থেকেই এ বিষয়ে লিখব ভাবছিলাম।তা আজ একজন মসলমান আমাদের একটি পোস্টে ভারতীয় সেনাদের সাথে "শহীদ" শব্দ ব্যবহার করায় নাখোশ হয়ে বলেছেন শহীদ মসলমানের শব্দ।আচ্ছা ঠিক আছে তর্কের খাতিরে মেনে নিলাম শহীদ মসলমানের বাপের নামে পেটেন্ট করা।ঐ শহীদের বদলে হিন্দুরা 'অমর'শব্দটাও ব্যবহার করতে পারবে কিন্তু হিন্দুরা যদি এখন সূর্য,চন্দ্র,কার্তিক,জ্যোৎস্না,আগুন ইত্যাদি সব শব্দের উপর পেটেন্ট দাবি করে মসলমানদের তো তাহলে বোবা হয়ে যেতে হবে।কারন বাংলা ভাষার ৮০ ভাগ শব্দই হিন্দু ভাষা সংস্কৃতর। ‪#‎ RSS

ইসলাম অনুযায়ী নারীদের জন্যে বহু বিবাহ নিষিদ্ধ

ইসলাম অনুযায়ী নারীদের জন্যে বহু বিবাহ নিষিদ্ধ, বিবাহ পুর্ব বা বিবাহ বহির্ভুত যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ, স্বামীর গায়ে হাত তোলা নিষিদ্ধ, যদিও এই সব গুলোই পুরুষের জন্য নিষিদ্ধ নয় (Quran 4:3, 23:1-11, 4:34) ! একজন পুরুষ নারীর দিগুন সম্পত্তির পাবে (Quran 4:11) এবং কোর্টে সাক্ষ্য গ্রহনের ক্ষেত্রে দুইজন নারী একজন পুরুষের সমান বলে বিবেচিত হবে (Quran 2:282) !......তাহলে মুসলিম সম্প্রদায়ের অনেক মানুষ কিভাবে দাবি করে যে ইসলামে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার দেওয়া হয়েছে এবং ইসলামে নারীদের অনেক সম্মান দেওয়া হয়েছে? আপনাদের কি মনে হয় না যে..এটা একটা বড় ধরনের অন্যায়/মিথ্যাচার ? আপনাদের কি মনে হয় না যে এতে নারীকে অসম্মান হয়েছে ? ........আসলে সত্যি কথা কেউ সহ্য করতে পারে না | আর তাই তো তসলিমা নাসরিন এই কথাটাই বলেছিলেন বলেই বাংলাদেশের মোল্লারা তাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে.. ....এমনকি সেকু কুকুর গুলো ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও তসলিম নাসরিন কে আশ্রয় দিতে সাহস পায়নি.. ..কেননা তাহলে পেছনে মোল্লারা গাল ফোলাবে !!!!!!!